এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • তিন রঙের ফিতা , মুহাম্মদ ফজলুল হক। 

    Fazlul Huque লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৪০ বার পঠিত
  • তিন রঙের ফিতা
    মুহাম্মদ ফজলুল হক

    নিবিষ্ট মনে ছাগলছানার দিকে তাকিয়ে আছে ঊর্মিলা। সে দৃষ্টি স্থির রাখতে পারছে না। তিনটি ছানার তিড়িং বিড়িং লাফালাফি তাকে শান্তিতে বসতেও দিচ্ছে না। তবু ভালো লাগছে তার। সকালেই নরম তুলতুলে তিনটি ছাগলছানার জন্ম হয়েছে। প্রথমে নড়াচড়া কম করত। উঠে দাঁড়াতে পারত না। মা ছাগলের স্নেহে খুব তাড়াতাড়ি দাঁড়াতে শিখে যায়। খুশি হয়ে ওঠে ঊর্মিলা। সেই থেকে নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে ছাগলছানাদের নিয়েই পড়ে আছে সে। দেখতে দেখতে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে, মায়ের দুধ পান করতে শিখে যায়। কী সুন্দর মায়াবী দৃশ্য, অপলক তাকিয়ে রয় ঊর্মিলা।

    সে খেয়াল করে একটি ছানা দুধ পান করতে পারছে না। অন্য দুটির সাথে প্রতিযোগিতায় হেরে যাচ্ছে। এমন সময় ঊর্মিলার মা এগিয়ে আসে। সে অপেক্ষাকৃত দুর্বল ছানাকে কোলে নিয়ে মা ছাগলের কাছাকাছি ধরে। ছাগলছানা মনের সুখে দুধ পান করতে শুরু করে। নতুন কাজ পেয়ে যায় ঊর্মিলা। অন্য দুটোকে সরিয়ে স্নেহাকে দুধ পানে সহায়তা করে সে। দয়া, মায়া ও স্নেহা—এই তিন নামে সে ছানাদের ডাকতে শুরু করে। ঊর্মিলা অবাক হয়ে লক্ষ করে, নাম ধরে ডাকলে ছাগলছানা তার কাছে চলে আসে।

    ঊর্মিলা দয়া ও মায়াকে ডাকে। লাফাতে লাফাতে তারা তার কাছে চলে আসে। সে তাদের কোলে বসিয়ে বলে, "শোনো দয়া ও মায়া, তোমরা খুব দুষ্টু হয়েছ। এত দুষ্টুমি করা ঠিক না।" দয়া ও মায়া কোনো দিকে না তাকিয়ে আপন মনে ঊর্মিলার জামার নিচের অংশ চিবুতে থাকে। ঊর্মিলা হইহই করে ওঠে, "এই এই, কী করছ তোমরা!"ঊর্মিলার দিকে তাকিয়ে দয়া ও মায়া থেমে যায়। ঊর্মিলা তাদের শাসন করে বলে, "আর কখনো এমন করবে না, তাহলে কান মলে দেব।" দয়া ও মায়া কাঁদো কাঁদো স্বরে বলে, "আমরা কখনো এমন করব না।"

    খুশি হয় ঊর্মিলা, সে তাদের আদর করে। ছানাদের নরম ও ঘন লোমশ শরীরে হাত বুলাতে বুলাতে স্নেহার দিকে তাকায় সে। স্নেহা মায়ের দুধ পান করছে। ঊর্মিলা ডাকে, "স্নেহা, এবার তুমি এসো, এখন দয়া ও মায়া দুধ পান করবে।" স্নেহা নড়ে না। সে দুধ পান করতে থাকে। "স্নেহা, তুমি পচা! চলে এসো আমার কাছে।" স্নেহা যেন শুনছেই না। ঊর্মিলা উঠে গিয়ে স্নেহাকে সরিয়ে দয়া ও মায়াকে দুধ পানের সুযোগ করে দেয়। কোলে উঠেই স্নেহা ঊর্মিলার চিবুক চাটতে শুরু করে। দ্রুত সে স্নেহাকে নামিয়ে বলে, "তোমার দুষ্টুমি আর কমল না, স্নেহা!"

    স্কুলে ঊর্মিলার মন বসে না। তার চোখের সামনে দয়া, মায়া ও স্নেহার ছবি ভাসছে। বাড়ি গিয়ে সবার আগে স্নেহাকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। ঊর্মিলা তার বান্ধবী চৈতালীকে বলে ছাগলছানাদের কথা। চৈতালী খুশি হয়ে বলে, "তোদের বাড়ি যাব ছানাদের দেখতে। নামগুলো বেশ রেখেছিস ঊর্মিলা।"
    "না রেখে উপায় আছে? তাদের দেখলে তোর মনেও দয়া, মায়া ও স্নেহ উথলে উঠবে। তখন বুঝবি কেন এমন নাম রেখেছি।"

    স্কুলের শেষ ঘণ্টা যখন ঢং ঢং করে বেজে উঠল, ঊর্মিলার মনে হলো সে এক মস্ত বড় খাঁচা থেকে মুক্তি পেল। চটপট খাতা-কলম ব্যাগে পুরে নিয়ে সে চৈতালীর হাত ধরল। চৈতালী পিছু পিছু আসতে আসতে হাঁপাতে হাঁপাতে বলে, "আরে দাঁড়া না! এত তাড়া কীসের? তোর ছাগলছানা তো ডানা মেলে উড়ে যাচ্ছে না!"
    "তাড়া থাকবে না? স্নেহা না খেয়ে বসে আছে সেই কখন থেকে। তুই বুঝবি না চৈতালী, স্নেহা বড্ড দুর্বল ও অভিমানী।" ঊর্মিলার পায়ে যেন ডানা গজিয়েছে। মাঠ পেরিয়ে, আমতলা পেরিয়ে, দুজন প্রায় দৌড়াতে দৌড়াতে বাড়িতে এসে হাজির হলো।

    ​বাড়ির আঙিনায় পা রাখতেই দেখা গেল এক অপূর্ব দৃশ্য। মা ছাগলটি আমগাছের ছায়ায় শান্ত হয়ে শুয়ে জাবর কাটছে। দয়া ও মায়া উঠোনের এক কোণে নারকেলের পাতা নিয়ে তুমুল কাড়াকাড়ি করছে। স্নেহা একটু দূরে একা একা দাঁড়িয়ে লেজ নাড়ছে। ঊর্মিলাকে দেখেই তারা চিনে ফেলল। দয়া ও মায়া নারকেল পাতা ফেলে নাচতে নাচতে ঊর্মিলার পায়ের কাছে ছুটে এলো। চৈতালী তো দেখে অবাক! "ওরে বাবা! এরা তো সত্যি সত্যিই তোর ডাক বোঝে!" ঊর্মিলা নিচু হয়ে দয়া আর মায়াকে কোলে তুলে নিল। তারা আহ্লাদে ঊর্মিলার জামার বোতাম চিবানোর চেষ্টা করতে লাগল।

    ​ঊর্মিলা স্নেহাকে খুঁজল। স্নেহা গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে এসে ঊর্মিলার পায়ে মুখ ঘষতে লাগল। ঊর্মিলা দয়া ও মায়াকে নামিয়ে স্নেহাকে কোলে তুলে নিল। চৈতালী স্নেহার নরম পিঠে হাত বুলিয়ে বলল, "সত্যি রে ঊর্মিলা, এর শরীরটা বড্ড নরম। চোখ দুটো মায়াবী! তোর নাম রাখা সার্থক হয়েছে।"
    ঊর্মিলা স্নেহার চিবুকে আদর করে বলল, " দুপুরে নিশ্চয়ই ঠিকমতো খেতে পারিসনি?" ঊর্মিলার মা ঘর থেকে বের হয়ে এলেন। দুই বন্ধুকে দেখে হেসে বললেন, "এসেছিস তোরা? ঊর্মিলা, স্নেহা কিন্তু দুপুরে মায়ার সাথে যুদ্ধ করে দুধ খেয়েছে। আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে দেখেছি।" মায়ের কথা শুনে ঊর্মিলার মনের মেঘ কেটে গেলেও সে এবং চৈতালী মিলে স্নেহাকে আবার দুধ খেতে সহায়তা করল।

    ​প্রতিদিন বিকেলে স্কুল থেকে ফিরেই ঊর্মিলা স্নেহাকে আলাদা করে দুধ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করে। কয়েকদিনের মধ্যেই স্নেহার শরীরে জোর ফিরে আসে। এখন সে দয়া-মায়ার ভয়ে লুকিয়ে থাকে না, বরং নিজেই জায়গা করে নিতে শিখেছে। দিন যেতে লাগল। দয়া, মায়া ও স্নেহা এখন আর সেই ছোট্টটি নেই। একটু বড় হয়েছে, গায়ের লোম আরও ঘন ও চকচকে হয়েছে। দয়া চটপটে, বাড়ির চারপাশের বেড়া টপকে ওপারে যাওয়ার ওস্তাদ। মায়া শান্ত, তবে খাবার দেখলে সবার আগে মুখ গলায়। স্নেহা রয়ে গেছে ঠিক আগের মতোই লাজুক তবে ঊর্মিলার প্রতি অনুগত। ঊর্মিলা যখনই পড়ার টেবিলে বসে, স্নেহা এসে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে মৃদু স্বরে ডেকে ওঠে, যেন বলতে চায়, 'তোমার পড়া শেষ হলে আমার সাথে খেলবে তো?'

    একদিন এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটল। বর্ষার দুপুর, ঝমঝম করে বৃষ্টি পড়ছে। ঊর্মিলা খাতা খুলে ছবি আঁকছিল। মা ঘুমিয়ে আছেন। বাবাও বাইরে। হঠাৎ বাড়ির পেছনের আমবাগান থেকে মা ছাগলটার করুণ ডাক শোনা গেল। সাথে সাথে দয়া ও মায়ার চিৎকার শোনা গেলেও স্নেহার কোনো আওয়াজ পাওয়া গেল না। ঊর্মিলার মন হাহাকার করে উঠল। সে খাতা-পেন্সিল ফেলে দৌড়ে পেছনের বারান্দায় গিয়ে দেখে, উঠোনের গর্তে জমা বৃষ্টির পানিতে পড়ে আছে স্নেহা। চেষ্টা করেও উঠতে পারছে না। তার মা, দয়া ও মায়া অসহায়ভাবে চারপাশে ঘুরে ঘুরে ডাকছে।

    ​ঊর্মিলা বৃষ্টির পরোয়া না করে কাদার মধ্যে নেমে পড়ল। স্নেহা কাঁপছিল আর ম্যাঁ ম্যাঁ করে কাঁদছিল। ঊর্মিলা পরম মমতায় গর্তের পানি থেকে স্নেহাকে টেনে তুলল। স্নেহা বুঝতে পারল ঊর্মিলা ওকে বাঁচাতে এসেছে। একদম নড়াচড়া করল না। স্নেহাকে কোলে তুলে বারান্দায় নিয়ে এলো ঊর্মিলা। শুকনো কাপড় দিয়ে গায়ের পানি ও কাঁদা মুছে দিল। এখনো কাঁপছে স্নেহা। ঊর্মিলা তার গায়ে হাত বুলিয়ে আদর করল। কিছুক্ষণের মধ্যেই স্নেহা সতেজ হয়ে উঠল। ঊর্মিলার চিবুক ও হাত চাটতে লাগল, যেন সহায়তা করার জন্য ঊর্মিলাকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে। এই ঘটনার পর ঊর্মিলার প্রতি স্নেহার ভালোবাসা আরও বেড়ে গেল। ও যেখানেই যায়, স্নেহা ওর পেছনে পেছনে ঘোরে। এমনকি ঊর্মিলা যখন স্কুলে যায়, স্নেহা সদর দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসে। বিকেলে ফেরার সময় দরজার কাছে বসে অপেক্ষা করে।

    ​চৈতালী প্রায়ই বিকেলে আসে ওদের সাথে খেলতে। একদিন চৈতালী বলল, "জানিস ঊর্মিলা, তোকে দেখে আমারও খুব ইচ্ছে করে বিড়াল বা কুকুরছানা পুষতে। পশুপাখি যে মানুষের ভাষা এত সুন্দর বোঝে, তোদের না দেখলে বিশ্বাস করতাম না।" ঊর্মিলা বলল, "ওরা ভাষা বোঝে না রে চৈতালী, ওরা বোঝে শুধু ভালোবাসা। তুই যদি ওদের মন থেকে ভালোবাসিস, ওরাও নিজের জীবন দিয়ে তোকে আগলে রাখবে।"

    ​কয়েক মাস পর, শরৎকালের এক সোনালী বিকেলে ঊর্মিলা, চৈতালী দয়া, মায়া ও স্নেহাকে নিয়ে নদীর ধারের কাশবনে বেড়াতে গেল। দয়া ও মায়া কাশবনের ভেতরে গিয়ে লুকোচুরি খেলছে। স্নেহা শান্ত হয়ে ঊর্মিলার পাশে বসে নদীর ঢেউ দেখছে। মা ছাগলটি কিছুটা দূরে ঘাস খাচ্ছে। সূর্য যখন লাল হয়ে নদীর ওপারে ডুবুডুবু, তখন ঊর্মিলা ডাক দিল, "দয়া, মায়া, স্নেহা এবার চল বাড়ি ফিরতে হবে!" ডাক শুনে কাশবনের ভেতর থেকে দয়া ও মায়া লাফিয়ে বের হয়ে এলো। স্নেহা ঊর্মিলার কাছে দাঁড়িয়ে লেজ নাড়ছে। তাদের আগলে নিয়ে ঊর্মিলা ও চৈতালী বাড়ির পথ ধরল। তাদের চলার পথে গোধূলির আলোয় মনে হচ্ছিল, শুধু তিনটে ছাগলছানা নয়, ঊর্মিলার হাত ধরে হেঁটে চলেছে পৃথিবীর তিন রূপ দয়া, মায়া ও স্নেহ। মানুষের হৃদয়ের এই তিন গুণ যেন জীবন্ত হয়ে ঊর্মিলা ও চৈতালীর চলার পথকে আলো করে রেখেছে।

    ​এক বিকেলে চৈতালী আসে ঊর্মিলাদের বাড়িতে। তার হাতে একটা ছোট্ট লাল ফিতা। "এই নে, স্নেহার গলায় বেঁধে দিস। তাহলে দূর থেকেও চেনা যাবে ওকে।"
    ঊর্মিলা খুশি হয়ে ফিতাটা নেয়। "বাহ, দারুণ বুদ্ধি তো! কিন্তু দয়া আর মায়ার জন্যও তো কিছু লাগবে। ওরা রাগ করবে না?"
    "তাই তো!" চৈতালী কপালে হাত দিয়ে বলে। "আচ্ছা দাঁড়া, আমার কাছে আরো ফিতা আছে। কাল নিয়ে আসব। দয়ার জন্য নীল, মায়ার জন্য হলুদ।"

    পরদিন সত্যিই তিন রঙের ফিতা নিয়ে হাজির হয় চৈতালী। ঊর্মিলা একে একে তিনটি ছানার গলায় ফিতা বেঁধে দেয়। লাল ফিতায় স্নেহা, নীল ফিতায় দয়া, হলুদ ফিতায় মায়া। ছাগলছানা যখন ছুটোছুটি করে তখন তিন রঙের ফিতা উড়তে দেখে ঊর্মিলার মন ভরে ওঠে।

    দিন যায়, ছানারা বড় হতে থাকে। একদিন সন্ধ্যায় বাবা মাঠ থেকে ফিরে বলেন, "ঊর্মিলা মা, ছাগলছানাদের নিয়ে তো তুই একেবারে ডুবে আছিস। পড়াশোনার খবর কী?"
    ঊর্মিলা একটু লজ্জা পেয়ে বলে, "করছি তো বাবা।" বাবা হেসে মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। "ঠিক আছে, ঠিক আছে। পশুপাখীর প্রতি ভালোবাসা থাকা ভালো। তবে পড়াশোনায় মন দিস।" মাথা নেড়ে সায় দেয় ঊর্মিলা। সেই রাতে ঊর্মিলা জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখে জ্যোৎস্নার আলোয় ছাগলের ঘরের চালাটা চিকচিক করছে। সে মনে মনে ভাবে, সকালে উঠেই দয়া-মায়া-স্নেহাকে দেখতে যাবে। ভাবতে ভাবতে সে ঘুমিয়ে যায়। ঘুমের ঘোরে সে দেখে তিন রঙের ফিতা উড়ছে তার চোখের সামনে।
    ​
    সময় থেমে থাকে না। সময়ের স্রোতে হারিয়ে যায় শৈশবের সেই প্রিয় ছাগলছানারা। দূরে চলে যায় চৈতালী ও ঊর্মিলা। সময় ফিরে না এলেও কখনো কখনো ফিরে আসে স্মৃতি। সেই স্মৃতি যেন মধুর সময়কে ক্ষণিকের জন্য ফিরিয়ে আনে। অনেক বছর পর ঊর্মিলা ও চৈতালী তাদের সন্তানসহ গ্রামে ফিরে আসে। তাদের দেখা হলে, ঊর্মিলা বলে, "আমার মেয়ে স্নেহা।" চৈতালী স্নেহাকে আদর করতে করতে বলে, "এই হলো দয়া ও মায়া, আমার দুই মেয়ে।" পরম মায়ায় দুই বান্ধবী লক্ষ্য করল, তাদের সন্তানদের চুলে শোভা পাচ্ছে সেই লাল, নীল ও হলুদ ফিতা। শৈশবের নিষ্পাপ ভালোবাসা যেন আজ নতুন রূপ নিয়ে ফিরে এসেছে। ঊর্মিলা ও চৈতালী পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে প্রাণখুলে হাসতে থাকে। সেই হাসির গভীরতা তাদের ছাড়া আর কেউ বুঝতে পারে না।
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন।