এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বিজেপি জিতল কেন? 

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৫ মে ২০২৬ | ৫৫৪ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • তৃণমূল হারল কেন? হারা উচিত তাই হেরেছে। কেন বলছি, জানার জন্য পুরোটা পড়তে হবে, ধৈর্য না থাকলে ছেড়ে দিন। ভোটের প্রাথমিক ফলাফল গিয়ে শুরু করি। প্রাথমিক ভাবে খুব সোজা ব্যাপার, বিজেপির পক্ষে ৭% সুইং হয়েছে। তৃণমূল ৪৮% থেকে কমে ৪১%। আর বিজেপি ৩৮% থেকে বেড়ে ৪৫%। ভগ্নাংশের সামান্য এদিক-ওদিকে আছে। বাম কংগ্রেসের ভোট বদলায়নি। বাম মোটামুটি ৫% আর কংগ্রেস ৩%, মোটের উপর যোগ করলে ২০২১ এরই শতাংশ। আইএসএফ আর আমজনতা পার্টির ভোট শেয়ার পাইনি, অন্যান্যরা ৪% দেখলাম, তার মধ্যেই থাকবে। ২১ সালে আইএসএফ+ অন্যান্য ভোট ছিল (৩%), সেটা ভয়ানক কিছু বদলায়নি, ১% মতো বেড়েছে। ফলে তৃণমূলের ভোটব্যাংকের খুব স্পষ্ট ৭% ভাঙন ধরেছে এবং সেটা বিজেপিতে গেছে। আমি ভোটের ঠিক আগে লিখেছিলাম তৃণমূল খুব খারাপ করলে এই সুইং ৪% হতে পারে। স্পষ্টতই আন্দাজটা ভুল ছিল, ওটা সর্বোচ্চ মানের চেয়েও আরও ৩% বেশি হয়েছে।

    কথা হল, ​​​​​​​এই ​​​​​​​৭% ​​​​​​​সুইং ​​​​​​​হল ​​​​​​​কেন? ​​​​​​​কিছু ​​​​​​​চেনা ​​​​​​​কারণ ​​​​​​​সব্বাই জানেন। ​​​​​​​তবু ​​​​​​​একবার ​​​​​​​বলি।
    এক, এসআইআর। ৫% বৈধ ভোটার বাদ গিয়েছিলেন, এখনও বাদ। তার একটা বড় অংশ তৃণমূলের ভোটার।

    দুই, প্রতিষ্ঠান-বিরোধিতা। তৃণমূলের দাদাগিরি-গুন্ডামি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ছিল। অপদার্থতা এবং দুর্নীতি নিয়ে ক্ষোভ ছিল, বিশেষ করে শিক্ষাক্ষেত্রে। বহিরাগত তোষণ নিয়ে ক্ষোভ ছিল। আরজিকর কান্ড ছিল। তালিকা লম্বা করা যায়। সেগুলো অতি অবশ্যই কাজে লেগেছে।

    তিন, তীব্র ধর্মীয় মেরুকরণ হয়েছে। শুভেন্দু স্পষ্টই বললেন হিন্দু ইভিএম হিন্দুর, মুসলমান ইভিএম তৃণমূলের। ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি বাংলায় আনতে বিজেপি সফল।

    চার, তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটে কিছুটা ভাঙন ধরেছে। হুমায়ুন কবীরের জয়, তার একটা ইঙ্গিত।

    পাঁচ, মহিলা ভোটব্যাংকে ফাটল ধরেছে। বিজেপি প্রকাশ্যে ৩০০০ টাকা ভাতা দেবে বলে রীতিমতো ফর্ম ফিলআপ করিয়েছে মহিলাদের দিয়ে। প্রচার ছিল, ফর্ম ভোটের আগেই ফিল-আপ করতে হবে। নির্বাচন কমিশন এই নিয়ে চোখ বুজে থেকেছে, এমনকি তৃণমূলও।

    ছয়, শুধু এই একটা নয়, এই প্রতিটা ভাঙন থেকে তৃণমূলের একটা অংশ চোখ বুজে থেকেছে। যতবার এসআইআর নিয়ে বলা হয়েছে, তারা বলেছে প্যানিক করবেন না। এমনকি শেষবেলার আইপ্যাক-দখল অবধি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা সংযোগ-হীনতা, নাকি সত্যিই কোনো জায়গায় কোনো স্তরে কাউকে কিনে ফেলা হয়েছে, বোঝা কঠিন। কারণ, তৃণমূলের থিংক-ট্যাংক আইপ্যাকের ডিরেক্টর গ্রেপ্তার হলেন, তারপর ভোটের ঠিক পরেই ছাড়া পেয়ে গেলেন, এমনি এমনি এ হওয়া কঠিন।

    সাত, মধ্যবিত্ত প্রগতিশীল অংশের বিজেপি-বিরোধিতায় অনীহা এবং অনেক ক্ষেত্রে গোদি-মিডিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়ে কার্যত বিজেপির পক্ষে থাকা। এই কারণেই এই যুদ্ধটা বাংলা বনাম বিজেপি না হয়ে, স্রেফ তৃণমূল বনাম বিজেপিতে পরিণত হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেও জোট করতে আগ্রহী ছিলনা। আর বামরা শেষবেলা পর্যন্ত তৃণমূলকেই মূল শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে গেছে. একদম অন্তিম লগ্নে চিত্রটা কিছুটা বদলায়, কিন্তু তখন দেরি হয়ে গেছে।

    আট, বিজেপির মেশিনারি বাধাহীন এবং মসৃণভাবে কাজ করেছে। ৫% বৈধ ভোটারকে বাদ দেওয়া গেছে, প্রায় কোনো ঝামেলা ছাড়াই। আই-প্যাককে বসিয়ে দেওয়া গেছে, প্রায় কোনো সমস্যা ছাড়াই। কোনোটাতেই কোনো প্রতিরোধ হয়নি। খুব সুনির্দিষ্টভাবে আইটি-পরিকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে হোয়াটস্যাপ গ্রুপ তৈরি করে প্রচার হয়েছে। কায়দাটা আমেরিকা ওবামার প্রথম নির্বাচনে প্রয়োগ করা হয়। বিজেপির এবারের কায়দাটা তার চেয়েও সফিস্টিকেটেড ছিল। এর পাল্টা কোনো কিছুতে কোনো দলই আগ্রহী ছিলনা। ভয়ানক খরচসাপেক্ষ না হওয়া সত্ত্বেও, এবং বহুবার বলা সত্ত্বেও। এই জায়গায় বিজেপিকে কুর্নিশ করতেই হয়। যাতে সনাতনী হলে কী হবে, আধুনিকতম প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে কার্যসিদ্ধি করায় তাদের কোনো জুড়ি নেই। কখনও সেটা এ-আই নির্ভর অ্যানালিটিক্স হতে পারে, কখনও এ-আই নির্ভর নাম বাদ দেওয়া। বিশেষ করে মুগ্ধ হয়েছি গণনা এবং মিডিয়ার ব্যবহারে। লক্ষ্য করে দেখবেন শুভেন্দু একদম বলে বলে ফল মিলিয়েছেন। কোন বুথের পর কোন বুথ গণনা হবে, কোনটায় জিতবেন, হিসেব ছিল। এবং গণনা পদ্ধতিতে প্রথমেই এমন একটা হাওয়া তোলা হল, যে, বিজেপি জিতেই গেছে। এতে করে কিছু মার্জিনাল কেন্দ্রে বিপক্ষের এজেন্টকে ধমকি দিয়ে ফল নিজের দিকে নিয়ে আসার পথ পরিষ্কার হল। নিরঙ্কুশ ক্ষমতা না থাকলে এটা করা যায়না, যেমন ঠিক, তেমনই নিখুঁত পরিকল্পনা না থাকলেও এটা অসম্ভব। উল্টোদিকের দলগুলো যদি কখনও কিছু করতে চায়, তবে এই জায়গাটা তাদের ধরতেই হবে। মানে, শুধু গণনা নয়, ওতে ফল ওল্টানো যায়না, পুরোটা। যদিও সে কবে তাঁরা ধরবেন, কেউ জানেনা।

    এই আটটা কারণ দিয়ে ভোট সুইং ৭% হওয়া কি সম্ভব? অঙ্কের হিসেবে কঠিন, কারণ তাহলে ৬৫% হিন্দু ভোটারকে বিজেপির পক্ষে ভোট দিতে হবে, যেটা সারা ভারতে কোথাও কখনও হয়নি। আবার হতেও পারে, কারণ এইখানেই একটা টুইস্ট আছে, বিশেষ করে আট নম্বর পয়েন্টে। সেটা একটু বিশদে বলি। প্রথম থেকেই দেখুন, অন্তত ৫% বৈধ ভোটারকে বাদ দেওয়া হল, প্রায় গায়ের জোরে। সেগুলো খুবই টার্গেট করে করা হয়েছিল। ওটা ছিল বাজিয়ে দেখা। এবং সেই নিয়ে বিরাট কোনো জনবিক্ষোভ হলনা, কোনো দল ভোট-বয়কটের হুমকি অবধি দিলনা। তাই এল পরের ধাপ, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ইডি-সিবিআই। ভোটের আগেই তৃণমূলের থিংক-ট্যাংক আইপ্যাকের অফিসে হামলা হল। সে নিয়েও জনমানসে তেমন ক্ষোভ দেখা গেলনা। এবং তারপর, কী আশ্চর্য, আইপ্যাকের ডিরেক্টর গ্রেপ্তার অবধি হয়ে গেলন। এবং ভোটের পর ছাড়া পেয়ে গেলেন। আইপ্যাক কমপ্রোমাইজড কিনা, সে নিয়েও কারো মনে কোনো সন্দেহ দেখা দিলনা। অতঃপর হল ভোট। সেখানে কোনো জালিয়াতির অভিযোগ এখনও কেউ করেননি, সমস্ত মিডিয়ার স্ক্রুটিনিও ছিল। তারপরই এল এক্সিট পোল, যেখানে কোনো স্ক্রুটিনি নেই। বিজেপি সেখানে জিততে শুরু করল। তারপর এল সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর পরিচালনায় গণনা। যেখানে মাছি গলার উপায় নেই, মিডিয়া স্ক্রুটিনির তো প্রশ্নই নেই। গণনার পদ্ধতি বদলানো হল এবার। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট নয়, নির্দিষ্ট একটা পদ্ধতি অবলম্বন করা হল। কোন পদ্ধতিতে হবে সেই খবর ছিল বিজেপির কাছে। শুভেন্দু বারংবার বলেছেন, কোনটার পর কোনটা হবে। এবং গণনা হল অত্যন্ত ধীর লয়ে। দুপুর নাগাদ কার্যত বন্ধও হয়ে গেল বহু গণনা।

    এ পর্যন্ত গোলমেলে কিছু ব্যাপার নেই। সন্দেহজনক, কিন্তু অভিযোগ করার কিছু নেই। তাহলে এত কান্ড করে লাভ কী হল? অভিযোগ উঠছে এর পর থেকেই। এরপর থেকেই বাজারে ছড়িয়ে গেল খবর, যে, বিজেপি জিতছেই। শমীক শুভেন্দুরা প্রেসের সামনে জানিয়েও দিলেন, কিন্তু কার্যত বহু কেন্দ্রেই তখনও দু রাউন্ডও গণনা এগোয়নি। বুথ বেছে-বেছে গণনা শুরু করে বিজেপির জেতার এই ট্রেন্ড তৈরি করা খুবই সম্ভব। বুথ বেছে যে গণনা হচ্ছিল, সেটা নিয়ে তো কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু তাতেই বা লাভ কী? একসময়ে তো পুরোটা গণনা করতেই হবে। মজা হল, লাভটা দেখা গেল এর পরেই। বহু জায়গায় তৃণমূল নেতা, কর্মী এবং কাউন্টিং এজেন্টরা হাল ছেড়ে দিলেন। মমতা এবং মহুয়া মৈত্রের দুটো বিবৃতি এল হাল না ছাড়তে। কিন্তু তৃণমূল নেতারা কস্মিনকালেও দলের কথা মেনে কিছু করেছেন এ অপবাদ কেউ তাঁদের দেবেন না। এ পর্যন্তও ভয়ানক সমস্যা কিছু নেই। এজেন্টরা হাল ছেড়ে দিলেই বা কী, যোগ-বিয়োগ তো ঠিকই হবার কথা। কিন্তু এর পরের ধাপ নিয়েই আসছে অভিযোগ। বিজেপি জিতেই গেছে বলে বিপক্ষের এজেন্টদের উপর হামলা শুরু হল গণনা কেন্দ্রেই। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই। সেখানে আর কেউ ছিলনা, ফলে স্ক্রুটিনি করার কোনো উপায় নেই। স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, তাঁকে মারা হয়েছে বলে। তাঁর এজেন্টরা অভিযোগ করেছেন বার করে দেওয়া হয়েছে বলে। এরকম একাধিক অভিযোগ আসছে এবং এসে চলেছে।

    এবার, এগুলো অভিযোগই। সত্য-মিথ্যা জানার আপাতত কোনো উপায় নেই। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ত্রিস্তরীয় পাহারায়, গণনা কেন্দ্রে কী হয়েছে তো আমরা জানিনা। কোনো সংবাদ-ক্যামেরা ছিলনা সেখানে। হতেই পারে কিচ্ছু হয়নি। ৬৫% হিন্দুই আসলে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। আবার উল্টোটাও হতে পারে। আবার এও হতে পারে, এক-আধটা কেন্দ্রে এরকম হয়েছে, কিন্তু মূলত প্রতিষ্ঠানবিরোধী ভোটেই হেরেছে তৃণমূল। একমাত্র উপায় হল যদি গণনাকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নির্ঘাত সেটা করবেনা। স্বচ্ছতার ব্যাপারে তাদের কোনো সুনাম আছে, এই অপবাদ তাদেরও কেউ দেবেনা।

    এর মধ্যে তৃণমূলের হারা উচিতই ছিল কেন বলছি? কারণ এর কোনোটা নিয়েই তাদের কোনো হেলদোল ছিলনা। গুন্ডামি-তোলাবাজি নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই, এসআইআর নিয়েও 'ও কোনো ব্যাপার না', আইপ্যাক নিয়েও 'সব ঠিক আছে', এবং কাউন্টিংএর দিনও দুপুর থেকেই 'হেরে গেছি' ভাব। কেন এগুলো জানিনা, তবে চোখের সামনে তো দেখলাম, যে তৃণমূলের বাঘা নেতারা কখনই কিসু বলেন-লেখেন না। সিপিএমকেও দেখলাম ভয়ানক গা ছাড়া, কিন্তু সেটা ঠিকই আছে, তারা তো এত বড় স্টেক নিয়ে লড়ছিলও না। সব মিলিয়ে এই কেস। এটা হবারই ছিল। এরকম দমবন্ধ করা পরিস্থিতি আগে দেখিনি। লোকে বস্তুত সমাজমাধ্যমে লিখতেই ভয় পাচ্ছে। বামরা শূন্য হয়েছিল একুশ সালে, তারা ভয়ে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিল দেখিনি। এখন কার্যত মনে হচ্ছে 'জয় শ্রীরাম' ছাড়া আর কিছু বলাই বন্ধ। শুধু কয়েকজন রাম-বাম অবাধে লিখছেন, হুঁহুঁ বাওয়া, আগেই বলেছিলাম, তৃণমূল বিজেপিকে আটকাতে পারবে না। তাঁদের অনুরোধ, এবার পথ দেখান, আমরা পিছনে পিছনে যাই।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • :) | 2402:3a80:1989:3bf0:578:5634:1232:***:*** | ০৫ মে ২০২৬ ০৮:৪১740519
  • ভোট সুইং শব্দটা নতুন লাগলো, ভোট ট্রান্সফার বলতো আগে। যাই হোক যুগের সঙ্গে ভাষা বদলে যায়।
  • uff | 2001:67c:e60:c0c:192:42:116:***:*** | ০৫ মে ২০২৬ ০৯:১৪740520
  • একদিন বিজেপি জিতবে না কেন, পরেরদিন বিজেপি জিতল কেন। বক্কাবাজি থামান না কেন আপনারা? ভ্যাড়ভ্যাড়ভ্যাড়ভ্যাড় করে কিবোর্ডে ডাইরিয়া জাহির করা খুব দরকার?
  • গেছো | ০৫ মে ২০২৬ ১০:০৬740522
  • একটা কথা যেটা বললেন না সেটা হল হিন্দি আধিপত্য এবং অনুপ্রবেশকারী ন্যারেটিভ। আমার বন্ধুবান্ধবরা - আমেরিকানদের থেকে ধার করে যাদের আজ gen Z বলে - তারা ছোটবেলা থেকে হিন্দি কার্টুন দেখে বড় হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দি ভাষায় কথা বলে, তাদের কাছে তৃণমূলের বহিরাগত ন্যারেটিভ ফেল করেছে।
     
    অন্যদিকে, তারা এটাও মনে করে বাংলায় নাকি বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীরা আসছে - যারা নাকি আবার টিএমসির ভোটব্যাঙ্ক!
  • ss | 2a09:bac6:123:1d7::2f:***:*** | ০৫ মে ২০২৬ ১১:৫০740526
  • এই গনণা কেন্দ্রের ভিতরের গন্ডগোলটা নিয়ে সন্দেহটা রয়েই গেল, রয়েই যাবে। সমস্যাটা হল মমতার অবস্থা হল সেই রূপকথার রাখালের মত, বাঘ এসেছে বলে এতবার হল্ল করেছে যে যখন সত্যি এল তখন আর কেউ বিশ্বাস করতে রাজি হল না। অসম্ভব একা, অসম্ভব অসহায় দেখাল দিনের শেষে।
  • গেছো | ০৫ মে ২০২৬ ১৩:০৩740527
  • মমতার প্রশাসনিক অদক্ষতাই এর জন্য দায়ী। গ্রামে গ্রামে, শহরতলিতে এত দূর্নীতি। প্রায় একট সাঙাততন্ত্র গড়ে উঠেছিল। সব জেনেও কিচ্ছু করেননি। এখন কেঁদে কি হবে? জলসাঘরের একটা লাইন ছিল: বাবু, একটু যদি খেয়াল রাখতেন, তাহলে এতটা হয়তো হত না। ওনার অবস্থা দেখে এটাই মনে আসছে বারবার।
  • যদি | 2402:3a80:42f8:ade1:778:5634:1232:***:*** | ০৫ মে ২০২৬ ১৫:০৮740528
  • যদি সত্যি বিজেপি আরএসএস বিরোধী হতো তাহলে সেক্যুলার দলকে বিরোধী পরিসর ছেড়ে রাখার চেষ্টা করতো, সিপিএমকে না পোষালে অধীরের কংগ্রেসকে। বিরোধী পরিসরে সেক্যুলার দলের অন্তত কিছু উপস্থিতি থাকলে এইটা ঘটত না। পরিকল্পিত ভাবেই সেটা করা হয় নি, যাতে আরএসএস এর পথে কোনো কাঁটা না থাকে।
  • Bratin Das | ০৫ মে ২০২৬ ১৫:৩১740529
  • "তুমি আকাশ এখান যদি হতে আমি বলাকার মত পাখা মেলাতাম .."
     
    ইত্যাদি প্রভৃতি
  • b | 42.105.***.*** | ০৫ মে ২০২৬ ১৯:১৮740530
  • আজ টেলিগ্রাফে জহর সরকারের লেখাটা ব্যালান্সড লেগেছে .
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে প্রতিক্রিয়া দিন