এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • X | ১০ জুলাই ২০২৬ ০১:৫২557502
  • দক্ষিণরায়ের জয় হোক দারুণ গল্প
  • . | ১০ জুলাই ২০২৬ ০১:৩২557501
  • ভুল লিখেছি ১৮৮৯ এ জন্ম। ৫৬ বছরে মৃত‍‍্যু।
  • Manali Moulik | ১০ জুলাই ২০২৬ ০১:০৫557500
  • বুঝলাম। frown
  • . | ১০ জুলাই ২০২৬ ০০:৫২557499
  • মানালি ও অ‍্যালবার্ট,
     
    বাঙালি কেন আজকাল ব‍্যবসার পথে বাধার সম্মুখীন হয়, তার অন‍্যতম কারন একটু আগেই জানা গেল। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
  • . | ১০ জুলাই ২০২৬ ০০:৩১557498
  • অন‍্যজনের নাম সচ্চিদানন্দ ভট্টাচার্য। গোপালগঞ্জের সাধারণ পরিবারের ছেলে। স্বাধীনতার বেশ অনেক আগেই কোলকাতায় আগমন ভাগ‍্যান্বেষণে। গত শতাব্দীর গোড়ার দিকে। চুড়ান্ত পরিশ্রম করে ও নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গড়ে তোলেন একের পর এক বিজনেস। একবার একটা বিজনেস দাঁড়িয়ে গেলে গড়ে তুলতেন পরের বিজনেস।
    যে বিড়লা কে নিয়ে এত কথা হচ্ছিল, সেই বিড়লাকেও উনি সাহায্য না করলে বিড়লা দাঁড়াতে পারত না হয়ত। বা অ‍্যালবার্ট ডেভিড।
    কয়েকটা ব‍্যবসার কথা হয়ত আজকের দিনে কেউ কেউ জানতেও পারে। যেমন শ্রীরামপুরে বঙ্গলক্ষ্মী কটন মিল, পরবর্তীতে ভারত সরকারের অধিগ্রহণের পর ন‍্যাশানাল টেক্সটাইল কর্পোরেশন বা এখন এনটিসি। তারপরে বঙ্গলক্ষ্মী সোপ ওয়ার্কস — সেই বাংলা গোলা সাবান যেটা ছিল। আরও নানান বিজনেসের মধ‍্যে বঙ্গলক্ষ্মী ব‍্যাংক। বঙ্গলক্ষ্মী ইনশিওরেন্স যেটা ভারত সরকারের অধিগ্রহণের পরে লাইফ ইনশিওরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া বা এলআইসি।
    মাত্র ৪৯ বছর বয়সে মৃত‍‍্যু। ১৯৪৫ সালে সম্ভবত। জীবনে একখানাই ফোটো তুলিয়েছিলেন এতটাই প্রচারবিমুখ ছিলেন। পরের জেনারেশন ব‍্যবসা টিকিয়ে রাখতে পারে নি, এবং মোরারজি দেশাই অনেক ব‍্যবসারই সরকারি অধিগ্রহণ করান জোর করে।
    একটাই মূর্তি আছে মেট্রোপোলিটান বিল্ডিং এ ধর্মতলায় যেটা এলআইসি হাউস নামে পরিচিত।
    অসংখ‍্য কর্মী যারা ছিলো তাঁদের মধ‍্যে মোহিনী চৌধুরী ( মুক্তির মন্দির সোপাল তলে খ‍্যাত), লেখক মানিক বন্দ‍্যোপাধ‍্যায় প্রমুখের নাম উল্লেখ‍্য।
  • বাঘের গল্প | ১০ জুলাই ২০২৬ ০০:১৮557497
  • আপনাদের সেই বাঘ দেখার গল্পটা বলি তাহলে।

    বাঘের বয়স আমার থেকে কিছু কম-ই হবে। বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা-বাঘ, দাঁতনখহীন, অগত্যা মানুষখেকো, যদিও মনুষ্যমাংসে কিঞ্চিৎ অরুচি। আল্ট্রাপ্রসেসড ফুড গিলে গিলে উহাদের পেশি বড় বেশি, আর রক্তে বড়ই হিংসুটে হিমোগ্লোবিন। খেলেই গোপন গ্যাসের গন্ধ। ছেলে কিশোর বাঘ তাই জঙ্গলের সীমান্তে ঘুরে বেড়ায়, ভালো অর্গ্যানিক কেজ-ফ্রি শহুরে উদারচরিতানাম মানুষের সন্ধানে, কাঁকড়া-শিকারে উহার আর মন নাই। বাবার জন্য বারমুখো ব্যাটাছেলে ধরে বার্বিকিউ করলেই প্রাণের আরাম, আত্মার আনন্দ, মনের শান্তি। বাঘের সমাজ তাকে মেনে নেয়নি। সে না-ই বা নিলো। দার্শনিক নিৎচে বলেছেন বাঘের কথায় রাগ করতে নেই।

    যাই হোক, সাল ১৯৬৭। আমি তখন পড়াশুনোর পাট চুকিয়ে সুন্দরবনে পোস্টেড – বাঘশুমারির কাজে। জঙ্গলে জঙ্গলে ঘুরে বাঘের থাবার ছাপ দেখে দেখে ক’টা বাঘ মেপে বেড়াই। বিয়ে-থা করিনি, একা মানুষ। কোয়ার্টারের পাশে মাঠ-পুকুর। শাকসব্জি আর মাছ-মধু খাই। অর্গ্যানিকের হদ্দমুদ্দ।

    এইরকম একদিনের কথা। জানুয়ারি মাসের শুরু, সকাল চারটে বেজে গত ছেচল্লিশ। মশার কামড়ে ঘুম ভেঙে গেছে বলে হাতে একখণ্ড ব্রাদার্স কারমাজভ নিয়ে হাগতে গেছি। গিয়ে দেখি পটির প্যানের মধ্যে একটা বিশাল সাপ গুঁটুলি পাকিয়ে শুয়ে আছে যেন পাড়ার পোষা বেড়াল। সাপ হোক আর যাই হোক, কেষ্টর জীব ঘুমোচ্ছে ঘুমোক বলে আমি একহাতে লুঙ্গি, আরেক হাতে বিড়ি আর অন্য হাতে দস্তয়ফস্কি নিয়ে গেলাম জঙ্গলের মধ্যে বাহ্যকৃত্য করতে।

    সেই করতে গিয়েই, ঐ ঊষাকালে, আলো যখন ক্রমে আসিতেছে, নভোমণ্ডল যখন মুক্তাফলের ছায়াবৎ হিম নীলাভ, ঠিক সেই সময় দেখা হ’ল বাঘ বাহাদুরের সাথে।

    একটু হলেই হালুমের হাতে মলুম, সুদ্ধু হাতে দস্তয়েফস্কি ছিল বলেই কী না সেই যাত্রা আমাকে সে খেলে না। বললে, ঐ জিনিষ হজম করতে গেলে কড়া দু-দাগ কলকেতার হিউম্যানিটিজ়ের ডিগ্রি লাগবে, আর সে বেচারি নিতান্তই এঞ্জিনিয়ার। ফস্কি না ভস্কি তাই জানে না তো আর খাবে কী?

    যাই হোক, সন্দেহবাতিক কেউ যদি আমার এই কাহিনি বিশ্বাস না করেন, এই ছবিটিই তার প্রমাণ। এই ছবিটি ঐ বাঘেই তুলেছিল।
     
  • Manali Moulik | ১০ জুলাই ২০২৬ ০০:১৫557496
  • @Dhuttor, আজ সকাল থেকে লালবাজার আর কিছু ল ইন্সটিটিউট পাবলিক এনগেজমেন্ট ও ডেটা কালেকশন করতে করতে দিন কেটে গেছে। আবার রাতে এসেই দুটো মিটিং ছিলো এনজিও ইন্টার্ণের, তাই অনেক কিছু ভেবেও লিখতে পারিনি। কিছু কথা বলি, প্লিজ ভাববেন না অন‍্যরকম। এখন টাইম পেয়ে গুছিয়ে লিখতে বসলাম। আপনি লিখেছেন, অসূয়া বোধ ও মানসিক অস্বস্তির কথা। কেউ জীবনে অনসূয়া হতেই পারে না (আই থিংক, এনারও অসূয়া - হিংসা হয়েছিলো শকুন্তলাকে রাজা বিয়ে করার পর) দেখবেন, চিন্তা আর অ‍্যাংজাইটি থেকে কোনোসময়েই বেরোনো যায় না। ছাত্রজীবন বলুন, কর্মজীবন বা বৃদ্ধবয়স সবেতেই ধরে থাকবে। চিন্তা থাকেই। হেপাটাইটিস এ আর ই দুটোই এক্সট্রিম পর্যায়ে নিয়ে বারো থেকে পনেরো দিন হাসপাতালে পড়ে থাকা ও স‍্যালাইনের চ‍্যানেলের এতো ছেদ হাতে, যেন আমেরিকাও ইরাকের মাটিতে ক্ষত সৃষ্টি অতো করেনি। এইচএসের নাইন্টি ফাইভ পারসেন্টটা বোধহয় মাঠে মারা গেলো! (হাউহাউ করে কাঁদছিলাম, ভাবলাম গেলো সব!) হসপিটাল থেকে ডিসচার্জ হয়েছি 1st June, মা যদুপুরের ফর্ম ফিলাম করেছে লাষ্ট ডেটে অর্থাৎ 3rd June এন্ট্রান্স ছিলো ২০ শে জুন। প্রেসির পরীক্ষা 7 th July.বলার কারণ এই যে, লোকজন তেড়ে তেড়ে বললো, "এ বচ্ছর ড্রপ দাও!" নো। ড্রপ মানেই টাইম ওয়েষ্ট আবার অনার্স গ্র‍্যাজুয়েট এখন চারবছরের। সুতরাং উবের ক‍্যাব ভরসা। মা বাবা ভীষণ ভীষণ সাপোর্ট করেছিলো। ওই শরীরটাকে টেনে টেনে নিয়ে গিয়ে এক্সাম দেওয়া। দু ঘন্টায় একশো নম্বর নামাতে হবে। (প্রিপারেশন নেওয়া ছিলো এবং হসপিটাল থেকে ফিরেও নিয়েছি)। পরিশেষে যদুপুরে আইআরে র‍্যাঙ্ক এলো অষ্টম আর প্রেসিডেন্সির ইতিহাসে GMR rank 5 . কিন্তু যাদবপুর স্বপ্ন ছিলো, তাই। জানেন, যেদিন থেকে কলকাতায় নিজে যাতায়াত শুরু করলাম মনে পড়ছিলো একটি দুই বিনুনির স্কুল ইউনিফর্ম পড়া মেয়েকে, যার কোনো চিন্তনশীল ও নম্রতম মানুষকে দেখে শ্রদ্ধা ও অপরাধবোধ দুই-ই কাজ করেছিলো, আজও করে। যে সে কতো পিছিয়ে, জ্ঞানে গরিমায় চেতনায় নম্রতায় গভীরতায়.... সর্বদেহে যন্ত্রণা নিয়ে কতো যোজনমাইল হাঁটলে কোনো বৃষ্টিভেজা অনুষ্ঠানে নীল পোশাকের সেই মেয়েটিকে বর্ষামঙ্গলের সুরের মতো সেও তার মাথায় হাত দিয়ে অন‍্যান‍্য সুসজ্জিত ছাত্রছাত্রীদের মতো অভিষিক্ত করবে? প্রশ্ন জাগে, আদৌ ভালো পড়াশোনা করছি তো? ভবিষ‍্যতের স্বপ্নগুলো পূরণ করতে পারবো তো? আবার বিদেশে বাস করা অনেক উচ্চ প্রতিষ্ঠিত পরিচিতদের মুখেও শুনি, জীবনে ভালো নেই। হয়তো সব অবস্থাই আমরা মানিয়ে নিতে পারি। মানুষের মতো অ‍্যাডজাষ্ট করা প্রাণী নেই। তাসত্ত্বেও নিজেকে নিয়ে আমাদের চিন্তার শেষ নেই। অর্থ আর প্রতিপত্তি তো শেষ কথা নয়, সব হলেও কিছু কিছু জিনিস জীবনে চির অধরাই থেকে যায়। সেটিই প্রেরণা দেয় পরবর্তীর।
     
    হয়তো কিছু বেশী কথা বলে ফেললাম। কিন্তু একেবারে নিজের কথা। নিজের অনুভূতির কথা। প্লিজ কিছু মনে করবেন না।
  • Manali Moulik | ০৯ জুলাই ২০২৬ ২৩:৩১557495
  • অন‍্যজনের সম্পর্কে জানতে চাইলেও জানাবো।
     
    বাহ ডটদি। বলুন। ব‍্যাপার হলো এটাই যে এই কান্ট্রিতে কিনু হয়নি। বাইরে বেরিয়ে তবেই। এখানটা আমি কৌতুহলীর সঙ্গে একমত। এদেশে ব‍্যবসা নিয়ে এই ভাইন্ডসেট নেগেটিভ হবার কারণই হলো এটা যে মানুষকে এক্সপ্লয়েট করেই সবটা করতে হয়। তো যারা সাব অল্টার্ণ বা শোষিত তাদের ও অ‍্যাকাডেমিক পারস্পেক্টিভ থেকে এটা মনে হবেই। তবে কী বলুন তো, সবের মূলেই তো ওই রজতখন্ড। তাই বললাম। ওই সেই মানিকগঞ্জের জমিদারের মতো আর কি! নন্দী-ভৃঙ্গীর কাছে লাথি খাওয়া লাষ্টে
  • . | ০৯ জুলাই ২০২৬ ২৩:০৫557494
  • এই ফোটো ও তুলেছিলো
     
  • . | ০৯ জুলাই ২০২৬ ২২:৪০557493
  • In Russia, LLC Stynergy (Стинержи), a major manufacturer of steel roofing and metal construction products, is primarily owned by Russian businessman Grigoriy Aleksandrovich Nosikov. [1, 2]
    Nosikov serves as the General Director and holds a controlling stake in the company directly as an individual, alongside an ownership share held by his affiliated corporate entity, LLC PKP Evroprofil. [1, 2, 3, 4, 5]
     
    এইটের কো ওনার ওর বৌ। তবে বৌ কোনও কাজই দেক্‌ে না।
  • . | ০৯ জুলাই ২০২৬ ২২:৩৬557492
  • Stynergy (ТОО «Stynergy») is owned by founders Kumar Tapas, Yulia Nosikova, and Yegor Vasiliev. [1]
    The company was established in 2003 and has grown into one of Kazakhstan's largest processors of coated thin-sheet steel, manufacturing roofing and facade materials.
  • . | ০৯ জুলাই ২০২৬ ২২:৩৩557491
  • গেল বছর এই সময়ে ওর কোম্পানির ২২ বছরের জন্মদিনের উৎসবে আমন্ত্রিত ছিলাম। অসাধারণ ছিল সেই উদযাপন।
  • . | ০৯ জুলাই ২০২৬ ২২:২৮557489
  • অন‍্যজনের সম্পর্কে জানতে চাইলেও জানাবো।
  • . | ০৯ জুলাই ২০২৬ ২২:১৭557487
  • আমার চেয়ে কয়েক বছরের জুনিয়র একটি ছেলে। মোটামুটি দরিদ্রই বলা চলে। বাবা ইলেকট্রিকের মিস্ত্রির চাকরি করেন, মা গৃহবধূ।
    থার্ড ইয়ারে পড়ার সময়ে বাবার চাকরি চলে গেল। কিছু কমপেনসেশন পেলেন তিনি। একটা বাড়ি তৈরি করছিলেন, সেটা ইনকম্পলিট রইল। অটো কিনলেন। অটো একদিন পুরো চুরি হয়ে গেল। হাত খালি।
    পুত্র তখন ফোর্থ ইয়ারে উঠেছে। জমিয়ে প্রেম করছে এক রাশিয়ান মেয়ের সঙ্গে। আরও প্রায় দুবছর বাকি ডিগ্রি পেতে।
    ওর সমস্ত ক‍্যালকুলেশন যা ছিল ভবিষ্যতের জন‍্য, সব এক মুহূর্তে ছারখার।
    চাকরি খুঁজছিল। প্রেমিকা খুব সাপোর্ট করত ওর লড়াই। ক্লাসে যেত না। পড়াশুনো প্রায় ডিসকন্টিনিউড।
    ওদিকে বাড়ি থেকে নিয়মিত চিঠি আসছে মা বাবার খুঁকখুঁকে কান্না, খোকা ফিরে আয়।
    একটা ছোট কাজ পেয়েছিল, প্র‍্যাক্টিকালি পিএ টাইপের কাজ। কিন্তু ও ওর বসের সঙ্গে ছায়ার মতো ঘুরত। সেলসের কাজ শিখে ফেলল। কোনও ক্রমে টায়েটুয়ে ফিফথ ইয়ার। এটা ফাইনাল ইয়ার প্রায় গোটা বছরই প্রোজেক্ট যেটা ডিফেন্ড করতে হয়, প্লান্টে গিয়ে থাকতে হয়, অনেক দূরে।
    ও ডিপ্লোম ডিফেন্ড করতে পারে নি। মাটি কামড়ে কাজটা শিখেছিল, সঙ্গে নেটওয়ার্কিং।
    ফিফথ ইয়ারের মাঝামাঝি এসে বলল অন‍্য রিপাবলিকে চলে যাচ্ছে — তেমির তাউ।
    আর্সেনাল মিত্তাল।
    ওর ডিগ্রি পাওয়া হলো না।
    গার্লফ্রেন্ডকে বৌ বানানোর আগে কোলকাতায় গিয়ে বাবার জন‍্য ফিক্সড ডিপোজিট করেছিল, মাসে মাসে বাবা চারশো টাকা সুদ তুলতে পারবে শুধু। ১৯৯৫।
     
    তেমির তাউয়ে বেতন মোটামুটি। দুজন মেয়ে জন্মালো সেখানেই। ও থেমে থাকে নি। ওর দুজন রাশিয়ান কোলিগ ছিলো। তাদের সঙ্গে বসে মাল খেতে খেতে আক্ষেপ — কী গাঁড় মারাচ্ছি এখানে? বিজনেস বুঝে গেছি, কিছু ক্লায়েন্ট কনট‍্যাক্ট ও আছে। আমরা নিজেরাই স্টিলের ব‍্যবসা করব।
     
    কটা মাস তিনজনে পাগলের মতো খাটল। ব‍্যাংক লোন থেকে শুরু করে সব তৈরি হলো। আজ ছেলেটা কাজাখস্তানের একজন নামকরা ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট। হাজার দেড়েক লোক খাটছে। রাশিয়াতেও ব্রাঞ্চ আছে। চিনের সঙ্গে ব‍্যবসা করছে। মেশিন আসে ইয়োরোপ থেকে, কিছু মেশিন লোকাল।
    মাঝে ২০১৫ নাগাদ বিশাল লস হয়েছিল, প্রায় ডুবেই যাচ্ছিলো। ফের উঠে দাঁড়িয়ে এখন বিশাল ব‍্যবসা। আমি দেখে এসেছি। অনেক কম্প্রোমাইজ করতে হয়, ঘুষও দিতে হয়, সব বলল। ওর ব‍্যবসা তেমির তাউয়ে নয়, আলমাতিতে।
  • albert banerjee | ০৯ জুলাই ২০২৬ ২১:৫২557485
  • ওকে ডট ঝেড়ে কাসুন
  • . | ০৯ জুলাই ২০২৬ ২১:৪০557484
  • দুজনেই বাঙালি
  • . | ০৯ জুলাই ২০২৬ ২১:৩৯557483
  • "আর ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট হলে তো ক্যাপিটাল আরও বেশি লাগবে।"
     
    এটা ঠিক না। ধাপে ধাপে হয়। আমি দুজন ভারতীয়কে জানি, ব‍্যক্তিগতভাবে। তাদের কানাকড়িও ছিলো না।
  • albert banerjee | ০৯ জুলাই ২০২৬ ২০:৫৪557482
  • //বিগ ক্যাপিটালিস্ট হলে জনগণের লাশের ওপর দাঁড়িয়েই হতে হয়।//yes
  • albert banerjee | ০৯ জুলাই ২০২৬ ২০:৫২557481
  • "স্টার্ট আপ" এর দল হলো মানি ফান্ডিং জুয়াড়ি দের নব্য হাতের পুতুল। যে বেচারারা জুয়াটাও বোঝে না।
  • পজিটিভ চাড্ডি | ০৯ জুলাই ২০২৬ ২০:৫১557480
  • ব্যবসা করবে কেন? বাঙালি চাকরি করবে। বিজেপি এসে গেছে, আর চিন্তা নেই, সিঙ্গুর থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গে এত কারখানা আর চাকরি হবে যে সব বাঙালি চাকরি তো পাবেই, তার ওপর অন্য রাজ্য থেকে লোক ডেকে আনতে হবে। পশ্চিমবঙ্গে উত্তরপ্রদেশ হরিয়ানার মতন হয়ে উঠবে। মনে রাখবেন বিজেপি এসে গেছে আর চিন্তা নেই।
  • কৌতূহলী | ০৯ জুলাই ২০২৬ ২০:৪০557479
  • সেখানেও প্রশ্নগুলো একই থেকে যাচ্ছে। যেসব উচ্চশিক্ষিত লোক বাঙালিকে ব্যবসায় এগিয়ে আসতে বলছে, তারা দেখা যাবে সবাইই কোন বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের অধ্যাপক। তারা নিজেরা ব্যবসা করল না কেন? দেখা যাবে তারা তাঁদের সন্তানকেও উচ্চশিক্ষাই দিচ্ছে। তারা তাঁদের সন্তানকে কোম্পানি খুলতে উৎসাহিত করল না কেন? আর ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট হলে তো ক্যাপিটাল আরও বেশি লাগবে। মধ্যবিত্ত নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলেমেয়ে সেই ক্যাপিটাল পাবেই বা কোথা থেকে, আর কীসের ভরসায় রিস্ক নেবে?
     
    এবার টাটা বিড়লা আদানি আম্বানি যেভাবে জনগণের লাশের ওপর পুঁজিপতি হয়েছে, সেই স্কেলের পুঁজিপতি হলে আলাদা। বিগ ক্যাপিটালিস্ট হলে জনগণের লাশের ওপর দাঁড়িয়েই হতে হয়। এর বিকল্প কিছু নেই। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত