রথের কোলাজ : শক্তি করভৌমিক দত্তরায়, সৃজিতা সান্যাল শূর, সেখ সাহেবুল হক, নাভিদ আঞ্জুম, সোমা মুখোপাধ্যায়
বুলবুলভাজা | আলোচনা : বিবিধ | ০২ জুলাই ২০১৭ | ২৭৮১ বার পঠিত | মন্তব্য : ৮
আজ ঈদ ছিল।কাল ছিল রথযাত্রা।আহা কি আনন্দ।ছোটো থেকেই রথের মেলায় যাওয়া আমার মাস্ট।রথের মেলাতেই আমার প্রথম সার্কাস দেখা। নাগরদোলা চড়াও।লালগোলায় প্রতিবার রথের মেলা বসে অনেকদিন থাকে।এবারো যাবো।আমার সাড়ে চার বছরের ছেলের এবার তৃতীয়বার রথের মেলা দেখা হবে।ও বেচারি হিন্দু-মুসলিম না বুঝলেও,লালগোলাবাসিরা জানে লালগোলার রথের মেলার মোট টার্ন আউটের অন্ত 50%মুসলিম।সকালে ঈদের ময়দানের বাইরে পাঁপড়, চপ,ঘুগনি বা খেলনার যে দোকানগুলো ছিলো তার অনেকগুলিই হিন্দুদের। এতে আমার তিন বছরের ভাইপোর কিছু এসে যায়নি। সে পাঁপড় পুরোটাই খেয়েছে।আর হ্যাঁ,অনেক অনেক হিন্দু ভাইবোনেরা 'ঈদ মুবারক' লিখেছে। আমি অবশ্য 'শুভ রথযাত্রা' লিখিনি।অনেক মুসলিমই লেখেনি। আমিতো কোনদিনই না।তাহলে এবার কি হোলো???
নিজেকে খুঁজতে থাকি মানববাবুর লেখার মধ্যে : সোমা মুখোপাধ্যায়
বুলবুলভাজা | পড়াবই : মনে রবে | ০৯ আগস্ট ২০২০ | ২১২৯ বার পঠিত
স্মৃতিরোমন্থনের এই মুহূর্তে মনে আসছে তায়েব সালিহ্-র ‘A season of Migration to the North’ বা ‘উত্তরে দেশান্তরিত হবার মরশুম’ নামের ছোটো উপন্যাসটির কথা, মানববাবুর কথায়, “উত্তরে দেশান্তরিত হবার মরশুম প্রধানত সন্ধানের কাহিনি: অন্য একজন মানুষের পরিচয় খুঁজতে গিয়ে কী করে একজন শেষপর্যন্ত, নিজেকেই খুঁজে পেল।” এই উপন্যাসের শেষে উপন্যাসের কথক নদীর জলে ডুবতে গিয়েও, জীবনকে বেছে নেয়, সাহায্যের জন্য আর্তনাদ করে ওঠে।
তায়েব সালিহ্-র এই কথকের মতোই আমরা অনেকে নিজেকে খুঁজতে থাকি মানববাবুর লেখার মধ্যে। অনুবাদের জন্য যে টেক্সটকে নির্বাচন করেছেন, তার সঙ্গে আমরাও ঘুরেছি—উত্তর থেকে দক্ষিণে, কেন্দ্র থেকে প্রান্তে বা বলা যায় বিভিন্ন জানা-অজানা প্রান্তে। দেশ থেকে দেশান্তরে ঘোরার এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে, ভাষার বহুত্বকে অনুভব করলে বোঝা সম্ভব মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মকাণ্ডের স্বরূপকে।