একখানা গল্প শুরু হবে। ঠিক কোথা থেকে কবে যে শুরু হবে, জানা নেই। কারণ এই গল্পের না আছে স্থান, না আছে কাল, না আছে পাত্র। যেভাবে ভালোবাসা আর ঘৃণা বেড়ে ওঠে একই দেহে একই সঙ্গে পাশাপাশি, চুপচাপ, অন্তরালে। যেভাবে চুমু খাওয়ার জন্য ঠোঁট খোঁজে অন্য ঠোঁট গোপনে। যেভাবে মন খোঁজে অন্য মন ইশারায়, কখনও বা সজ্ঞানে। ঘুম ছিল। চাঁদ ছিল। আর ছিল মেঘ। মা ছিল। কথা ছিল। অছিলা ছিল। বারান্দা ছিল। ভাবনা ছিল। অভাবনা ছিল। সুন্দর ছিল। অসুন্দর ছিল। ছবি ছিল। এই যেমন:১) মেঘ উঠলে বৃষ্টি শাড়ি পরতো ছাই রঙের। ২) রোদ হাসলে ছায়া উড়ে যেতো নদীর জলে। ৩) ঘাস দুললে ফুটবল দৌড়োতো ... ...
তারপরে মেঘ অনেক দূরে...তোমার মন তো অন্য চোখে। একাই এখন বাতাস ধরি,তোমার প্রতি শ্রদ্ধা তো নেই।তবুও তোমায় ভাবছি এখন,আমার কোনও দোষ ছিল কি?তোমার কাছে যত্নে ছিলাম–হয়তো এখন বিতৃষ্ণা হয়। এই শরৎে ছাতিম পেয়ে–ভুলছি তোমার মাতালহাওয়া। তুমি আমায় মারো, পেটাও–তবুও তোমায় চাইছি জানো?অনেক রাতে তোমার কথা...কেবলমাত্র তোমার কথা, মনে পড়লে একলা লাগে...বুঝবে না আর আমার ব্যথা?ভালো থাকো, খারাপ থাকো...প্রতিষ্ঠা বা ব্যর্থতা পাও—আমার কথা ভুলতে পারো,তোমায় ভাবলে একলা লাগে।তুমি তো আর ফিরবে না, হুঁ? ... ...
একটা সময় আসে। যখন ফুল ফোটে। ফুল মরে। বৃষ্টি আসে। বৃষ্টি যায়। মানুষ জন্ম নেয়। মানুষ ভালবাসে। খুন করে মানুষকে মানুষ। মানুষের খুন দেখে অন্য মানুষে হাততালি দেয়। সময় শুরু হয় সময়ের ভেতরে। একটা সময় আসে। যখন ক্লান্তির বদলে অভিশাপ কুড়োয় বর্তমান। যখন ঘৃণার বদলে মানুষ রক্তের প্রেমে পড়ে। এইসব আসে। এইসব যায়। একটা সময় আসে, যখন সবকিছু হ’য়ে গেছে জানতে পেরে অনুপ্রেরণা আত্মহত্যা করে। ... ...
জীবন যাকে Knock করেছে মনখারাপের দিনে–তার দু’টো পা শোক করেছে পথিক হওয়ার টানে।জীবন চলে Short-term এ তার চরিত্রহননে...উপায় যাকে Blame করেছে কাব্যে ওড়ার দিনে–ঠোঁট শুধু তার প্রশ্ন খোঁজে জবাবীয়টোনে। উপায় দ্যাখে Long drive এ সুবিধা কোনখানে...জীবন যাকে ট্যাগ করেছে লাইক পাওয়ার নামে–তার দু’পাশেই ছড়িয়ে পড়বে চোরের বদনামে। জীবন তাকে ফিরিয়ে আনবে পরিশ্রমীর ঘামে...Slow motion এ চলবে বাতাস নারকীয় ভানে ... ...
পূর্ণতা পায় লেখা। কঠিন কিছু শেখা। মৃতসোপান জুড়োয়।কাজ এনেছি পায়ের কাছে। সকাল হল, তুই ওঠ। ষড়যন্ত্র আপদ। পদোন্নতি বিপদ। দখিনাঠোঁট ভাসে। অহংকারীর ইচ্ছেমুঠো অরণ্যবাতাসে...শংসাপত্র লাজুক। মেঘের অধীর অসুখ। মাত্রামুক্ত হাসি। স্বপ্নে আসে শোকের দৃশ্যে বান্ধবী বানভাসি। শনাক্ত জরুরি। সময় দেখায় ঘড়ি। বিচিত্রনয়না। মিলিয়ে দেবে শূন্যকে ছাই অসহ্যকলতান... ... ...
যন্ত্রণা নেই। মন্ত্রণা নেই। কল্পনা নেই কোনও। সব চিন্তার বিকল্প তাই ঘোর সরলীকরণ। মন রাখা নেই। মন দেওয়া নেই। মন জানা নেই কোনও। রোববারেও উপায় বলতে সেই অনর্থমরণ। সত্যিও নেই। মিথ্যেও নেই। নেই চরিত্র কোনও। বাঁক ঘুরলেই দিচ্ছে উঁকি হঠাৎ সূর্যতোরণ। সখ্যও নেই। তর্কও নেই। আলসেমি নেই কোনও। খেয়ালবেলার অস্থিরতায় সারথি পায় দোলন।প্রশংসা নেই। অবজ্ঞা নেই। শত্রুতা নেই কোনও।সাফল্য আর ব্যর্থতা তো আমৃত্যু সাধারণ। ... ...
চরিত্রহীন মেঘগুলোকে প্রেম শেখাচ্ছে ওই তরুণী...এই শরৎে ভাবনা ছাতায়। বৃষ্টি তবু একফোঁটা নীল। ঢলে পড়ছে অজস্র ঠোঁট রঙিন মনের গোপনরেখায়...তোমার কোনও পছন্দ নেই। পছন্দ তাও তোমার সেতার। রাতখাবারে অফিসমায়ের হাস্যমুখের প্রতিচ্ছবি...শ্রীমল্লারের নতুন লেখায় সাড়ে সাতি চলছে শনির। ... ...
—“I was just fucking around all this while.”আগে তো শোন একটিবারমাথা গরম করিস নাআমার দিকটা একটু বোঝতুই তো তেমন নোস অবুঝ —“Go run back to the bastard who fucked you.” তেমন ভুল তো করিইনিআমার কাছে তুই ঋণীআমার দিকটা একটু বোঝ,পরিস্থিতির চাপ থেকেই... —“Here, take your fucking condom and piss the fuck off. I don't wanna see your face.” নাহ্ রে নাহ্ একটু বোঝচাই না হতে আর সহজএকটু বোঝ... শোন তবে–কোথায় আসব এবার রোজ? ... ...
আকাশ ছিল আহাম্মকবাতাস ছিল হিংসুটেহারিয়ে গেছে নতুনপথহার মেনেছে নিন্দুকে যুগের সঙ্গে তাল মেলাইছন্দে ভাঙছি আলসেমিপ্রেমের দিকেই হাত বাড়াইপালক ওড়ায় সব শালিখ এখন দেখি গালটা পাতছোট্ট একটা kiss করিএক বিছানায় একটা রাত—ঘুমোবি আয় বান্ধবী ... ...
বোঝাতে পারি না যে, কান্না কোন দেশ থেকে আসে... সে অপূর্ব দিনগুলো, আমার মুহূর্তেরা অবিলম্বে ঘটনার চেয়েও দীর্ঘ ছায়ার আবদার করতো। কান্না, এসো—সংঘর্ষের হোমানলে। জীবনযাপনে ক্লান্তিশোক এসেছে। আমার ঘুম পায়, অল্পতে হেরে আসা মন নিয়েকবিতার কাছে ফিরি। দেখি, কবিতা পালিয়ে গেছে। পালিয়ে গেছে এমন এক ছেলের সঙ্গে—যার জীবনে অনিশ্চয়তা নেই। আজ যারা কোনও না কোনওভাবে আমাকে চেনে, দশ বছর পরে কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেলে সেইসকল মানুষ আমার লেখা পড়বে তো? ইচ্ছে করছে, বেকার যুবক হয়েই কবিতা লিখে চলি যতদিন আছি। যতদিন বাঁচি, মরে থাকার পরে! ... ...