এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • সৌপ্তিক কান্ড - ৩  

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৩ মে ২০২২ | ৭৯৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কলতান বলল, ' স্বস্তিক তোমাকে আর বেশিক্ষণ আটকাব না ...... আর পাঁচ সাত মিনিট ..... এতটা রাস্তা যেতে হবে তোমাকে ....'
    তারপর বলল, ' আমাকে বল তো, তোমাদের কখন মনে হল যে দুর্ঘটনাটা ঘটে গেছে ? ' 
    ------ ' সকাল ছটা নাগাদ আমরা তিনজন সী বিচে যাব বলে তৈরি হচ্ছিলাম। আমরা তিনজনই বিছানা ছেড়ে পড়েছিলাম খানিকক্ষণ আগে। কিন্তু সৌপ্তিক ঘুমিয়েই যাচ্ছিল। আমাদের কথাবার্তার আওয়াজেও ওর ঘুম ভাঙা তো দূরের কথা কোনরকম নড়াচড়াও করছিল না। অভিষেক গিয়ে ওকে নাড়া দিয়ে
     ডাকতে লাগল ঘুম থেকে ওঠাবার জন্য। কিন্তু ...... কিছু হল না। এবার আমরা ভয় পেয়ে গেলাম। বিপদটা যে নিশ্চিতভাবেই ঘটে গেছে তা আমরা তিনজনই বুঝতে পারলাম। কোন রিস্ক না নিয়ে হোটেলের রিসেপশানে জানালাম ...... '
    বলতে বলতে স্বস্তিক খুব উত্তেজিত হয়ে পড়ছিল। জোরে জোরে শ্বাস নিচ্ছিলো।
    কলতান বলল ' আচ্ছা ..... ঠিক আছে ..... ঠিক আছে ..... আর বলতে হবে না। পুলিশে কে ইনফর্ম করল .... হোটেল অথরিটি ? '
    ------ ' হ্যা ...... তারপর আমি সৌপ্তিকের বাড়িতে ফোন করি। মৃদুল আর অভিষেক ভীষণ নার্ভাস হয়ে পড়েছিল তাই ...... আমারও খুব নার্ভাস লাগছিল কিন্তু একজনকে তো কাজটা করতেই হত  .... তাই বাধ্য হয়ে আমি ..... '
    ----- ' হ্যা ..... বুঝতে পেরেছি বুঝতে  পেরেছি ..... আচ্ছা একটা জিনিস বলতে পারবে স্বস্তিক ..... সৌপ্তিককে রাত্রে শোবার আগে বা অন্য কোন সময়ে কোন ওষুধ খেতে দেখেছ ? '
    ----- ' হ্যা... হ্যা দেখেছি দেখেছি ..... রাতে শোবার আগে খেত দুরকম ট্যাবলেট .....
    ----- ' দেখেছ ?  কিসের ট্যাবলেট জান না, না ?'
    ----- ' ন....ন্না .... সেটা ঠিক বলতে পারব না স্যার। ' 
    ------ ' ও কোন দোকান থেকে ওষুধ কিনত জান কি তুমি ? '
    ------ ' হ্যা .... তা জানি। আমাদের এরিয়াতেই...... ' সুর ফার্মেসি '। কিন্তু ওষুধ তো ও কিনত না।  লাম্পসাম অ্যমাউন্টে ওদের বাড়ির সব মেডিসিন একসঙ্গে কিনতেন ওর বাবা হালদার মেশোমশায়। এতে টোয়েন্টি টু টোয়েন্টিফাইভ পার্সেন্ট ডিসকাউন্ট পাওয়া যায় ওখানে। মেশোমশাই তো এই ব্যাপারগুলো খুব ভাল বোঝেন ! ..... হাঃ হাঃ হাঃ ...... '
    ----- ' আই সি  ...আই সি .... আচ্ছা স্বস্তিক তোমায় আর আটকাব না। তুমি শিয়ালদা থেকে ট্রেনে চলে যাও। ওটাই কনভিনিয়েন্ট হবে। হ্যা ..... আর একটা কথা ‌। রুদ্রা চ্যাটার্জীর মোবাইল নাম্বারটা যদি আমায় কালেক্ট করে দিতে পার খুব উপকার হয় আমার ইনভেস্টিগেশানে ..... '
    ----- ' রুদ্রা চ্যাটার্জী ! ও আচ্ছা আচ্ছা .... ঠিক আছে দেখছি ....হয়ে যাবে মনে হয়। ঠিক আছে, আসছি এখন কাকু ..... দরকার হলে ফোন করবেন .... '
    ------ ' হ্যা এস ..... সাবধানে যেও .... '
    স্বস্তিকের সম্বোধনটা 'স্যার'  থেকে  'কাকু'-তে চলে আসায় কলতান বেশ উজ্জীবিত বোধ করল।  

       স্বস্তিক চলে যাবার পর কলতান মোবাইলের মেসেজ চেক করতে বসল।
     অভিষেক পাল যা লিখেছে তার মূল বক্তব্য হল--- সে এখন আসতে পারবে না। নানারকম  পারিবারিক সমস্যার কারণে  ও সব ব্যাপারে এখন কলতানের সঙ্গে সে কথাবার্তা বলতে অপারগ। তার এই মুহূর্তে সময়ের খুব অভাব।  এজন্য সে দু:খপ্রকাশ করে লিখেছে যে সে চায় সৌপ্তিকের মৃত্যুর ব্যাপারে যদি কোন রহস্য থাকে তা উদঘাটিত হোক। সেও কলতানের মতো স্বনামধন্য  ব্যক্তিত্বকে এ ব্যাপারে   সহযোগিতা করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করবে। কিন্তু অনিবার্য কারণবশত সে এখনই কলতানকে সময় দিতে পারছে না। তবে নিকট ভবিষ্যতে সুবিধা মতো সময়ে সে অবশ্যই  কলতানের সঙ্গে যোগাযোগ করবে। শেষে কলতানের প্রতি  নিবেদন করা হয়েছে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও সম্মান।
          বার্তাটা ইংরেজি হরফে বাংলা ভাষায় লেখা। কলতান পরিষ্কার বুঝতে পারল বয়ানটা কেউ তৈরি করে দিয়েছে। কলতান মনে মনে ভাবল ---- অতি চালাকের গলায় দড়ি .....। ছেলেমানুষরা বুঝতে পারছে না কেসটা রি-ওপেন হলে কি অবস্থা হবে ওদের তিন বন্ধুর। তারা স্পটের একমাত্র আই উইটনেস। ধামা চাপা পড়া কেস আবার মাথা চাড়া দিলে 
     ওদের নিয়ে কিরকম টানাহেঁচড়া হবে কোন ধারণা নেই ওদের। সেটা যাতে না হয় কলতান তো সেটাই নিশ্চিত করতে চায়।  কিন্তু সেটা অভিষেকরা বুঝলে তো ......  
    যাক ও কথা। মোবাইলের দ্বিতীয় মেসেজ হল 
    মৃদুল ব্যানার্জীর। সে কিন্তু কলতানের সঙ্গে বসতে অনিচ্ছুক নয় এবং স্বস্তিকের মতোই কলতানের বাড়িতে বসেই কথা বলতে চায়।
    তবে রবিবার ছাড়া তার সময় হবে না। সুতরাং তাকে সামনের রবিবার সময় দিলে ভাল হয়।  
         সামনের রবিবার মানে পরশুর পরের দিন।
    দিনের বেলায় যেহেতু প্রচন্ড গরম কলতান মৃদুলকে সন্ধেবেলাতেই সময় দিল।
         শনিবার সকাল এগারোটা নাগাদ সলিল হালদারের ফোন এল।  
    ------ ' মিস্টার গুপ্ত ..... গুড মর্নিং ....কেমন আছেন ?  '
    ----- ' মর্নিং ... মর্নিং। কি খবর বলুন। আপনারা ঠিক আছেন তো ? '
    ----- ' ও..ই আছি আর কি .... আমাদের আর থাকা আর না থাকা ...... আমাদের জীবনে আর আছেটা কি ! যাকগে ..... আপনার কাজ কিছু এগোল ? আমি কিন্তু আপনার ওপর ভীষণভাবে নির্ভর করে আছি ...... '
    ------ ' হ্যা .... কাজ যখন নিয়েছি, কাজ তো এগোবেই। কিন্তু এত ব্যস্ত হলে হবে না। সময় লাগবে এবং আপনার সাহায্যেরও দরকার হবে। একটা তালা মেরে দেওয়া কেস তালা খুলে বার করে আনা সহজ কাজ নয়। '
    ------ ' অবশ্যই অবশ্যই ...... কি হেল্প লাগবে বলবেন। আমার দিক থেকে কো-অপারেশানের কোন অভাব হবে না ....'
    ------ ' অনেক ধন্যবাদ সলিলবাবু। আমি পরশুদিন আপনার সঙ্গে একবার মিট করতে চাই আপনার কনস্ট্রাকশান অফিসে। কিছু কথা আছে যেগুলো ফোনে বলা যাবে না। '
    ----- ' সে ঠিক আছে। ইউ আর মোস্ট ওয়েলকাম ..... কিন্তু অফিসে কেন ? কথা তো বাড়িতে বসেই হতে পারে। '
    ------ ' হ্যা .... বাড়িতেও অবশ্যই যাব। ক্লায়েন্টের রেসিডেন্স ভিজিট করা আমাদের এথিক্যাল ডিউটির মধ্যে পড়ে। কিন্তু  কথাবার্তা আপনার অফিসে বসেই বলতে চাই। কারণটা অবশ্যই বলব আপনাকে। কিন্তু এখন নয়, ঠিক সময়ে ..... ' 
    ----- ' আ...চ্ছা ঠিক আছে, তাই হবে। সোমবার কখন আসছেন তা'লে ? '
    ------ ' সাড়ে এগারোটা থেকে বারোটার মধ্যে। আর একটা কথা ..... আপনার বাড়িতে যখন যাব আপনাদের ফ্যামিলির সবার ওষুধের কারেন্ট প্রেসক্রিপশানগুলো চাই। দরকার আছে ..... '
    ------ ' প্রে...সক্রিপশান ! ওগুলো কি কাজে লাগবে ! '
    ------- ' বললাম তো দরকার আছে। কি দরকার সময় এলে নিশ্চয়ই জানতে পারবেন সব। আপনাকে সাহায্য করার জন্যই তো আমি কাজ করছি। নাহলে আমার কি দরকার আছে ? '
    ----- ' আচ্ছা ঠিক আছে.... ঠিক আছে .... দেখছি কোথায় কি আছে ...… আপনি তা'লে সোমবার আসছেন  ...'
    ----- ' শিওর ..... শিওর ..'

        মৃদুল এসে পৌঁছল সন্ধে প্রায় সাতটায়। সাদামাটা দোহারা চেহারা। গায়ের রঙ কালোই বলা যায়। গালে হালকা দাড়ি আছে। মাঝারি উচ্চতা।
    ------ ' তোমার তো শুধু একদিনই অফ ডে না ? '
    ------ '  হ্যা... শুধু রবিবার। '
    ------ ' আচ্ছা বস .... বস .... বাধ্য হয়ে তোমাদের বিরক্ত করতে হচ্ছে .... '
    ------ ' না না কোন ব্যাপার না ..... আপনার কাজের পার্টনার হতে পারলে খুব ভাল লাগবে। আপনার নাম আমি শুনেছি আমার জেঠুর কাছে। '
    ----- ' জেঠু কি পুলিশ ডিপার্টমেন্টে ছিলেন ? ?
    ----- ' হ্যা ... ব্যারাকপুরে .... উনি মারা গেছেন প্রায় দেড় বছর আগে। একটা এনকাউন্টারে ...... '
    ----- ' ও আচ্ছা ...... ভেরি স্যাড  .... '

      ( ক্রমশঃ )

    ************************************************************************************

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ্লব রহমান | ১৪ মে ২০২২ ০৯:৩২507604
  • বেশ ভাল হচ্ছে। তবে একেকটি অনুসন্ধান বা জেরা এক পর্বে শেষ হলে পড়তে আরাম হয়।
     
    যেমন, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্ব জুড়ে স্বস্তিক, আর চলতি তৃতীয় পর্বে মৃদুলের জেরা শুরু হতে না হতে বিরতি -- কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করেছে।
     
    মন দিয়ে পড়ছি। অনেক বড় করে লিখুন। শুভ কামনা
  • Anjan Banerjee | ১৪ মে ২০২২ ১৯:৩০507631
  • ঠিক কথা। দেখছি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন