এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা   বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

  • এ আই এর অ আ

    সিংগল k
    আলোচনা | বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি | ৩১ আগস্ট ২০২৬ | ২৪৩২ বার পঠিত
  • এআই মানে কৃবু জাঁকিয়ে বাজারে আসার পরে বেশ কবছর কেটে গেল দেখতে দেখতে। গুরুচণ্ডা৯ তে তার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনাও কিছু কম হয় নি। কিন্তু গুরুগম্ভীর সে সব টইয়ে একটা জিনিস কিঞ্চিত কম- সেটা হল কৃবু আমার কম্মে কতটা লাগবে এবং কেমন করে লাগবে।
     
    ব্যাপারটা রোবোট ভ্যকুয়ম ক্লীনারের মত নয়, যে অন্য কেউ ঠিক করে দিয়েছে যে যন্ত্র বুদ্ধি করে কোনো একটা কাজ হাসিল করবে, আপনি দাম দিয়ে যন্ত্রটা কিনেছেন, এবং সেটা যেমন চলার কথা তেমন চলছে। কোম্পানি আপডেট করলে তার একটু হালচাল বদলায়, না হলে নয়।
     
    এখানে আলোচনার বিষয়বস্তু হল এআই এজেন্ট বা 'কৃবুচর' (কবুতর নয় কিন্তু) আপনি এই চর লাগালে, সে পার্শ্বচর হিসেবে আপনার বলা কাজটা, আপনার হয়ে, ছলে বলে কৌশলে হাসিল করে দেবে।'অনুচর' বলে তাকে ছোটো না করাই ভাল।আমাদের মত সাধারন মানুষের নাগালের মধ্যে কৃবুর যতটুকু পড়ে, এই কৃবুচরকে তার চরম বলা চলে।
     
    এই টইয়ের অনুপ্রেরণা হল দমদির করা একটি কমেন্ট -
    "আমার বুবুভার ধারাবাহিকে নিকোবরের পর্বে এই টইটার সাহায্য খুব কাজে লাগবে। অন্যগুলো তো সোর্স খুঁজে খুঁজে ঘটনাক্রম বুঝে লিখতে প্রচুর সময় লাগছে।"
    ---দ | ২৩ আগস্ট ২০২৬ ২০:০১ (গ্রেট নিকোবর প্রজেক্টের টই)
    এখানে দমদি যে আক্ষেপটি করেছেন সেই কাজটি একটি কৃবুচরের আদর্শ কাজ। একবার তাকে বব বিশ্বাসের মত আপনার মেসেঞ্জার থেকে একটি মেসেজ পাঠিয়ে দিন, সে ঐ কাজ হাসিল করে তবেই থামবে। দমদি যদি একবার শুধু বলেন - অমুক বিষয় বা ঘটনার সোর্স খুঁজে বার করে ঘটনাক্রম বুঝে এইরকম একটা লেখার খসড়া বানিয়ে আমাকে জানাও তো ভাই কৃবু। দমদির কৃবুচর, পর পর দমদির বলা কাজগুলো করে, শেষ হলে, দমদির করা মেসেজের রিপ্লাই দিয়ে জানিয়ে দেবে যে -"কাজ হাসিল ম্যডাম।এবারে কি গুরুচণ্ডা৯ র বুলবুলভাজায়, আপনার একাউন্ট থেকে মালটা পোস্ট করে দেব? নাকি আপনি আগে একবার চোখ বুলিয়ে নিতে চান?" যেহেতু কৃবুচরের আসল মগজটা সচরাচর একটা LLM মানে লার্জ ল্যঙ্গুয়েজ মডেল, কাজেই আপনি প্রায় যে কোন ভাষায় কৃবুচরকে আদেশ দিতে পারেন। ভাযা কোন ফ্যাক্টর নয়।
     
    বর্তমানে বেশীভাগ লোকেরই কৃবুর সঙ্গে সম্পর্ক হল ChatGPT/Gemini/Claude ধরনের AI-Chat এ কিছু প্রশ্ন করা ও তার খুব ভাল ও সঠিক উত্তর কৃবুর কাছ থেকে পাওয়া। কিন্তু কৃবুচরের কাজ হল -- আপনি তাকে একটি লক্ষ্য দেন → কৃবুচর কাজটাকে কয়েকটি ধাপে ভাঙে → প্রয়োজনীয় tool ব্যবহার করে → কী ফল হল দেখে → দরকার হলে নিজের পরের পদক্ষেপ বদলায় → কাজ শেষ করে।
    ধরুন আপনি বললেন:
    “আগামী হপ্তায় রামনভ্মী পড়েছে, রামলালা দর্শনে যেতে হবে। সবচেয়ে সুবিধাজনক ট্রেনগুলো খুঁজে দাও, সময় মিলিয়ে একটা itinerary বানাও, প্রয়োজনীয় জিনিসের checklist তৈরি করো।”
    সাধারণ chatbot উত্তর দিতে পারে।কিন্তু agent-এর আদর্শ আচরণ হবে: তথ্য খোঁজা → তুলনা করা → সিদ্ধান্তের বিকল্প তৈরি → itinerary বানানো → checklist বানানো।
    অর্থাৎ একটি প্রশ্নের উত্তর নয়, একটি কাজ সম্পন্ন করা।
    আপনি বলতেই পারেন - এ তো প্রায় অটোমেশন, এ আর নতুন কি। আপনি কি কি করতে হবে, কিসের পর কি করতে হবে সবই তো তাকে বলে দিয়েছেন- ও করছে, এ রকম তো কতই হয়!
    না, এখানেই তফাত। তাকে সব রাস্তা বলে দিতে হবে না—তাকে গন্তব্যটা বলে দিলেই হল। পথের অবস্থা দেখে কোন রাস্তা নেবে, কোথায় আটকাল, পরের পদক্ষেপ কী হবে—সেটা সে নিজেই ঠিক করবে।
    নতুনত্ব এটাই, ঠেকে গেলে কৃবুচর আপনাকে মেসেজ করবে যে "কত্তা এত্ত দেরীতে বললেন, যে ট্রেনের টিকিট সব তো বুকড, বেলেক এ কাটতে তো শেখান নি, ওদিকে আধ-আনি এয়ারলাইন্স নতুন চালু হয়েছে, হেব্বী ছাড় দিচ্ছে, মাত্র ছাপান্ন টাকা বেশী পড়বে ফাস্টো কেলাস ট্রেনের চে, ওতে কি কাটব? আর আপনার ক্যালেন্ডারে তো দেখছি কত্তা আপনার হাতে বিশেষ কাজকম্মোও নেই, জনকপুরটাও দুদিনের জন্য ঘুরে আসবেন নাকি? জননী সীতার কৃপায় আপনার কাজকম্মের বাজার ভাল হওয়ার আশা আছে দেখছি আপনার কুষ্ঠীতে।" শুনে বাড়াবাড়ি মনে হচ্ছে? তা একটু বাড়িয়ে বলছি বটে, কিন্তু যে হারে উন্নতি হচ্ছে, সাতাশ সালের জানুয়ারীর মধ্যে কৃবুচরেরা আপনার সঙ্গে যদি বিলকুল ঐ ভাষায় কথা না বলে, তবে আমার নাম বদলে সিংগল k থেকে জিরো k করে দেব।মনে করিয়ে দেবেন।

    এই টইয়ের উদ্দেশ্য স্রেফ কদ্দূর কি ইলনজী, পিছাইজী, মার্কজী রা করলেন তা নয়। FOSS ওয়ালারাও কতদূর আমাদের জন্য কি করল এবং আমরা ঐ ফ্রী (সর্বার্থে) এআই কতদুর ব্যবহার করতে পারছি। আমাদের পাতি মেশিনে এআই এজেন্ট অব্দি নাগাল পাচ্ছি কিনা, করতে কোনো অসুবিধায় পড়ছি কিনা।এই টই, সে বিষয়ে চুটিয়ে আলোচনার করার জন্য খুললাম।
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সিংগল k | ৩১ আগস্ট ২০২৬ ০২:৩৩748276
  • গুরুচণ্ডা৯-এ কৃবু/AI নিয়ে যে কটি লেখা চোখে পড়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নিচে দিলাম। একই সঙ্গে কোনটায় কী নিয়ে আলোচনা আছে, সেটাও এক লাইনে লিখে রাখলাম।( নিজে কিছুই করিনি, সবই কৃবুর কৃপা) একজায়গায় থাকলে পরে আলোচনায় সুবিধে হবে।
    ১। ভূতের বেগার
    লেখক: Arindam Basu
    বিষয়: AI, Machine Learning, Deep Learning, computer vision, image recognition, automation ইত্যাদি।
    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=28848
    ২। 'কৃবু'র বুদ্ধিমত্তা কি কৃত্রিম?
    লেখক: বকলম-এ অরিত্র
    বিষয়: কৃবুর বুদ্ধিমত্তা আদৌ কতটা “বুদ্ধিমত্তা”, AI-এর প্রকৃতি ও দার্শনিক প্রশ্ন।
    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=29041
    ৩। এসো শিখি কল্প জগতে নকলের কারসাজি (Deep fake learning)
    লেখক: Rajkumar Raychaudhuri
    বিষয়: Deepfake, Deep Learning, GAN, Autoencoder, Artificial Neural Network ইত্যাদি।
    https://www.guruchandali.com/comment.php?page=1&topic=18815
    ৪। চ্যাট জিপিটির সঙ্গে বকবক
    বিষয়: ChatGPT-কে সরাসরি নানা প্রশ্ন করে তার উত্তর ও আচরণ পরীক্ষা করা; token, probability, context ইত্যাদি technical প্রসঙ্গও কথোপকথনের মধ্যে এসেছে।
    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=32286
    ৫। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কবিতার সারাংশ নিংড়ে বের করা
    লেখক: lcm
    বিষয়: DeepSeek, Copilot ও ChatGPT-কে দিয়ে বাংলা কবিতা বিশ্লেষণ ও সারাংশ তৈরি করানো।
    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=32470
    ৬। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে প্রাথমিক রাশিবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ
    লেখক: lcm
    বিষয়: AI-কে দিয়ে তথ্য বিশ্লেষণ ও বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর বার করার ব্যবহারিক পরীক্ষা।
    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=32472
    ৭। জলধরবাবুর ভগ্নাংশ
    বিষয়: Machine Learning, AI, bot, self-driving car ইত্যাদি নিয়ে তুলনামূলক পুরনো আলোচনা।
    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=14156
    ৮। গল্পালোচোনা — ডিজাইন বায়াস
    বিষয়: AI দিয়ে গল্প লেখা, মানুষের সৃজনশীলতার জায়গায় machine-generated writing-এর সম্ভাবনা ও সমস্যা।
    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=22867
    ৯। মেধাতন্ত্র অথবা কানামাছি ভোঁ ভোঁ
    বিষয়: ChatGPT, DeepSeek এবং সাম্প্রতিক AI-পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা।
    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=32870
    ১০। প্রযুক্তির নয়া দিগন্ত ও ব্রোমিজিম
    বিষয়: ChatGPT-এর ভুল/বিপজ্জনক পরামর্শ এবং AI-এর উপর অতিরিক্ত নির্ভরতার সমস্যা।
    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=32926
    ১১। অ্যাই বিসংবাদ
    বিষয়: বাস্তব কাজে AI ব্যবহার, বিশেষ করে AI দিয়ে ছবি/সৃজনশীল কাজ করানোর প্রসঙ্গ।
    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=33543
    ১২। টুরিং বিশ্বাস করে যন্ত্র ভাবতে পারে, টুরিং পুরুষ সংসর্গ করে
    বিষয়: Alan Turing, “Can machines think?”, Turing Test এবং machine intelligence-এর ঐতিহাসিক ভিত্তি।
    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=34950
    ১৩। ফাজি লজিকের ভবিষ্যৎ
    বিষয়: Fuzzy Logic, AI এবং AI-এর black-box/explainability সমস্যা।
    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=34402
  • সিংগল k | ৩১ আগস্ট ২০২৬ ০২:৫৮748277
  • আমার একটি ন হাজার টাকা (২৩ সালে কেনা) দামের মেশিনে Ollama র মাধ্যমে কয়েকটি মডেল চালাতে সক্ষম হয়েছি, ম্যক্সিমাম চৌদ্দ বিলিয়ন প্যারামিটারের Local LLM চালিয়েছি, ল্যাঙ্গুয়েজ ছাড়া অন্য কোন মডেল চালাই নি। সৈকতদা বৈমেলায় এবছর অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন। সে যুগটাই ছিল অনুপ্রেরণার।
    এ ছাড়াও Hermes নামের একটি কৃবুচর আমার ল্যাপটপে ব্যবহার করছি, তাতে কিছু কিছু উপকারও পেয়েছি। করতে কি সমস্যা হল, তারা কেমন চলছে এসব নাহয় এখানে শেয়ার করব। তবে সবাই তো আর টেকনিক্যাল লোক নয়, বেশীভাগই আমার মত পাতি লোক, স্রেফ কিউরিয়াস হয়ে মজা দেখতে এসেছি। তাই আমার মনে হয় কৃবুর একেবারে বেসিক ব্যাপারগুলোর টেকনিক্যাল ডেফিনিশন নিয়ে একেবারে প্রথমে আলোচনা হওয়া উচিত।

    যেমন ধরুন - ন হাজার তো বুঝলাম, তাতে মালটা কি পেয়েছেন? কি প্রসেসর কত RAM কি GPU. ইত্যাদি।
    মডেল - টা কি বস্তু
    Local LLM কি
    Ollama কি
    ল্যাঙ্গুয়েজ ছাড়া আর কি মডেল হয়?
    প্যারামিটার কি?
    টোকেন কি?
    AI agent কি?
    এ ছাড়াও প্রতি পদে লাগবে -
    কোয়ান্টাইজেশন
    টুল
    কনটেক্সট উইন্ডো ..... ইত্যাদি।

    আপনারা আলোচনা শুরু করুন, আমার এক্সপিরিয়েন্স আমি পরে বলছি...
     
  • দ | ৩১ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৩৯748279
  • laughlaugh
    আমি তারপরেও লেখালিখির ব্যপারটা আমার হাতেই রাখবো। এজেন্টকে দিয়ে লেখাতে কুঞ্চিৎ আপত্তি আছে। তবে আর্থিক লেনদেন বার্ষিক ও দৈনন্দিন, বাজারের ওঠাপড়া অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবার জন্য প্রয়োজনীয় বিশ্লেষণ এই চরের হাতে দেওয়া যাবে। প্রশ্ন হল লিনাক্স উবন্টু জাতীয় কম্যান্ড প্রম্পট ছাড়া ওকে নির্দেশ দেবার কোন সহজতর উপায় আছে কী?
     
    আর কেলোদার এই রাম সীতা প্রীতিটার কিছু ব্যবস্থা করা গেলে ভাল হত।
  • দ | ৩১ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৪০748280
  • *কিঞ্চিৎ আপত্তি
  • অরিন | ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১১:৩৮748281
  • "প্রশ্ন হল লিনাক্স উবন্টু জাতীয় কম্যান্ড প্রম্পট ছাড়া ওকে নির্দেশ দেবার কোন সহজতর উপায় আছে কী?"
     
    হ্যাঁ, অতি অবশ্যই |
    আপনি https://gemini.google.com এ গিয়ে নতুন gems খুলুন, খুলে Deep Research করুন | কোন অসুবিধে নেই |
     
    না হলে https://lightvela.ai ট্রাই করে দেখতে পারেন |
    দুটোতেই কিছু মালকড়ি খসবে |
     
    না হলে, hermes install করে hermes dashboard কথাটা একটি টারমিনালে লিখে দেখতে পারেন, উইন্ডোজ কম্পিউটার হলে Windows Subsystem Linux দিয়ে ট্রাই করে দেখুন, কেলো বলে দিতে পারবে, আমি Windows ব্যবহার করি না বলে এর বেশী বলতে পারব না। ম্যাক বা লিনাকস হলে অন্য কথা।
    একটিই কম্যাণ্ড |
    বাকীটা ওয়েব ব্রাউজার দিয়ে করবেন।
    এ সবের কোনটাই না ভাল লাগলে Opencode Zen ব্যবহার করে দেখতে পারেন, হারমিসের মত একই ব্যাপার, তবে কিছু কোডিং লাগবে, আর একটি প্রম্পটের ব্যাপার আছে।
    প্রম্পট ছাড়া তো এ আই হয় না (মানে নেহাত আনাড়ী না হলে, আপনি যতদূর জানি নন) | ঐটুকু প্রম্পট দিতে হবে তার জন্য একটা টেকসট ফাইল খুলে রেখে দিলেই হয় |
  • সিংগল k | ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১৫:০৭748283
  • আমার সব কথাই অতিরঞ্জিত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নাকি?
    একটু সায়েন্স ফিকশন টাইপ শোনালেও কিন্তু আমার লেখার প্রায় প্রতিটি কথার ওয়েট আছে। আমি সত্যিই বলেছি যে বব বিশ্বাসের মত স্রেফ মেসেজ করে কাজ করাতে পারবেন। অন্য কৃবুচরের কথা বলতে পারব না, তবে আমি কদিন ধরে যে হার্মিস বলে এজেন্টটি ব্যবহার করছি তাতে বহু প্রচলিত মেসেঞ্জারের সঙ্গে ইন্টিগ্রেশনের ব্যবস্থা আছে, জনপ্রিয় হোয়াটস্যাপও তার মধ্যে পড়ে। আমার নিজের হোয়াটস্যাপ নেই, কিন্তু সিগন্যাল বা মেট্রিক্স আছে। ও দুটোও হার্মিসের সঙ্গে কাজ করে।লিনাক্স, ইউনিক্স, বিএসডি কোনো কিছুরই টার্মিনাল বা কমাণ্ড প্রম্পট আপনার ব্যবহার করারই দরকার নেই। এমনকি নিজের মেশিনে এজেন্ট চালাবার জন্যও ওসব বাঘা বাঘা অপারেটিং সিস্টেম থাকারও দরকার নেই। ৮জিবি র‍্যাম ওয়ালা উইণ্ডোজ মেশিনে সৈকতদার বন্ধু এজেন্ট ভরবে বলেছিল। সাকসেসফুল হলে জানাবে নিশ্চয়ই। আমার লিনাক্স মিন্ট ১৬ জিবি ল্যাপটপে চমত্কার চলছে। আট জিবিতেও না চলার কিছু নেই। এজেন্ট নিজে ভারী কিছু নয়, সে কাজ করে 'টুল' আর বাইরের 'মডেলের' সাহায্যে। সেগুলো, বিশেষ করে লোকাল মডেল চালাতে বেশ ভারীরকম কম্পিউটিং পাওয়ারের দরকার হয়। কিন্তু মডেল চালাবার দরকারই নেই, বেশ রিজনেবল দরে নামীদামী সকল কৃবু কোম্পানী আপনাকে টোকেন বেচবে বলে লাইন দিয়ে বসে আছে। যাকে পছন্দ তার কাছ থেকে কিনলেই হল। ডাইরেক্ট কিনতে পারেন, মিডলম্যানও ধরতে পারেন।
    এরা বিভিন্ন কোম্পানীর সার্ভিস ওদের নিজের এপিআই এর মাধ্যমে আপনার কাছে বেচে--
    https://openrouter.ai/
    এদের সাইটে গেলেই মোটামুটি কোন মডেলের এক মিলিয়ন টোকেনের কত দাম যাচ্ছে বা কোন কোম্পানীর কোন মডেলের বাজার সবচে ভাল যাচ্ছে তার একটা ভাল আইডিয়া পাবেন। অনেকটা লিনাক্সের ডিসট্রোওয়াচ ডট কমের কথা মনে করিয়ে দেবে।
    মেসেঞ্জারে ব্যবহার করতে না চাইলে, আপনি আপনার ব্রাউজার থেকেও এআই এজেন্টের ড্যাশবোর্ড একসেস করতে পারবেন।এমন নয় যে টার্মিনাল ব্যবহার মাস্ট। (পরে স্ক্রীনশট দিয়ে দেব।)
     
    লেখালিখি আপনার হাতে রাখুন আপত্তি নেই বরং সেটাই ভাল, ভুতের বেগার খাটার অংশটুকু কৃবুকে আউটসোর্স করান। মানে ঐ খোঁজাখুঁজি আর ক্রনোলজী সমঝে নেবার কাজটা ওরা বেশ ভাল পারে।

    এর পর ডেফিনিটলি আপনার মাথায় আসবে কোন কাজে কত টোকেন খরচ হয়? টোকেনের ব্যাপারটাই বা কি ভাবে ঠিক হয়? তাই তো? সে নিয়ে বরং রাতের দিকে বসব, বলব আমার ব্যক্তিগত এক্সপিরিয়েন্স।

    মনে রাখবেন, শুধু কম্পিউটিং পাওয়ার বেচেই নয়, সার্চ ইঞ্জিনের সার্ভিস বেচেও কোম্পানীগুলো কামাবে এজেন্ট বাজারে এলে।সাধে কি লোকে কৃবু কোম্পানীতে ইনভেস্ট করছে, যতই কৃবু আসলে বাবল্ - এই ফাটবে - - এই ফাটবে বলে গলা ফাটান।

    শুধু মডেল বা সার্চ ইঞ্জিনের সার্ভিস বেচেই নয়, অন্যান্য টুল বা সার্ভিসও এজেন্ট চালাতে লাগবে, সেগুলো বেচেও কোং গুলো দু পয়সা কামাবে। এইবার আপনার মনে প্রশ্ন আসবে - প্রতি পদে যদি পয়সার খেলা হয় তবে আমার ব্যবহার করে কাজ কি বাপু, আমার কাজ আমি নিজেই সামলে নেব।

    কিন্তু না, সবাই পয়সার জন্য লালায়িত নাকি? পৃথিবী থেকে এনার্কিজম, স্যোস্যালিজম এখনো উবে যায় নি, FOSS যাঁরা বানিয়েছেন, যাঁদের কৃপায় আমি গত তিরিশ বছর ধরে সফটওয়্যারের পেছনে একটি পয়সা না খরচ করে কম্পিউটার ব্যবহার করে আসছি, আমার অগাধ ভরসা আছে তাঁদের ওপরে, তারই এবারও মুস্কিল আসান হবেন।

    আমি ঐ ন হাজারের মেশিনে একটি আট বিলিয়ন প্যারামিটারের লোকাল LLM চালিয়েছি 65K কনটেক্সট উইন্ডোর। (8bit quantized). আর সার্চ এর জন্যও কাউকে পয়সা না দিয়ে নিজের এয়ারটেল ১০ এমবিপিএসের ১৯৯ টাকার কানেকশনটা কাজে লাগাতে SearXNG বলে একটা সেল্ফ হোস্টেট সার্চ এগ্রিগেটর ব্যবহার করছি আমার মেশিনে। খুব স্লো হলেও আমার কাজ কিন্তু বিনা পয়সায় নিজের ডাটা প্রাইভেসী বজায় রেখেই হাসিল হয়ে যাচ্ছে।

    অরিনদা কো কোরের কথা বললেন। এই টইটা খুললামই এই কারনে যাতে কাজে লাগানোর মত আরও বহু এরকম আইডিয়া পাওয়া যায়, যা আপনারা অলরেডী করেছেন বা করবেন ভাবছেন।
     
  • দ | ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১৫:৩০748284
  • কেনাকিনি নয় যতটা সম্ভব ফ্রি জিনিষ বা সস্তা জিনিষের কথা বলুন। একেবারে ধাপে ধাপে সহজ করে বলুন লিনাক্স / উবুন্টু ছাড়া স্রেফ উইন্ডোজ ল্যাপটপ বা মোবাইল দিয়ে ওই খোঁজাখুঁজি বিশ্লেষণের কাজগুলো করা যাবে কিনা এবং গেলে কীভাবে যাবে।
     
    অরিনের রেফারেন্সগুলো পরে ঘেঁটে দেখব। আপাতত একটা ছড়ায় ও ছবিতে কৃবুচর বানান টাইপ গাইডবুক পেলে ভাল হয়।
  • ফুটকড়াই | ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১৯:১২748285
  • এজেনটিক এয়াই নিজের সপ্তাহান্তের প্রোজেক্ট, হালকা কাজ করার জন্য ঠিক আছে। আপনি ঘুমোলেও কাজ করে রাখল, তারপর আপনি রিভিউ করলেন। সিরিয়াস কাজের জন্য একেবারেই স্কেল করে না। স্কেল করতে গেলেই টোকেন খরচ এক্সপোনেনশিয়ালি বেড়ে যায়। কাজের জায়গায় এক প্রোজেক্টে ডেভিন ব্যবহার করে দেখা গেল তিনজন সিনিয়ার ইঞ্জিনিয়ারের খরচ একাই খাচ্ছে, টাকা বাঁচার বদলে বাজেট ছাড়িয়ে গেছে। স্যাসপোক্যালিপ্স নিয়ে অনেক চ্যাঁচামেচি হল। তারপর দেখা গেল নন ডিটারমিনস্টিক বলে চোখ বুজে ভরসা করা দায়। আর স্যাসে যেরকম সার্ভিস লেভেল এগ্রিমেন্ট, অন কল সাপোর্ট থাকে, এখানে ওসব নেই।
  • অরিন | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:২১748287
  • ফুটকড়াই টোকেনের খরচের ব‍্যাপারটা ভাল ধরেছেন, তবে কি জানেন, জটিল প্রোজেক্ট একটু ভেবেচিন্তে নিজের মত ল‍্যাংচেন ল‍্যাংগ্রাফ প্রোগ্রামিং করে নিলে বিশেষ অসুবিধে হবার কথা নয়। টোকেন বাজেটের মধ্যে থাকবে।
    আসলে আপনি যত ইচ্ছে স্কেল করতে পারবেন, যদি খেয়াল রাখেন যে আসলে cron job তাতে ভেবেচিন্তে একটা যুৎসই প্রম্পট লাগাতে হবে।
  • ar | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৬:৫৫748289
  • "বর্তমানে বেশীভাগ লোকেরই কৃবুর সঙ্গে সম্পর্ক হল ChatGPT/Gemini/Claude ধরনের AI-Chat এ কিছু প্রশ্ন করা ও তার খুব ভাল ও সঠিক উত্তর কৃবুর কাছ থেকে পাওয়া। কিন্তু কৃবুচরের কাজ হল -- আপনি তাকে একটি লক্ষ্য দেন → কৃবুচর কাজটাকে কয়েকটি ধাপে ভাঙে → প্রয়োজনীয় tool ব্যবহার করে → কী ফল হল দেখে → দরকার হলে নিজের পরের পদক্ষেপ বদলায় → কাজ শেষ করে।"

    আচ্ছা, এই টইটা আরেকটু সহজভাবে লেখা যাবে? যদি তথাকথিত কৃবুচরকে কাজে লাগাতে চাই, তাহলে কী করতে হবে, ধাপে ধাপে লিখে দিলে ভাল হয়। চরকে কীভাবে পাওয়া যাবে? ফ্রী হলে ভাল, না হলে নগদ ধরে দিলেও ক্ষতি নেই। ট্যেকনিক্যাল জার্গন কম হলে ভাল হয়। মানে এই যে আপনি লিখলেনঃ "আমি ঐ ন হাজারের মেশিনে একটি আট বিলিয়ন প্যারামিটারের লোকাল LLM চালিয়েছি 65K কনটেক্সট উইন্ডোর। (8bit quantized). আর সার্চ এর জন্যও কাউকে পয়সা না দিয়ে নিজের এয়ারটেল ১০ এমবিপিএসের ১৯৯ টাকার কানেকশনটা কাজে লাগাতে SearXNG বলে একটা সেল্ফ হোস্টেট সার্চ এগ্রিগেটর ব্যবহার করছি আমার মেশিনে।" এইটা একটু বিশদে লিখে দিলে ভাল হয়।
     
  • সিংগল k | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:১৫748290
  • 'এজেনটিক এয়াই নিজের সপ্তাহান্তের প্রোজেক্ট, হালকা কাজ করার জন্য ঠিক আছে। আপনি ঘুমোলেও কাজ করে রাখল, তারপর আপনি রিভিউ করলেন। '
    ----ফুটকড়াই | ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১৯:১২
    আমার বা দমদির কাজের পরিমান ঐটুকুই, তার বেশী নয়। কিন্তু ফুটকড়াই যে আশঙ্কাটা করেছেন, যে পুরোপুরি এজেন্টের হাতে ছেড়ে দিলে, সে দেহধারী এজেন্টের খরচও ছাপিয়ে যাবে, সেটা একদম ঠিক। আমি মাসখানেকের ব্যবহারে এটাই বুঝেছি। ভাগ্যিস শুরু থেকেই সাবধানী ছিলাম, ঠিক দমদির মত, তাই বেঁচে গেছি। নয়তো পেড সার্ভিস নিলে ফতুর করে দিত।

    দমদিও ভারী সাবধানী লোক, ঠিক আশঙ্কার জায়গাটা আগেভাগেই ধরেছেন, তাই শুরু থেকে বলেছেন -
    'কেনাকিনি নয় যতটা সম্ভব ফ্রি জিনিষ বা সস্তা জিনিষের কথা বলুন। একেবারে ধাপে ধাপে সহজ করে বলুন লিনাক্স / উবুন্টু ছাড়া স্রেফ উইন্ডোজ ল্যাপটপ বা মোবাইল দিয়ে ওই খোঁজাখুঁজি বিশ্লেষণের কাজগুলো করা যাবে কিনা এবং গেলে কীভাবে যাবে।'
    -------দ | ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১৫:৩০
    দমদির প্রশ্নের উত্তরের শেষভাগ অরিনদা ততক্ষনাত দিয়ে দিয়েছেন, আমিও দিয়েছি, যে - 'লিনাক্স টিনাক্স লাগবে না উইন্ডোজের পাতি মেশিনে দারুন চলবে। '
    চাইলে তক্ষুনি বলতে পারতাম, যে সোজা অমুক সাইটে চলে যান -- বোতাম পাবেন -- ক্লিক করুন-- পরপর ইয়েস ইয়েস করে যান আপনার মেশিনে ইনস্টল হয়ে যাবে, আপনার কিছু ভাবতে হবে না। কিন্তু দমদিকে সেটা বলা যায় নি। কেন? তার অনেকগুলো কারন আছে। যে কারনে হয়ত অরিনদাও বলেন নি।
    সত্যিই অত সহজে উইন্ডোজ মেশিনে ইনস্টল হয়ে যাবে, অন্তত আমি যে কৃবুচরটা ব্যবহার করেছি, সেটা তো যাবেই, আরিনদারা যেটা ব্যবহার করেন সেটাও হয়ত যাবে, ঠিক বলতে পারব না।
    ' শুধু ক্লিক করলে ইনস্টল হয়ে যাবে, ইনস্টল করুন আর ব্যবহার করুন' এটা সত্যি হলেও বলা যাচ্ছে না, ঐকথা বলাটা অরিনদা এডি়য়ে গেছেন - 'আমি জন্মে উনন্ডোজ ব্যবহার করি নি- কেলো করেছে ও জানে' এই কথা বলে। এদিকে কেলো শেষ উইন্ডোজ ব্যবহার করেছে ২০০১ সালে - উইন্ডোজ মিলেনিয়াম এডিশন আর উইন্ডোজ-এন্টি প্রফেশনাল। ঐ উইন্ডোজ মিলেনিয়াম এডিশনের মত ফালতু সফটওয়্যার কেলো বাকি জীবনে আর দেখে নি। এখনো পঁচিশ বছর বাদে রাত্রে দুঃস্বপ্ন দেখে কেলোর ঘুম ভেঙ্গে যায় যে, ওর রিসার্চ থিসিস মিলেনিয়াম এডিশনে রেখে হিসি করে ফিরে এসে দেখে যে, তাস খেলতে গিয়ে জুনিয়র ফেলো মেশিন ভোগে পাঠিয়ে দিয়েছে। :)
    আসল কথা হল, আমরা যারা ব্যবহার করছি, তারা কেউ, 'ক্লিক করুন - ইনস্টল হবে' বলতে পারছি না, তার অন্যতম কারন হচ্ছে, ক্যাচটা ইন্সটলেশনে নয়, তার পরবর্তী ব্যবহারে। এই টইটা খুলেইছি সেই নিয়ে কিঞ্চিত আলোচনা করব বলে।
    গত এক মাসের ব্যবহার থেকে যা বুঝেছি, তাতে ডেফিনিটলি আমরা যারা কম্পিউটারের কিচ্ছু জানি না তাদের কাছে এআই এজেন্টের অ্যাপিল আছে। যা কর্পোরেটগুলো এক্সপ্লয়েট করার চেষ্টা করছে আমাদের একটু একটু করে নেশা ধরিয়ে দিয়ে।
    এআই এজেন্টের ব্যবহার আমাদের নাগালের মধ্যে, কিন্তু খরচ নাগালে নাও থাকতে পারে। যদি পুরোটা তাদের ওপর ছেড়ে দিই। যদিও লিমিট সেট করা যায়- কিন্তু লিমিট সেট করলে আর তার ব্যবহারের কার্যকারীতাও লিমিটেড হয়ে পড়ে। কি করে গাছেরও খাব, আবার তলারও কুড়োবো, সেটার আন্দাজ পাওয়ার জন্য এই টই।

    এআর যেমন লিখলেন, আমারও উদ্দেশ্য ঠিক সেটা।
    'আচ্ছা, এই টইটা আরেকটু সহজভাবে লেখা যাবে? যদি তথাকথিত কৃবুচরকে কাজে লাগাতে চাই, তাহলে কী করতে হবে, ধাপে ধাপে লিখে দিলে ভাল হয়। চরকে কীভাবে পাওয়া যাবে? ফ্রী হলে ভাল, না হলে নগদ ধরে দিলেও ক্ষতি নেই। ট্যেকনিক্যাল জার্গন কম হলে ভাল হয়।'
    -----------ar | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৬:৫৫
    এই টইয়ের মুখবন্ধে দেখুন, এটা খোলার উদ্দেশ্যই তাই।
    তবে টেকনিক্যার জার্গন কম করা আমার উদ্দেশ্য নয়। আমি জানি গুরুতে বিদ্গ্ধজনেরা আসেন, তাঁরা সবাই জানেন (ar নিজেও) যে ফ্রী এআই চ্যাটবটের বাজারে টেকনিক্যাল জার্গন হজম করা কোন ব্যাপার নয়, পাশে চ্যাটবট থাকলে রিচার্ড স্টালম্যান, লিনাস টরভাল্ডের সঙ্গেও সমানে টক্কর দেওয়া যায়। আমার উদ্দেশ্য হল নিজে ব্যবহার করতে গিয়ে যেটুকু যেভাবে বুঝেছি, তা ঠিক হোক বা ভুল, আপনাদের সঙ্গে জলের মত ভাষায় শেয়ার করে নেওয়া।
    নিজে যে টেকনিক্যাল টার্মগুলো ব্যবহার করেছি বলে ar পয়েন্ট আউট করেছেন, সেগুলো আসলে ট্র্যাপ, দেখতে চাইছিলাম সত্যি কেউ ইন্টারেস্ট পান কিনা। ওগুলো তো এক্সপ্লেন করবই, সঙ্গে অরিনদা ইত্যাদিদের ব্যবহার করা টার্মগুলোও নিজো সহজে বোঝার চেষ্টা করব। এই টই যদি পনের দিনও চলে তবে তার মধ্যে কৃবুচর বোঝার মত টেকনিক্যাল ফান্ডা আমরা যারা এই টই পড়ছি, তাদের সকলের তৈরি হয়ে যাবে, এটা গ্যারান্টীড। আমার নিজের মনে হয়েছে এটা হওয়া খুব দরকার। না হলে আমরা বুঝি বা না বুঝি, আমরা সবাই জ্ঞানতঃ বা অজান্তে কৃবুচর ব্যবহার করব, এবং প্রতি পদে ঠকব।
    একটা ছোট্ট এবং এর খুব কাছাকাছি উদাহরন দিচ্ছি-
    আমার এক বন্ধু বিশাল টাকা খরচ করে বিশাল উঁচু এক বহুতলে একটা হোঁত্কা মত ফ্ল্যাট কিনল। তো কেনার কদিন পরেই, ইন্টিরিয়র হওয়ার আগেই, আমাকে এসে বলে - একদিন আমার সঙ্গে চ, তোকে দরকার আছে। আমি বললাম কিসের দরকার? গৃহপ্রবেশ তো? ডানহাতের ব্যবস্থা থাকলে বলতে হবে না, তুই না বললেও আমি যাব। ব্যাটা বলে কিনা - ওসব কিছু না ঐদিন ইন্টারনেট নেব, 'জিওর একজিকিউটিভ আসবে'।
    আমি ভাবলাম আজকাল এরকম তো কতই হয়, পুজোর আগে খুঁটিপুজো, ক্যারাম কম্পিটিশনের আগে ঘুঁটিপুজো, হয়তো নেট কানেকশন নেওয়ার আগে গুজরাটী কোম্পানী রাউটার-পূজন বা ঐজাতীয় বৈদিক ব্যাপার কিছু করবার বন্দোবস্তো করেছে, হোঁতকামত ফ্ল্যাটমালিকদের জন্য।
    তা যথাসময়ে জিওর একজিকিউটিভ এল, ফ্ল্যাটমালিককে বলল, 'আপনার কমপক্ষে এক জিবিপিএস কানেকশন নিতে হবে। বুঝতেই তো পারছেন ফ্ল্যাটটা তো বিরাট বড় কিনে ফেলেছেন, কম ব্যণ্ডউইথ নিলে ফ্ল্যাটের কোনা কোনায় পৌঁছাবে না। আমার বন্ধু আমার দিকে তাকাল। আমি একজিকিউটিভকে বললাম - ভাই, আপনাদের এক টেরাবাইটের কোনো কানেকশন নেই? থাকলে সেটাই দিন। এক জিবিপিএস যদি এই ফ্ল্যাটের সব কোনায় পৌঁছায়,তো এক টেরাবাইট নিশ্চয়ই এই চক্গড়িয়া থেকে বৌবাজার অব্দি পৌঁছে যাবে। আমি বৌবাজারেই থাকি, এর মাঝে আমাদের যত বন্ধুবান্ধব থাকে, তারা সবাই মিলে ঐ কানেকশন শেয়ার করে ব্যবহার করব, আমাদরে খরচ কিছু কম পড়বে।
    সেই একজিকিউটিভ আর একটিও কথা না বাড়িয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। সেই থেকে আজ অবধি, বন্ধু জিওর লোয়েস্ট স্কীম ব্যবহার করে, বোধহয় থার্টি এমবিপিএস, চার বা পাঁচ বছর হয়ে গেল কোন সমস্যা নেই। মাঝে মাঝে আমাকে বলে তুই আমার কত পয়সা বাঁচিয়ে দিয়েছিস, তুই নিজেও জানিস না।
    আমার বন্ধু উচ্চশিক্ষিত লোক, ডাক্তার, নিজের কাজ ভীষন ভাল জানে। কিন্তু .......
    বুঝতেই পারছেন, এই টইয়ের প্রথম পোস্টে দেওয়া গুরুচণ্ডা৯র কৃবু বিষয়ক ১৩ টি টই পড়ে বুঝতে গেলেও টেকনিক্যার জার্গনই প্রধান বাধা। যদিও অরিনদা সহ সবাই নিজের লেভেল থেকে অনেক নেমে এসে আমাদের বোঝার মত করেই লিখেছেন। তাও আমার নিজের সেটাপ করতে গিয়ে মনে হয়েছে জার্গন এবং টেকনিক্যালিটি দুটিতেই আমাদের স্বচ্ছন্দ হওয়া প্রয়োজন, গুজরাটী মালিকদের গালি দিয়ে লাভ নেই।
     
  • অরিন | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৩:০৬748291
  • Single K ভারি চমৎকার লিখেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ!
     
    আমি অবশ্য শুরুতেই সিংগল k র কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে নেব, দুম করে "কেলো উইণ্ডোজ বলতে পারবে" লেখাটা ঠিক হয়নি, অন্তত ওরকম মনে করার কোন কারণ ছিল না। এই সুযোগে আমার ম্যাট্রিকসের আইডিটাও দিয়ে রাখি, কখনো আলাপ হলে ভাল লাগবে, @arinbasu:matrix.org
     
    এবার মূল আলোচনায় আসা যাক | ar ভারি চমৎকার করে আসল কথাটি লিখে দিয়েছেন, তাই ঐটা নিয়েই দেখি |
     
    ar, "কৃবুচরের কাজ হল -- আপনি তাকে একটি লক্ষ্য দেন → কৃবুচর কাজটাকে কয়েকটি ধাপে ভাঙে → প্রয়োজনীয় tool ব্যবহার করে → কী ফল হল দেখে → দরকার হলে নিজের পরের পদক্ষেপ বদলায় → কাজ শেষ করে।"
     
    এই যে রেখচিত্র দিয়ে ব্যাপারটি এআর লিখেছেন, এইটাই এজেনটিক এ আই যাকে দিযে আপনি কাজ করিয়ে নিতে চাইছেন (কেতাবী নাম ওয়ার্কফ্লো), এর মূলমন্ত্র | ওপরের ঐ শৃঙ্খলিত ব্যাপারটি মনে রাখলেই বাদবাকী কাজ সহজ হবে, তার মধ্যে অবশ্য কিছু টেকনিকাল ব্যাপার স্যাপার আছে, সে নিয়ে লেখা যাবে'খন। কিন্তু মোদ্দা কথাটা এইটাই |

    লিখে ar লিখছেন, "আচ্ছা, এই টইটা আরেকটু সহজভাবে লেখা যাবে? যদি তথাকথিত কৃবুচরকে কাজে লাগাতে চাই, তাহলে কী করতে হবে, ধাপে ধাপে লিখে দিলে ভাল হয়। "
     
    দেখি একটা চেষ্টা করে | এ ব্যাপারগুলো নানান রকম ভাবে করা যায় | আমরা আপাতত কোন কোড না লিখে বরং চ্যাটের মাধ্যমে কি করে এ সব করা যায় তাই দেখার চেষ্টা করি | পরে এ নিয়ে হয়ত আরো লেখা আসবে | সিংগল কে হারমিস নিয়ে হয়ত লিখবেন, আমি পরে কোকোর (https://cocore.dev) নিযে লিখব তার ইচ্ছে আছে, আপাতত, আমরা https://gemini.google.com এর ফ্রি টিয়ার দিয়ে দেখি কতটা এজেনটিক এ আই দিয়ে কাজ করা যায় | জেমিনি গুগলের এ আই, অনেকে ব্যবহার করেন। পয়সা দিতে হয় না, এরকম টিয়ার আছে।
     
    একটি মামুলি উদাহরণ দিয়ে শুরু করি |
     
    মনে করুন আপনি জানেন যে পশ্চিমবঙ্গে ভুগর্ভস্থ জলে অজৈব আরসেনিক (ইনরগানিক আরসেনিক) এর উপস্থিতি, এবং বিশেষ করে গাঙ্গেয় ভাগীরথী অববাহিকাতে (পশ্চিম দিনাজপুর, নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা ) এর কারণে সাংঘাতিক শারীরিক ক্ষতি হয়, নানান অসুখ, বিশেষ করে চামড়ার ক্ষত (কালচে দাগ, ক্যানসার ইত্যাদি) | আরো মনে করুন আপনি জানতে চান যে এ নিয়ে সাম্প্রতিক কি ধরণের গবেষণা হচ্ছে, তার একটি রূপরেখা তৈরী করে আপনি বাংলায় একটি প্রবন্ধ লিখবেন। প্রবন্ধ আপনি নিজে লিখবেন, কিন্তু আপনার তথ্যের প্রয়োজন। দেখা য়াক "আপনি তাকে একটি লক্ষ্য দেন → কৃবুচর কাজটাকে কয়েকটি ধাপে ভাঙে → প্রয়োজনীয় tool ব্যবহার করে → কী ফল হল দেখে → দরকার হলে নিজের পরের পদক্ষেপ বদলায় → কাজ শেষ করে।" এই ব্যাপারটিকে আমরা জেমিনির ফ্রি ভারসান দিযে কিভাবে কতটা করতে পারি | এখানে আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনার গুগলে একাউন্ট আছে | পর পর পদক্ষেপ গুলো এইরকম:
    ১) https://gemini.google.com এই ওয়েবসাইটটি খুলুন (ডেসকটপ কমপিউটারে খুললে সবচেয়ে ভাল হবে আমার মতে)
    ২) যেখানে chat করার বাকস, সেখানে নীচের প্রম্পট টি লিখুন (আপনি এখান থেকে কপি পেস্ট করে দিতে পারেন):
     
    "Act as a research agent. First, query WHO databases for current data on inorganic arsenic exposure levels and disease burden (DALYs, mortality) in India and Bangladesh. Second, search PubMed for the 3 most recent peer-reviewed epidemiological studies on groundwater arsenic toxicity in these regions (expanding the date range up to 2 years if needed), summarizing their methodology and key findings. Third, format these results into a structured English report with Markdown headings and comparative tables. Fourth, translate the narrative sections into Bengali while preserving table structures and Markdown syntax. Finally, call the Google Docs tool to create a document titled 'Inorganic Arsenic Status: India & Bangladesh'. "
     
    এর পর যদি আপনি জেমিনি তে "Enter" বোতামটি টেপেন, জেমিনি কিছুক্ষণ "ভাববে" তারপর সে নীচের ছবিতে যেমন দেখাচ্ছে তেমন লেখা দেখাবে আর তার সঙ্গে গুগল ডকে একটি ডকুমেন্টও তৈরী করে লিখে রাখবে, দেখুন
     
    বলা বাহুল্য যে, এ লেখার তথ্য যাই হোক না কেন, এর বাংলা অনুবাদ মোটেও ভাল হয়নি, অতএব সঙ্গত কারণেই (বহু কারণ আছে, তার মধ্যে এই অখাদ্য তর্জমা অবশ্যই একটি), এ আই দিয়ে সব লেখানোর মানে হয় না। কিন্তু বেশ কতগুলো ব্যাপার পর পর লক্ষ করুন কেন আমরা এটিকে এজেনটিক এ আই বলছি:
    ১) প্রথমত, একে আপনি একটি লক্ষ্য দিয়েছেন, বাপু গবেষণা করে আরসেনিক নিয়ে কি হচ্ছে বার কর |
    ২) কাজটিকে কয়েকটি ধাপে ভেঙে দিয়েছেন: যেমন হু এর ডাটাবেস চেক করা, পাবমেড এ সার্চ করা, তারপর সারাংশ লেখা, তারপর অনুবাদ করা, একের পর এক ধাপ একে অতিক্রম করতে হবে
    ৩) প্রয়োজনীয় টুল ব্যবহার করা: যেমন ধরুন গুগল ডক খুলে সেখানে লিখে রাখা, এই ব্যাপারটি গুগলের টুল। আপনি যখন অন্য এ আই ব্যবহার করবেন, দেখবেন তারা যেন "Tool Calling" করতে পারে, যেমন সিংগল কে লিখেছেন হারমিস নামের এজেনটটিকে তিনি ওলামা নামের একটি জিনিস ব্যবহার করে নিজের কমপিউটারে "ভরে" ব্যবহার করছেন। যারা অতটা দূর যেতে চান না, তাঁরা অন্যান্য এআই এজেন্ট ব্যবহার করতে পারেন, এখানে যেমন আমি জেমিনি ব্যবহার করেছি। এতে আমাকে কোন জটিল কমপিউটারের কাজ করতে হয়নি, জেমিনিতে একাউন্ট খুলে কাজ করলেই চলবে |
    ৪) ১ --> ২ --> ৩ এই পথে কমপিউটার নিজেই নানান তথ্যসূত্র দেখে খুঁজে পেতে আপনার জন্য সারাংশ করে টেবিল বানিয়ে নিয়ে এল।
     
    কিন্তু আপনি দেখার পর দেখলেন যে এ কিন্তু ঠিক যেভাবে চাইছিলেন সেভাবে কাজ করেনি | যেমন ধরুণ আপনি ভারতীয় বাংলায় পাঠকদের জন্য লিখতে চান, আপনি পানির জায়গায় জল লেখেন, অতএব, একে কিছুটা ঠিক করে দিতে হবে | অনেক ক্ষেত্রেই হয়ত এ আই নিজে নিজে সংশোধন করে, যার কথা ar লিখেছেন, এই জায়গায় আপনিও কিছুটা ঠিক করে দিতে পারেন। অনেক কিছু করা যেতে পারে, তাদের মধ্যে একটি হচ্ছে যে আপনি একে লিখলেন যে বাপু তুমি বাংলাদেশী বাংলার জায়গায় ভারতীয় বাংলায় অনুবাদ করে দেখাও | এই জায়গাগুলোতে আপনাকে কিছুটা কমপিউটারী ভাষা জানতে হবে যেমন ভাষাকে কমপিউটার জানে "locale" বলে, কাজেই ঐ ধরণের কথা ব্যবহার করা চাই, আর যেমন ধরুন আরো কিছু বিষয় জেনে বুঝে ব্যবহার করতে হবে যেমন ভারতীয় বাংলাকে bn_in আর বাংলাদেশের লোকের ব্যবহৃত বাংলাকে bn_bd বলা হয়, দুটোর মধ্যে হয়ত খুব একটা তফাৎ নেই অন্তত ব্যাকরণগত দিক থেকে কিন্তু ব্যবহারিক কিছু তারতম্য তো রয়েইছে | এই ব্যাপারগুলো একটু ঠিক করে দিতে হয় এক্ষেত্রে, অন্য ক্ষেত্রে অন্যরকমের ব্যাপার |
    অতএব আপনি সংশোধন করে দিয়ে আদেশটিকে একটু অদল বদল করে লিখে দিলেন (অন্য জায়গাগুলো এক রেখে),
     
    "Fourth, translate the narrative sections into Indian Bengali (Locale: bn_IN / West Bengal standard) while preserving table structures and Markdown syntax. Ensure the translation strictly uses West Bengal / Paschimbanga Bangla Academy conventions (e.g., use "জল" for water, not "পানি")."
     
    এবারে কমপিউটার বুঝে শুনে আপনাকে সেইমত তর্জমা করে দিল | সে তর্জমাও বিশেষ সুবিধের নয়, আপনি নিজের মত করেই না হয় শেষ অবধি আপনার প্রবন্ধ লিখে নিলেন, যদিও অনেকে হয়ত এই তর্জমা দিয়ে শুরু করে নিজের মত সবটা বদলে দেবে | এর পর আপনি এই prompt ট গুগলে জেম হিসেবে সেভ করে রাখলেন, মাঝে মাঝে ব্যবহার করতে পারেন।
     
    কাজেই এজেনটিক এ আই ব্যবহার করতে চাইলে সব সময় জটিল প্রোগ্রামিং এর দরকার নেই বোঝানোর জন্য এই লেখাটা লিখলাম। এখন আপনি বলতে পারেন এ অতি অল্প হইল, কারণ এতে কিছুটা এজেনট ব্যবার হয়েছে, কই জটিল কাজকর্ম করালেন কোথায়? সে সব নিয়েও আলোচনা করা যেতে পারে | এবারে নয় |
     
     
     
     
     
     
  • অরিন | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৩:৩০748292
  • সংশোধন!
    "আপনি তাকে একটি লক্ষ্য দেন → কৃবুচর কাজটাকে কয়েকটি ধাপে ভাঙে → প্রয়োজনীয় tool ব্যবহার করে → কী ফল হল দেখে → দরকার হলে নিজের পরের পদক্ষেপ বদলায় → কাজ শেষ করে"
    কথাটি সিংগল k' লিখেছিলেন, ar তাকে উদ্ধৃত করেছেন, কৃতিত্ব সিংগল k কেই দিতে হবে |
  • সিংগল k | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৪:০৭748293
  • হেঁ হেঁ, কৃতত্ব কারো নয়, শুধু এআই ছাড়া। আমি অত জানি নাকি। বানান ভুল ছাড়া, লেখায় আমার অবদান - ঘন্টা।
    তবে অরিনদার ব্যাখ্যার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
    ar এর কথামত জার্গনগুলোর একটা বিহিত করার চেষ্টা করেছি। আজ দুপুরে সময় পেলে পোস্ট করে দেব আমার জার্গন-বাস্টার।
  • ar | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৪:৫৮748294
  • সিংগল k এবং অরিন,
    ধন্যবাদ, ধন্যবাদ!। প্রথম পর্বটা দিব্যি বোঝা গেল। অরিনের দেওয়া প্রম্ট জেমিনাইতে চালিয়ে আউটপুট ও পাওয়া গেল।
    ধাপে ধাপে বোঝার চেষ্টা করছি। আমার গুপীযন্ত্র বলতে, win 11 ওয়ালা ল্যাপটপ।
  • lcm | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৬:০০748295
  • চ্যাটজিপিটি ফ্রি ভার্সানে কিছু জিনিস অটোমেট করা যায়, স্কেডিউলড টাস্ক হিসেবে চালানো যায় (ইউনিক্স-এ ক্রন জব এর মতন)... এই যেমন,


    --- --- --- ---



    --- --- --- ---


    চ্যাটজিপিটি এর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ (বা অন্য মেসেজিং অ্যাপ) ইন্টিগ্রেট করা যায় বোধহয় থার্ড পার্টি অ্যাপ (Quickchat AI ...)  এসব দিয়ে ...  

    --- --- --- ---

    সেট করে দিলে আপনি রোজ সকালে এরকম ইমেইল পাবেন - 


    --- --- --- ---

    এগুলো অবশ্যই কোনো টেকনিক্যাল নলেজ ছাড়া ... কোডিং ছাড়া ... রোজকার তথ্য (আলুর দাম থেকে ব্যাংকের সুদ) সংগ্রহ করে, যথাযথ বিশ্লেষণ (শর্ত সাপেক্ষ হতে পারে) করে এজেন্ট আপনাকে পরিবেশন করবে ... 
    তবে ফ্রি ভার্সানের সীমাবদ্ধতা আছে ... 
  • lcm | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৬:১০748296
  • মানে বেসিক এজেন্টিক সার্ভিসের জন্য কোড লিখতেই হবে এমন নয়, জার্গন না জানলেও চলবে ...
    কিছু লোকজন তো রীতিমত জটিল স্টক মার্কেটের কাস্টম লজিক অ্যান্থ্রপিক দিয়ে চালাচ্ছে ... রিসার্চাররা সায়েন্টিফিক এনালিসিস করছে ... কোনো কোড না লিখে ... ঠিকঠাক প্রম্পট দিতে শেখা জরুরি ... প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং এর কোর্স বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে শেখানো হচ্ছে ...
  • ar | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:১৯748297
  • "কিছু লোকজন তো রীতিমত জটিল স্টক মার্কেটের কাস্টম লজিক অ্যান্থ্রপিক দিয়ে চালাচ্ছে ... রিসার্চাররা সায়েন্টিফিক এনালিসিস করছে ... কোনো কোড না লিখে ... ঠিকঠাক প্রম্পট দিতে শেখা জরুরি "

    এল সি এম,
    অনেক ধন্যবাদ। এই জায়্গাটাই এক্সপ্লোর করতে চাইছি।
  • অরিন | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৪২748298
  • "কিছু লোকজন তো রীতিমত জটিল স্টক মার্কেটের কাস্টম লজিক অ্যান্থ্রপিক দিয়ে চালাচ্ছে ... রিসার্চাররা সায়েন্টিফিক এনালিসিস করছে ... কোনো কোড না লিখে ... ঠিকঠাক প্রম্পট দিতে শেখা জরুরি "
    "অনেক ধন্যবাদ। এই জায়্গাটাই এক্সপ্লোর করতে চাইছি।"
     
    lcm যে ধরণের প্রম্পটের কথা লিখেছেন তারা কিন্তু চ্যাটবকসে লেখা প্রম্পটের থেকে একটু অন্য ধরণের, মানে অনেকটা সিসটেম আরকিটেকচার কে নির্দেশ দেবার মতন, তাতে অপনাকে খুব স্ট্রাকচারড প্রম্পট, একটি JSON ফাইল তৈরী করে লিখে দিলে সুবিধা হয়, এরকম কিছু ব্যাপার থাকে | এখন আপনাকে হয়ত হাতে কলমে টাইপস্ক্রিপ্ট বা পাইথন কোড লিখতে হবে না, বা নাও হতে পারে, তাহলেও অন্তত এপিআই এর নাগাল পাবার "চাবিকাঠি" ইত্যাদি জানতে হবে ও আপনার এআইকে জানাতে হবে, অন্তত পক্ষে কোন ধরণের এআই দিয়ে কি ধরণের অরকেস্ট্রেশন করবেন, এগুলো জানতে হবে তো, নাহলে কিন্তু সব ঘেঁটে গিয়ে উটের পাকস্থলী হবার ব্যাপক সম্ভাবনা |
     
    যেমন ধরুন লসাগুর প্রথম স্ক্রিনশটে দেখেছেন চ্যাটজিপিটি বলছে ও ওয়াটস্যাপ একসেস করতে পারে না | যে মডেল ওয়াটস্যাপ একসেস করতে পারে (টুল কলিং) এই ধরণের মডেল হলে ওয়াটস্যাপে আসত | এবার যারা মনে করুন ওয়াটস্যাপ করে না, কি করবে? মানে বিভিন্ন অ্যাপের বিভিন্ন বন্দোবস্ত, নানান ডাটাবেসের নানান রকমের মডেল (যার কথা আলোচনার ঈঙ্গিত সিংগল কে দিয়েছেন), এগুলো একটু জেনে রাখা ভাল, জটিল কাজ করতে গেলে কাজে লাগবে। মনে হয় কিছু কিছু জিনিস নিয়ে এখানে আলোচনা হলে ভালই হয় | বিশেষ করে সিংগল কে'র লোকাল মডেল, হারমিস এবং ওলামা দিয়ে হারমিসের ব্যবহার, যা দিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে, এসব জেনে রাখা কিন্তু কাজের কাজ |
  • দ | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:৪২748299
  • ল্যাদোশ যেটা বলছে ওইরকমটাই বুঝতে চাইছি।
    আমারো win11. আমার ও আমি যাদের জন্য চাইছি তারা মোটামুটি সবাই ওই win11.
  • lcm | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১:৩৫748300
  • এআই এজেন্ট আপনি ক্লাউডে চালাতে পারেন, বা, লোকাল মেশিনে চালাতে পারেন... এখানে k এবং অরিন লোকাল মেশিনে চালানো নিয়ে বলছেন... বলে রাখা ভালো, ক্লাউড বলতে - চ্যাটজিপিটি/কোপাইলট/জেমিনি... এসবের মধ্যেই হতে পারে (যদিও এজেন্ট সার্ভিস এদের অনেকের ক্ষেত্রেই ফ্রি নয় বা ভেরি লিমিটেড), বা, থার্ড পার্টি ক্লাউডে..

    দুটো পদ্ধতির কিছু প্রোস এন্ড কনস আছে...

    প্রথম যে জিনিসটা দেখার যে আপনার ইনপুট ডেটা কোথায় আছে, মানে তথ্য যদি ইন্টারনেট থেকে খুঁজে পেতে আনতে হয়, এবং তথ্য যদি খুবই পরিবর্তনশীল (ডাইনামিক ডেটা) হয়, সেটা একটা ব্যাপার... আবার, কিছু তথ্য আপনার কাছে আছে, সেটাকে কাজে লাগিয়ে আপনি কিছু করতে চান সেটা আর একটা কেস... আর যদি আপনার কোম্পানির/কর্পোরেট/এমপ্লয়ারের এর ডেটা হয় তাহলে আর একটা কেস... যদি প্রচুর এক্সটার্নাল ডেটা লাগে তাহলে ক্লাউডে করাই বেটার...

    আপনার কাজটি যদি একটু জটিল কাজ হয় (যেমন অরিন বলতে চেয়েছেন) বা খুবই কাস্টম রিকোয়ার্মেন্টের, যা, আপনি চ্যাটজিপিটি/ক্লদ/কোপাইলট/জেমিনি কে দিয়ে করাতে পারছেন না, সেক্ষেত্রে লোকাল অপশন...

    সিকিওরিটি - ডেটা শেয়ারিং... আপনি যদি এসব তথ্য বা বিশ্লেষণের ফলাফল কারই সঙ্গে শেয়ার না করতে চান, তাহলে লোকাল মেশিনে করাই শ্রেয়... আরও ভালো হয় যদি এআই সফটওয়ারটিও আপনি লোকালি চালান, অর্থাৎ, নেট কানেকশন বন্ধ করে যদি সম্পূর্ণ কাজটি করতে পারেন, তাহলে সিকিওরিটির দিক থেকে বেশি নিরাপদ...
     
    টেকনিক্যাল নলেজ/জার্গন/কোডিং ... লোকালি করতে গেলে একটু টেকনিক্যাল নলেজ লাগবে, যদিও কিছু টুল লোকালি ইন্স্টল করে কোনো কোডিং না করে সম্ভব হতেই পারে ... সাধারণ ইউজারের পক্ষে - মডেল/ কোড / llama 3.1 / API / ... এসব মানে ... ইয়ে ...
     
    খরচ - এটা k বলবে ... আমি শুধু ফ্রি সার্ভিস ক্লাউডে ইউজ করেছি ...
  • অরিন | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১:৫৮748302
  • ar ও দ, যদি ল্যাদোষ যেমন বলেছেন তাই করতে হয, তাহলে আমার মতে জেমিনি বা Claude ব্যবহার করে দেখতে পারেন বড় ফাউণ্ডেশন মডেলগুলোর মধ্যে, নাহলে শুধু চ্যাট মোডে করতে চাইলে DeepSeek
     
    ১) https://gemini.google.com পাতাটি ওয়েব ব্রাউজারে খুলুন (ম্যাক, উইণ্ডোজ, লিনাকস যা খুশী সিস্টেম)
    ২) একটি প্রম্পট লিখুন আপনার প্রিয় এডিটরে (ওয়ার্ড বা ঐরকম কিছুতে না লিখলেই ভাল, Windows 11 এর নোটপ্যাডে লিখূন | প্রম্পট লেখার সময় কতগুলো ব্যাপার খেয়াল রাখবেন:
    • আপনার কৃবুচরকে কিছু একটা সাজান, যেমন "আপনি একজন বৈজ্ঞানিক" বা "আপনি একজন প্রবন্ধ লেখক", বা "আপনি একজন সাংবাদিক", এই ভূমিকাগুলো দরকারী
    • কৃবুচরকে একটি নির্দিষ্ট কাজ দিন | এবং যখন Tool Calling AI ব্যবহার করবেন (যেমন জেমিনি'র বেশীর ভাগ মডেল, তাই আলাদা করে লিখলাম না), তখন যে কাজগুলো করতে দেবেন, ভেঙে ভেঙে দেবেন (যেমন "ডাউন ট আর্থ সাইটে গিয়ে অমুক সমস্যার যত পাবলিকেশন আছে সব ছবি সুদ্ধ তুলে আনুন, তারপর তাদের বিশ্লেষণ করুন, লেখা লিখে গুগল ডকে পাঠিয়ে দিন" এইরকম ধরণের, মানে আপনি নিজে হলে যেরকম বিভিন্ন সূত্রে "ঘুরে বেড়ান", মনে করুন আপনার এ আই ও ঠিক আপনার মত ঘুরে বেড়াবে)
      • এই কাজ দেওয়াটা খুব দরকারী এক্ষেত্রে, মনে করুন এক্কেবারে হাঁদারাম একজনকে আপনার কাজটা বোঝাচ্ছেন, "তুই এই দিয়ে শুরু কর, তারপর অমুক করবি, তারপর তমুক", এইরকম, টোটাল আনাড়ী লোককে রান্না শেখানোর মত।
    • একটা কনটেকসট ভাবুন, যেমন "আমি একটা লেখা লিখছি সকলে যাতে পড়ে বুঝতে পারে" এরকম ধরণের কিছু লিখুন
    • একটা ফরম্যাটে লিখতে বলুন, যেমন "ওয়ার্ড ডকুমেন্ট", বা এরকম ধরণের কিছু, আপনি যেভাবে দেখতে চান
    আমি মাসখানেক আগে এখানে স্থানীয় লাইব্রেরীতে একটা ওয়ার্কশপে শেখাচ্ছিলাম, তার লিঙ্কটা দিই, আপনাদের সুবিধা হতে পারে,
     
    ৩) ল্যাদোষ যেমন বলেছেন, প্রম্পট লেখার ওপর সবকিছু নির্ভর করে |
    ৪) কোড লেখার দরকার নেই এক্ষেত্রে, তবে কোড লিখতে জানলে অন্য একটা দুনিয়া খুলে যাবে, সে অন্য কথা | সিংগল কে'র হাতে ছেড়ে দিলাম, ;-)
     
    এইটুকু করলেই হবে | আমি যেহেতু ওপেন এ আই ব্যবহার করি না, করার মধ্যে জেমিনি না হলে ছোট মডেল ব্যবহার করি, তাই এইটা লিখলাম | আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে |
  • lcm | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৩১748303
  • অনেকের মতে জেনারেল পারপাস কোডিং ব্যাপারটা উঠে যাবে ... আফটার অল - কোডিং ইজ নাথিং বাট রাইটিং সামথিং ইন ইংলিশ ... এআই কোড লিখবে / লিখছে  ... কেউ কেউ বলছেন - এআই ও  আর কোড লিখবে না - একদম সোজা মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ ইনস্ট্রাকশন লিখবে - কোডের আর দরকারটা কি - কাজটা করলেই হল ... 
    অনেকে বলছেন - ভোকাল ল্যাঙ্গুয়েজ অনেক স্ট্রাকচার্ড হয়ে উঠবে .. আমরা দৈনন্দিন জীবনে প্রম্পটের মতন কথা বলব ... 
  • অরিন | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৪৮748304
  • মোক্ষম বলেছেন @lcm ! সেদিন বেশীদূর নয়।
     
     
    যথা, সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট, AI এজেন্টদের জন‍্য, AI এজেন্টরা চালায়, মানুষের প্রবেশাধিকার নেই।
     
  • lcm | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:১০748305
  • এই moltbook - এটা দারুণ ! থ্যাংকু অরিন শেয়ার করার জন্য ...
    দেখছি এটা জানুয়ারিতে লঞ্চ হয়েছে, আর মার্চ মাসে এটাকে মেটা কিনে নিয়েছে ... বোঝো ...
  • দ | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪:২২748306
  • ঠিক আছে জেমিনি দিয়ে চেষ্টা করে দেখি কেমন বিশ্লেষণ করে।
  • সিংগল k | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫:৩৩748307
  • তাসের ঘর অথবা মিউজিক্যাল চেয়ার এ পাপাঙ্গুল ২২ অক্টোবর ২০২৫ বলেছিলেন -
    প্রতিটি প্রযুক্তিরই তিনটি স্তর থাকে। পরিকাঠামো, মঞ্চ এবং বিন্যাস। সহজে বোঝাতে গেলে ইনফ্রা, প্ল্যাটফর্ম এবং অ্যাপ্লিকেশান। সবথেকে বেশি সময় এবং পরিশ্রম যায় পরিকাঠামো এবং মঞ্চ বানাতে। অথচ এই দুটি তৈরী হয়ে গেলে সবথেকে বেশি লাভ করে বিন্যাস। পার্সোনাল কম্পিউটার আসার আগে বহুবছর লেগেছিল পরিকাঠামোর চিপ বানাতে। তারপর মঞ্চের জন্য অপারেটিং সিস্টেম বানাতে। তারপর সফটওয়্যারের বিন্যাস। একইভাবে মোবাইল আসার জন্য অনেকবছর সেলুলার যোগাযোগের বা ছোট ক্যামেরা প্রযুক্তি, তারপর মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে আইওএস বা এন্ড্রয়েড। শেষে প্লেস্টোর বা অ্যাপস্টোরের বিন্যাস। কৃবুতেও একই - বেশ কয়েক বছরের জিপিইউ চিপ ইত্যাদি। তারপর মঞ্চ হিসেবে মডেলগুলি। শেষে এখন বিন্যাস হিসেবে নানা অ্যাসিস্টেন্ট বা এজেন্ট। তিনটি স্তর একসঙ্গে জুড়ে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে ভার্টিকাল ইন্টিগ্রেশন। যেমন মোবাইলের ক্ষেত্রে আপেল করে থাকে।

    এখানে কৃবু কে “পরিকাঠামো → মঞ্চ (মডেল) → বিন্যাস (অ্যাসিস্টেন্ট/এজেন্ট)”—এই তিন স্তরে দেখানো হয়েছে।

    তিনটি স্তরের প্রত্যেকটি এককভাবে লাভজনক নয়। তৃতীয় স্তরটি প্রায় সবসময়েই লাভজনক থাকে। কৃবুর আগেও পার্সোনাল কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের মত প্রতি ক্ষেত্রে বড় ক্যাপিটালিস্ট কর্পোরেটগুলো চেষ্টা করেছে এই তিন স্তরের ভার্টিক্যাল ইন্টিগ্রেশন হয়ে যাওয়ার পর, সেই লাভজনক ত্রিস্তরীয় স্ট্যাক টাকে পুরোটা নিয়ন্ত্রন করার। এই ভার্টিক্যাল স্ট্যাকের পুরো নিয়ন্ত্রন যার হাতে, তার লাভ গ্যারান্টীড।যতক্ষন না অন্য কোন নতুন প্রযুক্তি এসে এই স্ট্যাকটাকে ডিসরাপ্ট করছে।

    আমাদের এই টইয়ের একটা উদ্দেশ্য হল - আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্স /কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার টেকনোলজীর এই তিনটি স্তরের, যথা সম্ভব বেশী স্তরকে কর্পোরেট নিয়ন্ত্রন অর্থাত 'পেমেন্ট মডেল' থেকে বের করে নিজের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসা।তাতে ঐ টেকনোলজীর ব্যবহার ফ্রী (বিনামূল্য) হয়ে যাবে না বটে, কিন্তু কর্পোরেটদের চাহিদার চেয়ে খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।

    পার্সোনাল কম্পিউটারের যুগেও একই পরিস্থিতি ছিল, যদি আপনি তার তিনটি স্তরকেই বৈধভাবে পয়সা দিয়ে কিনে ব্যবহার করতে যেতেন, করতে পারতেন কিনা আমার সন্দেহ আছে। না কিনে উপায় নেই বলে আপনি প্রথম স্তরটা, মানে হার্ডওয়্যারটা/কম্পুটার মেশিনটা কিনতে বাধ্য হতেন, তার পরের দুটো স্তর মানে অপারেটিং সিস্টেম ( দ্বিতীয়) আর সফটওয়্যার (তৃতীয়) স্রেফ চুরি করে চালাতেন। দোষ পড়ত মধ্যযুগের পাইরেটদের নামে, যারা কোনদিন ঐ টেকনোলজীর স্বপ্নও দেখে নি।

    আপনি বলতে পারেন, "আমার উইন্ডো লাইসেন্সড আমার ল্যাপটপের সঙ্গে কোম্পানী দিয়েছে"। কিন্তু ভুলে যাবেন না, তার জন্য দামও নিয়েছে। আমরা যারা উইন্ডোজ কোনকালে ব্যবহার করি না তারাও ঐ ল্যাপটপ কিনতে গেলে উইন্ডোজ ট্যাক্স পে করেছি, নাহলে আরও দু হাজার কমে পেতাম, বা ঐ দামে আরও ভাল স্পেসিফিকেশনের হার্ডওয়্যার কিনতে পারতাম।এটুকু বলতে পারি, বৈঠকখানায় যে দিন-এনে-দিন-খাওয়া ডিটিপি অপারেটররা আপনাদের গুরুচণ্ডা৯র ডিটিপি করে দিত, তারা অন্তত, হার্ডওয়্যার+অপারেটিং সিস্টেম+ডিটিপি সফটওয়্যাল পয়সা দিয়ে কিনে --করে খেতে, মানে পরিবার প্রতিপালন করতে পারত না। একটা এডোবে ফটোশপের বা পেজমেকারের লাইসেন্সের দাম মেশিন আর অপারেটিং সিস্টেমের চে বহুগুণ বেশী। তাও একটা মেশিনে ব্যাবহারের জন্য।

    মাননীয় শ্রী শ্রী পূজ্যপাদ রামদেভজী বলেছেন, "আপনি একশ টাকা লিটারে তেল কিনতে না পারলে আয়টা বাড়িয়ে নিলেই তো পারেন"।সুগভীর সত্য বচন। কিন্তু মুশকিল হল, যে লোকটা প্রচুর আয় করে সেও কিন্তু খরচ করতে চায় না, আইনের চোখে যেটা চুরি, সেটা করবে কিন্তু খরচ করবে না। ক্ষয়া ক্ষয়া চেহারার যে ডিটিপি অপারেটররা ৪ফুট বাই ৪ফুট অন্ধকূপে বসে রোজগার করার জন্য চোরাই সফটওয়্যার ব্যবহার করেন তাঁদের কথা তাও বুঝতে পারি, কিন্তু যাঁরা তিন কোটি টাকার ফোর সাইড ওপেন ফ্ল্যাটে বাস করে, এবং তদুপযুক্ত রোজগার করেও জিও একজিকিউটিভের চাকরি খাবার জন্য বন্ধুকে ডেকে নিয়ে আসেন, বা ঐ সব চোরাই সফটওয়্যার অবলীলায় ব্যবহার করেন তাদের মানসিকতা আমি সত্যিই বুঝতে পারিনা।

    আমার বক্তব্য হল, যাঁরা পয়সা দিয়ে ব্যবহার করতে পারেন, তাঁরা অন্তত পয়সা দিয়ে ব্যবহার করুন, নয়ত এ ঠুনকো ক্যাপিটালিস্ট ইকোনমি টিকবে কি করে?
    হ্যাঁ যাঁরা গত তিরিশ বছরে উইন্ডোজ বা ম্যাক ও এস ছুঁয়েও দেখেন নি, বা ঐসব প্ল্যটফর্মের কোনো সফটওয়্যার ওয়াইন দিয়েও চালাবার চেষ্টা করেন নি, তাঁদের প্রাপ্য সম্মান বা গালিগালাজ তাঁদের দিন। কারন তাঁরা তার যোগ্য।

    আমার ছোটবেলায় স্টার ট্রেক অরিজিন্যাল সিরিজ চলত। তার পরবর্তী সিরিজগুলোয়, স্রষ্টা জিন রডেনবেরী পোস্ট-হিউম্যানিটি র কনসেপ্ট কাজে লাগিয়েছিলেন। দেখিয়েছিলেন মানবত্তোর এমন এক সভ্যতা, সেখানে অভাবের (Scarcity) নয় উদ্বৃত্তের (Abundance) এর অর্থনীতি।না রবীন্দ্রনাথ, ঋষি অরবিন্দ, মাননীয় রামদেভজীদের আদর্শ আমাদের জেনারেশনকে ততটা অনুপ্রাণিত করে নি, যতটা করেছিল জিন রডেনবেরীর ফিকশন।তাঁদের ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টির মেয়াদ পঞ্চাশ বছর হবে, না সত্তর, সে নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে ফ্রী সফটওয়্যার মুভমেন্ট বা কপিলেফটের প্রবক্তারা আমাদের মানব সভ্যতাকে পোস্ট হিউম্যানিটির দিকে একধাপ এগিয়ে দিয়ে গেছেন।

    এই নতুন কৃবু র তিনটি স্তর নিয়ে এখানে আলোচনা করব। পার্সোনাল কম্পিউটারের তিনটি স্তরের সঙ্গে কৃবুর তুলনা করলেই কিছুটা আপনাদের কাছে ব্যাপারটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।ইন্টারনেটের অবস্থা যখন ভাল ছিল না, তখন ছিল স্ট্যাণ্ড এলোন মেশিনের যুগ, তিনটি স্তরই তখন পণ্য হিসেবে আপনাকে বেচা হত। হার্ডওয়্যার আপনাকে কিনতে হত, সেটা চালাবার জন্য অপারেটিং সিস্টেম আপনাকে কিনতে হত, যে কাজ করতে চান সেই কাজ করার উপযুক্ত সফটওয়্যারও আপনাকে কিনতে হত।

    ইন্টারনেট আসার পর হার্ডওয়্যার আপনাকে কিনতে হত, তার সঙ্গেই বাণ্ডিল করে অপারেটিং সিস্টেমটা আপনাকে গছিয়ে দিত। (এমনকি আপনি না নিতে চাইলেও)। কারন যারা বানায়, তাদের ভয় ছিল, আপনি যদি ফ্রী প্লাটফর্মে একবার চলে যান তো ওদের একটা মুরগী কমে যাবে। তাই আপনাকে বেঁধে রাখার জন্য, হার্ডওয়্যার কিনলে ওএস এর আঁটি আপনার ওপর চাপাত। এর পর সেগুলো কিনে আপনি বাড়ি আনলে চালিয়ে দেখতেন তাতে আপনার সব কাজ হয়ে যাচ্ছে। সমস্যা শুরু হত নব্বই দিন পর, যখন কোনো কোনো সফটওয়্যার বলতে শুরু করত যে এর বেশী চালাতে গেলে সাবস্ক্রিপশনের একটা মোটারকম টাকা আপনাকে দিতে হবে। এল সাবস্ক্রিপশনের জমানা।
    এবার কৃবুর সঙ্গে তুলনা করে দেখুন আপনি আপনার যে কাজ এতদিন সফটওয়্যার ব্যবহার করে করতেন, সেটা আর আপনি নিজে চোখে দেখে, টাইপ করে বা মাউস টিপে করতে চাইছেন না। চাইছেন মুখে আপনাার কথ্য ভাষায় বলে দেবেন, ঠিক যেমনটি চান তেমনভাবে কাজটা হয়ে যাবে।মুখে বলবেন বা সামান্য দু এক লাইন লিখে কাজটা বুঝিয়ে দেবেন।

    এর ঠিক আগে যখন সফটওয়্যার সাবস্ক্রিপশনের মডেল চলছিল, তখন কিন্তু আপনি বেসিক্যালি আপনার আপারেটিং সিস্টেমে শুধু ব্রাউজার ব্যবহার করতেন, মূল সফটওয়্যারটা চলত কোম্পানীর ঘরে (থুড়ি সার্ভারে) আপনি যে চোখের দেখা দেখতেন, মাউস টিপতেন, টাইপ করতেন, সে সবই চলে যেত কোম্পানীর ঘরে, তাদের সার্ভারে প্রসেস হয়ে ছবিটা আপনি শুধু আপনার ব্রাউজারে দেখতে পেতেন আর ভাবতেন স্ট্যান্ড এলোন জমানার মত সবই বুঝি আপনার মেশিনে হচ্ছে।
    এতে সুবিধা ছিল এটাই, যে আপনার মেশিন কেবলমাত্র ব্রাউজারটুকু চালাতে পারলেই, তা দিয়ে অনেক বড় বড় কাজ করে ফেলতে পারতেন, কারন যে সফটওয়্যারে সেটা করতেন সেটা চলত কোম্পানীর ঘরের অনেক পাওয়ারফুল মেশিনে।

    ঠিক এই জিনিসটাই কিন্তু কৃবুর ক্ষেত্রেও সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর। আপনার এতদিনের মেশিনে আপনার অপারেটিং সিস্টেমে প্রসেসিং কাজ হচ্ছে না। হচ্ছে অন্যত্র, কোম্পানীর ঘরে, আগের জমানার চেয়েও অনেক পাওয়ারফুল মেশিনে। সেটা কেনার টাকা আপনার খরচ করতে হচ্ছে না, সফটওয়্যার কেনার খরচ বা চালানোর (এনার্জী ইত্যাদির) খরচও আপনাকে দিতে হচ্ছে না, দিতে হচ্ছে শুধু ব্যবহার করার সাবস্ক্রিপশন ফী, ঠিক প্রাইম ভিডিও, স্পটিফাই এর মিউজিক বা নেটফ্লিক্সের মুভির মত।নাচগান সব কোম্পানীর ঘরে, আপনি পয়সা ফেলুন আর দেখুন।

    কৃবুকে ব্যবহার করতে গেলে আপনার লাগছে কি?
    আপনারা সবাই তো এআই চ্যাটবটগুলো ব্যবহার করেছেন, মানে ঐ চ্যাটজিপিটি, জেমিনি, বা গ্রক এর কথা বলছি। তাতে আগে যা লাগত, তাই লাগে, মানে, একটা মিনিমাম হার্ডওয়্যার (মানে কম্পিউটার যন্ত্র), একটা কাজ চালানো গোছের অপারেটিং সিস্টেম, আর একটা ভালমানের ব্রাউজার। আপনার দিকে এই কটা থাকলেই আপনি চ্যাটবটগুলোকে ব্যবহার করতে পারেন।

    আপনারা আচণ্ডাল সব্বাই জানেন, এই চ্যাটবটগুলো আসলে LLM, (Large Language Model), যাঁরা টেকি, তারা জানেন যে এ কথা বলাাটা অতিসরলীকরন। আমরা ক্লড, ডীপসিক, বা ঐ ওপরে বলা অন্যন্যদের যে চ্যাটবটগুলো দেখি তার ব্রেন LLM হলেও তার সঙ্গে বিভিন্ন কোম্পানী বিভিন্ন টুল যুক্ত করে আপনার ওয়েবপেজে হাজির করেছে।
    আপনার খুব নমিনাল কনফিগারেশনের ডেস্কটপ কম্পিউটারে কিন্তু এই বিরাট LLM গুলো চালানো প্রায় অসম্ভব। সে সুযোগে কোম্পানীগুলো আপনাকে সার্ভিসটা বেচতে চাইছে। ফ্রিতে বেশ কিছুটা ব্যবহার করতে দিচ্ছে, যাতে আপনি এর সুবিধা বুঝতে পারেন এবং ব্যবহারে আসক্ত হয়ে নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। এই কারনেই উইন্ডোজ চুরি করে চালালেও মাইক্রোসফট আপনাকে ধরে ধরে শাস্তি দিত না। আপনাকে নির্ভরশীল করতে চাইত ওদের ইকোসিস্টেমের প্রতি। গুগল, মেটা, ক্লডরাও এখন ঠিক সেই চেষ্টাই করে থাকে। তবে ওরা একটা ভাল কাজ করেছে, আপনাকে চোর (জলদস্যু) অপবাদ থেকে মুক্তি দিয়েছে। তাইই বা কম কি।

    LLM ঠিক কি, তা নিয়ে অরিনদা রা অনেক জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করেছেন। তাতে অনেক টেকনিক্যাল জার্গন ওঁরা খুব সহজে ব্যবহার করেছেন, যেগুলো ওদের কাছে বা টেকনিক্যাল লোকের কাছে খুব স্বাভাবিক। তাই ওঁরা তার ব্যাখা করতে যান নি। করলে ওঁদের আর আসল কথা বলা হত না। এখানে লক্ষ্য করে দেখুন এখন অব্দি একটিও টেকনিক্যাল জার্গন ব্যবহার করতে হয় নি। না করেও লেখা শেষ করা যায়, কিন্তু জার্গনগুলো জানলে যে কোন ওজনদার লেখা পড়ে বুঝতেও কোন অসুবিধা হবে না। আমার গল্পের ঐ জিও এক্সিকিউটিভের মত জার্গন আউড়ে কেউ টুপি পরাতেও পারবে না।

    আমি মডেল আর LLM দিয়ে জার্গন র যাত্রা শুরু করতে চাই। মডেল তো সবাই বোঝেন। একটা সিস্টেম কিভাবে কাজ করে বা কেমন দেখতে তার সিমুলেশন বা অনুকরনকেই আপনি মডেল বলেন। আপনার বাচ্চা স্কুলের প্রজেক্টে ক্লে মডেল তৈরি করে নিয়ে যায়। ওশানোগ্রাফাররার ওশান কারেন্টের মডেল কম্পিউটারে সিমুলেট করে, এল-নিনো প্রেডিক্ট করেন। কদিন আগে গোলদারবাবু এবং এখন তাঁর যোগ্য উত্তরসূরী হাবিবুর রহমান সাহেব, ওয়েদার মডেল দেখে ঝরা বা খরার প্রেডিকশন দেন। ওঁরা রোদ উঠবে বললে কিন্তু ছাতা নিয়ে বোরোতে ভুলবেন না, কাজে লাগবেই, যে কোনো অবস্থায়।

    ঐসব মডেলের মত লার্জ ল্যঙ্গুয়েজ মডেলও একটি মডেল, যেটা কিনা কোন শব্দের পর কোন শব্দ বসতে পারে, বসলে মিনিংফুল হবে, সেটা প্রেডিক্ট করে। জাপানী ফিজিসিস্ট মিশিও কাকু LLM একটি গ্লোরিফায়েড টেপ রেকর্ডার বলেছিলেন। একদিক দিয়ে দেখলে ব্যাপারটা তাইই। ভুল বলা যাবে না ওনার এই তাচ্ছিল্যকে।

    AI Model মানেই কিন্তু LLM নয়। LLM মাত্রেই অবশ্য মডেল, সে আর বলার অপেক্ষা রাখে না। LLM ছাড়া ভিশুয়াল মডেল হতে পারে, যেমন গ্রাফিক্স জেনারেটরগুলো, বা ভিডিও জেনারেটরগুলো। স্পীচ মডেল হতে পারে আরও বহু রকমের মডেল হতে পারে।যখন ল্যাঙ্গুয়েজ বা টেক্সট নিয়ে কেউ কথা বলছে তখন যদি টেকনিক্যাল কোনো লোক 'মডেল' বলে তো বুঝবেন সে LLM বোঝাতে চেয়েছে। এইরকম ব্যাপার। আমরা তো এইরকম করে বুঝি, কিন্তু LLM কি করে বোঝে?

    LLM করে কি, পুরো বাক্যটাকে ছোট ছোট টুকরোয় ভেঙ্গে নেয়, এক একটা টুকরোই হল টোকেন। এমন নয় যে বাক্যের মধ্যে একটা গোটা শব্দ একটা টোকেন হিসেবে ভাঙ্গবে। একটা টোকেন একটা শব্দের কমও হতে পারে বেশীও হতে পারে, একটা ফ্রেজ হতে পারে। কোনো ফিক্সড রুল নেই। আবার LLM ভেদে একই বাক্যে টোকেনের সংখ্যা আলাদা হতে পারে। মানে হল – চ্যাট জিপিটির (ওপেন এআই) এর LLM একটা বাক্যকে যত টোকেনে ভাঙ্গছে, ডীপসিকের LLM, ঐ একই বাক্যকে তার চে বেশী বা কম টোকেনে ভাঙ্গতে পারে।
    এটা খেয়াল রাখা জরুরী, কারন যদি সার্ভিস বাছতে যান যে, ওপেন এ আই এর সার্ভিস পয়সা দিয়ে নেবেন, নাকি অনেক সস্তা ডীপসিকের সার্ভিস নেবেন? তখন আপনার দেখতে হবে কার মডেল একই বাক্যে বেশী টোকেন জেনারেট করছে। API (পরে ব্যাখ্যা) তে অনেক সময় টোকেন হিসেবেই দাম নেয়। তখন শুধু টোকেনপিছু দাম দেখলে হবে না—একই কাজ করতে কোন মডেল কত input/output token খরচ করছে সেটাও দেখতে হবে।

    LLM তো আপনারা জানেনই, এবার বুঝুন 'লোকাল LLM' ঠিক কি। ব্যাপারটা আর কিছুই না, পাতি মেশিনে চালানোর মত করে নামিয়ে আনা LLM-ই মোটামুটি লোকাল LLM—মানে মডেলটা আপনার নিজের মেশিনে চলে। LLM-টা কোম্পানির সার্ভারে না চালিয়ে আপনার নিজের মেশিনে চালালে সেটাই local LLM। অবশ্য পাতি মেশিনে চালাতে গেলে বেশিরভাগ সময় মডেলকে ছোট/হালকা করে নিতে হয়।এ আপনার মেশিনেই ইন্টারনেট না থাকলেও চলে। আপনার মর্জিমাফিক চলে, ইলনজী, পিছাইজীদের মর্জিমাফিক চলে না। আকারে এবং ক্ষমতায় সীমিত হলেও এগুলোকে সত্যিই স্মল ল্যাঙ্গোয়েজ মডেল বলে না, এগুলোও লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল, তবে লোকাল। আর পাতি মেশিন বললাম বলে ভাববেন না, একেবারে রাস্পবেরী পাই জিরোতে চালিয়ে দিতে পারবেন। যদি টেকনিক্যাল লোক না হন তো জেনে রাখুন এই পাই এর সঙ্গে গুরুচণ্ডালীর কতৃপক্ষের প্রখ্যাত মশকবিদ পাইদিদির কোন সম্পর্ক নেই। এটা একরকমের মারাত্মক ছোটো সিঙ্গল বোর্ড কম্পিউটার, বা সংক্ষেপে SBC. দাম মাত্র কয়েকশ টাকাকরে প্রতি পিস, টেকনিক্যাল স্কুল কলেজের ছেলেমেয়েরা চাঁদনীচকে লাইন দিয়ে হুদো হুদো কেনে। এগুলোয় স্ট্রিপড ডাউন লিনাক্স চমতকার চলে, এবং কোন কাজে লাগাবেন তার সম্ভাবনা অপরিসীম। লিমিটেশন কেবল আপনার ইমাজিনেশের।

    পাই জিরোতে LLM চলে না বললাম বটে, কিন্তু মনে করে বসবেন না, যে AI এর কোনো ধরনের মডেলই চলে না। আমার নিজের একপিস ই-ইঙ্ক ফটোফ্রেম আছে যার পেছনে পাই-জিরোর বড়দা, পাই-পিকো লাগানো যায়, তাতে এমন একটা এআই মডেল চলে, যে নিজের মত আর্টওয়ার্ক জেনারেট করে, ফুলফল গাছপালা বা আকাশ – ভ্যানগগ স্টাইলে। ইউনিক। পিকোর দাম আট নশো করে হত, এখন যথারীতি ....
     
    মডেলের সাইজ বোঝার একটা খুব চালু মাপ হল কত প্যারামিটার আছে।মডেলের কথা টেকিরা বললেই দেখবেন কেবল প্যারামিটারের কথা বলে। এই এটা সাত বিলিয়ন প্যারামিটারের, বা এটা সত্তর বিলিয়ন প্যারামিটারের মডেল।মনে রাখবেন যেটা যত বেশী প্যারামিটার সেটা তত বেশী কেপেবল মডেল কিন্তু নয়।
    প্যারামিটারের ব্যাপারটা এইরকম। যখন LLM দের শিক্ষাদীক্ষা হয়, তখন তারা বিপুল সংখ্যক সংখ্যাগত মান বা Weight ঠিক করে নেয়।সেই শেখা মানগুলোকেই মোটামুটি প্যারামিটার বলে।LLM এর নাম লেখার সময় নামের ভার্সন নাম্বারের পর কোলোন দিয়ে সেটা কত বিলিয়ন প্যারামিটারের মডেল সেটা উল্লেখ করার রীতি আছে। ধরুন আলিবাবার qwen2.5:7b এবং qwen2.5:14b, অথবা গুগুলের gemma3:4b, বা মেটার Llama 3.1:8b, Llama 3.2:3b. এদের কোলোনের পর লেখা সংখ্যাটা তত বিলিয়ন আমার মেশিনে চৌদ্দ বিলিয়ন প্যারামিটার পর্যন্ত খুব ভাল চালানো গেছে।

    এমন নয় যে কৃবুচর চালাতে চাইলে আপনাকে LLM নিজের মেশিনেই চালাতে হবে। কোম্পানীর সার্ভিস কিনতে পারেন। কিনলে কমদামী মেশিনেও বাঘা বাঘা LLM এর পার্ফম্যন্স পাবেন। এবারে প্রশ্ন জাগতে পারে, আমি তবে চালিয়েছি কেন? চালালে কৃবুচর চালানো ছাড়া আর কি ফয়দা হতে পারে? চালালে যেরকম চ্যাটবটের সঙ্গে মানে জেমিনি, চ্যাটজিপিটি ইত্যাদি আপনি কথা বলেন, নিজের মেশিনেই তেমন পাবেন। লাভ যে খুব একটা হবে তা নয়। কারন তার চে ভাল সার্ভিস আপনি ওদের কাছ থেকে এখনো ফ্রিতেই আপনার ব্রাউজারের মধ্যে দিয়ে পাচ্ছেন। লোকাল LLM এর বাই ডিফল্ট ইন্টারনেটের সঙ্গেও যোগ নেই, ফলে ওকে দিয়ে নেটও সার্চ করাতে পারবেন না, তার জন্য বিশেষ র‌্যাপ বা টুল বা ব্রীজ লাগবে। একমাত্র একটা সুবিধা হতে পারে, যদি আপনার local LLM বেশী হ্যালুসিনেট না করে, তবে আপনি তাকে একটা বিশাল এনসাইক্লোপিডিয়ার মত ট্রীট করতে পারেন, যে আপনার সমস্ত প্রশ্নের গুছিয়ে জবাব দিতে পারে। তবে ঐটুকু করতে গিয়েই রামপাম ভুল করবে। ধরুন আমার লোকাল এলেলেম তো Bose Einstein Statistics, জগদীশ চন্দ্র বোসের বলে চালাতে যাচ্ছিল। এত কনফিডেন্টলি হ্যালুসিনেট করবে যে টেরও পাবেন না।

    লোকাল AI এর আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ জার্গন হল – 'কোয়ান্টাইজেশন'। বড় মডেলের প্যারামিটার গুলো কম্পিউটারের মেমরিতে সংখ্যার আকারে থাকে। সেই সংখ্যাগুলো বেশি precision-এ রাখলে বেশি মেমরী লাগে। Quantization হল সেই সংখ্যাগুলোকে কম precision-এ প্রকাশ করার পদ্ধতি।যেমন মোটামুটি: 16-bit → 8-bit → 4-bit
    যত কম bit, সাধারণত model চালাতে তত কম মেমোরি লাগে—যদিও কোয়ালিটি আর একিউরেসীতে কিছু ট্রেড অফ হতে পারে। আপনার লোকাল মেশিনের RAM যত কম, তত কম বিটের কোয়ান্টাইজড মডেল তাতে ভাল চলবে।

    LLM এর আরেকটা বড় ব্যাপার হল তার কনটেক্সট উইন্ডো। কোনো LLM একলপ্তে যতটা পরিমান টেক্সট/ইনফরমেশন নিয়ে কাজ করতে পারে, তাকে সেটার কনটেক্সট উইন্ডো বলে। ধরুন কোনও মডেলের context window হল 100,000 token। তার মানে সে একটি বিশাল ডকুমেন্ট বা দীর্ঘ কনভারসেশন একবারে context হিসেবে নিতে পারে। এটা কিন্তু মডেলের এর মেমরীর সঙ্গে এক জিনিস নয়। কোন আলোচনার দৈর্ঘ্য বেড়ে তার কনটেক্সট উইন্ডোকে ছাপিয়ে গেলেই, কোনো মডেল কী করবে তা তার ইমপ্লিমেন্টেশন-এর উপর নির্ভর করে, তখন - পুরনো কনটেক্সট বাদ যেতে পারে, conversation truncate হতে পারে,আননেসেসারী সামারাইজেশন হতে পারে, ইত্যাদি। তার ফলে মডেল আগের কথা ভুলে যেতে পারে বা ভুল উত্তর দিতে পারে।
     
    লোকাল LLM আপনার মেশিনে সরাসরি ইন্সটল না করে একটা বিশেষ টুলের মধ্য দিয়ে চালান হয়, সেই টুলটায়, টুলের মধ্যেকার LLM এর জন্য আলাদা এনভায়রনমেন্ট সেট করা যায়। সেই এনভায়রনমেন্টটা আপনার মেশিনের অপারেটিং সিস্টেমের এনভায়রনমেন্টের চেয়ে আলাদা। অনেকটা চিড়িয়াখানার মত ব্যাপার। আপনি পোলার-বেয়ার কলকাতা জু তে এনে তো তাকে রয়েল বেঙ্গলের খাঁচায় পুরে দিতে পারবেন না, তার জন্য সুশীতল এনভায়রনমেন্টওয়ালা খাঁচা বানাতে হবে, যা কলকাতার ন্যাচারাল এনভায়রনমেন্টের চে অনেকটা আলাদা।
    লোকাল LLM চালানোর জন্য একটা runtime/ইঞ্জিন লাগে— যে, মডেলটাকে আপনার মেশিনের CPU/GPU-তে চালিয়ে দেবে। এই কাজের জন্য Ollama বা llama.cpp-র মত টুল আছে। Ollama-কে ভাবতে পারেন LLM চালানোর একটা সুবিধেজনক প্যাকেজ ম্যানেজার-সহ রানটাইম হিসেবে।
    এত 'লামা' দেখে গুলিয়ে ফেলবেন না, ওলামা, লামা.সিপিপি বা লামা(LLM),দলাইলামা,পাঞ্চেনলামা, জন্তু-লামা সব আলাদা আলাদা জিনিস।
     
    এবার আসি API এর কথায়, সর্বত্রই শোনেন এপিআই-এপিআই, কিন্তু কি সেটা? না না, এ কোন নতুন গজানো পলিটিক্যাল পার্টি নয়, আপনি কোনও কোম্পানির ওয়েবসাইট খুলে মানুষের মত ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু একটা প্রোগ্রাম যদি সেই কোম্পানির পরিষেবা ব্যবহার করতে চায়, তাকে তো ওয়েবসাইট-এ বসে মানুষের মত মাউস টেপার কথা নয়। তার জন্য কোম্পানি একটা API দেয়—একটা নির্দিষ্ট নিয়মের দরজা, যার বাইরে থেকে কোনো প্রোগ্রাম এসে পরিষেবাটা চাইতে পারে।সেই দরজাটার বাইরে লেখা—“এই দরজা দিয়ে এলে কী চাইছেন সেটা 'এই নিয়মে' বলবেন, আমরাও 'এই নিয়মে'ই উত্তর দেব।” আপনি ভিতরের ঘরে কী হচ্ছে কিছুই জানেন না, শুধু দরজাটা দিয়ে আপনার কাজটা করিয়ে নিলেন।
    এই দরজাটাই মোটামুটি API, মানে Application Programming Interface। কেউ এই দরজা ওয়েবসাইটের মত ফ্রী তে ঢুকতে দেয়, কেউ বা ঢুকতে দেবার জন্য এন্ট্রি ফি চায়, কারন ঢুকে আপনি ওদের কোন পরিষেবা নিচ্ছেন। চাইলে আপনার ল্যাপটপে চালানো কৃবুচরকে বিভিন্ন API এর সঙ্গে যুক্ত করে তাকে অসীম শক্তিশালী করতে পারেন, যা আপনার ল্যাপটপ কোনোকালে করতে পারত না। তবে মনে রাখবেন API এর দরজা অব্দি পৌঁছাতে কিন্তু ইন্টারনেট লাগবে। নেট বসে গেলে API ব্যবহারকারী যে কোন অ্যাপ, তার সুপারপাওয়ার হারিয়ে ফেলবে। আমাদের মোবাইলের বেশীভাগ অ্যাপ ঐভাবে সুপারপাওয়ার পায়, কারন মোবাইলের ক্ষমতা আরও সীমিত। মোবাইলের নেট কানেকশন কেটে গেলে কি আপনি টাকা পে করতে পারেন? API একসেস করতে পান না বলে পারেন না। LLM ব্যবহারের সময় API এর কথা পরে বলব বলেছিলাম, কারন কোম্পানীর কাছ থেকে LLM ব্যবহার করতে চাইলে তারা API ব্যাবহারের দাম আদায় করবে।
     
    ঐ যে বললাম, কোম্পানীগুলো তাদের দরজার বাইরে লিখে দেয় “এই দরজা দিয়ে এলে কী চাইছেন সেটা 'এই নিয়মে' বলবেন, আমরাও 'এই নিয়মে'ই উত্তর দেব।” এই নিয়মাবলী একটা সুস্পষ্ট ফর্ম্যাটে বাঁধা, এই ফর্ম্যাটটাকে একটা ফর্মের মত মনে করতে পারেন, যেখানে API এর গেটে এসে প্রোগ্রামগুলো, তাদের চাহিদা, ঐ ফর্ম পূরন করে, সার্ভিস দেওয়া কোম্পানীকে জানায়, আর তার জবাবে সার্ভিস প্রদানকারী কোম্পানী ঐ রিকোয়েস্ট প্রসেস করে কি উত্তর পেল, সেটা ফর্ম জমা দিয়ে অপেক্ষা করা প্রোগ্রামটিকে জানাায়। এই ফর্মটির গালভরা নামই হল JSON মানে JavaScript Object Notation. আপনার ইনকাম ট্যাক্স ফাইলিং থেকে উপি দিয়ে বাজারে খুচরো পয়সার লেনদেন, সবেতেই আপনি জানতে-অজান্তে এই ফর্ম পূরন করে চলেছেন। অরিনদা, লসাগুদারা যতই শক্ত করে বলুক আসলে জিনিসটা রেলের রিজার্ভেশন ফর্মের মত সোজা।
    ধরুন
    {
    "name": "kelo",
    "age": 56,
    "city": "Kolkata"
    }
    এটা হল একটা JSON, এটা কি আপনার শিশি বোতলের মত শক্ত লাগছে?

    ঘোরপ্যাঁচওয়ালা লোকের শক্ত শক্ত জারগনের পাল্লায় পড়বেন না,পড়লে এই জারগন বাস্টার আপনাকে উদ্ধার করবে। এইবারে এই জ্ঞান সম্বল করে, চলুন অরিনদা, লসাগুদাদের মোকাবেলা করতে। ওদের লেখা জলের মত পড়ে, ওদের মাটিতে পেড়ে ফেলুন।
  • dc | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫:৪৪748308
  • জটিল টাস্ক বা অ্যানালিসিস, বা লম্বা প্রোজেক্ট, যার অনেকগুলো ধাপ বা ব্রাঞ্চ আছে, যা অনেকদিন ধরে চলছে, এরকম প্রোজেক্টে জেমিনাই এর পারফর্ম্যান্স সবচেয়ে বাজে। ক্লড প্রো সবচেয়ে ভালো, কিন্তু টোকেনের ব্যাপারে সবচেয়ে কিপটে (এখন একটা প্রোমো চলছে, উইকলি টোকেন ৫০% বেশী দিচ্ছে, তাও)। চ্যাটজিপিটি প্রো মাঝামাঝি, ক্লড এর মতো টোকেন খায় না, কিন্তু কোড কোয়ালিটি বা গ্লোবাল মেমোরি অতো ভালো না। তবে ডেস্কটপে ডাউনলোড করে স্যান্ডবক্স অ্যাক্সেস দিলে দুজনেই আরও ভালো পারফর্ম করে। সময় পেলে আরও লিখবো।
  • সিংগল k | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:১২748309
  • ভরপুর লিখুন ডিসিদা,
    আমার ঐ বিরাট লেখা কেউ যদি কষ্ট করে একবারটি পড়ে ফ্যালে, তাদের আর আপনার কথা বুঝতে বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবে না।
    তাদের প্রশ্ন করতেও অসুবিধা হবে না।
    আপনাদেরও আর উত্তর দিয়ে উত্তরের মানে বোঝানোর ঝামেলা পোয়াতে হবে না।
    আবার কোন জার্গন নিয়ে সমস্যা হলে আমি আবার উদয় হবো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে প্রতিক্রিয়া দিন।