এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা  রাজনীতি

  • দেবতার দীপ হস্তে যে আসিল ভবে: যশওয়ন্ত সিংহ কালরা নামে রূদ্রদূত

    খগম
    আলোচনা | রাজনীতি | ০৬ জুলাই ২০২৬ | ২১৮ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  •  
    ১৯৮৪ থেকে ১৯৯৫ এবং তার পরেও (সম্ভবত) পাঞ্জাবে বহু যুবক নিখোঁজ হয়েছে যাদের সম্বন্ধে কিছু জানা যয় না। যশওয়ন্ত সিংহ কালরা নামে এক মানবাধিকার-সোচ্চার মানুষ এদের তত্ত্বতালাশ করতে গিয়ে আবিষ্কার করেন যে কিভাবে পুলিশ এই ছেলেদের ধরে নিয়ে গিয়ে পরে মেরে ফেলে এবং বেওয়ারিশ লাশ বলে সৎকার করে দেয়, এমনকি বাড়ির লোকেদের অবধি কিছু জানানো হয়নি। এই অনুসন্ধান এবং বিষয়টি নিয়ে মানুষের বিবেক জাগরূক করতে গিযে ভদ্রলোক একই রকমভাবে নিজের প্রাণ দিয়েছেন। এনার জীবন নিয়ে Satluj নামে একটি চলচ্চিত্রকে কেন্দ্র করে সমস্যা হযেছে, চলচ্চিত্রটিকে দেখাতেই দেওয়া হচ্ছে না, প্রথমত ভারতীয় সেনসর বোর্ড বিস্তর কাঁচি চালানোর চেষ্টা করেছে, এমনকি য়ে জায়গাটিতে সবচেয়ে বেশী সংখ্যক মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন, সেই তারণ তারণ জায়গাটির নাম অবধি রাখা যাবে না, এইসব আবদার চলছিল |
     
    যশওয়ন্ত সিংহ কালরা ১৯৯৫ সালের এপ্রিল মাসে কানাডাতে শিখ সম্প্রদায়ের জমায়েতে একটি লেকচার দিযেছিলেন | এইটি খুব সম্ভব তাঁর শেষ বক্তৃতা কারণ অতীব দুঃখের বিষয়, সেই বছরই তাঁকেও তাঁর বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে পরে হ্ত্যা করা হয়। বক্তৃতাটি দেখুন | বক্তৃতাটি যশওযন্ত শুরু করেছেন একটি প্রবাদ কাহিনি দিয়ে | সূর্য যখন প্রথমবার অস্ত যায় সকলে যখন আসন্ন অন্ধকার নিয়ে বিচলিত, সেই সময় সামান্য মাটির প্রদীপ তার আলোর শিখায় সেই অন্ধকার দূর করার দায়িত্ব নিয়েছিল। যশওয়ন্ত শুরু করছেনন এই বলে যে আজ অন্ধকার সময়ে পাঞ্জাবের মানুষের সেই মাটির প্রদীপ হবার মতন সময় এসেছে।
     
    সেই অংশটি রবীন্দ্রনাথের "কর্তব্যগ্রহণের" লাইনগুলো মনে পড়িয়ে দেয়,
     
    "কে লইবে মোর কার্য’ কহে সন্ধ্যারবি।
    শুনিয়া জগৎ রহে নিরুত্তর ছবি।
    মাটির প্রদীপ ছিল, সে কহিল, ‘স্বামী,
    আমার যেটুকু সাধ্য করিব তা আমি।"
     
    আমি বক্তৃতাটির মূল বিষয়ের একটি অক্ষম কিন্তু কাজ চালানোর মতন বাংলা ভাবানুবাদ করে দিলাম, তবে পাঞ্জাবিভাষা না জানলেও মোটামুটি বুঝতে খুব অসুবিধে হবে বলে মনে হয় না।
     
    এই হচ্ছে লেকচারের ভিডিও:
     
     
    ভাবানুবাদ:
     
    "আমি একটি রিপোর্টের বিষয়ে কথা বলতে কানাডায় এসেছি। সেই রিপোর্টে গত দশ বছরের নির্যাতনের কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। আমরা যখন ওই রিপোর্টের কাজ শুরু করি, তখন আমাদের সামনে শত শত রিপোর্ট ছিল, কিন্তু একটি প্রশ্নের উত্তর ওই রিপোর্টগুলোর কোনোটিতেই ছিল না। সেই প্রশ্নটি ছিল এই: পাঞ্জাবে হাজার হাজার মা তাঁদের ছেলেদের ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করছেন, যদিও এনাদের মধ্যে কেউ কেউ হয়তো জানেন যে অত্যাচারীরা এই দুনিয়ায় তাঁদের ছেলেদের প্রাণ রক্ষা করেনি। তবুও মায়ের মন এমন যে তিনি যদি ছেলের মৃতদেহও দেখেন, তবুও তিনি মেনে নিতে পারেন না যে ছেলে তাঁকে ছেড়ে চলে গেছে। আর সেইসব মায়েরা, যাঁরা তাদের সন্তানদের মৃতদেহ পর্যন্ত দেখতে পাননি, তাঁরা আমাদের জিজ্ঞাসা করছিলেন: অন্তত খুঁজে বের করুন, আমার ছেলে বেঁচে আছে কি না?
    আমরা যখন এই বিষয়ে কথা বলতে শুরু করলাম, তখন অসংখ্য মা, অসংখ্য বোন বলতে চান নি যে তাঁদের প্রিয়জন নিখোঁজ হয়েছেন। তাঁরা বলতেন, "বাবা, তোমরা যদি এই বিষয়টিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাও এবং আমাদের ছেলে যদি এখনও বেঁচে থাকে, তবে ওরা ওকে মেরে ফেলবে – এই বিষয়ে কথা বলো না, আমরা তোমাদেরও কিছু বলব না।"
    সুতরাং আমরা জনসাধারণের জন্য একটি আনুমানিক হিসাব তৈরি করেছিলাম যে শুধুমাত্র অমৃতসর জেলাতেই ২,০০০ সন্তান নিখোঁজ এবং আমাদের মনে হয়ছিল সরকারকে অবশ্যই আমাদের জানাতে হবে এরা রয়েছে কোথায়। সরকার চুপ ছিল। তারপর, আমরা কয়েকটি পরিবারের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে একটি পিটিশন দায়ের করি, যেখানে আদালতের কাছে জানতে চাওয়া হয় যে কোথায় ওই সন্তানরা। সরকার তখন একটি হলফনামা দিয়ে এই নিখোঁজদের সম্পর্কে কোনো কিছু জানার কথা অস্বীকার করে।
    বিষয়টি যখন আর একটু এগোল, তখন "নির্যাতনের দায়িত্বে" থাকা ব্যক্তি, কে. পি. এস. গিল অমৃতসরে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, "এই মানবাধিকার শাখার লোকেরা মানবাধিকার নিয়ে কিছুই করছে না। এদের একটাই উদ্দেশ্য, নিজেদের এজেন্ডা তুলে ধরা, যাতে পাঞ্জাবে কোনো শান্তি না থাকে। এরা আইএসআই [পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স] এজেন্ট এবং এরা পুলিশ বাহিনীকে নিরুৎসাহিত করে পুনরায় উগ্রপন্থা উস্কে দেওয়ার একটি ষড়যন্ত্র করছে।" কে. পি. এস. গিল এমনকি এও বলেছিলেন, "আমি আপনাদের বলব ওই ছেলেপিলেরা কোথায় আছে।" এই বলে তিনি বলেছিলেন, "এরা ইউরোপে, কানাডায় এবং আমেরিকায় আছে, যেখানে দিন মজুরি উপার্জন করছে। আর এই মানবাধিকার সংস্থাগুলো আমাদের বলছে যে হাজার হাজার ছেলে নিখোঁজ হয়েছে।" এই কথা আমাদের কাছে একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। কথাটি ছিল সেই সত্যের প্রতি একটি চ্যালেঞ্জ যাকে আমরা জনসমক্ষে আনার চেষ্টা করছিলাম।
    তারপর, শ্রোতাগণ, এই সত্যকে সপ্রমাণ জনসমক্ষে নিয়ে আসার আনার জন্য, আমরা নিজেদের একটি দুরূহ কাজে নিয়োজিত করি যেখানে আমাদের বিভিন্ন বিপদের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। আমাদের ভ্রাতৃসম মানুষগুলো যেখানে গিয়েছিলেন, আমরাও সেখানে গিয়েছিলাম। আমরা শ্মশানে গিয়েছিলাম। আমরা সেখানে গিয়ে কর্মচারীদের জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আমাদের এইটুকুই বলুন যে এই সময়ে পুলিশ আপনাদের কতগুলো মৃতদেহ দিয়েছিল? কেউ বলেছিলেন আমরা প্রতিদিন ৮-১০টি পোড়াতাম। কেউ বলেছিলেন হিসাব রাখার কোনো উপায় ছিল না; কখনো লাশে ভর্তি ট্রাক আসত, আবার কখনো ২-৪টি মৃতদেহ। আমরা যখন জিজ্ঞাসা করলাম আমাদের একটি হিসাব চাই, তারা আমাদের বলেছিল আমরা যদি তথ্য চাই, তাহলে একটি জায়গা থেকে হিসাব বার করতে পারি: "পুলিশ আমাদের মৃতদেহ দিত, আর মিউনিসিপ্যাল কমিটি আমাদের লাশ পোড়ানোর জ্বালানি কাঠ দিত।"
    অতএব শ্রোতাভাইগণ! আমরা যখন এই সত্যটি পেলাম, তখন আমরা হাইকোর্টে গেলাম। পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের দরজায় কড়া নাড়লাম এবং জিজ্ঞাসা করলাম, অন্তত আমাদের বলুন যে কোন মৃতদেহটি কার, যাতে আমরা প্রত্যেক মা, বোন এবং বাবাকে খবর জানাতে পারি। যাতে তাঁরা তাঁদের হৃদয়ে চেপে রাখা প্রার্থনা করতে পারেন, "হে সর্বশক্তিমান, দয়া করে আমার ছেলেকে আপনার চরণে শান্তিতে রাখুন"
    সেই দেশ, যারা নিজেদের বৃহত্তম গণতন্ত্র এবং ন্যায়বিচারের ধারক বলে দাবি করে, সেই দেশের হাইকোর্ট আমাদের বলেছিল, "এ কোনো জনস্বার্থ মামলা নয়। এটি একটি বিশাল সমস্যা তৈরি করবে। এর চেয়ে বরং যে পরিবারের মৃতদেহ, তাদের প্রত্যেককে আমাদের কাছে পাঠান এবং আমরা তাদের তথ্য দেব।" আইনের সাথে একটি তামাশা করা হয়েছে। শিখ জাতির সাথে একটি তামাশা করা হয়েছে। আর সেইসব মানুষের সাথে তামাশা করা হয়েছে, যারা একটি ডেথ সার্টিফিকেট (মৃত্যুর শংসাপত্র) ছাড়া আর কিছুই চাচ্ছেন না।
    সব আদালতের চেয়ে বড় আদালত হলো জনগণের আদালত এবং আমরা বিশ্বব্যাপী জনগণের আদালতে যেতে চাই এবং বিশ্বকে বলতে চাই, "আপনারা আমাদের সন্ত্রাসী বলেছেন। আপনারা আমাদের সাম্প্রদায়িক বলেছেন। কিন্তু আপনারা যাদের গণতন্ত্রের দূত বলেছেন, তাদের আসল রূপ চিনুন এবং তারপর আমাদের বলুন যে শেষ পর্যন্ত কে সন্ত্রাসী আর কে ন্যায়পরায়ণ?"
    আমরা বলতে পারি যে আমরা অনেক নির্যাতন সহ্য করেছি। কিন্তু সেই নির্যাতনের সম্পূর্ণ রেকর্ড রাখার কোনো অভ্যাস বা প্রশিক্ষণ তো আমাদের ছিল না। প্রায় ৫০,০০০, প্রায় ১ মিলিয়ন – আমরা এই সবই বলি। পৃথিবীর শিক্ষিত মানুষ সেসব বিশ্বাস করে না, তাদের সঠিক পরিসংখ্যান প্রয়োজন। আর তাই, আমিও বলি, আপনারা সবাই এই ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হন। এই সমস্যাটি কেবল সেই পরিবারগুলোর সমস্যা নয়। এটি [শিখ] জাতির সমস্যা, মানবতার সমস্যা। আপনারা সবাই এই সমস্যাটিকে যেভাবে পারেন তুলে ধরুন। সেই সরকার, সেই শাসনযন্ত্র, সেই বিচার ব্যবস্থার নিন্দা করুন এবং মানুষের কাছে সত্যটি তুলে ধরুন। দয়া করে শ্রোতাভাইবোনেরা এই কাজে আমাদের সহযোগিতা করুন।
    অতএব আমার শ্রোতাবন্ধুগণ, গুরুর কাছে প্রার্থনা করুন যেন আমরা আমাদের আত্মসম্মান বজায় রাখতে পারি। আমাদের অবশ্যই যে কারণে আমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে, তাকে রক্ষা করতে এবং গুরু যাতে সদয় হন, তাঁর কৃপা অর্জন করতে হবে। আমরা গুরুর কাছে সবকিছু চাই, কিন্তু গুরুর কাছে সেই একটি উপহার চাইতে আমরা ভয় পাই। গুরুর অনেক উপহার আছে, কিন্তু গুরুর সবচেয়ে বড় উপহার কোনটি? সবচেয়ে বড় উপহার দুধ নয়, পুত্র নয়। আর এখন গুরু কোনো ব্যক্তির কাছে গুরুপদও হস্তান্তর করেন না। গুরু এখন কোনো সাধুকে গুরু বানাতে পারেন না। গুরু যখন শ্রী গুরু গ্রন্থ সাহিবকে গুরুপদ দিয়েছিলেন, তখন গুরু একটি বিশেষ উপহার রেখেছিলেন, যা যেকোনো শিখ আমন্ত্রণ জানাতে পারতেন। আর (দশ) গুরুর সময়ের পর, শিখরা সেই বিশেষ উপহারটিকে অনেক সম্মান জানিয়েছিল।
    আর সেই বিশেষ উপহারটি, যা গুরুর কাছে রয়েছে, তা হলো শাহাদাত বা আত্মত্যাগের (Martyrdom) উপহার। যাঁরা এই উপহার পান - তাঁরা গুরু হয়ত হতে পারেন না, তবে গুরুর পরে তাঁরাই আমাদের (শিখ) জাতির সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি।
    আমি আশা করি - আমি তো রাজনৈতিক নেতা নই, যে আপনাকে কোনো রাজনৈতিক পথ দেখাতে পারে বা কোনো রাজনৈতিক চাল চালতে পারে - মানবাধিকারের মঞ্চ থেকে আমি নিশ্চিতভাবেই আপনাকে বলব: খালসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল মানবাধিকার রক্ষা করার জন্য, বিশ্বের মানুষের অধিকার রক্ষা করার জন্য। আপনি যদি আপনার নিজের মানবাধিকার রক্ষা করতে না পারেন, তবে আপনি বিশ্বে খালসার কোনো মর্যাদা দিতে পারবেন না।"
     
    খুব সাংঘাতিক অবস্থা| অদ্ভুত আঁধার, তার মধ্যে যে এখনো যশওয়ন্ত সিংহের মতন কিছু মানুষ প্রতিবাদ করেন, প্রয়োজনে প্রাণ দিতেও পিছপা হন না, এইটুকুই সান্ত্বনার। তাঁর জীবন এবং সমস্ত বিষটি নিয়ে "Reduced to Ashes" নামে একটি বই আছে, পড়ে দেখতে পারেন, তার প্রথম পরিচ্ছেদটুকুর লিঙ্ক দিয়ে রাখলাম
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • " | ০৭ জুলাই ২০২৬ ০১:৩৮747945
  • এ লোক তো সুবিধের নয়। ধর্মটর্ম টেনে কথা বলছে। সেকুলারদের এর বেলায় কোনো চুলকানি জাগছে না তো ?? আর পাঞ্জাব ইন্সার্জেন্সি নিয়ে পাঞ্জাবিরা কি বলে সেটা শুনে নেবেন। কানাডা থেকে আসা পাঞ্জাবি নয়, ভারতের পাঞ্জাবি।
     
    এটাও মনে রাখবেন কংগ্রেস এইসব করেছিল ২৫০০০। বিজেপি তো সে তুলনায় শিশু।
  • খগম | ০৭ জুলাই ২০২৬ ০৭:৪৪747947
  • ভদ্রলোক একজন মানবাধিকার কর্মী, পাঞ্জাব মিউনিসিপ্যালিটির সরকারি ডেথ রেজিস্টার ও শ্মশানের কাঠ কেনার রসিদ মিলিয়ে দেখিয়েছিলেন যে পাঞ্জাব পুলিশ কয়েক হাজার যুবককে বেআইনিভাবে তুলে নিয়ে 'অজ্ঞাতপরিচয়' হিসেবে পুড়িয়ে প্রমাণ লোপাট করেছে। এনার সঙ্গে কোন insurgent এর যোগাযোগ ছিল বলে জানা যায় নি এবং ভদ্রলোক কিন্তু insurgent দের স্বপক্ষে কখনো কিছু বলেন নি।

    শুধু তাই নয়, সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court of India) এবং সিবিআই (CBI) তদন্ত করে খালরা যে ঠিক বলেছেন মেনে নিয়েছে। শুধু তারন তারান জেলাতেই ২,০৯৭টি বেআইনি লাশ পোড়ানোর প্রমাণ পেয়েছে। ২০০৫ সালে ভারতীয় আদালতই খালরাকে অপহরণ ও হত্যার দায়ে ৬ জন পুলিশ অফিসারকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় (২০১১ সালে সুপ্রিম কোর্ট আদেশ বহাল রাখে)। এখানে কংগ্রেস বা বিজেপির রাজনৈতিক তুলনা টানার কোন প্রয়োজন আছে কি?
  • | ০৭ জুলাই ২০২৬ ১৯:৫৩747951
  • প্রথম মন্তব্যকারির কথাবার্তা বেশ আইটি সেলের ভাইটির মত। তা 'কানাডা থেকে পাঞ্জাবি' বলতে এখানে কার কথা বলছেন? বিজেপী সরকার তেড়েফুঁড়ে সিনেমাটা সব জায়গা থেকে সরাচ্ছে কেন? ওদের কোথায় ফাটছে?
  • খগম | ০৮ জুলাই ২০২৬ ০১:৫২747961
  • ঠিক বলেছেন @দ !
    আরেকটি ভিডিও, আকাশ ব্যানার্জির প্রতিবেদন:
     
     
    সিনেমাটির সত্যিকারের নাম হওয়া উচিৎ ছিল "ঘাল্লুঘারা" (ਘੱਲੂਘਾਰਾ )
  • | ০৮ জুলাই ২০২৬ ২০:০৯747969
  • কাশ্মীরের বা মণিপুরের এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিং যতটা জানি পাঞ্জাব নিয়ে তত তো দূর খুবই কম জানতাম। হ্যাঁ মুখ্যমন্ত্রীর খুন হওয়া মনে আছে।
    রবিবার এই সিনেমাটা দেখে থমকে গেছিলাম।
    আজ ঘুম থেকে উঠেই দেখি এখানেও আবার শুরু হয়ে গেল এই জিনিষ।
     
    আচ্ছা যশওয়ান্ত সিঙের একটা বামপন্থী ব্যাকগ্রাউন্ড ছিল না? কোথায় যেন দেখলাম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন