এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  বাকিসব   নেট-ঠেক-কড়চা

  • কি ভাবিতে হইবে সিরিজে নতুন আবেদন

    বোদাগু
    বাকিসব | নেট-ঠেক-কড়চা | ২৩ মার্চ ২০২৬ | ২৯৮ বার পঠিত
  • নির্বাচনে প্রাইভেট সিটিজেন এর কর্তব্য বা অন্তত ভাবার রসদ
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ২৩ মার্চ ২০২৬ ১৮:০০747095
  • এস আই আর ইত্যাদিতে দেখা যাচ্ছে মানুষের নাগরিকত্ব হরণ শুধু না, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে গড়ে ওঠা কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের মূলকাঠামোতে নতুন করে কুঠারাঘাত করা হচ্ছে, যেন গত তিন দশকের আর্থিক নীতির আঘাত যথেষ্ট হয় নি।
    আগ্রাসন এতটাই তীব্র, অন্যদিকে তথাকথিত সেকুলার দক্ষিনপন্থার নামে প্রচার চলছে যে, তারা দুঃখের সঙ্গে লক্ষ করছে যে, বাম বা গণমুখী বা সমঅনুভূতির সমবেদনার রাজনীতির সাংগঠনিক মৃত্যু ঘটলেও, তার প্রভাব যেন পুরো মিটছে না। আসলে গণতন্ত্রকেই দেখা হচ্ছে উন্নয়নের পথে বাধা হিসেবে।
    ব্যক্তিগত ভাবে নাগরিকদের পক্ষ থেকে বাম ও ধর্মনিরপেক্ষ, সার্বিক পরিবেশবান্ধব মানোবন্নয়নকামী, কল্যাণধর্মী রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সমর্থক, প্রগতিশীল অন্তর্ভুক্তির পক্ষের রাজনৈতিক দলগুলির প্রার্থীদের নির্বাচনী তহবিলে সাহায্য করার জন্য একটি ফান্ড গড়ে উঠলে ভালো হয়। আইনজীবী, চার্টার্ড আকাউন্টান্ট, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, বিশিষ্ট পরিবেশবিদ ও মানবাধিকার কর্মীরা এবং সংস্কৃতিকর্মীরা এগিয়ে এলে ভালো হয়। কি ন্যূনতম শর্তে, যেমন ইলেকটোরাল বন্কোডে সুবিধা প্রাপ্ত দলের প্রার্থীকে ধরনের প্রার্থীকে কি ভাবে নির্বাচনী সাহায্য করা হবে উদ্যোগটি আদৌ গড়ে উঠলে তার পরে আলোচনা করা যেতে পারে। আপাতত এটি এমনকি ব্যক্তিগত স্তরে ও অনালোচিত ব্যক্তিগত আবেদন মাত্র।
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ২৩ মার্চ ২০২৬ ১৯:২২747097
  • কিসে কিসে পয়সা দে ওয়া উচিত ঃ 
    উদামাত্রঃ 
    সাত কোটি চৌষট্টি লক্ষ থেকে ভোটার কমোছে দু ধাপে, প্রথমে ম্যাপিং এ আটান্ন লক্ষ, তারপরে আরো পাঁচ লক্ষ নেট ম্যাপিং এ, তারপরে ষাট লক্ষ লজিকাল ডিসক্রিপান্সিতে। যদি এর মধ্যে কিছু লোকের সমাধান হয়েও যায়, তাও সত্তর লক্ষ লোক বিপদে পড়ব। তার মধ্যে আশা করি অন্তত কুড়ি থেকে পঁয়ত্রিশ লক্ষ লোক ও যদি লিগাল হেল্প চায়, মানুষের ভাবা উচিত কিভাবে হেল্প করবেন, কারণ ছ কোটির উপরে ভোটার তো বেঁচে আছেন। এমন কি যাঁরা মনে করেন এসআইএর দুর্দাম্ত দেশের উপকার হয়েছে তাঁদের পরিবার পরিজন বন্ধুও তো অন্যায়ভাবে বিপদে পড়তে পারেন। অতএব নাগরিকের ভাবা দরকার বিপদে পড়া প্রতিবেশীকে কিভাবে সাহায্য করব। বা তাদের কথা যে বলছে তাদের কি ভাবে সাহায্য করব।
  • albert banerjee | ২৪ মার্চ ২০২৬ ১৯:৫৫747108
  • এটা ভাব্বার বিষয়। এবং গুরুত্বপূর্ণ তো বটেই।
  • তরমুজ | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:৪৩747206
  • প্রস্তাবগুলি রাজনৈতিক না হয়ে সামাজিক হওয়া উচিৎ। এবং সমস্যা শুধু এস আই আর ভিত্তিক হবে, এমন ধারনা ভুল। বিজেপি যদি রাজ্যে আসে তাহলে আস্তে আস্তে অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক, সামাজিক প্রতিবন্ধকতা শুরু হবে। এখন এই কথাগুলো অনেকের অবাস্তব মনে হবে। কিন্তু সময় হলে মিলিয়ে নেবেন। এবং এর কোপ যে শুধু এস আই আর-এর ফলে প্রভাবিত মানুষের উপর পড়বে, সে রকমটা একদমই না। যদি বিজেপি না আসে। তাহলে রাজ্য সরকার সরকারি সহায়তায়, এস আই আরের দ্বারা প্রভাবিত মানুষকে বের করে আনতে পারবে। আর কেউ যদি ভাবে এখন ট্রাইবুনালের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পেয়ে বিজেপি বিরোধী ভোট বাড়ান যাবে। সে ধারনা ভুল। কারন এখন সময় বড় কম। অন্য দিকে যারা এখন ট্রাইবুনালে ছাড় পাবেন, তারা ভোট দিতে পারবেন কি না। তাই নিয়ে ধোয়াশা। এর ফলে যেটা হবে সেটা হল, বিজেপি ট্রাইবুনালে ছাড় পাওয়া লোকেদের ভোট গুলো ছাপ্পা মারবে। এই সব কর্মকান্ডের পিছনে বিজেপির মূল উদ্দেশ্য কিছু সস্তার শ্রমিক তৈরি করা। এবং শ্রম বাজারে শ্রমের মূল্যকে কমিয়ে আনা। সামন্ত তান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকে সমাজ যে এগোচ্ছে এগুলি তার চিহ্ন। এগুলো চলতে থাকলে দেখবেন, এমন এক সময় আসবে যখন দেশের নাগরিকদের তুলনায় বেনাগরিকদের কাজ পেতে সুবিধা হবে। সর্বভারতীয় স্তরে লড়াই ছাড়া এর কোন বিকল্প নেই। আর যারা সর্বভারতীয় ক্ষেত্র থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বাংলাকে নিয়ে চিন্তিত। আমার মনে হয় তারাও বিজেপির সহায়ক(সজ্ঞানে বা অজ্ঞানে)। কারন এর মাধ্যমে বিজেপির কিছু সুবিধা হয়। যেমন কংগ্রেস আমলে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে যে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছিল, তাকে নস্যাৎ করা(বর্তমানে দেশের অর্থনীতি যে টুকু টিকে আছে, সেটিও এক সময়ের কংগ্রেসী নীতির কারনেই)। বিজেপি 2014 য় ক্ষমতায় এসে দেশের অর্থনৈতিক যে বিপর্যয় ঘটিয়েছে, তা মোকাবিলা করার বদলে এই ধরনের রাজনীতি করে, মানুষকে অশিক্ষিত বানিয়ে রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এবং একই সাথে রাজ্যে রাজ্যে বিরোধ বাধিয়ে 'ডিভাইড অ্যান্ড রুলের' পরিকল্পনা। এই সমস্যাগুলি সর্বভারতীয় স্তরেই মোকাবিলা করতে হবে। কারন আর অন্য কোন বিকল্প নেই। সে জন্য লড়াই যেটা মনে হচ্ছে, তার থেকে অনেক বড়। সে ক্ষেত্রে আপনার দেওয়া প্রস্তাবে কোন ভুল নেই। কিন্তু রাজনৈতিক না হয়ে সামাজিক হওয়া উচিৎ।
  • albert banerjee | ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১১:০০747208
  • তরমুজ ধন্যবাদ এই লেখা ​​​​​​​টি পড়ার জন্য।
  • albert banerjee | ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১১:২২747209
  • তবে সমাজ তো রাজনীতির একটা অংশ ছাড়া কিছু নয় ওই মানুষ গুলোর কিহবে ?
  • albert banerjee | ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৫৩747210
  • অবরুদ্ধ নাগরিকত্ব, গণতন্ত্র ও কল্যাণ রাষ্ট্র: একটি বামপন্থী অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ [ট্রটস্কাইট]

    অবরুদ্ধ নাগরিকত্ব, গণতন্ত্র ও কল্যাণ রাষ্ট্র: একটি বামপন্থী অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণবিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার অধীনে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৯১ লক্ষ নাম আকস্মিকভাবে মুছে ফেলাটা ভোটার তালিকা “পরিষ্কার” করার একটি প্রশাসনিক অনুশীলনের চেয়ে অনেক বেশি কিছু। এটি একটি গভীরতর রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক প্রকল্পের সর্বশেষ বহিঃপ্রকাশ: অধিকার হিসেবে নাগরিকত্বের পদ্ধতিগত দুর্বলীকরণ, স্বাধীনতা-পরবর্তী কল্যাণ রাষ্ট্রের বিলুপ্তি এবং সস্তা, অধিকারবঞ্চিত শ্রমের এক বিশাল সংরক্ষিত বাহিনী তৈরি করা। গুরুচণ্ডালী.কম-এর মতো ফোরামে উত্থাপিত উদ্বেগগুলি এই আশঙ্কাকে নির্ভুলভাবে তুলে ধরে। বামপন্থী অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে, এই ঘটনাটিকে বৃহত্তর নব্য-উদারনৈতিক এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদী এজেন্ডা থেকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা যায় না, যা গত তিন দশক ধরে ভারতের রাজনৈতিক অর্থনীতিকে নতুন রূপ দিয়ে আসছে।মূলতঃ, এই প্রক্রিয়াটি সমসাময়িক পুঁজিবাদের ভারতীয় রূপের যুক্তিকেই প্রতিফলিত করে। বিপুল সংখ্যক দরিদ্র, অভিবাসী এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে “সন্দেহভাজন নাগরিক” হিসেবে চিহ্নিত করার মাধ্যমে রাষ্ট্র মজুরি দমন এবং শ্রম নমনীয়তার জন্য এমন পরিস্থিতি তৈরি করে, যা কর্পোরেট পুঁজি দাবি করে। তিন দশকের উদারীকরণ ও বেসরকারীকরণের ফলে ইতোমধ্যেই বিপর্যস্ত কল্যাণ রাষ্ট্র আরও অন্তঃসারশূন্য হয়ে পড়ছে। যখন নাগরিকত্বই শর্তসাপেক্ষ হয়ে ওঠে, তখন এমজিএনআরইজিএ, গণবন্টন ব্যবস্থা, ভর্তুকিযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষার সুযোগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংকুচিত হয়ে যায়। এর ফল হলো শ্রমের এক চিরায়ত সংরক্ষিত বাহিনী—যা খণ্ডিত, ভীত এবং সর্বনিম্ন মজুরিতে সহজলভ্য—ঠিক সেই ফলাফল যা নব্য-উদারনৈতিক পুঁজিসঞ্চয়নের জন্য অপরিহার্য।অবিলম্বে করণীয় কাজটি সুস্পষ্ট এবং অনস্বীকার্য।

    রাষ্ট্রকে সার্বজনীন নথিপত্রের সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে: প্রত্যেক বাসিন্দার জন্য বিনামূল্যে জন্ম সনদ, আধার হালনাগাদ, স্কুল-ত্যাগের সনদ এবং অন্যান্য প্রমাণপত্র প্রদান। বিক্ষিপ্ত দাতব্য অনুদানের পরিবর্তে সরকারি অর্থায়নে পঞ্চায়েত ও পৌরসভা পর্যায়ে আইনি সহায়তা শিবির স্থাপন করতে হবে, যাতে কোনো নাগরিককে নিজ খরচে নিজের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য হতে না হয়। এটি কোনো পরোপকারের কাজ নয়; এটি একটি গণতান্ত্রিক কল্যাণ রাষ্ট্রের ন্যূনতম কর্তব্য।

    গুরুচণ্ডালী আলোচনায় প্রগতিশীল প্রার্থীদের জন্য উত্থাপিত নাগরিক-অর্থায়িত সমর্থনকে একটি আরও কাঠামোগত দাবিতে রূপান্তরিত করতে হবে: নির্বাচনের জন্য প্রকৃত সরকারি অর্থায়ন। নির্বাচনী বন্ড পর্বের পরেও কর্পোরেট অনুদানের প্রভাব গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বিকৃত করে চলেছে। উচ্চতর সম্পদ কর, উত্তরাধিকার কর এবং একটি আরও প্রগতিশীল কর্পোরেট কর ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থায়িত একটি জাতীয় নির্বাচন তহবিল প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রকে সমতল করবে। তখন প্রগতিশীল, ধর্মনিরপেক্ষ এবং জনকল্যাণমুখী প্রার্থীরা তাদের পৃষ্ঠপোষকদের অর্থের গভীরতার পরিবর্তে নিজেদের আদর্শের শক্তিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। পূর্ববর্তী কমিটিগুলোর সুপারিশ অনুযায়ী, বিনামূল্যে প্রচারের সুযোগ, পোস্টার ও নির্বাচনী সামগ্রী মুদ্রণের মতো আংশিক রাষ্ট্রীয় অর্থায়ন একটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ হিসেবেই রয়ে গেছে।

    তবে, দীর্ঘমেয়াদী সমাধান নিহিত রয়েছে খোদ কল্যাণ রাষ্ট্রের বলিষ্ঠ পুনর্গঠনের মধ্যেই। এর জন্য প্রয়োজন:• এমজিএনআরইজিএ-কে নিশ্চিত ২০০ দিনের কর্মসংস্থানে এবং শহরাঞ্চলে প্রসারিত করা;
    • স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় সরকারি ব্যয় যথাক্রমে জিডিপির কমপক্ষে ৩ শতাংশ ও ৬ শতাংশে উন্নীত করা;
    • সার্বজনীন খাদ্য নিরাপত্তা ও মৌলিক সামাজিক পরিষেবা নিশ্চিত করা;
    • যৌথ দরকষাকষিকে দুর্বল করে এমন শ্রম আইন বাতিল করা এবং ট্রেড-ইউনিয়নের অধিকার পুনরুদ্ধার করা;
    • অর্থবহ ভূমি সংস্কার বাস্তবায়ন করা এবং ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) নিশ্চিত করা যা প্রকৃতপক্ষে কৃষকের কাছে পৌঁছায়।এগুলো কোনো অবাস্তব দাবি নয়; বরং এগুলো সেই পরীক্ষিত উপায়, যার মাধ্যমে অন্যত্র সমাজ-গণতান্ত্রিক ও বামপন্থী সরকারগুলো লাগামহীন পুঁজির আগ্রাসন থেকে গণতন্ত্র ও শ্রমজীবী ​​জনগণ উভয়কেই রক্ষা করেছে।আদতে, বাংলা-কেন্দ্রিক প্রতিক্রিয়া অপর্যাপ্ত প্রমাণিত হবে। মজুরি দমন এবং বেছে বেছে ভোটাধিকার হরণের যুক্তি সর্বভারতীয়। কেবলমাত্র বিভিন্ন অঞ্চলের শ্রমিক, কৃষক, ছাত্র এবং সাংস্কৃতিক কর্মীদের একটি ব্যাপক ও ঐক্যবদ্ধ ফ্রন্টই প্রয়োজনীয় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। নাগরিকত্বের সংকটটি আদতে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রেরই সংকট। যদি কল্যাণ রাষ্ট্রকে রক্ষা ও প্রসারিত করা না হয়, তবে তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কোনো প্রচেষ্টাই ভারতীয় গণতন্ত্রকে বাঁচাতে পারবে না। প্রজাতন্ত্রের সামনে আসল পছন্দটি হলো একটি সংকীর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদী নব্য-উদারনীতিবাদ এবং এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, সমতাবাদী রাজনৈতিক অর্থনীতির মধ্যে, যা শ্রম ও নাগরিককে কেন্দ্রে স্থাপন করে। দ্বিতীয় পথটি কেবল কাম্যই নয় — এটি এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।

     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন