এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • albert | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১৫:৩৭557388
  • ডট আপনি স্পাইনাল কর্ড তার কথা বলেননা। তাই কোনো ডাক্তার বলছে ১০ টার পরে আমি আর আসবো না ইটা কোন ধরণের বাঁদরামি।
  • albert | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১৫:৩৩557387
  • বাছা নেয়
    বাচ্চা না নেয়
  • . | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১৫:৩২557386
  • মানালি,

    কাজের চাপের মধ্যেও কয়েকটা মন্তব্য করা দরকারি মনে করছি।
    ১। লেবার পেইন হওয়াটা দরকার। সেজারিয়ান সেকশন শুধুমাত্র বিশেষ ক্ষেত্রে, যেমন শিশু গর্ভের মধ্যে উল্টে গেছে, বা আম্বেলিকাল কর্ড গলায় পেঁচিয়ে গেছে, তেমন ক্ষেত্রে। অন্যথায় একদম সেজারিয়ান সেকশন কাম্য নয়। শুধু যে পেট কাটা হচ্ছে তা তো নয়, জরায়ুকেও কাটা হয়। সাধারন প্রসবে কিচ্ছুই কাটা হয় না, কেবল আম্বেলিকাল কর্ডটুকু কাটা হয়। প্রসবের পরে মা নিজে হাঁটতেও পারে। আমি নিজে এর প্রমাণ।
    ডাক্তারেরা খাটতে চায় না বলে সেজারিয়ান সেকশন করতে চায়। এটা সম্পূর্ণ আনএথিকাল।

    ২। ক্ষমতায়ন যদি নারীর সত্যিই হয়, তাহলে সে নিজে সন্তানের জন্ম দেবার ও না দেবার দুটো ক্ষেত্রেই নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। সেটা ভারতীয় সমাজে বিরল।
    দ্বিতীয়তঃ সে যদি স্বেচ্ছায় মাতৃত্ব চায়, সে তার বিবাহের সঙ্গে এটা জুড়বে কি জুড়বে না, সেই সিদ্ধান্তও তার।
    তৃতীয়তঃ সমাজ যদি একজন মেয়ের সন্তান থাকাটাকে তার চাকরির বা অন্য ক্ষেত্রে উন্নতির অন্তরায় মন করে, তাহলে সমাজে সমস্যা আছে। ক্ষমতায়নেও সমস্যা আছে।

    চাইলে পরে ডিটেইলে বলব খন
  • albert | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১৫:১২557385
  • গীতা
    যদি
  • albert banerjee | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১৫:১১557384
  • রাষ্ট্র তার প্রজ্ঞা বৃদ্ধির জন্য চেষ্টা করবে। আবার একটা লিমিট পার হলে কমানোর চেষ্টা করবে। আমরা বেশির ভাগ লোক বাচ্চা নি যাতে গোষ্ঠীর প্রব্লেম না হয়। কিন্তু দেখার আছে ব্যক্তিগত লাভ বা ক্ষতি? এবং প্রত্যেক গোষ্ঠী যে ভাবে চলছে বা যা ভাবনা ভাবছে বা মাস মিডিয়া দিয়ে যা ভাবানোর চেষ্টা করছে, সেখানে আমি অন্ততঃ ভাবছি এই গুলো না বাড়াই ভালো। তাই গীতা ২৫ বছর যদি কেউ বাছা নেয় তা হলে প্রত্যেক গোষ্ঠী বুঝতে পারেবে যে মানুষের প্রাণ টা যুদ্ধে নষ্ট করার জন্য নয়।
  • Dhuttor | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১৪:৪৫557383
  • @এলবার্ট,
     
    চীনা রাষ্ট্র কিন্তু ডেমোগ্রাফিক্সের উপরে খুবই সিরিয়াস | জন্মহার বাড়াতে অনেক কিছুই করবার কথা ভাবা হচ্ছে একে একে | বাজে ইনভেস্টমেন্ট করতেও পিছপা নয় চিন
  • albert banerjee | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১৪:৩২557382
  • আর বাচ্চা নেওয়াটা আমার মতে একটা বাজে ইনভেস্টমেন্ট।
  • Dhuttor | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১৪:৩০557381
  • @মানালী,
     
    চীনের জন্মহার কমার জন্যে কি তাহলে কর্মরতা নারী এবং Women empowerment এই দুটোকেই দায়ী করা যায় ? সচেতন নারীরা অনেকেই সন্তান গ্রহণ করেননা এই ব্যাপারটা কেন ? এরা কি চীনের ডেমোগ্রাফিক্স কমে যাবার ব্যাপারটা নিয়ে চিন্তিত নন ? নাকি চীন যেমন ওয়েস্টার্ন মার্ক্সিজম কে নিজের মতো করে গড়েপিটে "সোশালিজম উইথ চাইনিজ characteristics" বানিয়েছে তেমনি চীনকে ওয়েস্টার্ন ফেমিনিজম কেও নিজের মতো করে কি গড়েপিটে নিতে হবে যেখান থেকে এন্টি নাটালিজম আর ওয়েস্টার্ন স্টাইল consumerism ব্যাপারটা বাদ দেওয়া যাবে ?
     
    দেখুন মাও থেকে শুরু করে তং শিয়াও ফিং পর্যন্ত সবাই মেয়েদের লেখাপড়া শিখিয়ে চাকরি করতে পাঠিয়েছেন যাতে চীনা রাষ্ট্রের আর্থিক উন্নয়ন হতে পারে তবে তাদের প্রগতির আদর্শ কিন্তু একটা রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনয়ীতার উপরে দাঁড়িয়ে ছিলো | আমি দেখতে পাচ্ছি যে গত কয়েক বছরে শি চিনফিং সেসব মেয়েদের চাকরিতে প্রমোশন দেবার ব্যবস্থা করেছেন যেসব চাকুরিরতা মেয়েরা চাকরি করতে করতেই সন্তান নিচ্ছেন, একাধিক সন্তানের জন্মদাত্রীর জন্যে বিশেষ আর্থিক পুরস্কার থাকছে রাষ্ট্রের তরফ থেকে, মেয়েরা ডিভোর্স নিলে তাদের স্বামীর সম্পত্তির ভাগ পাওয়া কঠিন করা হচ্ছে, পশ্চিমী ফেমিনিজমকে চীন একটু একটু করে বিপজ্জনক আদর্শ বলতে চলেছে | দেখা যাক শেষে কি হয় কেননা চীনা রাষ্ট্র কিন্তু জন্মহার বাড়ানোর ব্যাপারে ভীষণই সতর্ক এবং নিজের টার্গেট মিট করবার ব্যাপারে কর্পোরেটদের থেকেও রুথলেস হতে পারে এই রাষ্ট্র সেটা আমরা আগে অনেক বার দেখেছি | AI আর রোবোটিক্সের পরে মেয়েদের আর ফ্যাক্টরি লেবার হিসাবে কাজ করানোর প্রয়োজনীয়তা নেই কাজেই হয়তো ভবিষ্যতে আমরা চীনে মেয়েদের ফ্যাক্টরি থেকে বাড়িতে ফেরত পাঠানোর ব্যাপার দেখতে পারবো রাষ্ট্রের জন্মহারের টার্গেট মিট করবার জন্যে | আপনি এটা নিয়ে কি বলেন ?
  • albert banerjee | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১৪:২৯557380
  • "ডাক্তার বলছেন, আমি রাত দশটার পর আর আসবো না এখানে" একথা কিভাবে বলতে পারেন?
  • Manali Moulik | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১৪:০১557379
  • ডট দি,
    উচ্চশিক্ষিতা ও যথেষ্ট উপার্জনে সক্ষম নারীরা অনেক অনাথ ও দরিদ্র শিশুকে অ‍্যাডপ্ট করতে পারেন। কিন্তু নিজগর্ভে সন্তানধারণ করা, অনিচ্ছাকৃতভাবে গর্ভবতী হওয়ার বিরোধিতা করতে পারার জোরটা তো অর্থনৈতিক ক্ষমতা থেকেই আসে। সুবর্ণলতায় পড়েছেন না, "যে মেয়েমানুষ আঁতুড়ঘরে ঢুকতে ভয় পায়, সে তো অসতী।" এখন মেডিকেল সায়েন্স উন্নত হয়ে মেয়েদের অনেকটা মুক্তি দিয়েছে। তবু যদি সে নিজের জীবনে সন্তানগ্রহণ করবে কি করবে না সে সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারে, তা অবশ‍্যই নারী ক্ষমতায়ন। আর উপন‍্যাস-গল্পে কেন যাবো, আমাদের এক পরিচিতার সন্তান জন্মদানের বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা বলছি। শুনলে শিউরে উঠবেন। প্রথম সন্তান, ভর্তি করানো হয়েছে এক থার্ডক্লাস মেটারনিটি হোমে (এমন কিছু দরিদ্র নয়, মোটামুটি মধ‍্যবিত্ত তারা) সেখানে Pain শুরু হবার পর তাঁরা কিছুতেই সিজার করাতে রাজী নন। এটা নাকি টাকা নেৎয়ার চেষ্টা। ডাক্তার বলছেন, আমি রাত দশটার পর আর আসবো না এখানে। যা করবেন ডিসাইড করুন। মহিলার অবস্থা তখন ভয়াবহ। হবু পিতা বলছেন, "ওতে ভয়ের কিছু নেই, আজকালকাল মেয়েদের সহ‍্যশক্তি বড়ো কম। সহ‍্য করো। কোনো সমস‍্যা হবে না। আমাদের মা-জেঠিমারা তো..."
    মেয়েমানুষের ধৈর্য‍্য না থাকলে চলে না।
    লাষ্টে তার দাদা, মানে মহিলাটির ভাশুর ভাইকে ডেকে বললেন, "সপাটে এক চড় না খেতে চাইলে ডাক্তার যা বলছেন তাই কর্! খরচের কথা আমি ভাববো। মেয়েটাকে বাঁচতে দে বাপ!"
    সেযাত্রা মা ও শিশু সুস্থ রইলো।
    সুতরাং অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সোচ্চার কন্ঠের যে কতোখানি প্রয়োজন, তা মর্মে মর্মে বোঝা যায়।
  • . | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১৩:৪৮557378
  • "অত‍্যন্ত কর্মরতা নারী এবং Women empowerment. সচেতন নারীরা অনেকেই সন্তান গ্রহণ করেননা।"

    মানালি,

    এটা পরষ্পর বিরোধী লাগছে না?
    কর্মরতা নারী সন্তান গ্রহণ করতে না চাইবার কারণ কী করে নারীর ক্ষমতায়ন হতে পারে?
  • Manali Moulik | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১৩:২৬557377
  • চীনের জন্মহার কমার কারণ হিসাবে আমার মনে হয় জ্ঞানচর্চা, অত‍্যন্ত কর্মরতা নারী এবং Women empowerment. সচেতন নারীরা অনেকেই সন্তান গ্রহণ করেননা। রিসেন্টলি Vamshi Vakulavaranam এর একটি অপূর্ব বই প্রকাশ পেয়েছে, "Class and inequality in China and India : 1950 - 2010 " একদম মাওয়ের সময়ের জননীতি থেকে ১৯৭৮ এ সিয়াওপিং এর অর্থনৈতিক পদ্ধতি সবটাই থমাস পিকেটীর মডেল ধরে ধরে বিশ্লেষণ করেছেন লেখক। সঙ্গে আমাদের নেহেরুজীর ফেবিয়ান সোশ‍্যালিষ্ট মডেল বা এতে সোভিয়েতের প্রভাব এগুলোও খুব রিলেভেন্ট।
  • Dhuttor | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১২:৫৩557376
  • @ তরমুজ, কিন্তু আপনি যখন বলছেন যে প্রাণীজ প্রোটিনের অভাবে মানুষের যৌন সক্রিয়তা কমে যাচ্ছে, ঘটনা হচ্ছে যে চীনে প্রাণীজ প্রোটিনের চাহিদা অনেকটাই বেড়েছে যেমন ১৯৬২ সালে মাথা পিছু প্রাণীজ প্রোটিনের আমিষ খাওয়া চিনে ছিল মাত্র ৪ কেজি এখন সেটা মাথাপিছু ৭০ কেজির মত | সোর্স (https://ourworldindata.org/data-insights/over-the-last-six-decades-china-has-rapidly-increased-and-diversified-its-meat-consumption) কিন্তু একই সঙ্গে চীনে জন্মহারও অনেক কমেছে, এরকম হবার কারণ কি তাহলে ?
     
    তবে গোবলয়ে জন্মহার বা যৌন চাহিদা কমে যাওয়াটা ভারত তথা সমগ্র বিশ্বের পক্ষেই ভালো বলাই যায় কারণ এর ফলে হয়তো সারা পৃথিবীতেই রেপ কমবে | কি বলেন ?
  • তরমুজ | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১২:০৪557375
  • জন্মহারকে শুধু আমিষ বা নিরামিষ খাদ্য দিয়ে ব্যখ্যা করাটা ভুল হবে। শিক্ষা, সময়, মানসিকতা জন্মহারের গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রক। কিন্তু এ কথা অস্বীকার করা যায় না যে প্রাণীজ প্রোটিনের অভাবে মানুষের যৌন সক্রিয়তা কমে যাচ্ছে। যা পরবর্তীকালে যৌন অক্ষমতায় পর্যবসিত হচ্ছে। এবং আর্টিফিসিয়াল প্রোটিনের বাজারকে বিস্তৃত করছে। গোবলয়ের নিরামিষ ভোজিদের মধ্যে এই বৈকল্পিক প্রোটিনের বাজার ও আই ভি এফের বাজার ইতিমধ্যেই যথেষ্ট পরিমানে বৃদ্ধি পয়েছে।.... শুধু যৌন সক্রিয়তাই নয়। নিরামিষ ভোজন ওয়ার্ক লাইফ ব্যালেন্স এরও একটা গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রক। যা বেসরকারি পুঁজিপতিদের শোষনের অস্ত্র।
  • b | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১১:২৬557374
  • খুলিগুহাকে :
    সর্ষেবাটা ইত্যাদি নামে একই বিষয়ের প্রচুর টই আছে। ওগুলি একসাথে করা যায় ?
  • Bratin Das | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১১:১৬557373
  • ব্রাজিল বিহীন বিশ্বকাপ বহু কাল পরে
  • Dhuttor | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১০:৫৫557371
  • "জাপানে জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে কারণ ওদেশে অনেকে ভেজ। প্রথম বিশ্বের অনেক দেশেই তাই। ভারতে ভেজ চলে না বলে বৃদ্ধির হার বেটার।"
     
    এটা পুরোপুরি ঠিক নয় | চীনেও আর্থিক সংস্কারের পরে মানুষের আমিষ খাবার প্রবণতা অনেক বেড়েছে কিন্তু সেখানেও জন্মহার অনেক কমেছে |
     
    ভারতেও জন্মহার কমছে খুব তাড়াতাড়ি শুধুমাত্র কাউ বেল্ট ছাড়া | তবে শিক্ষা দীক্ষা ওভারঅল কনসাম্পশন ভারতে সেরম বাড়ছে কি ! মনে তো হয়না ! একজন কাউবেল্টের লোক শিক্ষাদীক্ষাতে চিরকালই একজন সাধারণ চিনার অনেক পিছনে থাকবে | কাজেই এই কাউবেল্টের এই useless ডেমোগ্রাফিক্স দিয়ে কার কি লাভ ?
  • Dhuttor | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১০:৫০557370
  • "নর্থের আমিষাশীদের তুলনায় সাউথ ইন্ডিয়ার ভেজুদের যথেষ্ট বাচ্চা হয়নি বলে ওরা ডিলিমিটেশন আটকাতে চাইছে।"
     
    নর্থের আমিষাশী ?? ওখানে তো মাটন খেলেও পিটিয়ে মেরে ফেলা হয় "বিফ জিহাদ না লাভ জিহাদ কিসের জন্যে যেন ! কাউ বেল্ট তো পুরোপুরি মিল্ক বেস্ড প্রোটিনের উপরে নির্ভরশীল মাছ মাংসের গন্ধেই তো ওরা লাফিয়ে দশ হাত দূরে পালায় | সাউথ ইন্ডিয়ার ভেজু ??? বিফ নিয়ে আর মাছ নিয়ে অন্ততঃ দশ খানা পদ শুধু চেন্নাই আর কেরালাতেই পাওয়া যাবে | তামিল নাড়ু আর কেরলে ত অন্তত এখনো আমরা বিফ জিহাদ ল্যান্ড জিহাদ লাভ জিহাদ এসব দিয়ে মানুষ পিটিয়ে মারতে শুনিনি | দক্ষিণের মানুষ কাউ বেল্টের থেকে অনেক বেশি আমিষ খায় যেহেতু তারা অনেক বেশী শিক্ষিত এবং ডিস্সিপ্লিন্ড জীবনযাপন করে | 
     
    আর ডিলিমিটেশন আটকানো খারাপ কেন হবে ? তামিল নাড়ু আর কেরালার একজন সুশিক্ষিত ডক্টরেট মহিলার সঙ্গে শিক্ষা দীক্ষায় তার নখের যুগ্গি না হয়েও একটা কাউ বেল্টের বউ পেটানো গোবরখোর এর সমান ভোটাধিকার থাকবেই বা কেন !!! 
  • :|: | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১০:১৯557369
  • ভারতবর্ষে আরও জনসংখ্যা বাড়লে জনতাকে ভার্টিক্যালি ঘুমাতে হবে। হরাইজন্টাল ঘুমানো একমাত্র আদানি আর তেনার উনিজি ছাড়া সকলের পক্ষেই আনম্যানেজেবল বিলাসিতা হয়ে যাবে।
  • একক | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১০:১৫557368
  • নতুন প্রজন্মের মধ্যে সস্তার নেশা করার প্রবণতা খুব বাড়চে।
  • :( | ০৭ জুলাই ২০২৬ ০৯:৩৪557367
  • নর্থের আমিষাশীদের তুলনায় সাউথ ইন্ডিয়ার ভেজুদের যথেষ্ট বাচ্চা হয়নি বলে ওরা ডিলিমিটেশন আটকাতে চাইছে।
  • hmm | ০৭ জুলাই ২০২৬ ০৮:৩৫557366
  • জাপানে জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে কারণ ওদেশে অনেকে ভেজ। প্রথম বিশ্বের অনেক দেশেই তাই। ভারতে ভেজ চলে না বলে বৃদ্ধির হার বেটার।
  • wow | ০৭ জুলাই ২০২৬ ০৮:৩২557365
  • এ জন্যই কি নিরামিষাশীদের ছেলেপুলে কম হয়?
  • তরমুজ | ০৭ জুলাই ২০২৬ ০২:২১557364
  • //ভেজ খাওয়ার সাথে যৌন অক্ষমতার সম্পর্ক অবশ্যই আছে। //
     
    সরাসরি যৌন অক্ষমতা বলা ভুল হবে। বিষয়টি হল যৌন সক্রিয়তা কমে যাওয়া। যা পরবর্তী কালে যৌন অক্ষমতার পথে নিয়ে যায়।
  • তরমুজ | ০৭ জুলাই ২০২৬ ০২:০৪557363
  • শুধু আর্থ-সামাজিক নয়। যেকোনো ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অসাম্য রেপের কারন। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক, বন্ধুত্ব এগুলো কমে গেলে। অর্থাৎ সেই সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে সমাজিক অসাম্য বৃদ্ধি পেলে, রেপ সমস্যা বেড়ে যায়। রেপ সমস্যা সমাধানের জন্য ভিন্ন সংস্কৃতি, সমাজ ও আর্থ-সামাজিক সম্প্রদায়ের মধ্যে মেলবন্ধন জরুরি।
  • তরমুজ | ০৭ জুলাই ২০২৬ ০১:৫০557362
  • আর যৌন লালসা মেটানোর জন্য কেউ কোনোদিন রেপ করে না। রেপের দুটো বড় কারন হল সামাজিক প্রতিহিংসা বা শক্তি/ক্ষমতা প্রদর্শন, এবং বাড়তে থাকা আর্থ-সামাজিক অসাম্য।
  • তরমুজ | ০৭ জুলাই ২০২৬ ০১:৪০557361
  • যৌন অক্ষমতা বিকৃত যৌনতার একমাত্র কারন নয়। কিন্তু অবশ্যই একটি কারন। এবং ভেজ খাওয়ার সাথে যৌন অক্ষমতার সম্পর্ক অবশ্যই আছে। শুধু ভারত নয় বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ভেজ প্রোপাগান্ডা চালানো হয়। তার একটি কারন হল আর্টিফিশিয়াল প্রোটিন ও বিভিন্ন ওষুধ বিক্রি করা। এবং সমাজকে যৌনতায় অক্ষম করে জনসংখ্যার হার কমিয়ে আনা। বিশ্বজোড়া যৌন বাজারের একটা অংশ হল অনৈতিক বিকৃত যৌনতার বাজার। সেই বাজারের একটা বড় অংশের ক্রেতা হল যৌনতায় অক্ষম ব্যক্তিরা। তবে এর অর্থ এই নয় যে প্রত্যেক যৌনতায় অক্ষম ব্যক্তিই বিকৃত কামের শিকার বা প্রত্যেক বিকৃত কামই যৌনতায় অক্ষম। অন্যান্য ফ্যাক্টরগুলোও আছে। ...... কিছু দিন(এক দু সম্পাহ) ধরে দেখছি রনবীর সিং অভিনীত ভেজ প্রোটিন ট্যাবলেটের ব্যাপক অ্যাড চলছে।
  • Jayanta Chatterjee | ০৬ জুলাই ২০২৬ ২৩:৫৬557360
  • এটা দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগছে যে আরজিকর এর সময় যারা সারা দিন সরকারের কাছে জাস্টিস চাইছিল (সঠিক ভাবে) তারা এখন সমাজ-সংস্কৃতি-মনস্তত্ত্ব এই সব নিয়ে গম্ভীর গম্ভীর আলোচনা করছে। কি ভালো হয়ে গেছে সবাই!!!
  • Manali Moulik | ০৬ জুলাই ২০২৬ ২৩:৪৭557359
  • আজকাল
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত