এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ্লব দীর্ঘজীবী হবে | 103.*.*.* | ১৬ মে ২০২৬ ১৯:১৫554380
  • Fake image shows Trump, Musk and Huang with their fists raised in front of the Communist Party of China's flag.
  • Dhuttor | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ১৬ মে ২০২৬ ১৭:৩১554379
  • আরেকটা ব্যাপার l রাজস্থানেও অনেক ভাষা আছে কিন্তু এগুলোকে কোনো আলাদা স্ক্রিপ্ট দেওয়াই নেই ! রাজস্থানে কি নিজেদের মাতৃভাষা যেমন মাড়োয়ারী, যোধপুরী, বিকানেরি এগুলো আদৌ শেখানো হয় নাকি শুধুই হিন্দি ?
  • Dhuttor | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ১৬ মে ২০২৬ ১৭:২৫554378
  • @ একক, একটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো যে পেশোয়া সিস্টেমে MODI স্ক্রিপ্ট চালু ছিলো শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কাজের জন্য কিন্তু নিজাম, মহীশূর, রাজপূত, মুঘল এমনকি ব্রিটিশদের সঙ্গে communication হিসাবে ফারসি ব্যাবহৃত হত l ১৮৩০ এর দশকে মারাঠা দেশ ব্রিটিশ শাসনে এলে তখন ফারসির বদলে আস্তে আস্তে official communication এই জন্যে ইংরাজি এবং মারাঠী MODI স্ক্রিপ্টের বদলে বর্তমানের দেবনাগরী স্ক্রিপ্টে মারাঠী লেখা চালু হয় l MODI স্ক্রিপ্ট কেন শেষ করে দেওয়া হলো ?
  • Manali Moulik | ১৬ মে ২০২৬ ১৬:২৩554377
  • চিত্ত আকুল হবে অনুক্ষণ....অকারণ....
  • একক | ১৬ মে ২০২৬ ১৬:২০554376
  • কারন, চিতপাবন ব্রাহ্মনরাই চিফ হয় :)))
     
    এই চিটনিস চিতপাবন এসবের চিত এসেছে চিত্ত থেকে। দে আর দি ইন্টেলেকচুয়াল ক্লাস বিলঙগিং টু কোস্টাল মহারাষ্ট্র।
     
    এরপর, ভারতের সেকটোরিয়াল গ্রোথ, কাস্ট সিস্টেমের কুপ্রভাব সবকিছু মিলেমিশে গেছে আরকি। সেটা তো অজানা কোনো ইতিহাস নয়। তবে তাইবলে চিতপাবন চিটনিসদের ইতিহাস ও মিথ্যে নয়।
  • Manali Moulik | ১৬ মে ২০২৬ ১৬:০৩554375
  • এদের চিফ সর্বদা মহারাষ্ট্রের চিতপাভন ব্রাহ্মণরাই হয় কেন? আর কোনো মহিলা নয় কেন?
  • একক | ১৬ মে ২০২৬ ১৫:৫৬554374
  • মোদি স্ক্রিপ্ট নিয়ে কিছুই জানা ছিলোনা। স্ক্রিপ্টের ধরণ যা দেকচি এতো পেন না তুলে একটানে লেখার ব্যাপার। দ্রুত শ্রুতিলিখন করার বা ডকুমেন্ট কপি করার প্রয়োজন ছিল হয়তো। তারমানে হয়তো চিটনিসদের কিত্তি। সেই সময়ের ৰাজনীতি - বাজার ইত্যাদী জানলে বোঝা যেত আন্দাজ ঠিক কিনা।
     
    এক সহকর্মী মহিলা (চিটনিস ) এর মুখেই শুনেছিলুম ওদের ইতিহাস সেই দেবগিরি রাজ্যের স্বর্ণযুগের সময় থেকে। বংশপরম্পরায় সেক্রেটারি।
  • নানাবিষয়ে ফড়ফড়নবিশ | 119.*.*.* | ১৬ মে ২০২৬ ১৫:০১554373
  • @AI, আচ্ছা এখানে ভাটিয়ালিতে তো অনেকেই আছেন যারা মারাঠা দেশ চষে ফেলেছেন, এই MODI স্ক্রিপ্ট দেখেছেন কি কেউ ?"
     
    https://aksharamukha.com/describe/Modi
  • albert banerjee | ১৬ মে ২০২৬ ১৩:২৬554372
  • জানাচ্ছি।
    জানাচ্ছে
  • হেঁয়ালি | 103.*.*.* | ১৬ মে ২০২৬ ১৩:২৪554371
  • আপনার তো না এটা এআইয়ের মনে হচ্ছে
  • albert banerjee | ১৬ মে ২০২৬ ১৩:১৮554370
  • আজ আমার যা ​​​​​​​মনে ​​​​​​​হচ্ছে

    ২০২৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফর একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এই সময়ে বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তি—যুক্তরাষ্ট্র ও চীন—একটি নতুন সম্পর্কের মুখোমুখি হচ্ছে। কিন্তু এই সম্পর্ককে শুধু বর্তমানের রাজনৈতিক-সামরিক দ্বন্দ্ব হিসেবে দেখলে চলবে না। আমাদেরকে ঐতিহাসিকভাবে পিছিয়ে যেতে হবে। কীভাবে ৭৫ বছর আগে বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর একটি চীন আজ বিশ্বের শীর্ষ অর্থনৈতিক শক্তির একটিতে পরিণত হয়েছে—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে। এই নিবন্ধে আমরা সেই ঐতিহাসিক যাত্রা, চীনা অর্থনৈতিক মডেলের স্বকীয়তা এবং এর বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করব।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর চীন: ধ্বংসস্তূপের উপর দাঁড়িয়ে

    ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী দেশ। তার শিল্পোৎপাদন, প্রযুক্তি এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা ছিল অপ্রতিদ্বন্দ্বী। অন্যদিকে চীন ছিল বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ। জাপানি আগ্রাসন (১৯৩০-এর দশক থেকে), দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংস এবং ১৯৪৫-১৯৪৯ সালের গৃহযুদ্ধ—এই সবকিছু চীনকে একেবারে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিল।

    মাও সে তুং নেতৃত্বাধীন চীনা কমিউনিস্ট পার্টি এবং অষ্টম রুট আর্মি অভ্যন্তরীণ প্রদেশগুলোতে দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে গৃহযুদ্ধে জয়লাভ করে। ১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু বিজয়ের পরও চীনের সামনে ছিল ভয়ানক চ্যালেঞ্জ। যুক্তরাষ্ট্র কমিউনিস্ট বিজয়কে শত্রুতার চোখে দেখেছিল। ফলে চীনকে কোনো মার্শাল প্ল্যানের মতো পুনর্গঠন সাহায্য দেওয়া হয়নি। ইউরোপ এবং জাপান পেয়েছিল বিপুল সাহায্য, কিন্তু চীন পায়নি। বরং যুক্তরাষ্ট্র পরাজিত কুয়োমিনতাং বাহিনীকে সমর্থন করে তাইওয়ান ইস্যু তৈরি করে। ১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকে চীন ছিল আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে।

    এই প্রেক্ষাপটে চীনের অর্থনৈতিক উত্থানকে বুঝতে হবে। পশ্চিমা দেশগুলো আশা করেছিল যে, তাদের পুঁজিবাদী মডেল এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকাকে উন্নয়নের পথ দেখাবে। কিন্তু চীন সেই মডেল অনুসরণ করেনি। কোনো বৈদেশিক সাহায্য ছাড়াই, শত্রুতার মধ্যে দাঁড়িয়ে চীন নিজস্ব পথ তৈরি করেছে।

    চীনা অর্থনৈতিক মডেল: একটি হাইব্রিড ব্যবস্থা
    চীনের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো তার অর্থনৈতিক সংগঠন। এটি নিছক পশ্চিমা বেসরকারি পুঁজিবাদী অর্থনীতি নয়, আবার সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো পুরোপুরি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীনও নয়। চীন একটি হাইব্রিড মডেল অনুসরণ করেছে। প্রায় অর্ধেক অর্থনীতি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন উদ্যোগ (State-Owned Enterprises) দ্বারা পরিচালিত, অন্য অর্ধেক বেসরকারি পুঁজিবাদী উদ্যোগ—চীনা এবং বিদেশি উভয়ের দ্বারা।

    এই হাইব্রিডের উপর রয়েছে সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ। পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় চীনা সরকার অর্থনীতির অনেক বেশি নিয়ন্ত্রণ করে—বাণিজ্য, প্রযুক্তি হস্তান্তর, বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন পরিকল্পনায়। আর সরকারের উপরে রয়েছে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (CCP)। পার্টি সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যে বিশ্বাসী, মার্কসবাদী দর্শন অনুসরণ করে এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে। তারা নিজেদের অর্থনীতিকে “চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্র” বলে অভিহিত করে।

    এই ব্যবস্থার স্বকীয়তা হলো—পার্টি-সরকার-অর্থনীতির সমন্বয়। পার্টি অর্থনৈতিক লক্ষ্য নির্ধারণ করে, সরকার বাস্তবায়ন করে এবং বাজার শক্তিকে নিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবহার করে। ফলে চীন তিন-চার দশকে এমন উন্নয়ন অর্জন করেছে যা পশ্চিমা ইউরোপ তিন-চার শতাব্দিতে করেছে। ১৯৭৮ সালের সংস্কার-উন্মুক্তকরণ নীতির পর থেকে চীনের জিডিপি বৃদ্ধির হার দীর্ঘদিন ধরে ৫-১০ শতাংশের মধ্যে ছিল, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান হার ২ শতাংশের আশেপাশে।

    এই মডেলের সাফল্য অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আকৃষ্ট করছে। এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার অনেক দেশ চীনের মডেল থেকে শিক্ষা নিতে চায়—কীভাবে দ্রুত দারিদ্র্য বিমোচন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিল্পায়ন সম্ভব। চীন বিশ্বের কারখানায় পরিণত হয়েছে এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (BRI) মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী প্রভাব বিস্তার করছে।
    মার্কসবাদ ও পুঁজিবাদের মধ্যে এক অদ্ভুত বিপরীতমুখীতা

    চীনের অভিজ্ঞতায় একটি গভীর বৌদ্ধিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। মার্কসবাদ ঐতিহাসিকভাবে পুঁজিবাদের সবচেয়ে তীব্র সমালোচক। কার্ল মার্কস পুঁজিবাদকে শ্রমিক-মালিকের শোষণের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা ব্যবস্থা হিসেবে দেখেছিলেন এবং তার অতিক্রমের পথ দেখিয়েছিলেন। অথচ বিশ্ব পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় (যেখানে নিয়োগকর্তা-নিয়োগপ্রাপ্তির সম্পর্ক সর্বজনীন) সবচেয়ে দ্রুত এবং সফল উন্নয়ন ঘটিয়েছে একটি মার্কসবাদী দলের নেতৃত্বাধীন দেশ।

    চীন পুঁজিবাদী বিশ্বব্যবস্থার মধ্যে থেকেই তার লক্ষ্য অর্জন করেছে, কিন্তু পার্টির নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক লক্ষ্য বজায় রেখেছে। তারা বলে, তারা এখনো সমাজতন্ত্রের প্রাথমিক পর্যায়ে আছে এবং ধীরে ধীরে উন্নত সমাজতন্ত্রের দিকে এগোচ্ছে। এই বাস্তবতা পশ্চিমা অর্থনৈতিক উন্নয়ন তত্ত্বকে চ্যালেঞ্জ করে। পশ্চিমা মডেল ছাড়াও দ্রুত উন্নয়ন সম্ভব—এই প্রমাণ চীন দিয়েছে।

    অন্য কোনো দেশ—মালয়েশিয়া, মিশর, দক্ষিণ আফ্রিকা বা ব্রাজিল—এই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। চীনের সাফল্য দেখিয়ে দেয় যে, শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং বাজার-রাষ্ট্রের সমন্বয় অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে।

    বর্তমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ

    চীনের উত্থান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চ্যালেঞ্জ কারণ এটি শুধু অর্থনৈতিক নয়, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিকও। দক্ষিণ চীন সাগরে নৌবহরের উপস্থিতি, প্রযুক্তিতে অগ্রগতি, আফ্রিকা-লাতিন আমেরিকায় প্রভাব বৃদ্ধি—সবকিছুই এই উত্থানের ফল। চীন এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি এবং শীঘ্রই প্রথম হয়ে যাবে।

    তবে চীনেরও সমস্যা আছে—জনসংখ্যাগত পরিবর্তন, ঋণের বোঝা, আঞ্চলিক অসমতা, পরিবেশ দূষণ ইত্যাদি। মার্কসবাদ অনুসারে সংগ্রাম কখনো থামে না। চীন ৫০ বছর আগে যা ছিল, আজ তা নয়; ৫০ বছর পরও অন্যরকম হবে।

    যুক্তরাষ্ট্রের উচিত এই বাস্তবতা বুঝে নেওয়া। আদর্শগত যুদ্ধের পরিবর্তে বাস্তবসম্মত সম্পর্ক গড়ে তোলা দরকার। চীনের উত্থান বিশ্বকে দেখাচ্ছে যে, একক মডেল নয়, বৈচিত্র্যময় উন্নয়ন পথ সম্ভব।

    চীনের চ্যালেঞ্জ শুধু যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়, সমগ্র বিশ্বের জন্য। এটি আমাদেরকে প্রশ্ন করতে বাধ্য করে—উন্নয়নের সঠিক পথ কী? রাষ্ট্রের ভূমিকা কতটা হওয়া উচিত? বাজার এবং পরিকল্পনার সমন্বয় কীভাবে সম্ভব? চীন দেখিয়েছে যে, দারিদ্র্য থেকে সমৃদ্ধির পথ দ্রুত অতিক্রম করা যায় যদি জাতীয় সংকল্প, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বুদ্ধিদীপ্ত নীতি থাকে।

    ট্রাম্পের বেইজিং সফর এই নতুন বাস্তবতার স্বীকৃতি। আদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে ঐতিহাসিক সত্যকে বুঝতে হবে। চীনের অভিজ্ঞতা বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি আলোকবর্তিকা হয়ে উঠেছে। ভবিষ্যৎ বিশ্বব্যবস্থা এই দুই মহাশক্তির মধ্যে প্রতিযোগিতা ও সহযোগিতার মিশ্রণে গড়ে উঠবে।

     
  • albert banerjee | ১৬ মে ২০২৬ ১৩:০১554369
  • ভারতের বেকার যুবকরা “তেলাপোকা” বা “পরজীবী” নয়। ভারতীয় যুব কংগ্রেস বেকার যুবক, আরটিআই কর্মী, স্বাধীন সাংবাদিক এবং জবাবদিহিতার দাবিতে সোচ্চার কণ্ঠস্বরদের লক্ষ্য করে করা লজ্জাজনক মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
  • albert banerjee | ১৬ মে ২০২৬ ১১:৪২554367
  • এবার সবাই একটু হাসুন তো
  • X | 103.*.*.* | ১৬ মে ২০২৬ ১১:২৩554366
  • এফ আই আর দেখে খুশি যে আর ধরছে না - আপনি কি রাজীব সরকার?
  • Dhuttor | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ১৬ মে ২০২৬ ১১:০৫554365
  • @AI, আচ্ছা এখানে ভাটিয়ালিতে তো অনেকেই আছেন যারা মারাঠা দেশ চষে ফেলেছেন, এই MODI স্ক্রিপ্ট দেখেছেন কি কেউ ?
  • AI | 223.*.*.* | ১৬ মে ২০২৬ ১০:০৩554364
  • জেমিনি বলছে highly persian influenced marathi in Modi script
  • Dhuttor | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ১৬ মে ২০২৬ ০৭:২৮554363
  • আচ্ছা পেশোয়াদের সময়ে অফিসিয়াল দরবারের ভাষা কি ছিলো ?
  • এ রাম | 45.*.*.* | ১৬ মে ২০২৬ ০৫:৫২554362
  • গুরুদের বুক ফেটে চৌচির হয়ে যাবে গো।
  • . | ১৬ মে ২০২৬ ০১:৩৩554361
  • এফআইআর দায়ের হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে।
  • X | 42.*.*.* | ১৫ মে ২০২৬ ১৯:৩৩554360
  • @. গুগল করে দেখলুম বক ই বলছে বটেক - আমার আবার কেন জানি বাঘ মনে ছিলো। তা বকই হবে
  • keya baat | 91.*.*.* | ১৫ মে ২০২৬ ১৯:২৭554359
  • বিজেপির আমলে সলিড গ্রোথ
  • . | ১৫ মে ২০২৬ ১৮:৩৯554358
  • বক। কেন বক? এর পেছনেও কারণ আছে।
  • X | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ মে ২০২৬ ১৮:৩২554357
  • @. যদ্দুর মনে পড়ছে ওটা বাঘই ছিল - উকুনে বুড়ি তার রান্না করে দিতো কি না
  • . | ১৫ মে ২০২৬ ১৮:২৪554356
  • বাঘ সাতদিন উপোস করল?
    বাঘ নয় বক
  • dc | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ মে ২০২৬ ১৮:০৫554355
  • ওদিকে এমপি হাই কোর্ট একটা হাজার বছরের পুরনো মসজিদে নমাজ বন্ধ করে দিয়েছে আর বলে দিয়েছে ওটা আসলে সরস্বতী মন্দির। আজ গৌমাতাদের অর্গাজম দিবস।
  • X | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ মে ২০২৬ ১৭:৫৯554354
  • এর মধ্যেই জাজ জ্ঞানসূর্য বেকার যারা মিডিয়া, আর টি আই এসব করে মানে আসল দুষ্টু লোক - তাদের ককরোচ, প‍্যারাসাইট ইত্যাদি আন্তরিক সম্বোধনে ভালোবাসা জানিয়েছেন।
  • X | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ মে ২০২৬ ১৭:৫৪554353
  • এতোদিনে সুপ্রিম কোর্ট ঘুম ভেঙে ধড়মড় করে উঠে বসে বলছে ইকি সব্বোনাশ - এরকম হয় না কি ? ছি ছি! আপনারা জানতেন না কোর্ট এসব দুষ্টুমি দেখতে পারে না?
     
    সেই- উকুনে বুড়ি পুড়ে মলো / বাঘ সাতদিন উপোস রইলো- সেই causality chain এর ঢং এ জ্ঞানী জ্ঞানেশ ইসিআই হলো / এস আই আর শুরু হলো/ বহু জনতা ভোটাধিকার হারালো/ সব রাজ‍্যে কমল এলো - এখন এসব অমায়িক পর্যবেক্ষণে লাভ কি? কোর্ট তো জ্ঞান দেখিয়ে বলেছিল- এস আই আর এ লাম বাদ গেলে কি সমস্যা? তো এখন তো শোনাই যাচ্ছে- এস আই আর এ নাম না থাকলে অন্নপূর্ণা থেকে অশ্বিনী কুমার সব সুবিধা থেকে বাদ যাবে
  • X | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ মে ২০২৬ ১৭:৪৪554352
  • Srimallar Speaks | ১৫ মে ২০২৬ ১৬:৪৯554351
  • আজকাল হয়েছে কী, একা আর চুপ থাকি ভেতরে ভেতরে। এই যেমন কাল রাতে বিছানার পাশের জানলা খুলে কাঁদছিলাম। বাইরে তখন অনেক রাত। কেন কাঁদছিলাম? বললে বিশ্বাস করবেন কি কেউ? কাউকে বিশ্বাস করানোর দায় আমার নেই। ঝাঁকে ঝাঁকে কবিতা আসছিল আমার কাছে। কয়েকটা লিখে ফেলে চুপ ক’রে ব’সেছিলাম। ভাবছিলাম, জীবন আসলে কবিতার চেয়ে ছোট। আর কবিতা আমাকে যেভাবে যে চোখে দ্যাখে, আমি সম্ভবত কবিতাকে সেই চোখে দেখে উঠতে পারিনি। কবিতা আমাকে বিশ্বাস করে। অথচ কবিতায় আমার আজকাল বিশ্বাস থাকছে না। এত কবিতা লেখা যায় নাকি? মানসিক যন্ত্রণা পাচ্ছিলাম। একসময়ে ঘুমিয়েও পড়ি। সকালে আবার সময় মতো কাজে বেরিয়ে পড়তে হবে ব’লে...
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত