এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা   সমাজ

  • বাংলাদেশ ও হিন্দু সম্প্রদায় 

    দীপ
    আলোচনা | সমাজ | ০৪ আগস্ট ২০২৬ | ৫৬৯ বার পঠিত
  • প্রত্যক্ষদর্শীর দৃষ্টিতে বর্তমান বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়।
    আগ্রহী হলে পড়তে পারেন।
    --------------------------------------------------------------------
    বাংলাদেশে হিন্দুরা বিন্দাস আছে।
    ঐসব মন্দির-ফন্দির ভাঙার গল্প বেশীরভাগই গুজব।
    হ‍্যাঁ, দেউড়ী গ্রামের কালীবাড়ীটা
    পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে ঠিকই।
    কিন্তু দেখেন ম‍্যালা পুরানো সেই মন্দির!
    আমার দাদা - রহিম পাটোয়ারি
    সে নাকি ছোটবেলায় প্রত‍্যেক মঙ্গলবারে
    ভোগের খিচুড়ি খেতে যাইতো সেখানে।
    তো সেই মন্দির না পুড়ালেও
    একরকম পোড়া মন্দিরই তো ছিল।
    এ নিয়ে এতো আদিখ‍্যেতা কেন বাবা!
    হিন্দুরা আরামেই আছে এই দেশে।
    দিব‍্যি খেয়ে-ঘুরে বেড়াচ্ছে।
    আরে জানি জানি,
    মোহন কাকার ১২ বছরের নাতনীটাকে
    রহমত মিয়া তুলে নিয়ে গেছিল -
    এটা পুরান কাহিনী।
    শুনেছি তেজগুলি পাড়ার পশ্চিম কোনায়
    যে পুরানো প্রেসটা আছে
    সেখানেই গলায় গামছা পেঁচায়ে মেয়েটারে মারা হয়।
    আহারে!
    তবে রহমতেরেও দোষ দেই কি করে বলেন?
    অতোটুকু মেয়ে, অথচ কি বাড়ন্ত শরীর।
    আর ঐ দিকে পরিবারের হুস নাই।
    ঐ রকম একটা মেয়েরে কেউ
    বিকেল বেলায় টিউটরের কাছে পাঠায়?
    শত হইলেও রহমত তো পুরুষ!
    হিন্দুরা বেশ সুখেই আছে এখানে।
    বাপ-দাদার জমি কামড়ে পড়ে আছে।
    যদিও এক দুইজন যে
    ভিটা থেকে উচ্ছেদ হয় না তা না।
    তবে ক্ষতি কি?
    এই তো সেদিন বাজারের সাথে লাগোয়া
    সাহা পরিবারের বড় পুকুরটা
    চেয়ারম্যান সাহেব লিখিয়ে নিলেন।
    কখনও কখনও হুমকি-ধামকিও দেয়া হয়,
    ও কিছু না,
    একসাথে থাকলে ওরম একটু হয়-ই
    তাই বলে দেশ ছাড়তে হবে?
    এদের আসলে এক পা ভারতেই থাকে।
    বলছি তো বাবা, হিন্দুরা ভাল আছে।
    একটু আধটু চড়-থাপ্পর,
    “মালুর বাচ্চা” বলে গালি… এসব কিছু না।
    মানছি ৭০ বছরের পরেশ চন্দ্র শীলের গায়ে
    হাত তোলা ঠিক হয়নি।
    কিন্তু আমার কথা হলো নাপিত তুই।
    চুল কাটার কাটবি।
    কাস্টমার যদি ১০ টাকা দিতে না চায়
    তাহলে এতো পিড়াপিড়ির কি দরকার?
    মাত্র তো ১০ টা টাকা।
    এতো বুড়া হইলো, অথচ লোভ কমে না!
    লোভী মানুষরে আল্লাহও পছন্দ করেন না।
    হিন্দুরা সুখে আছে।
    আমরা এখানে মিলে মিশেই আছি।
    আমার জিগরি দোস্তও তো হিন্দু।
    একবার হলো কি শোনেন
    আমার বড় চাচা তাকে খাসির কথা বলে গরু খাইয়ে দিল।
    হা হা হা।
    সে এক মজার গল্প।
    হা হা হা।
    আরেকদিন বলবো নে।
    আজ একটু তাড়া আছে।
    ওপর তলার ভাড়াটিয়া রমলা দেবীর কাছে যাব।
    মহিলা ভাল। কথা শোনে।
    আগে সন্ধ্যা হলেই ঘন্টা বাজাতো।
    না বলাতে এখন আর বাজায় না।
    কিন্তু ঐ ধূপের গন্ধটা ইদানিং
    আমি আর সহ‍্য করতে পারি না।
    দেখি, বারণ করে আসি।
    আসলে কি জানেন?
    এক সাথে থাকতে গেলে
    একটু ছাড় দিয়ে চলতে হয়।
    এমনিতে কিন্তু হিন্দুরা ভালোই আছে এ দেশে।
     
    -ফেসবুক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীপ | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৫:১৯748157
  • পণ্ডিতরা অবশ্য এই লেখাটাও মুছে দিয়েছিলেন!
  • হুহুহু | ০৬ আগস্ট ২০২৬ ০৮:০৩748169
  • দীপ | ১৬ আগস্ট ২০২৬ ১৪:৪৩748205
  • পনেরো মিনিটের মধ্যেই বাড়িটা ঘুরে দেখল কৃষ্ণজীবন। গাঁয়ের বাড়ি যেমন হয় তেমনি। কোনও আলাদা বৈশিষ্ট্য নেই। এ বাড়িতে তাদের চার পুরুষের বাস ছিল। কিন্তু সেই ইতিহাস তো খুঁজে পাওয়া যাবে না কোথাও। শুধু স্মৃতি, শুধু মায়া নিয়ে অপেক্ষা করে থাকে তার বাবা। দেশ বলতেই ভিজে যায় মন।
     
    রজব আলিকে আনোয়ার বোঝাচ্ছিল, ইনি একজন মস্ত মানুষ। চারদিকে নাম। দেশ-বিদেশের পণ্ডিতেরা চেনেন। মোটাসোটা কেতাব লেখেন।
    রজব আলি এ সব শুনে যেন বিগলিত হয়ে যায়। নিজের ছেলেরা সবাই ক্ষেতখামারে কাজ করছে। তাদের ডেকে দেখাতে পারল না বলে দুঃখ করে বলল, আবার আসেন একবার। সারাদিন থাকবেন।
     
    ফেরার সময় কৃষ্ণজীবন উঠোনের বাইরে একটা ঝুপসি আমগাছের নীচে দাঁড়াল। জিজ্ঞেস করল, এটা কি পুরনো গাছ?
    জী। আপনার বাপ-দাদার আমলের। বুড়ো গাছ।
    একটা ছোট পল্লব ভেঙে নেবো?
    রজব আলি শশব্যস্তে বলল, নিশ্চয়ই। দাঁড়ান আমি পেড়ে দিই।
    আমিই নিচ্ছি।
    একটা পাতাসমেত ছোট ডাল গাছ থেকে ভেঙে নিল সে। এটার চেয়ে মহার্ঘ উপহার বাবার জন্য আর ভাবতে পারে না সে।
     
    দু’ দিন বাদে ঢাকা থেকে কলকাতায় ফিরল সে। তারও দু’ দিন বাদে বিষ্টুপুর।
    বিষ্ণুপদ হাঁ করে অবিশ্বাসের চোখে চেয়ে সব শুনল। তার যেন বিশ্বাস হচ্ছে না যে, গ্রামটা এখনও আছে, বাড়িটা আছে। বারবার তাকে স্পর্শ করল হাত বাড়িয়ে। বলল, সব দেখলি, অ্যাঁ! সব দেখলি?
    হ্যাঁ বাবা, সব।
    বল, আরও বল, সব শুনি।
     
    বাবাকে কদাচিৎ এত উত্তেজিত দেখেছে কৃষ্ণজীবন। একটা মানুষের কত টান থাকে তার পূর্বপুরুষের ভিটের ওপর! অথচ সেখানে কীই বা ছিল আলাদা রকমের? কাঁচা বাড়ি, পুকুর, গাছপালা। কিন্তু ওভাবে তো দেখে না মানুষ। তার স্মৃতি, তার মায়া, তার পক্ষপাতই অন্য একটা মাত্রা যোগ করে দেয়। তখন আর সাধারণ একটা বাড়ি সাধারণ থাকে না। হয়ে যায় রূপকথার মতো অলৌকিক।
    উঠোনের বাইরের দিকে একটা আমগাছ ছিল বাবা, মনে আছে?
    হ্যাঁ, হ্যাঁ। মধুগুলগুলি আম। আছে সেটা?
    আছে। তার একটা পল্লব এনেছি আপনার জন্য।
    সাগ্রহে পল্লবটা হাতে নিয়ে মাথায় ঠেকায় বিষ্ণুপদ। কয়েকদিনে পল্লবটা একটু শুকিয়ে গেছে। বিষ্ণুপদ তবু অবাক চোখে পল্লবটার দিকে চেয়ে থাকে। যেন অবিশ্বাস্য কিছু দেখছে।
     
    কৃষ্ণজীবন সারাদিন ধরে বাবাকে ঘুরে ফিরে দেখল। বিষ্ণুপদ বড় নিঃঝুম হয়ে আছে আজ। কথা নেই। স্মৃতির তাড়নায় আজ বিষ্ণুপদ অনেক তফাত হয়েছে।
    নয়নতারা একবার বলল, বড় ভয় লাগছে বাবা। ও যে মুখে একদম কুলুপ এঁটেছে।
    কৃষ্ণজীবন বলল, আজ আর বাবাকে ঘাঁটিও না মা। আপনমনে থাকতে দাও। আজ বড় পিছুটান।
    আম্রপল্লবটা সেই যে ধরে বসে আছে, একবারও ছাড়েনি।
     
    বিষ্ণুপদ ভাতের গরাস নাড়াচাড়া করতে করতে বলল, বুঝলে তুমিই হয়তো বুঝবে। তোমার মন বড় পরিষ্কার। কী জানো, এই চার ধারে যা কিছু আছে সবই যেন মানুষ। গাছটা, মাটিটা, ঘরটা সবই যেন বড় আপনার জন। দেশের বাড়িতে তাদেরই তো রেখে এসেছি কিনা!
    এখানে এসে যে আবার নতুন করে সবাইকে পেলে। গাছ, মাটি, ঘর।
    তা পেলাম। তবু পুরনোরা বেশি টানে। বাপ-দাদার ভিটে। পূর্বপুরুষদের বাস ছিল। ওর রকমটাই আলাদা। এই যে কৃষ্ণ একখানা গাছের ডাল হাতে করে এসেছে, কী বলব তোমাকে, সেই ডালখানাও যেন আমার সঙ্গে কত কথা কইল।
    ওরকম হয়। তা বলে অমন চুপ মেরে যাও কেন? আমার যে ভয় করে।
    ভয়! না, ভয়ের কি? পুরনো সব কথা মনে পড়ছিল। সামান্য সামান্য সব ঘটনা, তুচ্ছ সব কথা। তাই যেন মনটা রসস্থ হয়ে গেল।
    তোমার বড় মায়া গো!
    সেই জন্যেই তো দেহ ছাড়ে না।
    বালাই ষাট। ওসব বলতে আছে?
    কৃষ্ণকে দেশের বাড়ি দেখতে পাঠালাম। তা তার চোখ দিয়ে যেন আমারও দেখা। মনটা কিছু অস্থির হয়েছে তাই।
    হ্যাঁ গো, তোমার যদি এতই মায়া তবে ঘুরে এসো না একবার। আজকাল কত লোক তো যাচ্ছে।
    না না, সে ব্যাপারই নয়।
    কেন বল তো!
    গিয়ে কত পরিবর্তন দেখতে পাবো। সে কি ভাল লাগবে? মনটা খারাপ হয়ে যাবে। আমাদের কোঠাবাড়ি ছিল না, এখন হয়েছে। ঘরদোর, গাঁ সবই পাল্টে গেছে কত। ভাল লাগবে না। মন খারাপ হবে।
     
    বিষ্ণুপদ ঘুরে ফিরে গিয়ে আম্রপল্লবটা দেখে। শুকিয়ে আসছে। তা হোক। ওটার গায়ে যেন পুব বাংলার আকাশ, বাতাস, মাটির রস, গন্ধ, গাঁয়ের ধুলো সব লেগে আছে। আম্রপল্লবটা হাতে নিয়ে মাঝে মাঝে বসে থাকে বিষ্ণুপদ। নয়নতারাকে বলে, হ্যাঁ গো, এটা পুঁতলে কি গাছ হবে?
    তাই কখনও হয়! তুমি তো আমার চেয়ে চাষবাস কম বোঝো না।।
    তা বটে। কলমের গাছ করলে হত। বলে দিলে কৃষ্ণ সেই বাড়ি থেকে একটা গাছের চারাও আনতে পারত।
    ওগো, অত পুরনো আমল আঁকড়ে থাকতে নেই।
    জানি। মনটা বড় উচাটন।
    বিষ্ণুপদ সারা বাড়ি ঘুরে ঘুরে এই আশ্চর্য নির্মাণ দেখে। ভাঙা ঘর লোপাট করে রাজপ্রাসাদ উঠল। দুনিয়াতে এরকমই সব হয় কাণ্ডকারখানা।
     
    ও দাদু! বলে পটল হুড়মুড় করে সাইকেল নিয়ে এসে ঢুকল।
    কি রে?
    চলো।
    কোথায় যাবো?
    পুলিন দাদুর হয়ে গেল।
    পুলিন! পুলিনের কী হল?
    আজ টিউবওয়েল পাম্প করছিল সকালবেলায়। সেইখানেই স্ট্রোক।
    বলিস কি?
    বটতলা থেকে ডাক্তার এসে দেখে বলল, হয়ে গেছে।
    দূর! কী যে বলিস! পুলিন বয়সে আমার ছোটো যে!
    চলো দেখবে।
     
    বিষ্ণুপদর হাতে পায়ে হঠাৎ একটা থরথরানি উঠল। ক্ষীণ গলায় সে ডাকল, নয়নতারা!
    নয়নতারা পান-দোক্তা খাচ্ছিল দোতলার বারান্দায়। ডাকটা শুনতে পেল না। কানে একটু কম শোনে ইদানীং ও। পটল তার হেঁড়ে গলায় ডাক ছাড়ল, ও ঠাকুমা?
    নয়নতারা মুখ বাড়িয়ে বলল, কী রে?
    পুলিনদাদু মারা গেল সকালে। দাদুকে নিয়ে যাচ্ছি।
    সর্বনাশ! বলিস কি?
    বিষ্ণুপদ অসহায় মুখ করে বলল, আমার শরীরটা কেমন করছে। এসো তো!
    নয়নতারা পক্ষিণীর মতো নেমে এল নিচে। বলল, কী হয়েছে তোমার?
    একটু ধরো তো! ঘরে নিয়ে যাও।
    পটল আর নয়নতারা বারান্দা অবধি আনতে পারল বিষ্ণুপদকে। বারান্দাতেই শুইয়ে দিতে হল। হাতে পায়ে কাঁপুনিটাই বড্ড বেশি।
    ওরে, ডাক্তার ডেকে আন।
    পটল গম্ভীর হয়ে বলল, ডাক্তারই তো পটল তুলেছে। বটতলা থেকে মিত্তিরকে ডেকে আনি ঠাকমা?
    তাই যা দাদা। তাড়াতাড়ি যা।
    পটল গেল।
     
    কিন্তু বিষ্ণুপদ ততক্ষণে এগিয়ে পড়েছে অনেক। ধুলোপায়ে রাস্তা হাঁটছে। মাথার ওপর আলোভরা আকাশ, দু’ধারে ধানক্ষেত। খালধার। তারপর গাঁয়ের পথ। হাতে আম্রপল্লবটা ধরা। যাক, বহুকাল বাদে দেশে ফেরা হচ্ছে তাহলে!
     
    [পার্থিব, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়]
  • দীপ | ২৩ আগস্ট ২০২৬ ২২:০০748229
  • "পাকসেনাদের হাতে ধরা পড়েছে বিধবা তরুণী ভাগীরথী সাহা। সে নাকি লুকিয়ে ডাবল এজেন্টের কাজ করছিল, পাকসেনাদের খবর পাচার করছিল মুক্তিযোদ্ধাদের। ধরার পর তাকে নিয়ে এল পিরোজপুর সামরিক ক্যাম্পে। পাকসেনারা এবার ভাগীরথীর উপর তাদের হিংস্রতার আয়োজন করল।
     
    ভিড়ে ভর্তি হাটবারে তাকে শহরের রাস্তায় এনে দাঁড় করানো হল জনবহুল চৌমাথায়। সেখানে প্রকাশ্যে তার কাপড় খুলে ফেলল কয়েকজন খান সেনা। তারপর দু'গাছি দড়ি তার দু'পায়ে বেধে একটি জীপে বেধে জ্যান্ত শহরের রাস্তায় টেনে বেড়াল ওরা মহা উৎসবে। ঘন্টাখানেক রাজপথ পরিক্রমার পর আবার যখন ফিরে এল সেই চৌমাথায় তখনও তার দেহে প্রাণের স্পন্দন রয়েছে। এবার তারা তার দুটি পা দু'টি জীপের সাথে বেঁধে নিল এবং জীপ দুটিকে চালিয়ে দিল বিপরীত দিকে। ভাগীরথী দু'ভাগ হয়ে গেল। সেই দু'ভাগ দু'জীপে আবার শহর পরিক্রমা শেষ করে জল্লাদ খানরা আবার ফিরে এল সেই চৌমাথায় এবং এখানেই ফেলে রেখে গেল সেই বিকৃত মাংসগুলো। একদিন-দুদিন করে মাংসগুলো ঐ রাস্তার সাথেই একাকার হয়ে গেল একসময়। বাংলা মায়ের ভাগীরথী আবার এমনিভাবে মিশে গেল বাংলার ধুলিকণার সাথে।"
     
    দৈনিক আজাদ পত্রিকা।
  • দীপ | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১২:৫৭748240
  • বাংলাদেশের মফস্বল জেলা সদরগুলোতে বসবাসকারী অধিকাংশ হিন্দুকে যদি জিজ্ঞেস করেন, তারা ঠিক কোন সময় থেকে ওই জেলা সদরে বসবাস করেন একটা ইন্টারেস্টিং জবাব পাবেন।
     
    অধিকাংশই বলবে, তারা জেলা সদরে এসেছে ষাট কিংবা সত্তরের দশকে। এর আগে ছিল গ্রামে। এটা ইন্টারেস্টিং। কারণ সত্তরের দশক পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল কৃষি ভিত্তিক। জেলা সদরে তেমন কোন জীবিকা নির্বাহের কাজ ছিল না। জেলা সদরে তখন মানুষ মূলত আসত মামলা-মোকদ্দমা, চিকিৎসা, জামা-খাতা-পেন্সিল কেনা- এসব কাজে।
     
    তাহলে ষাটে আর সত্তরে এভাবে গ্রাম থেকে কৃষিকাজ ফেলে একটা বিরাট অংশের হিন্দু শহরে চলে এল? এর কারণ হল- ওই সময়টায় বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে তৈরি হয়েছিল ঠিক ওই ইউনুস জমানার মত মবের মুল্লুক। পুলিশ নাই। নিরাপত্তা নাই। করিম মিয়ার ইচ্ছা হল সুবল বাবুর জায়গাটা দখল করে নেয়ার। উনি নিয়ে নিলেন। এরপর করিম মিয়ার পোলাদের ইচ্ছা হল সুবল বাবুর সুন্দরী দুটো মেয়েকে তুলে নেয়ার। উনারা তুলে নিলেন।
     
    এর সাথে যুক্ত হয়েছিল আরেক উপদ্রব। ডাকাতের। গ্রামে তখন খুব ডাকাত পড়ত। বেছে বেছে তারা আবার হামলা করতো সামর্থ্যবান হিন্দু বাড়িতে। সোনা দানা লুট করে নেবার পর যাবার সময়ে খু ন করে রেখে যেত পরিবারের সবচেয়ে উপার্জনক্ষম ব্যাক্তিকে। কিংবা চলত ধর্ষণ। তখন লজ্জায়, অপমানে, ভয়ে, আতংকে সেই পরিবারটি দেশ ছাড়ত। একই আতংকে দেশ ছাড়ত আশেপাশের হিন্দু পরিবারগুলোও। এই ডাকাতগুলো-কে কাজে লাগাত ওই এলাকার কোন বদমাশ। যার হয়তো বহুদিন ধরেই নজর ছিল ওইসব হিন্দু সম্পত্তির উপর। ডাকাতরা ডাকাতি করত, আর তিনি সুহৃদ সেজে কিছুদিন পরে এসে বলতেন, 'যদি ভারতে যান, তাহলে জমিটা আমাকেই দিয়ে যেয়েন। আমি ভালো দাম দেব।' যদিও দাম বলতে এখানে নামমাত্র জলের দর বোঝানো হচ্ছে।
     
    আমার মায়ের পরিবার এক সময়ে থাকতো জামালপুর সদর থেকে একটু দূরে আটা বাড়ি গ্রামে। ষাটের দশকেই এইসব উপদ্রবে তারা শহরে চলে আসে। ওই দশকেই আতাবারির গ্রামে তাদের এক জ্ঞাতি বাড়িতে ডাকাত পড়ে। পরিবারের কর্তা ব্যাক্তিটি খু ন হন। পরিবারটি এরপর ভারতে চলে যায়। নিঃস্ব রিফিউজি হয়ে। পরে জানা যায় পুরো ঘটনার পেছনে ছিল- গ্রামের সিরাজ কবিরাজ।
     
    এই সিরাজ কবিরাজের উত্তর পুরুষের লোকেরা হয়তো এখন বলবে, আমার নানা ছিলেন একজন সম্ভ্রান্ত ধনী ব্যাক্তি। কয়েক শ বিঘা জমির মালিক। আসলে তো সেই সব জমির পেছনেই আছে একটা র ক্তাক্ত ইতিহাস।
     
    লিখেছেন Sanjay Dey
    ঘটনা সত্য এভাবেই ৩০% হিন্দু থেকে এখন ৭% এসে থেমেছে এবং একসময় হিন্দু সংখ্যা শুণ্যতে নেমে আসবে।
  • দীপ | ২৫ আগস্ট ২০২৬ ২১:০৬748252
  • বড্ড অবাক হলাম গণপতি চক্রবর্তী বাবুর মত একজন শিক্ষিত মানুষও এদেশে ঘরবাড়ি করার স্বপ্ন এখনো দেখেন! তাঁর বাড়ির বিভিন্ন ভিডিও, ছবি দেখে মনে হোলো বেশ গুছিয়েই তিনি নেমেছিলেন বাড়িটা করতে। তাঁর এক আত্মীয়া ইন্টারভিউতে বলেছেন, গনপতি বাবু অনেক কষ্টে এ বাড়ি করেছিলেন। যে বাড়ি বানানোর জিজিয়া কর দিতে দিতে তিনি অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন।
     
    আমি এমন অনেক হিন্দুকে দেখেছি যারা এখনো গ্রামে বাড়ি করেন, জমি কেনেন, ছেলেকে বুয়েট, চুয়েট, খুয়েট, রুয়েটে ভর্তির স্বপ্ন দেখেন। এই হিন্দুদের বেশিরভাগই হয়তো সমকালীন বাস্তবতা বুঝতে অজ্ঞ, কিন্তু গনপতি বাবুর মত মানুষও কি করে এমন স্বপ্ন দেখতে পারেন তা-ই ভাবছি আমি। এটা কি সত্যিই দেশপ্রেম নাকি মূর্খতা!
     
    গনপতি বাবুর মত একটা বাড়ি বানানোর টাকা জমলে, সেই টাকা দিয়ে বাচ্চাদের বাইরে পাঠিয়ে দিন। পারলে নিজেরাও চলে যান। এদেশের হিন্দু সংগঠনের নেতারা, মন্দির কমিটির সদস্যরা, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা আপনাকে বোঝাবে, না দেশ ছেড়ে যাওয়া যাবেনা, এখানে থেকে লড়াই করতে হবে।
     
    আপনি তাদের কথা ডান কান দিয়ে ঢুকিয়ে, বাম কান দিয়ে বের করে দিয়ে টাকা পয়সা গোছান। কারণ, যাঁরা আপনাকে এসব পরামর্শ দিচ্ছে তাদের লাইন হয়ে আছে। আপনি চলে গেলে ওরা র‍্যালী করার মানুষ কোথায় পাবে? ওদের গুনকীর্তন করার, মহোৎসবে খিচুড়ি খাওয়ার লোক কমে যাবে। ওরা সবাই আপনাকে,আমাকে বাজী রেখে খেলছে। আপনি এদেশে থাকবেন না, চলে যান।
     
    দেশের ইলিশ মাছ, ছায়ানটের রবীন্দ্র সঙ্গীত, রমনার বটমূল নিয়ে বিদেশে বসে কাঁদাকাটি করা যাবে, আগে প্রাণ বাঁচান।
     
    ফেসবুক
  • দীপ | ২৭ আগস্ট ২০২৬ ১০:৫৫748255
  • " পূর্ব পাকিস্তান হওয়ার পর পঁচিশ বছর যাবৎ হিন্দুদের উপর যে অত্যাচার হয়েছে তার বিস্তৃত কাহিনী আজও প্রকাশিত হয় নি। স্বনামধন্য বিপ্লবী ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্তী তাঁর 'জীবনস্মৃতি' গ্রন্থে যে সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়েছেন তার যাথার্থ্য সম্বন্ধে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই।... তাঁর গ্রন্থে তিনি হিন্দুদের প্রতি মুসলমান সরকার ও সম্প্রদায়ের যে অত্যাচারের বিবরণ দিয়েছেন- তার জন্য পূর্ববঙ্গের মুসলমানেরাই যে দায়ী এ সম্বন্ধে কোন সন্দেহ নেই।... যে কারণে তারা তখন হিন্দুদের দূর করে দিতে ব্যস্ত ছিল সে কারণ আজও বর্তমান আছে, এবং বহুদিন পর্যন্ত থাকবে। সেটা হচ্ছে ব্যাক্তিগত ও সম্প্রদায়গত স্বার্থ। অর্থাৎ হিন্দুদের তাড়াতে পারলেই তাদের বাড়িঘর, জমিজমা, নগদ টাকা পয়সা সব অনায়াসে দখল করা যাবে। "
    ডঃ রমেশ চন্দ্র মজুমদার ( জীবনের স্মৃতি দীপে)।
  • দীপ | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৮:০২748383
  • শিল্পী রানী সুশীলকে ছুরিকাঘাতে হত্যা.....
    কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পদ্মপুকুর পাড় এলাকার শীল পাড়ায় নিজ বাসগৃহে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন শ্রীমতি শিল্পী রানী সুশীল।
    ঘটনার প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, আজ সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে দুর্বৃত্তরা তাঁর পেটে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাঁকে দ্রুত চকরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
    নিহত শিল্পী রানী সুশীল কক্সবাজারের মহেশখালীর হোয়ানক পদ্মপুকুর পাড়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এবং পদ্মপুকুর পাড়া সর্বজনীন শ্রী শ্রী কালীমন্দির পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা শ্রী রবীন্দ্র লাল সুশীলের সহধর্মিণী।।
    নিলয় চক্রবর্তী।
    ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং।।
  • দীপ | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:১৫748392
  • বরিশাল প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সমকাল পত্রিকার সাবেক ব্যুরো প্রধান-
    পুলক চ্যাটার্জির মরদেহ উদ্ধার !!
     
    সংবাদসূত্র
     
    একের পর এক ঘটনা ঘটে চলছে!
  • দীপ | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫:৫৩748393
  • "যে বর্বর রাষ্ট্র চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে ওঠা অ্যাডভোকেট আলিফের মৃত্যুর অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি, বিনা বিচারে জেল বন্দী করে রেখেছে তাদের কাছ থেকে কী বা আশা করা যায়?
     
    তাদের এক একটি পোস্টে পৈশাচিক উল্লাস দেখে মনে হচ্ছে চিন্ময়কৃষ্ণের মাথা কে"টে ফেলতে পারলে এই উল্লাসের নিরসন হতো।
     
    চিন্ময়কৃষ্ণের মায়ের মৃত্যুর আগে যে রাষ্ট্র মায়ের সঙ্গে সন্তানের শেষ দেখা করার অনুমতি দেয় না - তাদের জনগণের কাছে কী আর আশা করা যায়?
     
    যে যে পোস্টে এই ঘৃণিত কাজের জন্য প্রতিবাদ করা হয়েছে সেই পোস্টগুলির কমেন্ট বক্স দেখলে বোঝা যায় সেই রাষ্ট্রের নাগরিক পাকিস্তান সেনার জারজ সন্তান।
     
    নইলে এই পৈশাচিক উল্লাস, এই নারকীয় বর্বরতা, এই ঘৃণ্য ধর্মীয় আক্রমণ করার মতো অসুস্থতা একটা গোটা রাষ্ট্র নামিয়ে আনতে পারতো না। এই হা হা রিঅ্যাকশন সাধারণ হা হা নয় - মৃতদেহ পচে গলে গিয়ে নরকরোটির যে দন্তবিকাশ দেখা যায় - এও তেমনি মৃতদেহের নকল হাসি, জাহান্নামের আগুনে পোড়া ইবলিশের হাসি।"
  • দীপ | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:৪২748400
  • দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামী মোহাম্মদ মাসুম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়ার পরও আদালত তাকে এক বছরের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছে!
     
    অথচ চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের অসুস্থ মাকে দেখার জন্য ও সাবেক মন্ত্রী দীপুমনির অসুস্থ স্বামীকে দেখতে আদালত জামিন দেয়নি।
     
    -সুষুপ্ত পাঠক
    ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • দীপ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:২৮748484
  • অনেকেই জানান ভাই বামাতী চিনতে পারি না। খুবই বিভ্রান্ত হই। আসলে বামাতীদের সিজন আছে। সিজন ছাড়া এদের চিনতে পারা একটু মুশকিল। সুখবর হচ্ছে এখন বামাতীদের সিজন চলছে। কাজেই এখন আপনি বামাতী চিনতে পারবেন। এ জন্য আপনাকে যা করতে হবে তা হলো- দুর্গা পূজার সময়ে সারাদেশ থেকে প্রতীমা ভাংচুরের খবর আসছে, জাস্ট এই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন শুরু করেন। ধরেন আপনি কাউকে জিজ্ঞেস করছেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর দুর্গা পুজার সময় হিন্দুদের প্রতীমা ভাংচুর হয়। কেন এসব হয়? যদি সে উত্তরে বলে, ভারতেও মুসলমানদের উপর এসব হয়... তাহলে মোটামুটি ধরে নিতে পারেন মালটা বামাতী!
     
    একজন আদর্শ বামাতী যেরকম উত্তর দেয় সাধারণত-
     
    -বাংলাদেশে পূজার মূর্তি ভাঙা হয় কেন?
     
    -ভারতেও মুসলমানদের সঙ্গে এমন হয়...।
     
    -ভারতে কি ঈদের নামাজে হামলা চালানো হয়?
     
    -কেন তাদের রাস্তা থেকে তুলে দেয় না?
     
    -রাস্তা আটকে নামাজ পড়বে কেন?
     
    -এই তো আইছে হিন্দুত্ববাদী!
     
    -আরে ভাই, মুসলমানদের নামাজ মসজিদ কোথাও কি হামলা হয়?
     
    -কেন যোগীর রাজ্যে কি মসজিদ ভাঙা হয় না?
     
    -সরকারী জায়গা দখল করে বানানো মসজিদ সরানো হয়। সে তো মন্দিরও সরানো হয়েছে।
     
    -এই তো আইছে হিন্দুত্ববাদী!
     
    -আপনি বাংলাদেশের হিন্দুদের পূজার হামলা নিয়ে বলুন।
     
    -এগুলো ঘটলে বিজেপির লাভ। বিজেপি এর রাজনৈতিক ফয়দা লোটে। কাজেই এসব যে দাদাদের দেশের হাত আছে সেকি আর বলে দিতে হবে?
     
    -কিন্তু সব সময় দেখা যায় যারা ভাঙতে যায় তারা তৌহিদী জনতা। এরা বিজেপি করে নাকি?
     
    -এই তো ঠাস করে একটা কথা বলে দিলেন! দেখেন না মাদ্রাসার ছাত্ররা মন্দির পাহারা দেয়? এসব আপনাদের চোখে পড়ে না?
     
    -পাহারা দিতে হবে কেন? পৃথিবীর কোথাও ঈদের নামাজ পাহারা দিতে হয়? দিতে হলেও সেটা পাকিস্তান আফগানিস্থানে লাগে।
     
    -হাহাহা এইসব গান্ডুর মত যুক্তি দিলে হবে? পুঁজিবাদের পাহারাদার শাসকরা ধর্ম দিয়ে ঝামেলা তৈরি করে রাখে যাতে জনগণ নিজেদের ভাত কাপড়ের দাবী ভুলে থাকতে পারে। আপনারা খালি ইসলাম ও মুসলমানদের বড় সমস্যা করে দেখান। আগে পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে বিপ্লব করেন। দেখবেন মৌলবাদ এমনিই থাকবে না।
     
    -ভারতের বিজেপিকে তাহলে আপনারা এত বড় করে দেখান কেন? আপনার যুক্তিতে তো তারা পুঁজিবাদ হটালেই উড়ে যাবে...
     
    -এই যে আইছে হিন্দুত্ববাদী!
     
    -কিন্তু বাংলাদেশে পূজা শুরুর আগে মূর্তি ভাংচুর নিয়ে তো কিছু বললেন না?
     
    -জানেন বেদে মূর্তি পূজা নেই!
     
    -সে থাকুক আর না থাকুক, হিন্দুরা পূজা করার অধিকার তো রাখে।
     
    -জানেন মূর্তি নদীতে ফেলে পরিবেশ দূষণ করা হয়।
     
    -সে তো কুরবানীর সময়ও পরিবেশ দূষিত হয় তখন তো কিছু বলেন না?
     
    -এই তো আইছে হিন্দুত্ববাদী!
     
    -আরে ভাই হিন্দুদের পাশে তো একটু থাকবেন?
     
    -আমরা অসাম্প্রদায়িক! কাউকে হিন্দু খ্রিস্টান বৌদ্ধ হিসেবে দেখি না।
     
    -যাহ! এসব কি শুনছি? রোজ যে ভারতের মুসলমান, রোহিঙ্গা মুসলমান, ফিলিস্তিনের মুসলমান, মুসলিম শাসন, মুসলিম স্থাপত্য, মুসলিম মনীষী... এইসব খুব ফাটান!
     
    -এই যে শালা আইছে হিন্দুত্ববাদী!
     
    -সুষুপ্ত পাঠক
    ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন।