এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • মানুষ, মুহাম্মদ ফজলুল হক 

    Fazlul Huque লেখকের গ্রাহক হোন
    ২০ মে ২০২৬ | ৪৪ বার পঠিত
  • মানুষ
    মুহাম্মদ ফজলুল হক

    নরম কিছুর স্পর্শে আমার চেতনা ফিরতে শুরু করে। গায়ে পোকামাকড় হাঁটার সুড়সুড়ি অনুভূত হয়। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক হয়ে আসে। মনে হলো মুখে কেউ মধু ঢেলে দিয়েছে। মধু পান করে শরীরে শক্তি ফিরে এসেছে। চারপাশে তাকিয়ে ভয়ে শরীর কাঁপতে শুরু করে। নানা প্রকারের জন্তু-জানোয়ার আমাকে ঘিরে রেখেছে। আমি ধীরে ধীরে উপলব্ধি করি, তাদের চোখে-মুখে কোনো হিংস্রতা নেই, বরং সহানুভূতি ভাসছে। আশ্চর্যের বিষয়, আমি তাদের ভাষা বুঝতে পারছি।

    ​আমাকে অবাক করে একটি মৌমাছি কানের কাছে এসে বলল, "ভয়ের কিছু নেই। তুমি সুস্থ হয়ে উঠেছ। তোমার মুখে মধু দেওয়া হয়েছে, ক্ষতস্থানে ব্যথানাশক লাগানো হয়েছে।"
    নিজের কানকে বিশ্বাস হচ্ছে না। আমি কি বেঁচে আছি? মৌমাছির কথা আমি বুঝতে পারছি কেন!
    ​শুধু মৌমাছি নয়, একটি বানর এসে বলল, "কেমন আছ? কলা খাবে?"
    সে সত্যিই কলা নিয়ে এলো!
    পাখির গান এত মিষ্টি, জীবনে আমি প্রথম শুনলাম।
    ​এমন সময় একটি বাঘ এগিয়ে এসে বলল, "ভয় পেও না। আমাদের মাঝে তোমাকে স্বাগতম। যতদিন খুশি থাকতে পারো!"

    প্রাণীদের আচরণ আমাকে মুগ্ধ করল। পশুপাখির ভাষা ও ব্যবহার এত সুন্দর হতে পারে, আমি কখনো ভাবতে পারিনি। নিজেকে ছোট মনে হলো। কত খারাপ ব্যবহার করেছি তাদের সাথে, প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে। যত না অবাক হচ্ছি তাদের আচরণে, তার চেয়ে বেশি অবাক হচ্ছি নিজের পরিবর্তনে। বনের সব প্রাণীকে আপন মনে হচ্ছে। সবার ভাষা বুঝতে পারছি। এমনকি আমার ভাষাও সবাই বুঝতে পারছে।

    ​বাঘের ইশারায় একটি হাতি আমাকে তার পিঠে তুলে নিয়ে চলতে শুরু করল। কাছাকাছি ছোট একটি গুহায় নামিয়ে দিয়ে বলল,
    "এখানেই থাকবে তুমি।"
    ​পরিষ্কার, গোছানো ও শান্ত পরিবেশ। একটি মুরগি এসে ডিম দিয়ে বলল, "খেয়ে নাও।"
    কিছু ফলমূল রাখা ছিল। আমি কলা ও ডিম খেলাম। পাশে রাখা তরল পান করলাম। এমন সময় দোয়েল এসে বলল, "এবার ঘুমাও। আমি গান গাই।"
    দোয়েল পাখির গান শুনতে শুনতে কখন ঘুমের রাজ্যে হারিয়ে গেলাম, বুঝতেই পারিনি।

    ​সন্ধ্যার পর জোনাকি পোকার ডাকে জেগে উঠি। তারা যেন বিরক্ত। "সেই কখন থেকে ডাকছি, অথচ নাক ডেকে ঘুমাচ্ছ তুমি!"
    আমি হেসে ফেলি। আবারও লক্ষ করি, আমি জোনাকি পোকার কথা বুঝতে পারছি। আরও লক্ষ করলাম, রাতের অন্ধকারেও সব স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। আমার মন শান্ত। পৃথিবীর সব সৌন্দর্য ধীরে ধীরে আমার সামনে ফুটে উঠছে। লোভ, লালসা, হিংসা, বিদ্বেষ ও ঘৃণা আমাকে ত্যাগ করছে।

    জোনাকির দলের সাথে গভীর বনে চলে আসি। বন নয়, যেন আলোকিত প্রান্তর। হাজারো প্রাণী আনন্দে মেতে উঠেছে। আমিও মিশে যাই তাদের সাথে। তাদের প্রাণের স্পন্দন আমার প্রাণে বেজে ওঠে। ঠিক তখনই অদ্ভুত এক প্রাণীদলের সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়। সচরাচর তাদের দেখলে আমার ভয় পাওয়ার কথা, কিন্তু আমার কোনো ভয় করছে না। আমি তাদের দিকে এগিয়ে যাই। হাত বাড়িয়ে স্পর্শ করি। আমার দিকে তাকিয়ে তারা মৃদু হাসে। সে হাসিতে অদ্ভুত এক মায়া। সে মায়ায় সহজেই মগ্ন হয়ে যাই।

    মায়াবী আকর্ষণে বিমোহিত হয়ে তাদের সাথে এগিয়ে চলি। চলতে চলতে আরও গভীর বনে চলে আসলে সবাই থেমে যায়। আমার চোখে চোখ রেখে তাদের একজন প্রশ্ন করে, "তুমি কি জানো, কেন তোমাকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে?"
    আমি নিঃসংকোচে বলি, "না।"
    সে বলল, "তোমার আত্মা ভালো। উত্তম বিভা ছড়ায়। যে বিভায় আলোকিত হয় চারপাশ। মানবকূলে তোমার মতো মানুষ বিরল। তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ, তোমার ভেতরে পরিবর্তনের ক্ষমতা আছে।"

    আমি চুপ থাকি। এসব আমার উপলব্ধির বাইরে।
    ​সে বলল, "তুমি হয়ত লক্ষ্য করেছ, তুমি আমাদের ভাষা বুঝতে পারছ।"
    আমি মাথা নাড়লাম।
    "তোমার শরীরে ছোট্ট একটি পরিবর্তন করা হয়েছে।"
    ​একটু থেমে সে আবার বলল,
    "তুমি বুদ্ধিমান। নিশ্চয়ই জানো, তোমার শরীরে তেইশ জোড়া ক্রোমোজোম আছে, যাদের কাজ নির্দিষ্ট। আরও এক জোড়া ক্রোমোজোম উপস্থিত, যা সুপ্ত অবস্থায় ছিল। এখন থেকে তা ধীরে ধীরে সক্রিয় হবে। বহু বছরের বিবর্তনে এই ক্রোমোজোম কাজ করবে। মানবকূলে শান্তি ফিরিয়ে আনবে।"

    ​চুপচাপ শুনলাম, কিছুই বললাম না। আমি জানি, মানুষের শরীরে তেইশ জোড়া ক্রোমোজোম সক্রিয় যা কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থান করে। ক্রোমোজোমে ডিএনএ এবং ডিএনএ-তে জিন থাকে। ডিএনএ এর মধ্যে আমাদের জীবনের নকশা বা 'ব্লু-প্রিন্ট' সংরক্ষিত থাকে। চোখের রং কেমন হবে, উচ্চতা কত হবে, এমনকি কোন রোগে মারা যাব সব ডিএনএ-তে সংকেত আকারে উপস্থিত থাকে।
    ​সে বলল, তোমার ধারণা স্পষ্ট। "মানুষের মস্তিষ্ক শরীরের কাজ চালানোর জন্য মাত্র দুই শতাংশ ডিএনএকে প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয়। বাকি আটানব্বই শতাংশ কোনো কাজ করে না, যাদের নাম 'জাঙ্ক ডিএনএ'। বিবর্তনের ধারায় জাঙ্ক ডিএনএ সক্রিয় হয়ে নতুন বৈশিষ্ট্য তৈরি করতে পারে। মানুষের মস্তিষ্কের জেনেটিক পরিবর্তন ঘটলে তা সহমর্মিতা ও শান্তিপ্রিয়তাকে বাড়িয়ে দিতে পারে।"

    ​"তেইশ জোড়া ক্রোমোজোমের বাইরে অতিরিক্ত এক জোড়া ক্রোমোজোমকে তোমরা ট্রাইসোমি বলো, কিন্তু এটি কোনো ত্রুটি নয়, বরং এটি একটি এপিজেনেটিক বিপ্লব। যা উন্নত বিবর্তনের অংশ হয়ে মানবজাতির জন্য নতুন এক যুগের সূচনা করতে পারে, "বলে সে থামল।"

    ​আমি বললাম, "বিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো নতুন গুণ টিকে থাকার জন্য সহায়ক হয়, জিনের মাধ্যমে তা বংশপরম্পরায় বাহিত হয়ে সক্রিয়ভাবে পরবর্তী প্রজন্মে চলে যায়।"

    ​"ঠিক বলেছ। ধীরে ধীরে কয়েক প্রজন্ম পর দেখা যাবে পৃথিবীতে হিংসা বা যুদ্ধ নেই। মানুষ একে অপরের অনুভূতি বুঝতে পারছে। তাদের সুপ্ত ক্রোমোজোম সক্রিয় হয়ে গভীর সহমর্মিতা তৈরি করেছে।"

    ​একটু থেমে সে বলল, "এটা কেবল কাকতালীয় নয়। তোমাদের শরীরে যে জিন আছে, তার সবই সক্রিয় নয়। তোমার ভেতরের সেই নিষ্ক্রিয় শক্তির একটি ক্ষুদ্র অংশ জাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।"

    ​আমার বুক কেঁপে ওঠে।
    সে বলতে থাকে, "তোমরা যাকে ক্রোমোজোম বলো, তার ভেতরে শুধু শরীরের গঠন নয়, অনুভূতির বীজও থাকে। সহমর্মিতা, করুণা সবই থাকে। মানুষ সেগুলো ব্যবহার করে না।"

    ​আমি বললাম, "এটা কি বিবর্তন?"
    সে মৃদু হেসে বলল, "বিবর্তন সবসময় ধীরে ঘটে। যখন সময় আসে, তখন পরিবর্তন থামে না। একদিন মানুষ একে অপরের অনুভূতি সত্যিই বুঝতে পারবে।"
    ​আমি স্তব্ধ হয়ে শুনি।

    তুমিই সেই সূচনা, "সে বলল।"
    ​আঁতকে উঠি আমি! আমার মনের কথা সে বুঝল কীভাবে? নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করি। আর কিছু ভাবব না।
    "তোমার ভাবা না-ভাবায় কিছু আসে যায় না। তবে তুমি ঠিক ভেবেছ। মানবজাতির শান্তি প্রয়োজন। বিবর্তনের ধারায় মানুষ যে নেতিবাচক শক্তি অর্জন করেছিল, অন্যকে বিনাশ করে নিজের প্রতিষ্ঠা, জাগতিক লোভ, হিংসা, বিদ্বেষ, ঘৃণা ও ভোগের লিপ্সা সময়ের প্রয়োজনে তা কমে আসবে। ঋণাত্মক জিনের বিলুপ্তি ঘটবে।"

    ​আর ভাবতে পারছি না। কী বলছে এসব! তবে আমিও চাই মানবকূলে জিনের এই বিপ্লব ঘটুক।
    ​কিছু না বলে তারা হাঁটতে শুরু করে। আমরা আগের জায়গায় চলে আসি। খেয়াল করি তারা নেই। জোনাকির দল আমাকে দেখে নেচে ওঠে। আমার মন নেচে ওঠে অজানা আনন্দে। সূর্য লাল আভা ছড়ানোর আগেই জোনাকির দল আমাকে গুহায় নিয়ে আসে।

    ​কয়েকদিন পর, হরিণশাবকদের সাথে খেলতে খেলতে সমুদ্রতটে আসলে উদ্ধারকারী একটি দল আমাকে জাহাজে তুলে নেয়। তখন মনে পড়ে, বন্ধুদের সাথে সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে ঘুরতে এসে হারিয়ে গিয়েছিলাম।

    ​বাড়িতে ফিরে সে স্বাভাবিক জীবনযাপন শুরু করে। সে যখন ভিড়ের মধ্যে হাঁটে, কেউ জানে না তার শরীরের কোষে এক নতুন ইতিহাস লেখা আছে। সে হয়তো খুব সাধারণ একটি কাজ করছে, রাস্তার ধারের কোনো তৃষ্ণার্তকে পানি দিচ্ছে বা কারো বিপদে পাশে দাঁড়াচ্ছে। তার ডিএনএ-র সেই জিন তখন মৃদু কম্পন তৈরি করছে। এই সেই প্রথম জিন, যার মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে পৃথিবীতে জন্ম নেবে শান্তিপ্রিয় এক মানব প্রজাতি।

    বহু বছর পর, গভীর বনে অদ্ভুত প্রাণীর দল আবার একত্রিত হয়। তারা নীরবে তাকিয়ে দেখে পৃথিবী শান্ত। ক্ষমতা ও ভোগের লিপ্সায় নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে মানুষ আর যুদ্ধ করছে না। সহমর্মিতা ও ভালোবাসায় আবদ্ধ হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।

    অজানা আনন্দে ভরে ওঠে তাদের মন।
    একজন মৃদু স্বরে বলে, “দেখো, পরিবর্তন শুরু হয়েছে।”
    আরেকজন শান্ত হাসিতে বলে, “মানুষ অবশেষে শিখছে, মানুষ হতে।”
    ​তাদের চোখে তখন এক স্বর্গীয় আনন্দের আলো জ্বলে ওঠে।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন