এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan Roy | ২৪ মে ২০২৬ ১৯:৪৯554770
  • আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে!
  • হীরের মুকুট গুরুচন্ডালির! | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ২৪ মে ২০২৬ ১৬:১০554769
  • ফলতায় প্রতিযোগিতা ছিল, চার জনের। সোনা, রুপো, ব্রোঞ্জের ঠিক পরেই চতুর্থ স্থান পেয়ে হীরের মুকুট প্রাপ্তির জন্য অভিনন্দন।
  • kk | 2607:*:*:*:*:*:*:* | ২৪ মে ২০২৬ ০৮:৫৯554768
  • 'স্ট্রেঞ্জ পিকচার্স' বইটা আমার তোফা লাগলো। খুনের কিনারা করা, সাইকোলজি আর ছবির অ্যানালিসিস করা, এই তিনটে জিনিষই আমার খুব আগ্রহের বিষয়। কাজেই দিব্যি উপভোগ করলাম। থ্যাংকু দ'দি, সাজেস্ট করার জন্য।
  • যাহহ | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ২৪ মে ২০২৬ ০৬:৩৬554767
  • কেন, মূলত সিটুর প্রতিবাদে এতগুলো রেলস্টেশন থেকে হকার উচ্ছেদ আটকাল, এত মিটিং মিছিল হল, দেখেননি? অবশ্য দেখার উপায়ও বিশেষ নেই, গোদী মিডিয়া তো এসব ব্ল্যাক আউট করে দিয়েছে। পব র সর্বত্র হকার বা ছোট দোকান উচ্ছেদ হচ্ছে, সে খবরও দেখায় না। কিন্তু ছোটখাটো মিডিয়া, লোকের পার্সোনাল পেজে, প্রোফাইলে এসব ছেয়ে গেছে।
     
    গো-সত্যাগ্রহের খবরও আশা করি জানেন।
     
    পব খুবই উত্তাল, দেশও প্রচণ্ড, নিট, সিজেপি এসব ইস্যু নিয়ে, নৈমিত্তিক প্রতিবাদ, তার উপর শাসকের আক্রমণ নেমে আসছে।
    শুধু ওই গোদী মিডিয়ায় সব সুনার দিন, অচ্ছে দিন, শান্তিকল্যাণ।
  • হায় কি হল হায় কি হল | 2a0b:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ মে ২০২৬ ২২:৫২554766
  • কোথায় সেই এক পয়সা ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে ট্রামে আগুন দেওয়া, সেসব বিপ্লবের দিন আর নাই।
    ব্রাহ্মণের সে তেজ নেই
    শিং নেই আর লেজ নেই।
    ক্যাপিটালিজমের পাল্লায় পড়ে দেশ গোল্লায় গেল।
  • :{ | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ মে ২০২৬ ২২:০৭554765
  • উত্তর কোরিয়া। রাশিয়া। ভেনেজুয়েলা। আরও চাই?
  • +=- | 35.*.*.* | ২৩ মে ২০২৬ ২১:৫৬554764
  • কোন কোন দেশে তেলের দাম বাড়ে নি ইরান যুদ্ধ শুরুর পরে ?
  • কেউ না | 117.*.*.* | ২৩ মে ২০২৬ ২১:৫২554763
  • @ডিসি,
    তেল এর দাম ধাপে ধাপে আরো বাড়বে মনে হয়। কিন্তু দেশের মানুষ 500 টাকা লিটার না হওয়া পর্যন্ত সব চাঙ্গা সি।
  • :|: | 2607:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ মে ২০২৬ ১৯:৪৯554762
  • কেউই আর কোনও ব্যাপারেই কিছু বলে না। মনে হয় সবাই ক্লান্ত হয়ে গেছে। হাল ছেড়ে দিয়েছে। পাথরটা পাহাড়ের উপর থেকে ঠেলে দেবার পর আর কিছু করারও থাকে না। ধ্বংস তার নিজের নিয়মেই হয়।
  • dc | 106.*.*.* | ২৩ মে ২০২৬ ১৯:৩৬554761
  • ওদিকে তেলের দাম তৃতীয় বার বাড়লো। সেনিয়ে কোন হইচই দেখলাম না।
  • albert banerjee | ২৩ মে ২০২৬ ১৮:৪৩554758
  • X | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ মে ২০২৬ ১৭:৫৭yes​পড়া উচিত
  • albert banerjee | ২৩ মে ২০২৬ ১৫:৫২554755
  •  
    সত্যর সত্য সমস্যা হলো এর একটি মেয়াদ আছে। সত্যকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আড়াল করা যায়, কিন্তু চিরকালের জন্য নয়। শেষ পর্যন্ত সত্যেরই জয় হয়। মনে হচ্ছে, আমরা সেই চূড়ান্ত মুহূর্তে এসে পৌঁছেছি। এর সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকেই, যখন তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে ভারতীয় নাগরিকদের 'মিতব্যয়ী হওয়ার' প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন – যা এক ধরনের 'কৃচ্ছ্রসাধন প্যাকেজ'!
    কিন্তু সবচেয়ে বিধ্বংসী বিক্ষোভটি মঞ্চস্থ হয়েছিল সুদূর স্ক্যান্ডিনেভিয়ায়। প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের প্রথম দিকে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় গণতন্ত্রের অত্যন্ত উদ্বেগজনক বৈশিষ্ট্য, এর ক্রমাগত অবনতিশীল সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার পরিস্থিতির দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। কিন্তু চূড়ান্ত আঘাতটি ছিল মারাত্মক, যখন নরওয়ের সাংবাদিকরা সংবাদমাধ্যমকে আমন্ত্রণ জানানোর পরেও একটি সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন না নেওয়ায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি প্রশ্ন করেন।
    এটি শুধু প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বাসযোগ্যতা ও তাঁর শাসনের ওপরই একটি মারাত্মক আঘাত হানেনি, বরং প্রশ্নটি সেই আরামদায়ক উত্তর-সত্য জগৎকেও তাড়া করে ফিরবে, যা সমাজ ও গণতন্ত্রকে প্রাণবন্ত করে তোলে এমন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোকে এড়ানোর জন্য কর্পোরেট-চালিত গণমাধ্যমের ধাপ্পাবাজির সম্পূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের মাধ্যমে নির্মিত হয়েছে। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাগাড়ম্বরপূর্ণ বক্তব্য কিছু নির্দিষ্ট প্রশ্নকে ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। ঘটনাটি সুদূর অসলোতে ঘটায়, তাদেরকে 'বিশ্বাসঘাতক' বা 'দেশদ্রোহী'-র মতো পরিচিত তকমা দেওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
    মার্কিন-ইসরায়েল সামরিক আগ্রাসন এবং তার জবাবে ইরানের পাল্টা আক্রমণের ফলে হরমুজ প্রণালীতে জ্বালানি সরবরাহ পথ দৃশ্যত রুদ্ধ হয়ে গেছে। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে, মোদীর তার তথাকথিত বন্ধু ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘন ঘন আলিঙ্গন, সামরিক আগ্রাসনের প্রাক্কালে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং মার্কিন-ইসরায়েল জোটের সঙ্গে অবিরাম সঙ্গ দেওয়া সত্ত্বেও, এই সামরিক সংঘাতের গতিপথ পরিবর্তন করার মতো কূটনৈতিক ক্ষমতা ভারতের নেই। বরং, জোট নিরপেক্ষ বিশ্বের নেতা হিসেবে ভারতের আগের সদিচ্ছা উবে গেছে, কারণ ভারত এখন তেল আবিব এবং ওয়াশিংটনের পক্ষ নিয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে, পাকিস্তানও কূটনৈতিকভাবে এই অচলাবস্থা নিরসনের জন্য অন্যতম আলোচক হিসেবে নিজেদের জায়গা করে নিতে পেরেছে।
    আমাদের, অর্থাৎ ভারতের কোটি কোটি মানুষের জন্য পরিস্থিতিটি বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে কারণ এই অনস্বীকার্য সংকটের প্রভাবকে অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টা ধোপে টিকছে না। মোদী আসন্ন সংকটের জন্য কোভিড এবং যুদ্ধকে দায়ী করেছিলেন। বিরোধী দল তো দূরের কথা, বিচক্ষণ বিশ্লেষকেরাও এই যুক্তিগুলোকে ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছেন। বস্তুত, ভারতের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট মোদী-নেতৃত্বাধীন সরকারের নীতিগুলোকেই আয়নার মতো দেখাচ্ছে। আগ্রাসী নব্য-উদারনৈতিক আক্রমণ শ্রমজীবী ​​মানুষের একটি বিশাল অংশের আয় ও সঞ্চয় কমিয়ে দিয়েছে। কর্পোরেট স্বার্থের প্রতি নির্লজ্জ আনুগত্য অভূতপূর্ব মাত্রার স্বজনপ্রীতির জন্ম দিয়েছে। সরকারি খাতের সম্পদ ভেঙে দিয়ে সেগুলো এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সেইসব কর্পোরেটদের হাতে তুলে দেওয়ার পাশাপাশি, এটি দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং ক্রয়ক্ষমতাকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছে।
    ফলাফলগুলো চোখে পড়ার মতো; নজিরবিহীন বৈষম্য এবং আকাশছোঁয়া বেকারত্ব। সর্বশেষ ২০২৬ সালের বিশ্ব বৈষম্য প্রতিবেদনটি ভারতে আয় ও সম্পদের তীব্র বিভাজনের সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে। ভারতে, শীর্ষ ১০ শতাংশ মোট আয়ের ৫৮ শতাংশ উপার্জন করে, যেখানে সর্বনিম্ন ৫০ শতাংশ পায় মাত্র ১৫ শতাংশ। সম্পদের বৈষম্য আরও বেশি; সবচেয়ে ধনী ১০ শতাংশের হাতে মোট সম্পদের প্রায় ৬৫ ​​শতাংশ এবং শীর্ষ ১ শতাংশের হাতে প্রায় ৪০ শতাংশ। টমাস পিকেটি ও অন্যদের নেতৃত্বে পরিচালিত ওয়ার্ল্ড ইনইকুয়ালিটি ল্যাবের গবেষণার ফলাফলগুলো এভাবেই উঠে এসেছে। ভারত বিশ্বের চতুর্থ দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতি—এই উত্তর-সত্যের জয়ধ্বনি এবং আরও হাস্যকরভাবে, ভারত দ্বিতীয় সর্বাধিক 'সমতার অর্থনীতি'—এই দাবি এখন মোদি, তার কর্পোরেট-মিডিয়া সমর্থক এবং তাদের প্রচারণাকে তাড়া করে ফিরছে।
    অর্থনীতির কিছু কঠিন সত্য বোঝা উচিত। মুনাফা অর্জন করা না গেলে, কোনো পরিমাণ ভুল তথ্যই বিনিয়োগ ঘটাতে পারে না। পণ্য বিক্রি করা গেলেই কেবল মুনাফা অর্জন করা সম্ভব। চাহিদা না থাকলে পণ্য বিক্রিও হয় না, মুনাফাও অর্জিত হয় না। এই সত্যটি প্রবলভাবে ফিরে আসছে। আসন্ন সংকটের সাম্প্রতিকতম লক্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দ্রুত প্রস্থান, যারা ভারতীয় পুঁজি বাজার থেকে হুড়মুড় করে পালাচ্ছেন। মার্কিন ডলারের দিকে ভারতীয় রুপির লাগামহীন ঝোঁকের মধ্যে এটি সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে। শুধু বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাই (FII) নয়, যারা স্বভাবতই অস্থিরমতি এবং তাৎক্ষণিক লাভের দিকে তাকায়, বরং প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগও (FDI), যা দীর্ঘমেয়াদী প্রবৃদ্ধির জন্য একটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, তারাও চলে যাচ্ছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বর্তমানে ভারতে অভ্যন্তরীণ প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে। পছন্দের কর্পোরেট সংস্থাগুলোকে কোনো পরিমাণ কর ছাড় দিয়েও ভারতে বিনিয়োগ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না, কারণ তারা বিদেশে আরও ভালো সুযোগের সন্ধান করছে।
    এমনকি মোদীর সবচেয়ে কাছের অনুচর আদানিও মোটা অঙ্কের জরিমানা দিয়ে মার্কিন সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)-এর সঙ্গে শান্তি কিনে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, তারা ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ এবং ১৫,০০০ কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রস্তাব দিয়ে ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকানদের সঙ্গেও চুক্তি কিনেছে। এটা জানা নেই যে, রাশিয়া ও ইরান থেকে সস্তা অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস কেনা বন্ধ করে তার বদলে আরও দামী মার্কিন তেল কেনার জন্য ট্রাম্পের দাবিতে মোদীর নিজের নতিস্বীকারের প্রস্তাবের ফলেই এই শান্তি সহজতর হয়েছিল কি না। 'শুল্ক সন্ত্রাসের' কাছে আত্মসমর্পণও এই চুক্তির অংশ কি না, তা যে কেউই অনুমান করতে পারে।
    সামগ্রিকভাবে, অপরিশোধিত তেলের কৌশলগত মজুদ গড়ে তুলতে মোদী সরকারের ব্যর্থতার কারণেই যুদ্ধের প্রভাব এত মারাত্মক বলে মনে হচ্ছে। যেখানে ২০২০ সালের এপ্রিলে, যখন অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ২০ ডলার ছিল, তখন চীন ১.৪ বিলিয়ন ব্যারেল তেল সংগ্রহ করেছিল, সেখানে ভারতের মজুদ মাত্র ৪০ মিলিয়ন ব্যারেল। এর অর্থ হলো, ভারতের কৌশলগত অপরিশোধিত তেলের মজুদ চীনের মজুদের মাত্র ২.৮৫ শতাংশ। ২০১৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে মোদী সরকার জনগণের কাছ থেকে অতিরিক্ত কর হিসাবে ৪০ লক্ষ কোটি টাকা আদায় করেছে, অথচ দেশের অভ্যন্তরে অপরিশোধিত তেল উৎপাদন কমে গেছে। ফলস্বরূপ, ভারতের আমদানি নির্ভরতা ৭৮ শতাংশ (২০১০-২০১৪) থেকে বেড়ে এখন প্রায় ৯০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আমদানিতে বৈচিত্র্য আনতে ব্যর্থতা এবং মজুদের স্বল্পতা ভারতীয় অর্থনীতিকে অনেক বেশি ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। গত ১২ বছর ধরে ভৌত ও সামাজিক পরিকাঠামোতে বিনিয়োগ করতে ব্যর্থতা জনগণকে এক অভূতপূর্ব মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলেছে।
    বিভাজনমূলক হিন্দুত্ববাদী প্রচারণা কোনো কাজে আসবে না। সত্য উদঘাটনের পরের দম্ভ আরও বেশি নিষ্ফল হবে।তাই সত্যের মুখোমুখি হওয়ার সময় এসে গেছে। সরকারের উচিত অবিলম্বে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করা, যেখানে থাকবে কেবল যুক্তিসঙ্গত মাত্রার আত্মসমীক্ষা, নীতি সংশোধনের আহ্বান এবং একটি জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলার প্রচেষ্টা।
    ইতি এক ইস্তফা পত্র প্রদানকারী
  • albert banerjee | ২৩ মে ২০২৬ ১৫:৪২554754
  • //সোশ্যাল প্লাটফর্মে পরিচয় হওয়া মাত্র যে ছেলে মেয়েদের কাছে তাদের ফটো চায় তাকে মেয়েদের পক্ষ থেকে এড়িয়ে চলাই ভালো।// পিঙখাড়ু | 146.*.*.* | ২৩ মে ২০২৬ ১৩:২৬
    এই উক্তিটি প্রমান ​​​​​​​করিলো ​​​​​​​বিশেষ ​​​​​​​একজন ​​​​​​​কেউ ​​​​​​​বট ​​​​​​​নহে। ​​​​​​​
     
  • পিঙখাড়ু | 146.*.*.* | ২৩ মে ২০২৬ ১৩:২৬554753
  • শুধু ন্যাকা হলে তাও সয়ে নেওয়া যেত। কিন্তু এই ভদ্রলোক একেবারে গাছন্যাকা প্রকৃতির। ওনার কবিতার টই আছে তো, ওখানে যত খুশী ছড়া লিখুন। তো সে সব না করে ভাটে কবিতা নিয়ে অনর্থক আদিখ্যেতা। কবিতা নামের কোনো মেয়ের প্রেমে পড়ে সেই মেয়ের কাছে পাত্তা না পেয়ে ঘ্যানঘ্যান করলে আমরা হেল্প করতাম। কিন্তু এর তো সেই এলেমও নেই। সোশ্যাল প্লাটফর্মে পরিচয় হওয়া মাত্র যে ছেলে মেয়েদের কাছে তাদের ফটো চায় তাকে মেয়েদের পক্ষ থেকে এড়িয়ে চলাই ভালো।
  • X | 103.*.*.* | ২৩ মে ২০২৬ ১২:০৫554751
  • আমি এমনিতে বেশ শান্তিপ্রিয় লোক - সেই ভয় পেয়েনা গোছের - কিন্তু কবিতা নিয়ে এরকম হাড়ন‍্যাকামি দেখলে সত্যিই মাথায় খুন চড়ে যায় angry
  • হিজি-বিজ-বিজ | 2603:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ মে ২০২৬ ১১:১০554750
  • ধন্যবাদ বই।
  • Srimallar Speaks | ২৩ মে ২০২৬ ০১:১৫554749
  • এতরাতে চুপচাপ ব'সে ভাবছি যে, নতুন কোনও বন্ধু পেলে তার সঙ্গে কবিতার মতো বন্ধুত্ব করতে হয়, বা করতে পারলে— সম্পর্ক যত দিন এগোবে, ততই আরও কবিতার মতো হ'য়ে উঠবে। সোজা কথায় কবিতার মতো বন্ধু পেলে, কবিতার মতোই ভালবেসে ফেলতে হবে, অন্য কোনও দিকে চোখ না দিয়ে।
  • হিজি-বিজ-বিজ | 149.*.*.* | ২২ মে ২০২৬ ২৩:১১554747
  • আচ্ছা <
    >এই বইটা পাওয়া যাবে কারোর কাছে?
  • সিন্ধুপারের আরশোলারা | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ২২ মে ২০২৬ ২০:৪৯554746
  • ককরোচ আওয়ামি পার্টি বানাল, দেখেছেন তো?
     
    আআপ তাহলে পাকিস্তানেও? হুম্মম।
  • যমুনাকিনারের আরশোলারা | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ২২ মে ২০২৬ ২০:৩৯554745
  • 'কারও মাথায় আরশোলার শুঁড়, কারও গলায় এবং পিঠে ঝোলানো আরশোলার ছবি, কেউ আবার গলায় ঝুলিয়েছেন 'আমি আরশোলা' লেখা পোস্টার... এমনই দৃশ্য সম্প্রতি দেখা গেল দিল্লির যমুনা নদীর তীরে। এঁরা কারা? আর এইরকম আরশোলার বেশে যমুনার তীরে তাঁরা করছেনই বা কী? নেটদুনিয়ায় সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে।'
     
  • শ্রাবণী | 117.*.*.* | ২২ মে ২০২৬ ১৮:১৭554744
  • আপ কে কিন্ত আগে কেউ সন্দেহ খুব একটা করেনি, আমরা যারা দীর্ঘকাল দিল্লিতে বা দিল্লির কাছাকাছি কাজ করেছি বসবাস করেছি তারা সবাই প্রথম দিকে এই সিজেপি র মতই মনে করেছি আপ কে, সেটা এরকমই মূল ধারার পলিটিক্যাল পার্টি গুলির ওপর বিশ্বাস হারিয়ে।
    আন্না র সম্পর্কে আর্টিকেল টা আন্দোলনের বাকীদের ইনভলভম্ন্ট কে মিথ‍্যে করে দেয়না। আর টি আই আন্দোলনের লোকেরা সবাই এতে যুক্ত ছিল, এছাড়াও প্রচুর লোক যাদের বিশ্বাসযোগ্যতা এখনো আজকের দিনেও প্রশ্নাতীত।
    এরা সবাই প্রায় পরে সরে আসে বা আসতে বাধ‍্য হয়। এত কাছে থেকে তাদের মত বিজ্ঞ লোকেরা ভুল করলে আর দূর থেকে সাধারণ লোকেরা বুঝবে কেমন করে! যখন এরা সরকারে এল, পুরোপুরি রাজনৈতিক দল হিসেবে কাজ শুরু করল তখন আস্তে আস্তে লোকে বুঝতে পেরেছে যে যা ভাবা হয়েছিল সেরকম নয়।
    সাধারণ মানুষ তো এরকম আশা নিয়েই বাঁচে। সিজেপি নিয়ে যে উন্মাদনা শুরু হয়েছে সেটাও এরই বহিঃপ্রকাশ নাহলে দেশ বিদেশের মিডিয়া আউটলেট এই কদিনেই একে নিয়ে খবর করত না, ইন্টারভিউ করত না। আমার চেনা কমবয়সী প্রচুর ছেলেমেয়ে গত কয়েক দিনে এর ভিডিও রিল শেয়ার করছে।
     
    সবাইকে সব দলকে ব্ল‍্যাঙ্কেট খারাপ বলে দেওয়া খুব সোজা কারণ রাজনীতিতে এ দেশে আজকের দিনে ভালোর চেয়ে মন্দ টাই বেশী।..... খারাপ এলিমেন্ট তো প্রচুর আসবে বা দল সাকসেস পেলে তাতে ঢুকবে, তাবলে আমাদের বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মদের এত সিনিক‍্যাল হয়ে গেলে তো কখনো কোনো সত‍্যিকারের কিছু বদলই হবেনা।
    আপের মত যদি মাথাটাই খারাপ হয় আর যেসব দল মাথাসর্বস্ব হয় তারা নিজেদের মত করেই শেষ হয়ে যাবে।
  • albert banerjee | ২২ মে ২০২৬ ১৩:৪৪554743
  • স্বাধীন হবার পর প্রথম বক্তব্য
     
    //রং টা ছিলো গেরুয়া //
     
     
  • albert banerjee | ২২ মে ২০২৬ ১৩:৩৬554742
  • এখন অনেক বেশী সময় দিতে পারবো নিজের কাজকে। কাল রেজিগনেশন লেটার জমা করেছি। এই শর্তে কাজ করা যায় না। বাকস্বাধীনতা আমার অধিকার, কারো দয়া নয়। আর হ্যাঁ , রেজিগনেশন লেটারটা AI দিয়ে লিখেছি।smiley
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত