এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বাঁকিহাটের ঢাকি - ২

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০১ অক্টোবর ২০২৬ | ৮৮ বার পঠিত
  • ১ | ২
    ( ২ )

    দোতলার ঘরে বসে থাকা গৌরীশঙ্করবাবুর বুকের রক্ত চলকে উঠল। তিনি হুড়মুড় করে নীচে উঠোনে নেমে এলেন। উঠোনে বহু লোকজন আত্মীয়স্বজনের ভিড়। একচালার একপাশে চারটে ঢাকি ঢাক বাজাচ্ছে। তার মধ্যে একটা নুয়ে পড়া অথর্ব বুড়ো। চোখ বুজে মাথা নীচু করে মাটিতে দাঁড় করানো ঢাকে কাঠি মারছে। ঢাক কাঁধে নেবার মতো বল বোধহয় শরীরে নেই। কাঠির বোলগুলো ঢাকের চামড়ায় না, গৌরীবাবুর হৃদপিন্ডে গিয়ে আছড়ে পড়তে লাগল। তার মনে হতে লাগল এই বাড়ির প্রতিটি ইঁট পাথর যেন বহুযুগের ঘুম থেকে জেগে কান পেতে উঠে বসল। তিনি ঘোর লাগা চোখে মেঘমেদুর দৃষ্টিতে বিহ্বল হয়ে তাকিয়ে রইলেন এক বুড়ো ঢাকির দুহাতের দুটো কাঠির দিকে। শরতের ভোরে শিশির ভেজা শিউলি ফুল অবিশ্রান্ত ঝরে যেতে লাগল গৌরীবাবুর চোখের সামনে।

    মোহিত উকিলের ছেলে সুকল্যান গৌরীশঙ্কর চৌধুরীর পাশে এসে দাঁড়াল নি:শব্দে। তার মনে হল তার চেষ্টাটা সার্থক হয়েছে। ভাবল, বশিষ্ট শুধু বাঁকিহাটের নয়, তার মুখও উজ্জ্বল করল।
    সারা পরিপার্শ্ব নিতল এক কম্পনে ভরিয়ে রেখে একসময়ে বশিষ্টর ঢাক নীরব হল। গৌরীবাবু দ্রুতপায়ে এগিয়ে গিয়ে আবেগের উত্তাপমাখা দুহাত দিয়ে বশিষ্টর দুহাত চেপে ধরলেন।
    ঘটনাক্রমে সাজ্জাদ ওখানে চুপিচুপি এসে হাজির হয়েছিল বশিষ্টর পিছু পিছু। সে এক পাশে দাঁড়িয়ে মন দিয়ে কান্ডকারখানা দেখছিল। সে এবার ঝোলা থেকে তার সানাইটা বার করে ফুঁ দিল। ঊষার আকাশ চোঁয়ানো মাড়োয়ার মনোরম ঢেউ সহসা শুভ্র বকপাঁতির মতো ভেসে বেড়াতে লাগল অমল বাতাসে।

    বশিষ্টর দুহাত বাক্যহারা গৌরীশঙ্কর চৌধুরীর দুহাতে আটকেই রইল। তিনি নির্নিমেষে সাজ্জাদ আর বশিষ্টর দিকে তাকিয়ে রইলেন।

    কি জানি কি কারণে অথর্ব বশিষ্টর চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়তে লাগল তার দু গাল বেয়ে।

    ★★★★★★★

    ট্রমবোন, স্যাক্সোফোন, চার রকমের ড্রাম, পাঁচরকম পার্কাশান, স্প্যানিশ গীটার ..... সে এক এলাহি হৈ চৈ। কনসার্ট শোনা তো পরের কথা শুধু ইন্সট্রুমেন্ট দেখলে তাক লেগে যাবে।
    অল বেঙ্গল ইন্সট্রুমেন্টাল কনসার্ট কনটেস্ট। সব বাঘা বাঘা আলোকোজ্জ্বল গ্রুপ রবীন্দ্রসদনের বাইরে ছড়ানো সামিয়ানার নীচে। পনেরটা গ্রুপ স্টেজে ওঠার আগে নিজেদের মধ্যে নিমগ্ন রিহার্সালে ব্যস্ত। সুরের মেলা। এক সুরের সঙ্গে আর এক সুর মিলে মিশে যাচ্ছে। রবীন্দ্রসদন চত্বর এখন ভরভূর নানা বাজনার ধ্বনি মূর্ছনায়।

    শিশিরবিন্দু বশিষ্ট, তার তিন ছেলে আর সাজ্জাদকে নিয়ে সামিয়ানার একপাশে দাঁড়িয়ে ছিল। বশিষ্ট নিয়ে এসেছে তার ঢাক, সাজ্জাদের ঝোলায় আছে সানাই আর শিশির নিয়ে এসেছে একটা মাউথ অর্গ্যান। এটা তার নিজস্ব। ভাড়া করা নয়। অনেক কষ্টে টাকা জমিয়ে ওটা কিনেছিল পার্ক সার্কাস থেকে। ব্যস্ ... এই। আর কিছু নেই। শিশির তাদের গ্রুপের নাম রেখেছে ‘বশিষ্ট’।
    শিশির দেখতে পেল দূরে .... ওই ওপাশে, সামিয়ানার একধারে সিম্ফনির লোকজন হাজির হয়েছে। তীর্থঙ্কর সেনকে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে এখান থেকে। ব্যাপক ইন্সট্রুমেন্ট নিয়ে এসেছে। নানা তদারকিতে ভীষণ ব্যস্ত। শিশিরের চোয়াল শক্ত হয়ে উঠল। সে বশিষ্ট আর সাজ্জাদের দুটো কাঁধ খামচে ধরল। ওদের চোখে গনগনে চোখ রেখে বলল, ‘আজ যেন শুধু আমাদের দিন হয় আর সবাইকে ঝড়ে উড়িয়ে দিয়ে .....জীবন বাজি রইল.....’।

    রবীন্দ্রসদনের প্রেক্ষাগৃহ লোকে ঠাসা। শুরু হয়ে গেল কনসার্টের প্রতিযোগিতা। নানা বাজনার সুরে তালে লয়ে ছন্দে রবীন্দ্রসদন অডিটোরিয়াম উচ্ছল স্পন্দনে অনুরণিত হতে লাগল। কয়েকশো শ্রোতার মধ্যে অনেকে প্রাণবন্ত সুরের দোলায় দুলতে লাগল। আবার অনেকের মনে কোন কনসার্ট তেমন দাগ কাটল না। তারা নির্বিকার বসে রইল। সত্যিই তো নানা রুচির লোক নিয়েই তো এ জগৎ। আর, বিচারকদের মনের কথা পড়া বড় শক্ত।

    ‘বশিষ্ট’ গ্রুপের ডাক পড়ল সবার শেষে। উদ্যোক্তাদের কোন দোষ নেই। শিশির নাম এন্ট্রি করেছে অনেক দেরিতে, সবার শেষে। জৌলুসহীন কটা লোক সঙ্গে নিয়ে শিশিরবিন্দু স্টেজে উঠল। কয়েকশো লোক অবাক হয়ে দেখল লোকগুলোর সঙ্গে দু একটা ঢাক ছাড়া আর কিছু নেই। তারা কৌতূহলভরে এই অদ্ভুত কয়্যারের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে পপকর্ন চিবোতে লাগল এবং ঘড়ি দেখতে লাগল। ভাবল, এরা শুরু করলেই আস্তে আস্তে বেরিয়ে যেতে হবে। যা যা শোনার সবই তো শোনা হয়ে গেছে। আর সময় নষ্ট করে লাভ কি। কিন্তু সময়ের মহিমা সময়ই জানে। কোথায় যে কার সময় আটকে যায় কে বলতে পারে।

    সাজ্জাদ সানাইটা বার করে ফুঁ দিল। সময় থমকে গেল......। ভোরের আলোর মতো তানের আভা ছড়িয়ে পড়ল প্রেক্ষাগৃহের আনাচে কানাচে। বশিষ্টর হাতের কাঠি ঢাকের বুক ছুঁল। এক এক বোলে বহুযুগের ওপার থেকে যেন স্মৃতির সোনালী ফুলকি ভেসে এসে মুক্ত আনন্দে নেচে বেড়াতে লাগল। শিশিরবিন্দু মাউথ অর্গ্যানে ঠোঁট ছোঁয়াল। ঠিক পনের সেকেন্ডের মাথায় বুড়ো বশিষ্ট ঢাকে কাঠি মারল। গুড় গুড় গুড় গুড় ঝাকক্....। বসন্তের ঝুরো বাতাসে যেন একরাশ বকুল ফুল ঝরে পড়ল।

    প্রায় দশ মিনিট কেটে গেল। হলের মানুষদের পপকর্ন চিবোনো থেমে গেছে। তারা তাদের নিষ্ক্রমণ পরিকল্পনা বাতিল করল। তীর্থঙ্কর একপাশে দলবল নিয়ে বসে আছে। সে রুদ্ধশ্বাস বিস্ময়ে স্টেজের ওপর তাকিয়ে রইল বশিষ্টর দিকে। বশিষ্টর ছেলেরা এখনও হাতে কাঠি নেয়নি। এতগুলো মানুষের মনের তলায় ঘুমিয়ে থাকা সুখ দুঃখ আনন্দ বিষাদের পরতে পরতে সঞ্চারিত হতে লাগল বশিষ্টর শ্রাবণের বৃষ্টিধারার মতো ঢাকের মর্মর।

    সতের মিনিট পরে, নির্ধারিত সময়ের আর যখন তিন মিনিট বাকি তখন বশিষ্টর তিন ছেলে কাঁধে ঢাক তুলে নিল। সম্মিলিত বৃন্দবাদ্যে রবীন্দ্রসদন প্রেক্ষাগৃহের প্রতিটি কোণ মুখর উদ্বেলতায় তরঙ্গায়িত হতে লাগল।

    বাজনা যখন থেমে গেল অডিটোরিয়ামে নেমে এসেছে প্রায় দশ সেকেন্ডের স্নায়ুবিবশা নীরবতা।

    তারপর সহসা জেগে উঠল হাততালি ও সহর্ষ কলরোলের ঝড়। শিশিরবিন্দু, সাজ্জাদ, বশিষ্টরা সরে যাবার পরও তুমুল হর্ষে অনুরণিত হতে লাগল রবীন্দ্রসদনের অডিটোরিয়াম।

    ★★★★★★★★

    কালিপুজোর দিন সকালে শিশিরবিন্দু স্পীড পোস্টে একটা লেফাফা পেল। খামের ভেতর একটা চিঠি।

    কনসার্টের বিচারকদের রায়ে ' বশিষ্ঠ ' গ্রুপ প্রথম স্থান অধিকার করেছে এবং ঢাকবাদক বশিষ্ঠ বাউরি সর্বসম্মতিক্রমে শ্রেষ্ঠ বাদকের পুরষ্কার প্রাপক মনোনীত হয়েছে। পুরষ্কার মূল্য দু লক্ষ টাকা।

    নিজের অজান্তেই শিশিরবিন্দু রায়ের চোখ দিয়ে অবারিত ধারায় জল পড়তে লাগল। না, তীর্থঙ্করের সঙ্গে লড়াইটা জেতার আনন্দাশ্রু নয় এটা। তার বুকে বিষাদের জলদ মেঘ জমে উঠল একথা ভেবে যে, বশিষ্টর সবচেয়ে কাছের মানুষটার প্রাথমিক চিকিৎসায় বড়জোর পাঁচ হাজার টাকা লাগত।

    সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ সাঁকরাইল স্টেশনে খড়গপুর লোক্যাল থেকে নামতে দেখা গেল মোটা পাড়ের ধুতি এবং আর্দির পাঞ্জাবী পরা গৌরীশঙ্কর চৌধুরিকে। সঙ্গে সঙ্গী এক যুবক। প্ল্যাটফর্মে নেমে গৌরীবাবু একজনকে জিজ্ঞাসা করলেন, ' আচ্ছা ভাই ...... ঢাকিপাড়ার বশিষ্ঠ বাউড়ির বাড়ি যাব ..... কোনদিক দিয়ে গেলে সুবিধে হবে ? '
    --- ' ওই ...... ঢাকি বশিষ্ঠ ... বাঁকিহাটের ?'
    --- ' হ্যাঁ হ্যাঁ ..... ও...ই। তা কোনদিক দিয়ে যাব ? '
    লোকটা একটু চুপ করে থেকে বলল, ' সে তো আর নেই .... '
    গৌরীবাবু অধৈর্য কন্ঠে বলেন, ' নেই মানে ! কোথায় গেল ? '
    লোকটা ওপরের দিকে আঙুল দেখিয়ে বলল, ' ওপরে ......। কাল সন্ধে ঠিক ছটার সময়ে ..... হঠাৎ ...... ডাক্তার ডাকার দরকার হয়নি। '

    ( সমাপ্ত )

    .................
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    ১ | ২
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Anjan Banerjee | ০২ অক্টোবর ২০২৬ ২১:০১742931
  • বিন্দুবাসিনী
     
    অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন।