সাঁঝবাতির রূপকথারা : হরিদাস পাল
বুলবুলভাজা | আলোচনা : বিবিধ | ২৮ ডিসেম্বর ২০০৮ | ৯২৫ বার পঠিত
সাঁঝবাতি আর রূপকথার মধ্যে নাড়ির টান। সন্ধেবেলায় যখন ঘরের আঙিনায় ছায়ারা গাঢ় হয়ে আসে, জ্বলে ওঠে সাঁঝবাতি, একের পর এক, তখনই জন্ম নেয় রূপকথারা। জন্ম নেয় ঠাকুরমার কাঁপা-কাঁপা গলার ওঠাপড়ায়। আর খোকাখুকুরা শোনে,চোখের পাতায় নেমে আসা ঘুমের ঢেউকে তাড়িয়ে দিয়ে। চোখের মণি বড় বড়, বেড়ে গেছে বুকের ধুকপুকুনি। রূপকথা ভয় পাওয়ায়। ঠাকুমা দেখেন নাতিনাতনির চোখে ভয় ঠাঁই করে নিয়েছে। রাক্ষস - খোক্কসের দল ঘিরে ফেলেছে বাড়ি। এবার ঠাকুমা গলার স্বর পাল্টান - কে জাগে? লালকমল না নীলকমল? খোকা-খুকু জেগে আছে। এবার ওরা প্রাণপণে প্রার্থনা করে-- সময় নেই, সবাই জাগো। জেগে ওঠো লালকমল, ঘুমিও না নীলকমল। রূপকথা জাগতে শেখায়। এবার রাক্ষ্স-খোক্কসের দলের হারার পালা। নীলকমলের হাতে আছে এক আশ্চর্য তলোয়ার। ঠাকুমা বলে দেন--- কোন সরোবরের মাঝখানে কোন স্ফটিকস্তম্ভের মধ্যে লুকোনো রয়েছে রক্ষরাজের প্রাণভোমরা। এবার রূপকথা মারতে শেখায়।
"প্রহার'' ও "এ ওয়েন্স ডে'' : ঈশ্বর-ঈশ্বর খেলা : হরিদাস পাল
বুলবুলভাজা | আলোচনা : বিবিধ | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ | ৯৪৭ বার পঠিত
শিব্রাম চক্কোত্তি মশাইয়ের "কিশোর সংকলন''এ ছিল একটি অনন্য স্বাদের কবিতা। ছোট্ট মেয়ে শিবি কিছুতেই "পৃথিবী'' বানান লিখতে পারছে না। ওর খামখেয়ালে ওটা কখনো হচ্ছে পৃথীবী, কখনো পৃথিবি বা কখনো প্রিথীবি। অনেক চেষ্টার পর ও অনায়াসে বলে- " --- থ'য়ে হ্স্বই, বয়ে হ্স্বই বসিয়ে দেব 'থিবি' "। তখন হতাশ গুরুজন ওকে বোঝান যে "পৃথিবীর একটা নিজস্ব নিয়ম আছে। তুই সেটা না বুঝে পৃথিবীকে ইচ্ছেমত বানাতে পারিস নাকি? কেন নয়? শিবি পাল্টা প্রশ্ন করে --
"যেমন করে কার্ল মার্কস্, বুদ্ধ, লেনিন, গাঁধি। ---- আরও অনেকে, ইত্যাদি, আমিও যদি তেমনি করে বানাই?''- প্রশ্ন করে শিবি।