এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সুদীপ সজল | ১৪ জুন ২০২৬ ১৪:২৩555947
  • বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেছেন, 'সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি করবেন কিনা আমি জানি না। বিজেপি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেবে বলে আমার মনে হচ্ছে না। বিজেপিরও সমর্থন দরকার দেশ চালাতে গেলে, দেশের স্বার্থে। সেখানে আমার ব্যক্তিগত রাগ, যন্ত্রণা, অভিমানের কোনও জায়গা নেই। আমি দলের একজন কর্মী। তবে জনতা সুদীপকে ঘৃণা করে। এই দাদা-বউদির পরিবারকে জনতা ঘৃণা করে। আমি ভাবি যে মানুষের লোভ কত দীর্ঘমেয়াদি হয়, আজীবন থাকব। আচ্ছা বউ তো কম সে কম ৫টা বছর থাকবে। যে যাই করুক না কেন, ৫টা বছর তো উনি থাকবেন। তাও এত লোভ? এরা... স্বামী স্ত্রী'র বাইরে কিছু বোঝেনি, স্ত্রী স্বামীর বাইরে কিছু বোঝেনি। ভেরি মাচ হ্যাপি কাপল, জনতার কথা কখনও ভাবেনি।'
  • সাংসদ ছিনতাই | ১৪ জুন ২০২৬ ১২:২৬555946
  • যেসব সাংসদ সই করেননি, তাঁদের বাড়ির ভেতরে বিজেপির কর্মীরা বসে ছিল। তাঁদের বাড়িঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই সবকিছুর নেপথ্যে রয়েছে নিশিকান্ত দুবের বাড়ি। তাঁর বাড়িতে আমার একজন পরিচিত ব্যক্তি আছেন, যিনি আমাকে সব খবর দেন," ২০ জন বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ প্রসঙ্গে বলেন তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ।

    তিনি বলেন, "যেসব সাংসদ সই করেননি, তাঁদের বাড়ির ভেতরে বিজেপির কর্মীরা বসে ছিল। পুলিশ বাইরে থেকে পাহারা দিচ্ছিল। তাঁদের বাড়িঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের পরিবারকে ভয় দেখানো হয়েছে এবং হুমকি দেওয়া হয়েছে। ভয়ে অনেকেই এগিয়ে এসেছেন... বাপি হালদারের বাড়ি পুরোপুরি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তিনি কাঁপছিলেন। তিনি প্রথমবারের মতো নির্বাচিত একজন তরুণ সাংসদ। আরও দুজন আছেন। আপনি দেখতে পারেন যে প্রথম আটজনের নাম আলাদা কালিতে লেখা, আর পরের দলটি, অর্থাৎ চৌদ্দ থেকে আঠারো পর্যন্ত, সেই একই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। এখন বিজেপির তাঁদেরও প্রয়োজন, যদিও তারা সাধারণত তাঁদের বদনাম করে, কারণ তারা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা চায়।" তারা মিতালী বাগের সাথেও একই কাজ করেছে। সেও একজন নবাগত। সে গ্রাম্য পরিবার থেকে এসেছে এবং সাদামাটা জীবনযাপন করেছে। তার বাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে, পুরোপুরি তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। মালা রায় হলেন সর্বশেষ শিকার। তিনি পরশুদিন সই করেছেন। সায়োনী এটা আলাদাভাবে করেছে। সে প্রকাশ্যে দেখা করেনি, আলাদাভাবে সই করেছে। সে আগের রাতে ভূপেন্দ্র যাদবের সাথে দেখা করেছিল... এই সবকিছু নিশিকান্ত দুবের বাড়ি থেকে পরিচালিত হচ্ছে। তার বাড়িতে আমার একজন পরিচিত লোক আছে যে আমাকে সব খবর দেয়... প্রকাশ বারিক, যিনি পদত্যাগ করেছেন, তিনি নিশিকান্তের বাড়ির ঠিক বাইরে থেকেই তা করেছেন। নিশিকান্ত একজন ধূর্ত ব্যবসায়ী, তার প্রচুর টাকা আছে। আমি তাকে ভালো করে চিনি। সে আমার গ্রামের ছেলে। সে আমার ছোট ভাইয়ের মতো। কিন্তু আমি জানি তার খেলাটা কী... প্রথমে (বিদ্রোহী সাংসদদের সাথে) ভূপেন্দ্র যাদবের বৈঠক হয়েছিল। তারপর শুভেন্দু অধিকারী ফুল নিয়ে এলেন। এটা স্পষ্ট যে এটা বিজেপির একটা চক্রান্ত...
  • ভোটডাকাতি | ১৪ জুন ২০২৬ ১১:৫৬555945
  • আজ আমি নিজেই সব ডকুমেন্টস সামনে রাখছি, রিটার্নিং অফিসারের স্ট্যাম্প-সই করা। নিজেরাই যাচাই করে নাও। (এমন নয় যে এগুলো আদালতে পেশ করা হয়নি! হয়েছে, কেস এখনো সিদ্ধান্তে উপনীত হয়নি, তার আগেই ৪৫০০ EVM সু*ই*সাইড করে নিয়েছে গায়ে আগুন লাগিয়ে!)

    1️প্রথম যে ডকুমেন্ট টা দেখতে পাচ্ছো, এটাকে বলে ফর্ম-২০, যা ভোট গণনার সময় রিটার্নিং অফিসার প্রতিটা বুথের EVM থেকে ভোট-কাউন্ট গুলো এই ফর্মে তোলে। এবং প্রতিটা রাউন্ড গণনায় এগুলো যোগ করে শেষের ফর্ম-২০তেই টোটাল ভোট লেখা হয়।
    ▪ডকুমেন্টটা দেখো, ১৬৪ নং বুথ (যার নাম মুসলমান পাড়া-১) সেখানে—
    বিজেপি (পীযুষ কানোরিয়া) পেয়েছে ৬৩৭টা ভোট, আর
    সিপিএম (সপ্তর্ষি দেব) ১টা ভোট,
    তৃণমূল (তাপস চ্যাটার্জি) ৫টা ভোট

    এবং ওই একই মুসলমান পাড়া-২ তে ১৬৫নং বুথ, সেটায় দেখো—
    বিজেপি (পীযুষ কানোরিয়া) পেয়েছে ৩৬টা ভোট, আর
    সিপিএম (সপ্তর্ষি দেব) ২৯৯টা ভোট,
    তৃণমূল (তাপস চ্যাটার্জি) ২৯০টা ভোট

    এরপর তোমরা নেক্সট পেজ গুলো দেখো, ভোটার লিস্ট নিজেরাই চেক করো, মুসলমানপাড়ার ভোটার লিস্ট, প্রায় ৯০% মুসলিম, আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন বাদ দিয়ে হিসাব করো, তাও ৮৮% মুসলিম পাবে।

    সেখানে এটা তোমরা ভেবে নাও, প্রায় ৯০% মুসলিম বুথে বিজেপি ৯৭% ভোট কিভাবে পেলো? আরও স্পেসিফিক ভাবে বললে, হিন্দু+অন্যান্য ৭৯জন, অথচ বিজেপি ভোট পেয়েছে ৬৩৭টা!!
    পারলে ওখানে গিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জিজ্ঞেস করে আসো, তারা কাকে ভোট দিয়েছে, ৪৮% বলবে সিপিএমে, আর ৪৮% বলবে তৃণমূলে, বাকি ৪% বলবে অন্যান্য দলগুলোকে। (এটা অলরেডি সার্ভে করে দেখা হয়ে গেছে)

    কিছুই না, জাস্ট ওই ১৬৪ নং বুথ (মুসলমান পাড়া-১) এ আবার ভোট করাও লাইভ টেলিকাস্ট, ব্যালট পেপারে, দেখো বিজেপি ৬৩৭, টিএমসি ৫, সিপিএম-১ পায় কিনা, দুধ কা দুধ, পানি কা পানি হয়ে যাবে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের আসল চিত্র সাফ হয়ে যাবে। একটা ভাত টিপলেই বাকি ভাত গুলো কেমন হয়েছে, বোঝা যাবে।

    সুতরাং আবারও প্রশ্ন থেকেই যাবে— যে আদালত বলতে পারে যে "Under Adjudication" হিসেবে এখনও ঝুলে থাকা ২৭ লাখ ভোটারকে ছাড়াই ইলেকশন করে নাও, সেই আদালত এইসব অভিযোগ কেন শুনবে? অবশ্যই এরকম প্রচুর প্রচুর উদাহরণ পেন্ডিং হয়ে পড়ে আছে আদালতে, এবং মজার ব্যাপার হলো, ইলেকশনের রেজাল্টের ৪৫ দিনের মধ্যে এই অভিযোগ গুলো করতে হয়, এবং ৪৫ দিন পূরণ হওয়ার আগেই তো ৪৫০০ ইভিএম, (ব্যালট সহ, কনট্রোল ইউনিট সহ, ভিভিপ্যাট সহ) আগুনে সু*ই*সাইড করে নিলো।

    তাহলে এবার ভেবে নাও এরকম কত কিছু হয়েছে! আমি বলছি না যে আগে বুথ দখল করে ছাপ্পা হয়নি! সেসব অভিযোগ প্রচুর উঠতো। এবারে কিন্তু ছাপ্পার কোনো অভিযোগ ওঠেনি, খুব সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে নাকি চারিদিকে।
    ▪️তাহলে এই নাম্বারগুলো ঠিক কোথায় পালটি মারলো? সবার অগাধ বিশ্বাস ইভিএমে। প্রশ্ন তুললে বলবে, > যখন জিতে যাও, তখন ইভিএমে প্রব্লেম থাকে না, হারলেই প্রব্লেম! কেরালায় ইভিএমে বিজেপি জিতলো না কেন, ইত্যাদি!!
    দেখো, এগুলো একটু ভাবলেই উত্তর পাওয়া যাবে। সর্বত্র একসাথে ট্যাকেল করা সমস্যার! ধীরে ধীরে, ধাপে ধাপে, একেকটা রাজ্য ট্যাকেল করা সহজ, একসাথে চারিদিকে ফোকাস করলে সব জগাখিচুড়ি হয়ে যাবে।
    ▪️হতেই পারে যে ইভিএমের দোষ নেই, বা হতে পারে দোষ আছে। ধরে নিলাম দোষ নেই, তাহলে উপরিউক্ত ঘটনাগুলো/ওই অবাক করা ভোটের হিসাব কিভাবে সম্ভব? সেটা রিটার্নিং অফিসার ভালো জানবে, অথবা উনি যদি না জানেন, তাহলে কেউ রেজাল্টের আগে জমা রাখা EVM-এ ম্যানুয়ালি কিছু নাম্বার অদল-বদল করে থাকতে পারে, যা তদন্তের জন্য ওই EVM গুলো প্রয়োজন, ওই বুথের সিসিটিভি প্রয়োজন, VVPAT পেপার স্লিপ প্রয়োজন!!

    কিন্তু বেড়ালের গলায় ঘণ্টি বাধবে কে? পশ্চিমবঙ্গ এমন একটা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, এখানে শুধুমাত্র নিউজ মিডিয়ার ব্রেনওয়াশের মাধ্যমে রাতারাতি মানুষের রাজনৈতিক পছন্দ পালটে যায়, মানুষ ছাড়ো, নেতাগুলোই সুযোগ বুঝে এদিক ওদিক লাফ মারে। যেখানে ৫ দিন আগে ভোট হলে তৃণমূল ৪৩-৪৫% ভোট পাওয়ার কথা, ক্ষমতার চাকা ঘুরলে পরদিন আবার ভোট হলে সেখানেই তারা ১% ভোট পাবে, অথচ সেখানে সিপিএমও ২০-৩০% পার করে যায়! সুতরাং আসল সত্যিটা সামনে এলে পুরো রাজনৈতিক চেহারা বদলে যাবে পশ্চিমবঙ্গের।

    শেষে এটাই বলবো, রাজনৈতিক মতভেদ থাকবে, পক্ষ-বিপক্ষ থাকবে, কিন্তু সেসবের উর্ধ্বে জনগণের রায়'কে, ভোটকে "এডিট" করা হলে তোমার অধিকারে হস্তক্ষেপ সেটা। আজ তোমার পছন্দের দল জিতে গেছে বলে তুমি এসব দেখেও ইগনোর করতেই পারো, কিন্তু আগামীতে হেরে গেলে তুমি তখন হন্যে হয়ে খুঁজবে যে তোমার ভোটের সাথে স্ক্যাম হলো না তো? তখন তোমার পক্ষে প্রতিবাদ করার লোক খুঁজে পাবে না। এখন সুখের হাসি নিয়ে এই পোষ্টের তথ্যের বিরুদ্ধে কিছু না পেয়ে তুমি আমায় ব্যক্তিগত আক্রমণ করতে পারো, আমায় তো কাল একজন চটি-চাটা'ও বললো অথচ আজ অবধি ঘাসফুলের পক্ষে একটাও সমর্থন পোষ্ট সে খুঁজে বের করতে পারবে না। অথচ তাদের টাইমলাইনে একটা দলের প্রতি সহানুভূতিশীল প্রচুর পোষ্ট পাওয়া যাবে, সেটা নিয়ে "অমুক-চাটা" বললে গায়ে লেগে যাবে তখন! কোনো দলের প্রতি অগাধ বিশ্বাস, অন্ধ সহানুভূতি থাকলেই প্রব্লেম। এসবের উর্ধ্বে থাকো, তোমার গায়ে জ্বালা হবে না।
    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বিচারব্যবস্থা ও নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা! তারা নিরপেক্ষ কাজ করলে তুমি জনগণের আসল রায়কে বুঝতে পারবে, হোক সেটা তোমার পছন্দের, বা অপছন্দের। কিন্তু যখনই বিচার ও নির্বাচন নিরপেক্ষতা হারাবে, সেটা সবার জন্য বিপদজনক। আজ তোমার জন্য লাভজনক হলেও, পরে তোমার জন্য বিপদজনক হতে পারে, পরে ক্ষমতার অদলবদল হলে। তখন তুমিও চিৎকার করবে যে, তোমার দল কিভাবে শুন্য ভোট পেলো তোমার বুথে, যেখানে তুমি নিজে ভোট দিয়ে এসেছো!! কিন্তু কেউ তোমার পাশে দাঁড়াবে না। কারণ তুমি নিরপেক্ষতার বদলে পক্ষপাতিত্বের হয়ে সহানুভূতিশীল ছিলে।
    ▪️সুতরাং ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের বাইরে বেরিয়ে সবসময় "সিস্টেমের স্বচ্ছতার" আবেদন জারি রাখতে হবে! তবেই তোমার আগামী প্রজন্ম স্বচ্ছ সিস্টেম পাবে।
    জাহি ইকবাল

    https://www.facebook.com/share/1ChsraZEbJ/
  • ওদিকে | ১৪ জুন ২০২৬ ১১:০০555944
  • গ্রেট নিকোবরের গ্যালাথিয়া বে বন্দরের নির্মাণের আগে সমুদ্রের তলা থেকে হাজার হাজার প্রবাল কলোনি এবং জায়ান্ট ক্ল্যাম সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা সামনে এসেছে। দ্বীপের পশ্চিম উপকূলে চারটি নতুন স্থান চিহ্নিত করেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা, যেখানে এই সামুদ্রিক প্রাণ ও প্রবালগুলিকে স্থানান্তর করা হতে পারে। তবে এই পরিকল্পনা সামনে আসতেই নতুন করে উঠছে প্রশ্ন—যেখানে আগে বন্দর এলাকার আশপাশে উল্লেখযোগ্য প্রবালের উপস্থিতি নিয়ে ভিন্ন দাবি করা হয়েছিল, সেখানে এত বড় আকারের প্রবাল স্থানান্তরের প্রয়োজন কেন?

    ---

    ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের গ্রেট নিকোবর দ্বীপে গ্যালাথিয়া বে বন্দরের জন্য চলা প্রস্তুতির মাঝেই সামনে এসেছে এক নতুন তথ্য। দ্বীপের পূর্ব উপকূলে প্রস্তাবিত এই বন্দর প্রকল্পের কারণে সমুদ্রের তলা থেকে বিপুল সংখ্যক প্রবাল এবং জায়ান্ট ক্ল্যাম সরিয়ে অন্যত্র স্থানান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, ভারতের প্রাণিবিজ্ঞান সমীক্ষা সংস্থা চারটি নতুন স্থান চিহ্নিত করেছে, যেখানে এই সামুদ্রিক প্রাণ ও প্রবালগুলিকে স্থানান্তর করা হতে পারে। স্থানান্তরের পর প্রতিটি প্রবালকে জিপিএস ব্যবস্থার সাহায্যে চিহ্নিত করে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের কথাও বলা হয়েছে।

    গ্যালাথিয়া বে বন্দরটি গ্রেট নিকোবর উন্নয়ন প্রকল্পের একটি অংশ। এই বৃহৎ প্রকল্পের আওতায় গভীর সমুদ্র বন্দর, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং নতুন নগর গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে প্রবাল স্থানান্তরের এই উদ্যোগ। প্রকল্পের পরিবেশ মূল্যায়ন নথি অনুযায়ী, প্রায় ১৬ হাজার ১৫০টি প্রবাল কলোনি স্থানান্তর করা হতে পারে। পাশাপাশি আরও ৪ হাজার ৫১৮টি প্রবাল কলোনির উপর অতিরিক্ত পর্যবেক্ষণ চালিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। শুধু প্রবাল নয়, জায়ান্ট ক্ল্যাম নামের বড় আকারের সামুদ্রিক ঝিনুককেও অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    এই তথ্য সামনে আসার পর নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কারণ এর আগে সরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, গ্যালাথিয়া বের যে অংশে বন্দর নির্মাণ হবে, সেখানে উল্লেখযোগ্য প্রবাল প্রাচীর নেই। অথচ একই প্রকল্পের নথিতে হাজার হাজার প্রবাল স্থানান্তরের কথা উল্লেখ থাকায় বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পরিবেশবিদদের একাংশের দাবি, আগে প্রকাশিত উপকূলীয় মানচিত্রে গ্যালাথিয়া বে সংলগ্ন এলাকায় প্রবালের উপস্থিতি দেখানো হলেও পরে প্রকাশিত কিছু মানচিত্রে সেই অবস্থান ও বিস্তার বদলে যেতে দেখা যায়। ফলে প্রকল্পের পরিবেশগত মূল্যায়ন কতটা নির্ভুল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

    প্রবাল স্থানান্তর নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যেও মতভেদ রয়েছে। কারণ প্রবাল কেবল একটি জীব নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের অংশ। জলের তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, সূর্যালোক এবং আশপাশের জীববৈচিত্র্যের সঙ্গে এর গভীর সম্পর্ক থাকে। ফলে একটি জায়গা থেকে তুলে অন্য জায়গায় বসিয়ে দিলেই সেই বাস্তুতন্ত্র আগের মতো কাজ করবে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রবাল স্থানান্তরের চেষ্টা হয়েছে, তবে সব ক্ষেত্রেই সমান সাফল্য মেলেনি।

    অন্যদিকে কেন্দ্রের বক্তব্য, গ্রেট নিকোবরের এই বন্দর ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্যালাথিয়া বে মালাক্কা প্রণালীর কাছাকাছি অবস্থিত, যা বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সমুদ্রপথ। এই পথ দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বড় অংশ পরিচালিত হয়। সরকারের মতে, এখানে একটি আন্তর্জাতিক ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর তৈরি হলে ভারত নিজস্ব বন্দর ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে পারবে এবং বিদেশি বন্দরের উপর নির্ভরতা কমবে। তবে পরিবেশবিদদের মতে, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্বের পাশাপাশি গ্রেট নিকোবরের সংবেদনশীল সামুদ্রিক পরিবেশ, প্রবাল প্রাচীর এবং সেখানকার জীববৈচিত্র্যের সুরক্ষাও সমান গুরুত্বের দাবি রাখে।
     
    - লাফালাফি

    #GreatNicobar #CoralTranslocation #GalatheaBay #MarineConservation #Environment #India
  • ইয়ে | ১৪ জুন ২০২৬ ১০:৪৩555943
  • এটা শুনলেন নাকি কেউ?
     
  • ইয়ে | ১৪ জুন ২০২৬ ১০:১৭555942
  • মানালি ম্যাডাম, এই সব টিউটোরিয়ালগুলো কিছুটা স্বপনকুমার ধরে নিয়ে চলবেন।
  • Manali | ১৪ জুন ২০২৬ ০৮:১৫555941
  • এতো জানেন আর এইগুলো জানেন না যে পেডেরেস্টির মতো কালচারকে হোমোইরোটিক বলা গেলেও আধুনিক যুগের সমলৈঙ্গিক সম্পর্কের সাথে সমীকরণ করা যায় না? এই পেডেরেস্টিতে পাওয়ার ইমব্যালেন্স আর পেডোফিলিক ফেটিশের ছায়া থাকত, বর্তমান যুগে দাঁড়িয়ে তাকে সেম সেক্স রিলেশনের আওতায় ফেলা অতি সরলীকরণ ও বিপজ্জনক, যৌন সংখ্যালঘু মানুষদের জন্য, কারণ এই এক‌ই কথা হোমোফোবরা বলে আর পাঁচটা সাধারণ সেম সেক্স রিলেশনের বিষয়ে।
  • কৃষ্ণনগরের বাম প্রার্থী | ১৪ জুন ২০২৬ ০৬:৫১555940
  • হ্যাঁ, খুবই খারাপ ভাষা। সকলের উচিত এই ধরনের ভাষার প্রতিবাদ করা। আমিও করছি।
     
    নির্বাচনের আগে ভাইপো ফলতায় বলেছিল বিরোধীদের জন্য ইলেকট্রিক চুল্লী বানানো হবে। তার প্রতিবাদ করছি না।
  • :|: | ১৪ জুন ২০২৬ ০৩:৪০555939
  • এরা যে পরিমান খোঁজাখুঁজি করছে কিন্তু কিছু পাচ্ছেও না কি খুঁজছে বেচারারা তা জানেও না -- তাই কেউ যদি ওদের বলে দেন যা খুঁজছেন সব আদি গঙ্গায় আছে। তাইলে এই সুযোগে টালিনালাটা একটু পরিষ্কার হয়ে যায়। পরের বার উনিজি এসে দিদিকে দেখিয়ে দেখিয়ে টালিনালাতেই নৌকা বিহার করতে পারবেন। কোনও সদাশয় কি নাই যিনি ইডিসিবিয়াইকে মোটিভেট করতে পারেন আদিগঙ্গা ছেঁচে দেখতে?
  • syandi | ১৪ জুন ২০২৬ ০২:৫৬555938
  • https://www.facebook.com/reel/2167640947364152
     
    উচ্চশিক্ষামন্ত্রীসুলভ ভাষাই বটে এটা। মন্ত্রীমহোদয় বলছেন কলেজে ভর্তির ব্যাপারে টাকা পয়সা নেওয়া হচ্ছে জানলে শ্যাঁটা গরম করে দেবেন। 'শ্যাঁটা' মানেটা কি ঠিক জানিনা, তবে গুরুতে আগে ব্যবহৃত হতে দেখেছি। একবার বোধ হয় জিজ্ঞাসাও করেছিলাম। এলেবেলে বলেছিলেন এটা খারাপ কথা। মন্ত্রী বোধ হয় জানেন না খারাপ কথা উচ্চারণ না করেও কড়া কথা বলা যায়।
  • Manali Moulik | ১৪ জুন ২০২৬ ০১:৩০555937
  • ধন‍্যবাদ ডট দি।
  • . | ১৪ জুন ২০২৬ ০০:৫৭555936
  • এখন ফুটবল দেখায় মনোযোগ দিই...
  • . | ১৪ জুন ২০২৬ ০০:৫৬555935
  • এবং এটাও
     
  • . | ১৪ জুন ২০২৬ ০০:৫৫555934
  • এটাও মানালির জন‍্য
     
  • . | ১৪ জুন ২০২৬ ০০:৫৫555933
  • মানালির জন‍্য
     
  • . | ১৪ জুন ২০২৬ ০০:৫৩555932
  • গো ও ও ল!
  • X | ১৩ জুন ২০২৬ ২৩:৫৫555931
  • এটা কোন সনাতনী সনিমা মনে হচ্ছে - তখনো আমাদের দেশে কতো চমৎকার হ‍্যালোজেন টাইপ ল‍্যাম্প এর ব্যবহার ছিলো- এসব দেখলেই জানা যায়
  • তরমুজ | ১৩ জুন ২০২৬ ২৩:৪৪555930
  • একটা সুন্দর গান শুনুন
     
  • | ১৩ জুন ২০২৬ ২৩:৪২555929
  • আণ্ডানৃত্যর বাজারে আর মন্ত্রীরা গুছিয়ে বসার আগে (বিশেষ করে সিল্প আর অর্থ), আজকের ছাপা আবাপের খবর অনুযায়ী, স্টেট ব্যাঙ্ক তাদের আরো ৩টে ইউনিট কলকাতা থেকে সরিয়ে নেবে। মোটামুটি ৫০০ কর্মচারী, ব্যবসা অর্থাত কর, এসবের ক্ষতি। এখন তো ডবল ইঞ্জিন, এসব বলেকয়ে আঁটকানো যায় না ?
  • হায় কেঁচুয়া | ১৩ জুন ২০২৬ ২৩:২৮555928
  • ~ স্মৃতি মঞ্চে মোদীকে হাত জোড় করে নমস্কার করেছিলেন... কিন্তু মোদী স্মৃতির নমস্কার উপেক্ষা করে স্মৃতির মুখের দিকেও তাকাননি।

    ~ দেশের কোটি কোটি মানুষ বুঝতে পারেননি যে স্মৃতি আর মোদীর এত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও এমন কী হল যে এখন মোদীর স্মৃতির মুখ দেখাটাও সহ্য হচ্ছে না... খুবই দুঃখজনক।

    ~ আর এখন তো স্মৃতির নাম উত্তরপ্রদেশের ভোটার লিস্ট থেকেই কেটে দেওয়া হয়েছে!! এটা তো পুরো ব্লান্ডার করে দিয়েছে...

    ~ স্মৃতির লোকসভা নির্বাচনের লিস্ট চেক করা উচিত.. যদি লোকসভা থেকে নাম কাটা যায় তাহলে 2029-এ নির্বাচন লড়বে কী করে?

    কেঁচুয়া, এ তুই কী করলি? স্মৃতির নাম কাটার সময় তোর হাত কাঁপল না?

    আমার ভালোবাসার কী প্রতিদানই না দিলি, বন্ধুই বন্ধুর নাম কেটে দিল..

    #VoteChori
  • ভাল বিশ্লেষণ | ১৩ জুন ২০২৬ ২১:৪৬555927
  • :|: | ১৩ জুন ২০২৬ ২০:৫০555926
  • আবাপের ট্রান্সলেটর এতো শোলো ক্যানো? বেলফাস্টের খবর এখনও টুকতে পারলো না। তোয়ালেজি পাঁচ হাজারই যদি দিলেন আর পঞ্চাশটি টাকা বাড়িয়ে দিলেই পারেন!
  • kk | ১৩ জুন ২০২৬ ২০:৩৭555925
  • "Ganymede অপহরণে তো আমি খুব ভুল কিছু দেখতে পেলাম না।"
     
    এই লাইনটা পড়ে খুবই অবাক হলাম। কারুর রূপে সাময়িক মোহগ্রস্ত হয়ে একজন লোক, শুধুমাত্র সে প্রচণ্ড ক্ষমতাশালী বলে, একজন মানুষকে জোর জবরদস্তি তুলে নিয়ে যাচ্ছে তাতে ভুল কিছু নেই? তুলে নিয়ে গিয়ে তাকে অনন্তকাল ধরে পানপাত্র বাহক বানিয়ে রেখে দিলো, তাতে ভুল কিছু নেই? গ্যানিমিড অসামান্য সুন্দর ছিলেন। "ওহে সারা জগৎ দেখো, আমার কাছে এই সবচেয়ে সুন্দর খেলনাটি রয়েছে" এইটা বলতে পারার আনন্দের জন্য, ইগোর জন্য একজন মানুষের জীবন নষ্ট করে দেবার জন্য ভুল কিছু নেই? এইটা কোনো হোমোসেকশুয়ালিটিকে ভালো আলোয় দেখানোর রাস্তা নয়। তার জন্য অন্য উদাহরণ আছে।
  • X | ১৩ জুন ২০২৬ ২০:১৪555924
  • রাইট উইং আইডেন্টিটি পলিটিক্স তো বাড়ছেই সব জায়গায় - আর এই ফাঁকে সায়েব আবার ইউরোপে চলে গেছে- ইলেকশন না থাকলে দেশে টিকিটিও পাওয়া যায় না এখন আর। আবার গিয়ে এনারাই দের নাচ দেখবে - আর কি?
  • | ১৩ জুন ২০২৬ ১৯:৪৯555923
  • ওদিকে বেলফাস্টে তো ভয়ানক অবস্থা!
  • ছাত্রজোড়ো | ১৩ জুন ২০২৬ ১৯:২৮555921
  • যুবসমাজের পাশে’, বার্তা নিয়ে ভারত জোড়োর ধাঁচে ফের দেশজুড়ে বড় অভিযানে রাহুল
    দেশের যুবসমাজ একজোট করতে ও তাঁদের মন পেতে বড়সড় অভিযানে নামছেন কংগ্রেস। আগামী ১৭ জুন রাহুল গান্ধীর হাত ধরে শুরু হচ্ছে কংগ্রেসের এই নয়া কর্মসূচি।
     
    কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি ভেনুগোপাল বলেন, দেশের ছাত্রছাত্রী, চাকরিপ্রার্থী, যুব সমাজ ও শিক্ষাবিদদের একত্রিত করতে দেশব্যাপী অভিযানে নামছে কংগ্রেস। ১৭ জুন রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে কোটা থেকে শুরু হচ্ছে এই কর্মসূচি। এরপর ১০ জুলাই এলাহাবাদ, ১১ জুলাই পাটনা ও ১৪ জুলাই দিল্লিতে চলবে কর্মসূচি। ভেনুগোপালের কথায়, ছাত্রছাত্রী, পরীক্ষার্থী, যুব সংগঠন, শিক্ষাবিদ এবং পরীক্ষা কেলেঙ্কারিতে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত সকলকে একত্রিত করা হবে এই কর্মসূচিতে। দেশজুড়ে চলা এই কর্মসূচিতে কংগ্রেসের সকল সংগঠনকে দেশব্যাপী পড়ুয়াদের একজোট করার বার্তা দিয়েছেন রাহুল। ভেনুগোপাল বলেন, কংগ্রেসের সকল কর্মী ও সংগঠনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বড় পরিসরে ক্যাম্পাস, কোচিং সেন্টার, বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল এবং যুব কেন্দ্রগুলি গিয়ে মত বিনিময়ের। সোশাল মিডিয়া, লাইভ স্ক্রিনিং এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
     
    ভেনুগোপাল আরও বলেন যে, এই কর্মসূচিতে রাহুল গান্ধীর পূর্বে উত্থাপিত দাবিগুলো নিয়ে রাস্তায় নামবেন। যার মধ্যে রয়েছে নিট-এর প্রশ্নফাঁস, পরীক্ষার ফি বাতিল, প্রশ্নপত্র ফাঁসের চক্রের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ-সহ শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের গা ছাড়া মানসিকতা। দেশের তরুণরা যাতে দুর্নীতি, অযোগ্যতা বা রাজনৈতিক উদাসীনতার বলি না হন সেই লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি। পড়ুয়াদের স্বার্থকে মাথায় রেখে কংগ্রেসের এই কর্মসূচিকে সফল করতে দেশের যুবসমাজকে আহ্বান জানানো হচ্ছে হাত শিবিরের তরফে।
  • | ১৩ জুন ২০২৬ ১৭:১৩555920
  • এ আর এক মর্কটপনা। বাঙালী হিঁদু মোচরমান মিলে দু - চারঘর যা খ্রীস্টান আছে তাদের পেছনে লাগলে বেশ হয়। হুই মাইথোলজি থেকে ধরতে হবে।
  • Manali Moulik | ১৩ জুন ২০২৬ ১৪:৫৬555919
  • ডট দি, Ganymede অপহরণে তো আমি খুব ভুল কিছু দেখতে পেলাম না। বরং এইসময়ের প‍্যাগান culture যেটা পরে রোমানদের মধ‍্যে imbibed হয়েছে (সেখানে Zeus হয়েছেন জুপিটার) সেটা homosexuality কে একটা পজিটিভ ভিত্তি দিয়েছে। আমাদের কালচারেও এই সংযোগ কিন্তু আছে। লেসবিয়ানিজমের রূপকস্বরূপ মালবরাজের দুই রানীর উল্লেখ। তবে আপনি যেহেতু গ‍্যানিমেডের কথাটি উল্লেখ করলেন তাই বললাম, এটাকে পজিটিভ আঙ্গিকেও কিন্তু ancient culture এ homosexuality এর একটি সাপোর্টিভ অ‍্যাসেসমেন্ট হিসাবে দেখা যায়।
     
    নিম্নোক্ত অংশটি কবি ওভিড-এর লেখা থেকে তুলে দিলাম :
     
    The king of the gods was once fired with love for Phrygian Ganymede, and when that happened Jupiter found another shape preferable to his own. Wishing to turn himself into a bird, he nonetheless scorned to change into any save that which can carry his thunderbolts. Then without delay, beating the air on borrowed pinions, he snatched away the shepherd of Ilium, who even now mixes the winecups, and supplies Jove with nectar, to the annoyance of Juno.
    এছাড়া পড়ে দেখতে পারেন,
     
    Religious Fundamentalism,Right Wings Authoritarianism,
    and Hostility Towards Homosexuals in Non-Christian Religious Groups by Bruce Hansberger. পাবেন International Journal for psychology of religion এ। বললে লিঙ্ক প্রোভাইড করতে পারি।
     
    গুরুর বিভাগ 'অন‍্য যৌনতা' তেও পড়তে পারেন। আমার বেসিক‍্যালি প‍্যাগান গ্রিক ও পরবর্তী রোমান কালচারের যৌনতা বিষয়ক মুক্ত ভাবধারা যথেষ্ট ভালো ও উচ্চমানের মনে হয়। ক‍্যাথোলিক অর্থোডক্সির পর পঞ্চদশ শতকের রেঁনেসাস কিছুটা পুনরুদ্ধার করতে পেরেছিলো যদিও।
  • ছবি অবিশ্বাস | ১৩ জুন ২০২৬ ১৪:৩৭555918
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত