বাংলাকে নাকি কিছু লোক আলাদা দেশ বানিয়ে দেওয়ার ফিকির করছিল। যদি না শ্রীরাম ঠিক সময়ে এসে বাঁচাতেন তাহলে যাকে বলে অনর্থ ঘটে যেত। যারা বলছেন বা ভাবছেন খুবই ভালো কথা। কিন্ত আপাতত এ রাজ্যের বিশেষ করে শাইনিং জনতার উত্তেজনা দেখে মনে হচ্ছে আসলে বাংলা সত্যিই হয়ত আলাদা, সারা দেশের থেকে। বাংলা শাসক দল আর দেশের শাসক দল নামে এক হলেও আসলে দুটো আলাদা এনটিটি।
নাহলে সারা দেশের যা অবস্থা, দুদিন বাদে হয়ত কষ্ট করে আর উচ্ছেদ করতে হবে না, গরীবগুলো এমনিতেই না খেতে পেয়ে মরে যাবে।
বাংলার যেসব পডকাস্ট অল্প বিস্তর রাজনীতি নিয়ে কথা বলে তারাও শুধু রাজ্য নিয়ে ছাড়া বলে না, মেন মিডিয়া গুলোর কথা তো বাদই দিলাম। মানুষকে একটু ইকনমির যে বেহাল অবস্থা, এনার্জি ক্রাইসিস কিছুদিনের মধ্যেই যা প্রত্যেক নাগরিক কে ফেস করতে, দৈনন্দিন জীবনে, তার কথা তো কেউ কিছু বলে না। বাংলা ভাষায় এগুলো কোথাও না জানালে সাধারণ লোকে জানবে কী করে!
সোনার কারিগর দের একটা বড় অংশ সারা দেশ জুড়ে বাঙালী পরিযায়ী শ্রমিক। কনস্ট্রাকশন স্লো হয়ে গেছে, অনেকে এক বছর ব্যান করার কথা বলছে, তা হলে একটা বড় সেকশন মজদুর মেয়ে পুরুষ উভয় কোথায় যাবে কী খাবে।
মাসে তিন হাজার ভাতার টাকায় এই সংকটে ইনফ্লেশনের এই চরম অবস্থায় কদিন চলবে।
গুরুতে একটা খবরোলা বেরোতো সেটা কি আজকাল বেরোয় না।
ইকনমিস্ট রা বলছে ভারতে আগের হিসেবে নিম্নমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত বলে যে আয়ের মানুষদের ধরা হত তাদের আয়ে গত দশকে তেমন হেরফের না হওয়ায় আজকের হিসেবে তাদের গরীব বলে ধরা উচিত।
গুরুর ইউটিউব চ্যানেলে রাজ্য রাজনীতি ছাড়াও এইগুলো নিয়ে আলোচনা হলে ভালো হয়।
আর সিরিয়াসলি মানে পৃথিবীর দেশগুলোর প্রিমিয়ারদের রকমসকম কেমন ক্রিঞ্জ প্রো ম্যাক্স হয়ে যাচ্ছে। এরা রাজনৈতিক নেতা ? দেশের শাসনভার, মানুষের ভালোমন্দ এদের হাতে?
মেলডি চকোলেট গিফট আর তা হাতে করে সেলফি দেখে কীরকম একটা লাগল। এরা দেশের রাষ্ট্রপ্রধান না স্কুল কলেজের নাছোড়বান্দা স্টকার !