না না। আমি যে কেসটা বললাম ওটা একেবারে একটি গোডাউন লাগোয়া মফস্বলের থার্ডক্লাস মেটারনিটি হোম। ডাক্তার নির্দিষ্ট সময়ের পর আসেন না, নার্স টার্সের বালাই নেই। পারো তো পয়সা দিয়ে আয়া রাখো। সে আরেক যন্ত্রণার জিনিস।
@Dhuttor আমি সহমত। যেটা হচ্ছে মাও নিজেও লংমার্চের সময়ে সো-কল্ড এই নীতিগুলো গ্রহণ করেননি। আবার লাল চীন হবার পর চৌ এন লাই বলে দিন, দুটির বেশী সন্তান নিলে ইনক্রিমেন্ট প্রোমোশন সব বন্ধ করে দেবো। বাঁদরামো কমাও।
আমাদের দেশে নারীদের আশীর্বাদ করা হতো, "শতপুত্রের জননী হও।" তারপর হঠাৎ রাষ্ট্রের মনে পড়েছে, তাইতো! শতপুত্রকে খেতে দেবো কী !! শিগ্গির লোকসংখ্যা কমা বাপ। বল্, হাম দো, হামারে দো।
মালয়েশিয়াও করেছিলো এই জিনিস। ব্রিটেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জয়লাভের পর বললো মেয়েদের আর অতো বেশী কর্মক্ষেত্রে আসার দরকার নেই এবার যে জনসংখ্যা ক্ষয় হয়েছে তার পূরণে মন দেওয়া হোক। ফ্যাসিস্ত জার্মানি গলা তুলে চেঁচিয়েছিলো, "go to the kitchen and be a good mother." সেই তেনারাই আবার যুদ্ধবিধ্বস্ত কলকারখানা ও কর্মক্ষেত্র গড়ে তুলে মেয়েদের আহ্বান করেন। তো এই হচ্ছে ব্যাপার, যেহেতু প্রকৃতি এই ক্ষমতা একমাত্র নারীকেই দিয়েছে তাই রাষ্ট্র সমাজ কর্পোরেট এটিকে ইচ্ছামতো ইউজ করে।
সম্প্রতি এক বিদেশে গবেষণারত ও উচ্চশিক্ষিত নারীর ফেবু পোষ্টে পড়লাম সন্তানের অগ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে এগুলি :
1. নিজের শরীরের ক্ষতি
2. মেয়ে হলে তাকে সারাজীবন মলেষ্টেশন, হ্যারাসের হাত থেকে বাঁচাও, ছেলে হলে নেশা, কুসঙ্গ, গুন্ডা ও পলিটিশিয়ান হওয়ার হাত থেকে আটকাও।
3. দুটো বা একটা বেয়াদবের পেছনে টাকা ঢালো। অথচ পরে কী হবে জানা নেই।
4. বড়ো হলে তারা বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাবে সহ্য করো।
5. কান্নাকাটি, ম্যানারলেস বাঁদরামো সামলাও।
যুক্তিগুলো কিন্তু ভেবে দেখার যোগ্য।
ইন্টার্ণশিপের কাজে ব্যস্ত আছি। রাতে আরো লিখবো সময় পেলে।