এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ব্যাটেলশিপ পোটেমকিনঃ শতবর্ষ  পেরিয়ে ফিরে দেখা 

    Sandipan Majumder লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৩০ বার পঠিত
  • কয়েকটি অদ্ভুত কথা প্রথমেই বলে নেওয়া ভালো। যে ছবিটি নিয়ে আমরা আলোচনা করতে যাচ্ছি ২০০৫ সালের আগে তার কোনো একটি নির্দিষ্ট ভার্সান ছিল না,অন্তত দশ রকমের ভার্সান চালু ছিল। এর কারণ ১৯২৫ সালে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার সময় তার একমাত্র নেগেটিভ কপিটি আরও কপি তৈরির জন্য জার্মানিতে পাঠানোহয়। কারণ সেই সময় সেই প্রযুক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নে ছিল না। জার্মানিতে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার আগে সেটিকে কিছুটা কাটছাঁট করা হয়। ফলে আজ পর্যন্ত সেই অরিজিনাল নেগেটিভটি পাওয়া যায় নি। ২০০৫ সালে বিভিন্ন সূত্র মিলিয়ে যে ভার্সানটি তৈরি করা হয়েছে তাকেই মোটামুটি আইজেন্সটাইনের চিন্তার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ধরা যেতে পারে। দ্বিতীয়ত বাক স্বাধীনতার অতন্দ্র প্রহরী বলে দাবি করা দুই দেশ ফ্রান্স এবং ইংল্যাণ্ডে সরকারীভাবে ব্যাটেলশিপ পোটেমকিন নিষিদ্ধ ছিল যথাক্রমে ১৯৫৩ ও ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত। যদিও ব্যক্তিগত উদ্যোগে, ফিল্ম ক্লাব এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলির উদ্যোগে দুটি দেশেই বহুবার প্রদর্শিত হয়েছে এই ছবি। জার্মানিতে হিটলারের উথ্বানের আগে এই ছবি মাঝে মাঝে সেনসরের কোপে পড়লেও ভালোভাবেই প্রদর্শিত হয়েছে এবং জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।



    এই ছবির প্রভাবের কথা তো এখন কিংবদন্তী হয়ে গেছে। পুরোনো হলিউডের পরিচালকদের মধ্যে বিলি ওয়াইল্ডার, অরসন ওয়েলস বা আলফ্রেড হিচককের অন্যতম প্রিয় এই ছবি। হিচককের ১৯৫৯ সালের ছবি সাইকোতে এই ছবির অনেক প্রভাব আছে, বিশেষত সম্পাদনায়। অনেক পরের পরিচালক ব্রায়ান ডি পালমার ১৯৮৭ সালের ছবি আনটাচেবল ছবিতে পোটেমকিন ছবির বিখ্যাত ওডেসা স্টেপের মত একটা সিকোয়েন্স আছে যেখানে ওরকম সিঁড়ি দিয়ে প্যারামবুলেটরে গড়িয়ে পড়া শিশু, গুলিবৃষ্টি, এক অসহায় মা ইত্যাদি আছে যেটাকে সরাসরি ওডেসা স্টেপের তথা পোটেমকিন ছবিটির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য বলা যেতে পারে।



    ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের সাইট অ্যান্ড সাউণ্ড পত্রিকা ১৯৫২ সাল থেকে শুরু করে দশ বছর পর পর সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ছবির যে তালিকা করে এবং যে তালিকায় ভোট দেন পৃথিবীর বিখ্যাত পরিচালক এবং চলচ্চিত্র সমালোচকরা --- সেখানে ১৯৫২ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ব্যাটেলশিপ পোটেমকিন প্রথম দশের তালিকায় ছিল। ২০১২ সালে ছবিটি ১১ নম্বরে নেমে আসে। ২০২২ সালের তালিকায় অনেকটা পিছিয়ে সমালোচকদের তালিকায় ৫৪ নম্বরে এবং পরিচালকদের তালিকায় ৯৩ নম্বরে স্থান পেয়েছে ছবিটি। এই তথ্যগুলো দেখলে বোঝা যাবে যে কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে পোটেমকিন ছবিটি চলচ্চিত্রের রসগ্রাহীদের প্রভাবিত করে রেখেছে। তবে স্বাভাবিকভাবেই চলচ্চিত্রশিল্পের অগ্রগতির কারণে সেই প্রভাবের এখন কিছুটা হ্রাস ঘটছে।

    এ বিষয়ে তো কোনো সন্দেহ নেই যে ব্যাটেলশিপ পোটেমকিন একটি রাজনৈতিক ছবি, এমনকি প্রচারমূলক ছবিও বলা যেতে পারে একে। এই বলশেভিক প্রপাগান্ডার কারণেই পাশ্চাত্যের দেশগুলিতে এটি সরকারিভাবে দীর্ঘদিন নিষিদ্ধ ছিল--- যে কথা আমি প্রথমে উল্লেখ করেছি। তাহলে এরকম একটি প্রচারমূলক ছবি এত জনপ্রিয় হল কী করে ? এর একটাই উত্তর – নির্মাণকৌশলের গুণে। আইজেন্সটাইন একটা উদ্দেশ্য সামনে রেখে রীতিমত পরিকল্পনা করে দৃশ্য নির্মাণ করতেন। উদ্দেশ্য একটাই—কীভাবে দর্শকের আবেগকে নাড়া দেওয়া যায়, সেই আবেগকে ছবির রাজনীতির স্বপক্ষে আনা যায়। তাই আইজেন্সটাইন শিল্পীর সৃজনশীলতা ইত্যাদি শব্দকে আদৌ পাত্তা দিতেন না। এটা যেন এক নির্মাণশিল্প যার প্রতিটি ধাপে সযত্ন পরিশ্রমে গড়ে তোলা হচ্ছে দৃশ্যাবলী,সঙ্গীত এবং সম্পাদনার সাহায্যে দর্শকের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করার কাঠামো।

    পোটেমকিনের চিত্রনাট্য পাঁচটি ভাগে বিভক্ত। জাহাজে পোকায় ধরা পচা মাংস খাওয়ার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ কীভাবে বৃহত্তর বিদ্রোহের জন্ম দেয়, দেশব্যাপী অন্য অংশের বিদ্রোহের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করে সেটা দেখানোই যে শুধু আইজেন্সটাইনের উদ্দেশ্য ছিল তাই নয়, দর্শকদের সেই আবেগগত উত্তরণের সঙ্গী করে তোলাই ছিল তার মূল উদ্দেশ্য।

    এই ছবির চতুর্থ ভাগে আছে সেই বিখ্যাত ওডেসা সিঁড়ির গণহত্যার দৃশ্য। আসল যে সিঁড়ির ওপর এই শুটিং হয়েছে সেখানে সৈন্যদের ওপর থেকে নেমে আসতে বড়জোর দেড় থেকে দু মিনিট লাগার কথা। আইজেনস্টাইন কিন্তু দৃশ্যটা দেখিয়েছেন পাঁচ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে। স্লো মোশন ব্যবহার করে, প্যারালাল কাটিং এবং ক্লোজ আপের অনর্গল ব্যবহারে তিনি দৃশ্যের অভিঘাতকে ভয়ংকর উচ্চতায় তুলেছেন।আইজেনস্টাইনের নিজের যে নোটস আছে এই দৃশ্যটি নির্মাণের ব্যাপারে সেটা পড়লে অবাক হতে হয়। এত অংক, এত পরিকল্পনা! না, সেগুলো কোনো কেজো পরিকল্পনা নয়। গোটাটাই শৈল্পিক পরিকল্পনা যার একটাই উদ্দেশ্য—দর্শকের উপর সুস্পষ্ট অভিঘাত অভিঘাত তৈরি করা। এর সবটাই যে শুটিংয়ের সময় মাথায় রেখে করা হয়েছে এমনটা নয়। অনেকটাই সম্পাদনার সময় লক্ষ্য রেখে শটগুলো জোড়া হয়েছে। আইজেন্সটাইন নিজেই ছিলেন সম্পাদক। আর তার বিখ্যাত মন্তাজ তত্ত্ব প্রয়োগের একটা বড় জায়গা হচ্ছে সম্পাদনা। সবচেয়ে সহজ অথচ সুন্দর মন্তাজের দৃশ্য এই ওডেসা সিঁড়ির ঘটনার শেষ দিকেই আছে যখন পোটেমকিন জাহাজ থেকে বিদ্রোহী নাবিকরা গোলা ছঁড়ে সেনাদের সদর দপ্তর গুঁড়িয়ে দেয়। তখন আসে বিখ্যাত সেই পরপর তিনটি সিংহমূর্তির শট--- শায়িত, অর্ধ উথ্বিত এবং পূর্ণ উথ্বিত। তবে মন্তাজ মানে শুধু শটের সংযোজনই নয়, আইজেনস্টাইনের কাছে মন্তাজ এক দ্বান্দিকতাও –যেখানে স্থিতি ও গতি, আলো বনাম আঁধার নানা অভিঘাত তৈরি করে। এই ছবিতে টোনাল মন্তাজের উদাহরণ হল বিদ্রোহী নাবিক ভাকুলিনচুকের মৃত্যুর পর কয়েকটি শট যেখানে শোকের টোনকে ধরে রাখার জন্য কয়েকটি শট এসেছে—যার মধ্যে আছে সমুদ্রের জলের ওপর নেমে আসা কুয়াশার দৃশ্য, জলের ওপর ধীরে নেমে আসা সীগাল পাখিরা ইত্যাদি।
     


    সোভিয়েত ইয়নিয়নে বিপ্লবের পর লেনিনের জীবদ্দশায় সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দিয়েছিল। প্রোলেটকাল্ট নামে শ্রমিকদের সাংস্কৃতিক বিকাশের যে সংস্থা গড়ে উঠেছিল সেখানে আইজেন্সটাইন তিনটি থিয়েটারের পরিচালক ছিলেন। পোটেমকিনের আগে ১৯২৪ সালে তিনি স্ট্রাইক নামে যে ছবিটি তৈরি করেছিলেন সেখানে এই প্রোলেটকাল্টের অনেক অভিনেতাই অভিনয় করেছিলেন। স্ট্রাইক ছবিটিও ছিল যথেষ্ট পরীক্ষাধর্মী এবং কোনো গল্পবাহিত ন্যারেটিভ সেখানে ছিল না। ১৯০৫ সালে জার দ্বিতীয় নিকোলাসের আমলে রাশিয়ায় ঘটে যাওয়া বৈপ্লবিক ঘটনাবলী নিয়ে যখন সিনেমা তৈরির কথা হয় তখন সেখানে অনুমোদনের জন্য প্রোলেটকাল্টের প্রতিনিধি ছাড়াও ছিলেন মেয়ারহোল্ডের মত নি্রীক্ষাশীল নাট্য পরিচালক বা মেলভিচের মত সুপ্রিম্যাটিস্ট আন্দোলনের চিত্রকর। পার্টির তরফ থেকেও সেখানে ছিলেন সত্যিকারের বুদ্ধিজীবী বলে পরিচিত আনাতোলি লুনাচার্স্কি। ফলে আইজেনস্টাইনের খুব বেশি অসুবিধা হয় নি এই ছবির প্রকল্প অনুমোদন করিয়ে সেটি নির্মাণ করতে। সংস্কৃতির ওপর পার্টির নিয়ন্ত্রণ শুরু হয় ১৯৩২ সাল থেকে যখন স্বাধীন সাহিত্যিক ও অন্যান্য শিল্পের গ্রুপগুলিকে নিষিদ্ধ করা হয়।



    ব্যাটেলশিপ পোটেমকিন ছবির প্রাসঙ্গিকতা কি আজকে কমেছে ? সিনেমার ছাত্র, শিক্ষক, গুণগ্রাহীদের কাছে একদমই নয়। কারণ দর্শককে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া, তার আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা আজকের দিনেও বাণিজ্যিক হোক আর সমান্তরাল ধারা--- সব ছবির নির্মাতাদেরই লক্ষ্য। তাই যাঁরা রাজনৈতিক ছবির নির্মাণে ততটা উৎসাহী নন তাঁরাও এ ছবির থেকে শেখেন। আর যাঁরা রাজনৈতিক ছবি করতে চান, দর্শকদের প্রতিবাদে উদবুদ্ধ করতে চান তারাও এ ছবি নিয়ে ভাবতে বাধ্য হন আজকেও। কারণ রাজনীতি মানে তো আর একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রচার করা নয়। আমাদের চারপাশে ঘটে চলা যত অবিচারের দিকে, অসাম্যের দিকে তর্জনী তুলে ধরাটাও আজকের দিনে রাজনৈতিক ছবির উদ্দেশ্য। সেখানে ব্যাটেলশিপ পোটেমকিন যে সমুদ্রে পাল তুলেছিল, আমাদের আগামী প্রজন্মকেও সেই সমুদ্রেই জাহাজ ভাসাতে হবে।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই প্রতিক্রিয়া দিন।