এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • অশ্রুর লবণে ভেজা, বনের গভীরে 

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৭ অক্টোবর ২০২৬ | ৫৫ বার পঠিত
  • (আমি পুরুষ পুরুষ পুরুষ আমি কাঁদি কাঁদি কাঁদি আমি কাঁদছি কাঁদছি কাঁদছি আমার কান্না কী? কান্না কান্না কান্না না না না আমার কান্না কান্না না আমার কান্না অন্য কিছু অন্য অন্য অন্য আমার কান্না যৌন যৌন যৌন আমার কান্না উত্তেজনা উত্তেজনা উত্তেজনা আমার কান্না রক্ত রক্ত রক্ত আমার কান্না শুক্র শুক্র শুক্র আমার কান্না লালা লালা লালা আমার কান্না ঘাম ঘাম ঘাম আমার কান্না মাংস মাংস মাংস আমার কান্না হাড় হাড় হাড় আমার কান্না মজ্জা মজ্জা মজ্জা আমার কান্না আত্মা আত্মা আত্মা আমার কান্না শূন্যতা শূন্যতা শূন্যতা আমি পুরুষ আমি কাঁদি আমি তার জন্য কাঁদি তার জন্য তার জন্য তার জন্য সে সে সে যে রাক্ষসী যে বিবস্ত্রা যে খানকি যে আগুনের মেয়ে যে বনের কন্যা যে কাঁটার বাগানের ফুল যে রক্তগন্ধা যে আমার আমার আমার সে আমার আমি তার আমরা এক এক এক না না না আমরা এক না আমরা দুই দুই দুই আমরা দুই দুই দুই আমি পুরুষ সে নারী আমি মানুষ সে রাক্ষসী আমি বাঁচি সে বাঁচে না সে মরে না সে অমর সে অভিশপ্ত সে চিরন্তন সে অনন্ত সে শূন্যতা সে পূর্ণতা সে অনন্ত সে মুহূর্ত যা আসে না কিন্তু আসবে আসবে আসবে।

    আমি তার জন্য কাঁদি কাঁদি কাঁদি কেন? কেন? কেন? কারণ সে আমাকে খেয়েছে খেয়েছে খেয়েছে না না না খায়নি সে আমাকে চুষেছে চুষেছে চুষেছে না না না চোষেনি সে আমাকে ভালোবেসেছে ভালোবেসেছে ভালোবেসেছে হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ সে আমাকে ভালোবেসেছে আমার রক্ত চুষে আমার মাংস খেয়ে আমার হাড় চিবিয়ে আমার মজ্জা পান করে আমার আত্মা শোষণ করে সে আমাকে ভালোবেসেছে আর আমি তাকে ভালোবেসেছি তার রক্ত চুষে তার মাংস খেয়ে তার হাড় চিবিয়ে তার মজ্জা পান করে তার আত্মা শোষণ করে আমরা দুজন দুজনকে খেয়েছি খেয়েছি খেয়েছি আমরা দুজন দুজনকে ভালোবেসেছি ভালোবেসেছি ভালোবেসেছি আর সেই ভালোবাসা সেই ভালোবাসা সেই ভালোবাসা সেই ভালোবাসা কান্না কান্না কান্না সেই ভালোবাসা যৌন যৌন যৌন সেই ভালোবাসা উত্তেজনা উত্তেজনা উত্তেজনা সেই ভালোবাসা রক্ত রক্ত রক্ত সেই ভালোবাসা শুক্র শুক্র শুক্র সেই ভালোবাসা লালা লালা লালা সেই ভালোবাসা ঘাম ঘাম ঘাম সেই ভালোবাসা মাংস মাংস মাংস সেই ভালোবাসা হাড় হাড় হাড় সেই ভালোবাসা মজ্জা মজ্জা মজ্জা সেই ভালোবাসা আত্মা আত্মা আত্মা সেই ভালোবাসা শূন্যতা শূন্যতা শূন্যতা সেই ভালোবাসা পূর্ণতা পূর্ণতা পূর্ণতা সেই ভালোবাসা অনন্ত অনন্ত অনন্ত সেই ভালোবাসা মুহূর্ত মুহূর্ত মুহূর্ত যা আসে না কিন্তু আসবে আসবে আসবে।

    আমি কাঁদি কাঁদি কাঁদি আমার কান্না দেখে বনের পশুরা থামে থামে থামে শিয়াল থামে হরিণ থামে সাপ থামে পাখি থামে বাঘ থামে হাতি থামে ময়ূর থামে কাঠবিড়াল থামে পিঁপড়ে থামে মৌমাছি থামে প্রজাপতি থামে কীট থামে পতঙ্গ থামে সব থামে সব সব সব তারা আমার দিকে তাকায় তাকায় তাকায় তারা আমার কান্না দেখে দেখে দেখে তারা ভাবে – পুরুষ কাঁদছে? পুরুষ? পুরুষ? পুরুষ কাঁদে? পুরুষ তো কাঁদে না পুরুষ তো মারে পুরুষ তো কাটে পুরুষ তো পোড়ায় পুরুষ তো নেয় পুরুষ তো লোভ করে পুরুষ তো দর্প করে পুরুষ তো কর বাড়ায় পুরুষ তো সিংহাসনে বসে পুরুষ তো মুকুট পরে পুরুষ তো সব করে কিন্তু পুরুষ কাঁদে? কাঁদে? কাঁদে? হ্যাঁ পুরুষ কাঁদে পুরুষ কাঁদে পুরুষ কাঁদে এই পুরুষ কাঁদছে এই পুরুষ এই এই এই যে তার রাক্ষসীকে ভালোবেসেছিল যে তার বিবস্ত্রাকে ভালোবেসেছিল যে তার পতিতাকে ভালোবেসেছিল যে তার খানকিকে ভালোবেসেছিল যে তার আগুনের মেয়েকে ভালোবেসেছিল যে তার বনের কন্যাকে ভালোবেসেছিল যে তার কাঁটার বাগানের ফুলকে ভালোবেসেছিল যে তার রক্তগন্ধাকে ভালোবেসেছিল সে কাঁদছে কাঁদছে কাঁদছে তার কান্না দেখে বনের পশুরা অবাক অবাক অবাক তারা ভাবে – এই পুরুষটা কাঁদছে কেন? কেন? কেন? সে তো জিতেছে সে তো তার রাক্ষসীকে পেয়েছে সে তো তার বিবস্ত্রাকে পেয়েছে সে তো তার পতিতাকে পেয়েছে সে তো তার খানকিকে পেয়েছে সে তো তার আগুনের মেয়েকে পেয়েছে সে তো তার বনের কন্যাকে পেয়েছে সে তো তার কাঁটার বাগানের ফুলকে পেয়েছে সে তো তার রক্তগন্ধাকে পেয়েছে সে তো সব পেয়েছে সব সব সব তাহলে কাঁদছে কেন? কেন? কেন? তারা জানে না জানে না জানে না তারা জানে না সে কী হারিয়েছে তারা জানে না সে কী দিয়েছে তারা জানে না সে কী বিক্রি করেছে তারা জানে না জানে না জানে না

    একটা ছোট পাখি আসে পাখিটা ছোট পাখিটা নীল পাখিটার ঠোঁট হলুদ পাখিটার চোখ কালো পাখিটা আমার কাঁধে বসে বসে বসে পাখিটা বলে – তুমি কাঁদছ কেন? আমি বলি – আমি জানি না পাখিটা বলে – তুমি জানো না? আমি বলি – জানি না পাখিটা বলে – তুমি তো তার আমি বলি পাখিটা বলে – কেন? আমি বলি – কারণ তার থাকা নেই পাখিটা বলে – তাহলে থাকা কী? আমি বলি – থাকা শূন্যতা থাকা পূর্ণতা থাকা অনন্ত থাকা মুহূর্ত যা আসে না কিন্তু আসবে আসবে আসবে পাখিটা চলে যায় উড়ে যায় উড়ে যায় উড়ে যায় আমি একা একা একা আবার কাঁদি কাঁদি কাঁদি

    একটা শিয়াল আসে শিয়ালটা বড় শিয়ালটার লোম খসখসে শিয়ালটার চোখ লাল শিয়ালটার দাঁত ধারালো শিয়ালটা আমার সামনে বসে বসে বসে শিয়ালটা বলে – তুমি কাঁদছ কেন? আমি বলি – আমি জানি না শিয়ালটা বলে – তুমি জানো না? আমি বলি – জানি না শিয়ালটা বলে – তুমি তো পুরুষ আমি বলি – পুরুষও কাঁদে শিয়ালটা বলে – কেন? আমি বলি – কারণ পুরুষ জানে না কী করতে হয় শিয়ালটা বলে – তাহলে পুরুষ কী কাজের ? আমি বলি – পুরুষ শুধু জানে পুরুষ করতে পারে না শিয়ালটা বলে – তাহলে কে পারে? আমি বলি – কেউ না কেউ না কেউ না শিয়ালটা চলে যায় দৌড়ে যায় দৌড়ে যায় দৌড়ে যায় আমি একা একা একা আবার কাঁদি কাঁদি কাঁদি।

    একটা হরিণ আসে হরিণটা সুন্দর হরিণটার চোখ বড় হরিণটার পা সরু হরিণটার গা লোমে ভরা হরিণটা আমার পাশে বসে বসে বসে হরিণটা বলে – তুমি কাঁদছ কেন? আমি বলি – আমি জানি না হরিণটা বলে – তুমি জানো না? আমি বলি – জানি না হরিণটা বলে – তুমি তো তার প্রেমিক আমি বলি – প্রেমিকও কাঁদে হরিণটা বলে – কেন? আমি বলি – কারণ প্রেমিক জানে না কী করতে হয় হরিণটা বলে – তাহলে প্রেমিক কী কাজের ? আমি বলি – প্রেমিক শুধু জানে প্রেমিক করতে পারে না হরিণটা বলে – তাহলে কে পারে? আমি বলি – কেউ না কেউ না কেউ না হরিণটা চলে যায় লাফিয়ে যায় লাফিয়ে যায় লাফিয়ে যায় আমি একা একা একা আবার কাঁদি কাঁদি কাঁদি

    একটা বাঘ আসে বাঘটা ভয়ঙ্কর বাঘটার নখ লম্বা বাঘটার দাঁত ধারালো বাঘটার চোখ আগুন বাঘটা আমার সামনে দাঁড়ায় দাঁড়ায় দাঁড়ায় বাঘটা বলে – তুমি কাঁদছ কেন? আমি বলি – আমি জানি না বাঘটা বলে – তুমি জানো না? আমি বলি – জানি না বাঘটা বলে – তুমি তো সব পেয়েছ আমি বলি – সব পেয়েও কাঁদে বাঘটা বলে – কেন? আমি বলি – কারণ সব পেয়েও কিছু পায় না বাঘটা বলে – তাহলে কী পায়? আমি বলি – শূন্যতা শূন্যতা শূন্যতা বাঘটা বলে – তাহলে কী কাজের ? আমি বলি – কিছুই না কিছুই না কিছুই না বাঘটা চলে যায় গর্জন করে গর্জন করে গর্জন করে আমি একা একা একা আবার কাঁদি কাঁদি কাঁদি

    তখন সে আসে সে সে সে আমার রাক্ষসী আমার বিবস্ত্রা আমার পতিতা আমার খানকি আমার আগুনের মেয়ে আমার বনের কন্যা আমার কাঁটার বাগানের ফুল আমার রক্তগন্ধা সে আসে আসে আসে সে আমার সামনে দাঁড়ায় দাঁড়ায় দাঁড়ায় তার চোখে আগুন তার ঠোঁটে রক্ত তার হাতে কাঁটা তার পায়ে ধূলি তার বুকে শূন্যতা তার কণ্ঠে গান সে বলে – তুমি কাঁদছ কেন? আমি বলি – আমি জানি না সে বলে – তুমি জানো না? আমি বলি – জানি না সে বলে – তুমি তো আমাকে পেয়েছ আমি বলি – তোমাকে পেয়েও কাঁদি সে বলে – কেন? আমি বলি – কারণ তোমাকে পেয়েও তোমাকে পাই না সে বলে – কেন পাও না? আমি বলি – কারণ তুমি শূন্যতা তুমি পূর্ণতা তুমি অনন্ত তুমি মুহূর্ত যা আসে না কিন্তু আসবে আসবে আসবে সে হাসে হাসে হাসে তার হাসি ভাঙা কাঁচের মতো তার হাসি রক্তের মতো তার হাসি আগুনের মতো তার হাসি কাঁটার মতো তার হাসি কান্নার মতো সে বলে – তাহলে কাঁদো কাঁদো কাঁদো কারণ কাঁদা বাঁচা কাঁদা বাঁচা কাঁদা বাঁচা বাঁচা মানে কাঁদা কাঁদা মানে বাঁচা বাঁচা আর কাঁদা এক এক এক কাঁদো কাঁদো কাঁদো যতক্ষণ কাঁদতে পারো যতক্ষণ কাঁদতে পারো কারণ কাঁদা শেষ হলে বাঁচা শেষ বাঁচা শেষ হলে কাঁদা শেষ কাঁদা শেষ হলে সব শেষ সব সব সব আর সেই সবের শেষে কী? কী? কী? শূন্যতা শূন্যতা শূন্যতা আর সেই শূন্যতার নাম – ভালোবাসা ভালোবাসা ভালোবাসা ভালোবাসা হোক ভালোবাসা হোক ভালোবাসা হোক

    আমি কাঁদি কাঁদি কাঁদি আমি পুরুষ পুরুষ পুরুষ আমি কাঁদি কাঁদি কাঁদি আমি প্রেমিক প্রেমিক প্রেমিক আমি কাঁদি কাঁদি কাঁদি আমি রাক্ষসীর প্রেমিক রাক্ষসীর প্রেমিক রাক্ষসীর প্রেমিক আমি কাঁদি কাঁদি কাঁদি আমি বিবস্ত্রার প্রেমিক বিবস্ত্রার প্রেমিক বিবস্ত্রার প্রেমিক আমি কাঁদি কাঁদি কাঁদি আমি পতিতার প্রেমিক পতিতার প্রেমিক পতিতার প্রেমিক আমি কাঁদি কাঁদি কাঁদি আমি খানকির প্রেমিক খানকির প্রেমিক খানকির প্রেমিক আমি কাঁদি কাঁদি কাঁদি আমি আগুনের মেয়ের প্রেমিক আগুনের মেয়ের প্রেমিক আগুনের মেয়ের প্রেমিক আমি কাঁদি কাঁদি কাঁদি আমি বনের কন্যার প্রেমিক বনের কন্যার প্রেমিক বনের কন্যার প্রেমিক আমি কাঁদি কাঁদি কাঁদি আমি কাঁটার বাগানের ফুলের প্রেমিক কাঁটার বাগানের ফুলের প্রেমিক কাঁটার বাগানের ফুলের প্রেমিক আমি কাঁদি কাঁদি কাঁদি আমি রক্তগন্ধার প্রেমিক রক্তগন্ধার প্রেমিক রক্তগন্ধার প্রেমিক আমি কাঁদি কাঁদি কাঁদি আমি তার প্রেমিক তার প্রেমিক তার প্রেমিক আমি কাঁদি কাঁদি কাঁদি আমার কান্না যৌন যৌন যৌন আমার কান্না উত্তেজনা উত্তেজনা উত্তেজনা আমার কান্না রক্ত রক্ত রক্ত আমার কান্না শুক্র শুক্র শুক্র আমার কান্না লালা লালা লালা আমার কান্না ঘাম ঘাম ঘাম আমার কান্না মাংস মাংস মাংস আমার কান্না হাড় হাড় হাড় আমার কান্না মজ্জা মজ্জা মজ্জা আমার কান্না আত্মা আত্মা আত্মা আমার কান্না শূন্যতা শূন্যতা শূন্যতা আমার কান্না পূর্ণতা পূর্ণতা পূর্ণতা আমার কান্না অনন্ত অনন্ত অনন্ত আমার কান্না মুহূর্ত মুহূর্ত মুহূর্ত যা আসে না কিন্তু আসবে আসবে আসবে।

    দেখে কে? কে? কে? কেউ না কেউ না কেউ না শুধু বন দেখে বন দেখে বন দেখে শুধু মাটি দেখে মাটি দেখে মাটি দেখে শুধু আকাশ দেখে আকাশ দেখে আকাশ দেখে শুধু তারা দেখে তারা দেখে তারা দেখে তারা কাঁদে না তারা কাঁদে না তারা কাঁদে না তারা শুধু জ্বলে জ্বলে জ্বলে জ্বলে চিরকাল চিরকাল চিরকাল আর সেই জ্বলার নাম – ভালোবাসা ভালোবাসা ভালোবাসা ভালোবাসা হোক ভালোবাসা হোক ভালোবাসা হোক। ভালোবাসা হোক ভালোবাসা হোক ভালোবাসা হোক।

     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন।