এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • হেঁয়ালি | 49.*.*.* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৪২552392
  • হ্যাঁ সাহিত্য ইতিহাসের গুরুত্ত্বপূর্ণ উপাদান তো বটেই। সেইজন্য চাড্ডিরা বলে পুষ্পক রথ মানে হেলিকপ্টার আর মহাভারতের সময় প্লাস্টিক সার্জারি ছিল।
  • dc | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৪১552391
  • আচ্ছা আপনারা সবাই শুধু উত্তরন নিয়েই বলছেন কেন? অবতরন নিয়ে কেউ বলবে না? বা ধরুন একই উচ্চতায় চলতে থাকা?
  • তরমুজ | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৩৪552390
  • এই যে তথাকথিত এনলাইটেন্ড লেখকরা জাতপাত বিভাজন, দলিত, পিছড়েবর্গ মানুষদের নিয়ে নানা দুখভরি কাহিনি লেখেন, এসব ওই অবস্থানের মানুষগুলোর জীবনে কোনো কাজে লাগে কি ? তাঁরা ওসব লেখা আদৌ পড়েন ?
     
    সাহিত্য বা শিল্প শুধু বিনোদনের সামগ্রী নয়। যারা ইতিহাস নিয়ে পড়ে, তারা বিষয়টি আরো ভাল বলতে পারবে।...... ইতিহাস যে সব সূত্র মারফৎ লেখা হয়। সেগুলিকে বলা হয়, ইতিহাসের উপাদান। এবং সাহিত্য ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।...... কিন্তু সাহিত্য থেকে ইতিহাসে রূপান্তর করার সময় ইতিহাসবিদ দের সতর্ক থাকতে হয়। কতটা বা কোন কোন সাহিত্যকে তারা ইতিহাস রূপে বিবেচনা করবে। তাই এটা সাহিত্যিক দেরও দায়িত্ব, ইতিহাস সম্মত সাহিত্য তৈরি করা। যে জায়গায় মিডিয়া পৌছায় না। যে সব সমস্যা গুলির প্রতি মিডিয়া গুরুত্ব দেয় না। সেই সব জায়গা থেকেই মৌলিক সাহিত্যের জন্ম হয়।
  • albert banerjee | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:২১552389
  • আমার বেশ প্রিয় একটা ডকুমেন্টারি
  • r2h | 134.*.*.* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:২১552388
  • উত্তরণের ব্যাপারটা নিয়ে একটু ঘেঁটে গেছিলাম তারপর মনে হল আমি তো আর উত্তরণ লিখিনি সুতরাং থাক। তবে উত্তরণ খুঁজতে যদি যাইও, সেই যে সর্বজয়ার বর্ধমানে ধনাঢ্য আত্মীয়াকে দেখে ইন্দির ঠাকরুনের কথা মনে পড়ে অনুতাপ, ঐটাকে কি একটা উত্তরণের মুহুর্ত বলে ধরা যেতে পারে? বা কলেজ স্কোয়ারে সুরেন্দ্রনাথ বসু মল্লিকের সঙ্গে অপুর সাক্ষাৎ - ঐ সময়টা? একটা লোক যাকেই ভালোবাসছে সেই টপ করে মরে যাচ্ছে, লোকটা এমনও না যে পাষণ্ড নিষ্ঠুর, তাও সে এগিয়ে চলেছে, দুনিয়ার রূপ রস রং তাকে অভিভূত করছে, কিন্তু সে যাবতীয় দুঃখ বিচ্ছেদ অবহেলা অপমান নিয়েই এগিয়ে চলেছে, পপাঁ অপরাজিতর জিস্ট বোধহয় পপাঁর শেষ অনুছেদটা।

    এইবার জাত কূল বর্ণ লিঙ্গপরিচয় এগুলিও তর্ক বটে তবে তার পরিসর মনে হয় আলাদা।

    এবার অ্যান্ডরের মতে সফল সাহিত্য ও সৎ সাহিত্যিকের কিছু উদাহরণ জানতে আমি বাস্তবিকই আগ্রহী, তাহলে অন্য অবস্থানটা বুঝতে সুবিধে হয়। খুব হইহই করে বিপ্লব হল জোতদারের মাথা কেটে নিয়ে এলিশাবা কুই ইউএনোর প্রধান হলেন - এরকম সাহিত্যের মূল্য তো অবশ্যই আছে। ত্রিপুরার একজন বরিষ্ঠ সাংবাদিক একাত্তরে এক নারী মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে রিপোর্ট করতেন, চরিত্রটির নাম ভুলে গেলাম আর সাংবাদিকের নাম বলবো না, তো, সেই খবর পড়ে অনেকে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন, মনোবল বেড়েছিল। যুদ্ধ শেষে জানা গেল ঐ চরিত্রটি কাল্পনিক ছিল। তাতে অনেক সমালোচনা হয়েছে, ফিক্শন তৈরি সাংবাদিকের দায়িত্ব থেকে গুরুতর চ্যুতি এই নিয়ে, সে সমালোচনা সঙ্গতও, কিন্তু, একটা কিন্তু আবার থেকে যায়।

    একদিকে মনে হয় অ্যান্ডর এমন কিছু চান।

    রাখো-না কেন নরেশকে সাত বছর লণ্ডনে,
    বারে বারে ফেল করুক তার পরীক্ষায়,
    আদরে থাক্‌ আপন উপাসিকামণ্ডলীতে।
    ইতিমধ্যে মালতী পাস করুক এম| এ|
    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে,
    গণিতে হোক প্রথম তোমার কলমের এক আঁচড়ে।
    কিন্তু ওইখানেই যদি থাম
    তোমার সাহিত্যসম্রাট নামে পড়বে কলঙ্ক।
    আমার দশা যাই হোক
    খাটো কোরো না তোমার কল্পনা।
    তুমি তো কৃপণ নও বিধাতার মতো।
    মেয়েটাকে দাও পাঠিয়ে য়ুরোপে।
    সেখানে যারা জ্ঞানী, যারা বিদ্বান, যারা বীর,
    যারা কবি, যারা শিল্পী, যারা রাজা,
    দল বেঁধে আসুক ওর চার দিকে।
    জ্যোতির্বিদের মতো আবিষ্কার করুক ওকে--
    শুধু বিদুষী ব'লে নয়, নারী ব'লে।
    ওর মধ্যে যে বিশ্বজয়ী জাদু আছে
    ধরা পড়ুক তার রহস্য, মূঢ়ের দেশে নয়--
    যে দেশে আছে সমজদার, আছে দরদি,
    আছে ইংরেজ জর্মান ফরাসি।
    মালতীর সম্মানের জন্য সভা ডাকা হোক-না,
    বড়ো বড়ো নামজাদার সভা।
    মনে করা যাক সেখানে বর্ষণ হচ্ছে মুষলধারে চাটুবাক্য,
    মাঝখান দিয়ে সে চলেছে অবহেলায়--
    ঢেউয়ের উপর দিয়ে যেন পালের নৌকো।

    তো এই নিয়ে একটা প্রচলিত মত আছে, বাণিজ্যিক সিনেমা হল স্বপ্নপূরণের গল্প, তাতে রোগাপটকা হিরৈন গাম্বাট ভিলেনকে শেষ সিনে কেলিয়ে পাট করে দেন, তাতে লোকে চুষিকাঠি মনে নিয়ে তৃপ্ত হয়ে বাড়ি ফেরে। আর অন্য ধারার সিনেমা, তৎকালীন 'আর্ট ফিলিম' অন্ধকার ঘ্যানঘ্যানে করুণ, যারা দেখে তারা ঐ অস্বস্তিটা মনে পুষে রাখে, ঐ নিয়ে ভাবে।

    এবার ধরুন নীলদর্পন- নীলচাষীরা তো আর পড়েননি। কিন্তু তাতে কী এসে গেল? তো দীনবন্ধু মিত্র কি তথাকথিত, না প্রকৃত?

    আর ডিসির সঙ্গে একমত। তক্ক যতই চর্বিতচর্বন হোক, তাও দুটো পুরনো বইয়ের পাতা উল্টে দেখা হয়, একটু ভাবা হয়। মন্দ কী?
  • albert banerjee | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:১৪552387
  • আচ্ছা শিল্পীর কি কোনোভাবে দর্শকের দায় ভার নেওয়া উচিত ?জানিনা তবে এইটুকু মনে হয় রাজানুগ্রহ না পেলে শিল্পী মরে যায় আর পেলে শিল্প মারা যায়।
  • যতবার এই প্রসঙ্গে কথা ওঠে, ততবার মনে পড়ে | 2001:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:৪২552386
  • এই যে তথাকথিত এনলাইটেন্ড লেখকরা জাতপাত বিভাজন, দলিত, পিছড়েবর্গ মানুষদের নিয়ে নানা দুখভরি কাহিনি লেখেন, এসব ওই অবস্থানের মানুষগুলোর জীবনে কোনো কাজে লাগে কি ? তাঁরা ওসব লেখা আদৌ পড়েন ?
     
    ----------
     
    চাষি-মজুরদের হাল সম্পর্কে শহরের মার্কসিস্ট বাবুরা উৎকন্ঠিত সে কথা চাষি-মজুর জানে কি? কমলবাবুর ভাষায়, ‘ব্যাঙের একটি লাতিন নাম আছে ব্যাঙ তা জানে কি?’
  • তরমুজ | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:২৩552385
  • রাগ গৌড় সারাঙ্গ
     
  • পাঠক | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৫৯552384
  • আপনি সাবস্ক্রাইব করেন না, সেতো অবশ্যই এবং একমত। বিভূতিবাবুও করতেন না, ওঁর 'উত্তরণ' ভাবনাও উত্তম এবং আমিও তাতেই সাবস্ক্রাইব করি। সমাজ মোটের উপর করেনা বলা চলে। আমার সমস্যা হচ্ছিল, তার‍্য আর ঘেঁটুফুলের উদাহরণে। তারার প্রতি আকর্ষণ কে কি সমাজও উত্তরণ মনে করে? ঘেঁটুফুল নিয়ে তো করেইনা। তারা, মহাবিশ্ব - সে যেকোন আকর্ষণ, কৌতূহলকেই সমাজ কোন উত্তরণের শিরোপা দেয়না। যতক্ষণ না তার থেকে কোন সমাজমান্য ট্যাঞ্জিবল কৃতিত্ব আসছে বা কোন সমাজস্বীকৃত পদমর্যাদা যুক্ত হচ্ছে, এই আর কি। মহাকাশবিজ্ঞানী কি মাইক্রোবিজ্ঞানী হন, গবেষক কি অন্তত শিক্ষক, ঘেঁটুফুলের আতরের ব্যাবসা করুন কিম্বা স্পেসশিপ, নিদেনপক্ষে লেখালেখি করে প্রকৃত প্রতিষ্ঠা পান - সমাজ তাকে উত্তরণ বলবে। নিছক কৌতূহল, আকর্ষণ - সে যত দুর্দম প্যাশনেটই হোক না কেন, তারামণ্ডল, মহাকাশ হোক না কেন, নিজের শখের চর্চাকে সমাজ উত্তরণ বলবেনা, অন্তত বলেনা, এটুকুই বলার, মানে আমার মনে হওয়ার।
    এই আর কি।
     
    বিভূতিভূষণের সার্থকতা, পাঠকের মনে, বা হয়তো যাপনেও, একটা বিকল্প উত্তরণ ভাবনা চারিয়ে দিতে পেরেছেন, এটাকেই পাঠকের জন্য 'উত্তরণ' বলব।
    অপু আর বিভূতিভূষণকে ভালবেসে কত বাঙালি যে ঘেঁটুফুল আর তারা দেখতে ভালবাসল! অপু দুর্গা ইন্দির ঠাকরুন হরিহরদের মত মানুষজনকে ভালবাসল, তাদের ভাংগাচোরা পথের পাঁচালিকে, যার সঙ্গে নিজেদের শহুরে চার দেওয়ালের মধ্যে থেকেই, সে জীবনের সঙ্গে বিন্দুমাত্র সাযুজ্য না থেকেও, রিলেটেবল কিছু না থেকেও রিলেট করাতে পারানোর চরম মুন্সিয়ানাকে সে কেউ কেউ বেচা বা চালানোর গাল যত দিক না কেন, এ কাজ খুবই 'কাজের' এবং ততোধিক কঠিন।
  • সিএস | 103.*.*.* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১২:২৩552383
  • না না, আমি এই মতে তো সাবস্ক্রাইব করি না যে বিভূতিবাবু অপুর 'উত্তরণ' ঘটাচ্ছেন। তার প্রমানই তো হল, ঐ দুটি দিকই, মাটি পৃথিবী আর মহাবিশ্ব, অপু বা বিভূতিবাবুর চিন্তায় মিশে থাকছে। এই মিশে থাকাটাকেই আমি বক্রগতি বলেছি, কোন একটাকে বেছে নেওয়া যাবে না। যেটা লিখলাম, উপন্যাসের শেষটা অপুর মধ্যে একটা 'বোধ' তৈরী করে, জীবন সম্বন্ধে, মানুষ সম্বন্ধে, পরিবার আর চেনাপরিচিত সম্বন্ধে এবং মৃত মানুষের সম্বন্ধেও।
  • পাঠক | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১২:১২552382
  • উঁচুর দিকে উঠলে, মহাকাশপানে ভাবনা ধেওয়ালেই অগ্রগতি আর ঘেঁটুফুল পানে নুইয়ে এলে অগ্র থেকে বক্র হয়ে নিম্নগতি - এ কেমন কথা?  বাইরের দিকে যাওয়ার সঙ্গে  উত্তরণ এর তথাকথিত বা বলা ভাল, সমাজনির্ধারিত সংজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, বহির্বিশ্বে মেলে দেওয়াকে উত্তরণ বা সম্প্রসারণ আর শিকড়ের কাছে ফিরতে চাইলে সেটাকে অধোগমন কি সংকোচন,  এই প্রচলিত ভাবনাকে ভাঙার দরকারও বুঝি, সহমতও, কিন্তু তারা আর ঘেঁটুফুলের প্রতি আকর্ষণকে এই দুই বিপ্রতীপ যাত্রার প্রতিনিধিত্ব করানো ব্যাপারটা, উত্তরণের তেমন যুতের ঠেকলো না।  তারার প্রতি আকৃষ্ট হওয়া উত্তরণ, আর ঘেঁটুফুলটা নয় এই ব্যাপারটা আর কি।  এই দুটিই বিশ্বপ্রকৃতির প্রতি কৌতূহল,  একই গোত্রভুক্ত বলা চলে। 
    এছাড়াও অপুর বিশ্বদর্শন, সামাজিক নিরিখেও কোন অগ্রগতি নয়, ও তো একরকম বাউণ্ডুলেপনাই ছিল,  আমাদের সমাজ তাকে কবে আর উন্নতি বলল!  'সমাজসফল' মানুষ কি অপু হয়েছিল? 
  • সিএস | 47.*.*.* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১২:১০552381
  • হ্যাঁ, জমিদারি ব্যবস্থায় গরু মরল, ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মানুষ মরবে, চাষীদের এই পরিণতি, শরৎবাবু মনে হয় এরকম ভেবেছিলেন। গফুর আর মেয়ের বাধ্যত চলে যাওয়াকে মনে হয়্না বিশেষ উন্নত পরিবর্তন হিসেবে ভেবেছিলেন। তারশংকরেও এরকম আছে, হাঁসুলি বাঁকে, গ্রামের লোকে শহরে খাটতে চলে যাবে, কিন্তু সেখানে একটা কনফ্লিক্ট আছে, গ্রাম সমাজ ভেঙ্গে যাচ্ছে এবং তার থেকে একটা ব্যাথা তৈরী হচ্ছে, বনোয়ারিই তো, তার চিন্তার মধ্যে দিয়ে ঐ ভেঙ্গে যাওয়াটাকে মনে হয় প্রশ্ন করা হয়েছিল। কিন্তু তারাশংকর তো আবার ফিউডাল !
  • b | 14.*.*.* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৪৮552380
  • "গফুর মিঞাকে নিয়েই হয়েছে, সে মরে যাওয়ার পরে "
     
    আহা গফুর মিঞা মরবে কেন, মরলো তো ষাঁড়টা।
  • সিএস | 103.*.*.* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৩৯552379
  • শরৎবাবু থেকে মনে হল প্রেমচন্দের কথা। তিনিও কী এলিট, বাবু ? নীচু জাতের মানুষের কথা তো কম নেই ওনার লেখায়। কিন্তু লড়াই আর কী কী যেন, সেসব কীভাবে আছে ? আবার প্রেমচন্দ নিয়েই সত্যজিতের সিনেমা, কিন্তু তিনি তো নাকি কলকাত্তাই বাবু, এলিট। অথচ 'সদগতি', এমনই রাগী সিনেমা সেটি, আর কোনদিন মনে হয় না টিভিতে দেখানো হবে, ভারতের যা পরিস্থিতি।
  • সিএস | 103.*.*.* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১১:২৯552378
  • আর এসব কথাবার্তা তো আগেও হয়েছে, গফুর মিঞাকে নিয়েই হয়েছে, সে মরে যাওয়ার পরে তার মেয়ে যখন কারখানায় কাজ করতে চলে যাবে, সেই পরিণতি নাকি বাবু লেখকদের আর এক কেরদানি, মেয়েটিকে জলে ফেলে দেওয়া হল, সেরকমই দেখানো হল। লোকে কি বোঝে, যে ক্লাসিকাল তত্ত্ব অনুযায়ী জমি থেকে উৎখাত হওয়া মানুষকেই এ দেশে ধনতন্ত্র তৈরীতে ব্যবহার করা হয়েছে, সেই মতটি গল্পটির মধ্যে আছে, ফিউডালিজমের শোষণ থেকে ধণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে ঢুকতে বাধ্য হওয়া, সেই ব্যবস্থা মুক্তি দেবে নাকি শোষণ করবে না বিপ্লব হবে, সেসব শরৎবাবুর লেখাটিতে নেই, মেয়েটি তার মধ্যে দিয়ে যাবে, হয়ত ইংগিতটা আছে যে শোষণের ব্যবস্থা বংশানুক্রমে চলবে। কিন্তু অর্থনীতি আর সমাজতত্ত্ব কী শরৎবাবু খুব ডিটেলে জানতেন, কিন্তু বিশেষ এক সামাজিক পরিস্থিতি তো গল্পের মধ্যে ধরা আছে। অথচ এইসব লেখাপত্তর নাকি দুখ্ভরি কাহানি, শহুরে মানুষের মন ভোলানোর জন্য, মাইরি, লেখকের বোধ আর তার শ্রম আর তার ধারণা, সেসব কোথায় গেল ?
  • সিএস | 103.*.*.* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১১:১২552377
  • হুতো লিখল দেখছি, অপুর নাকি উত্তরণ হয়েছিল ? সে উত্তরণটা ঠিক কীরকম ? অগ্রগতি ? উঁচুর দিকে ওঠা, এক স্তর থেকে অন্য স্তরে ? সেরকম লেখা হয়েছিল ? অপুর যা হয়েছিল সে তো ভবঘুরেগতি। একটা বোধ তৈরী হয়েছিল মহাবিশ্ব, গ্যালাক্সি, জীবনচক্র এসবের প্রতি এবং একই সঙ্গে আকাংখা ছিল দশ বছরের শৈশবকে ফিরে পাওয়ার। ঐ বিভূতিবাবু যেমন, ঘেঁটুফুলের প্রতিও আগ্রহ, আকাশের তারার প্রতিও। বা বলা যায়, অপুর জীবনে দুটো গতি মিশে থাকে, একটা বাইরের দিকে বেরিয়ে যাওয়ার, আর একটা ভেতরের দিকে ফিরে আসার, একটার ভেতরে আর একটা। একে উত্তরণ বলব নাকি বক্রগতি ?

    সে কিছু বুঝেছিল, তার কিছু বোধ তৈরী হয়েছিল, এবং সেসবই আবার 'ফিরে' এসেই হয়েছিল। এগুলোর জন্যই উপন্যাসটি আর সিনেমাটি আলাদা, ঋত্বিকের তো আপত্তি ছিল সত্যজিতের 'অপরাজিত' নিয়ে (সিনেমাটি ওনার সেরা সিনেমা মেনে নিয়েও) কারণ সত্যজিত অপুকে 'ফেরায়নি'।

    ( ১৯৪০ র দশক থেকে বামপন্থী সমালোচনায়, লেখায় দু'ছটাক সমাজবিপ্লব আছে কিনা খুঁজে দেখা হত, যান্ত্রিকভাবে, এই এই গুলো নেই, তাহলে লেখাটি ভাল না। কাটাও। অনেক তর্ক হয়েছে সেসব নিয়ে। সেসবই এখনও চলছে, বামপন্থীভাবের বদলে দলিত জীবন, লড়াই ইত্যাদি। যারা এগুলো করছে তারা তো আবার ঐসব লেখকদের থেকে ঢের ঢের বেশী কেরিয়ারিস্ট ও এলিট। কিন্তু ফোরাম টোরাম আছে, কথা চালালেই হল। )
  • পাঠক | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৪৭552376
  • বিতর্ক হওয়্য ভাল, কুতর্ক নয়।
  • :|: | 2607:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১০:২৬552375
  • নটা চল্লিশের পোষ্ট উনিজিকে দেখানো হোক। ওনার বিভূতিদা কি করেছিলেন আর দিদি কি করেছেন তার বিচারে দুধ-কা-দুধ পানি-কা-পানি হয়ে যাবে!
  • dc | 2a02:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১০:১০552374
  • পাঠক, বিতর্ক হওয়াটা কিন্তু খারাপ কিছু না। নানাজন নানান মত দেন, অন্যরা তার উত্তরে নিজেদের মত লেখেন। ভালোই তো!
  • পাঠক | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:৫৩552373
  • অমিতাভ, r2h, kk,  dc,  হেঁয়ালি আর আরো বেশ কিছু কাউন্টার পোস্ট,   খুব ভাল লাগল।  যা বলার ওঁরা বলেই দিয়েছেন। তবু এটুকু না লিখে পারছিনা।
    যিনি প্রশ্নগুলি করছেন বা দুখভরি কাহানি নিয়ে নানা মন্তব্য করে চলেছেন, তিনি শুধু বিস্ময় না, বিরক্তিরও উদ্রেক করছেন।  আর একটা বক্তব্যের সঙ্গে অন্যটির কোন যৌক্তিক যোগাযোগ মাত্র নেই।  বিরক্তি শুধু পোস্টদাতার সংবেদনশূন্যতায় নয়, এই যুক্তির সাযুজ্যের অভাবেও আসে।  নিজের চিন্তাভাবনায় কোহেরেন্স না থাকলে এরকম অসংলগ্ন ভাটই বেরবে।  
    বাকি সব ফাঁকফোকর ছেড়েই দেওয়া হোক, লেখালেখির কথাও,  উনি কি নিজে যে দুরবস্থায় পড়েননি,  সেই অবস্থানের কারুর কথা কি উনি বুঝতেও পারবেন না, কারুর প্রতি সমব্যথী হন নি কখনো?  সমব্যথী অনুভব, মমত্ব, সমবেদনা, সহানুভূতি - মানুষের এসব বোধের অস্তিত্ব নিয়েই তো বেসিক প্রশ্ন তুলে দিচ্ছেন। নিজের উন্নততর অবস্থান থেকেও অন্যের দুরবস্থার বোধটুকু অন্তত থাকা মানুষ হওয়ার বেসিক ক্রাইটেরিয়া মনে হয়। সংবেদনশীল  লেখকেরা এক ধাপ এগিয়ে সেই বোধ পাঠকের মধ্যেও জারিত করতে পারেন, মুন্সীয়ানা থাকলে,  এমন কারুর জন্য যাঁকে পাঠক বাস্তবেও দেখেননি,  যাঁর বাস্তব অস্তিত্বও হয়তো নেই। সেটিই ওই পাঠকের 'উত্তরণ', ৬:১২ র পোস্টের 'উত্তরণ'।  আর এর জন্য লেখকের শ্রদ্ধা প্রাপ্য, এমনতর খিস্তি নয়।
     
    এই পাতায় আসি, ভাবনাচিন্তার খোরাক পাই বলে, ভাল আলোচনা, তর্ক ভাবায়, ট্রিগার করে,  এধরণের কিছু পোস্ট থেকে ভাল বিতর্ক তৈরি হলেও কোথাও যেন তার কাটে।  বিশেষত তর্কের প্রোগ্রেশনে এক পক্ষ থেকে ক্রমশ: আরো অযৌক্তিক, ক্রমেই গোলপোস্ট সরানো কুযুক্তি আসতে থাকলে, এত বেসিক জায়গায় এত বেসিক অনুভূতির অভাব দেখলে। তখন আবার মনে হয়, এতটা অভাব তো অসম্ভবপ্রায়, তাহলে কি এসব পোস্ট কোন বিশেষ লেখকদের প্রতি ব্যক্তিগত রাগ বা অসূয়াপ্রসূত?  
  • উত্তরণ | 2a0b:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:৪০552372
  • ঐজন্যেই তো সাধু প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল যে, হরিহর পঞ্চায়েতের স্কিমে ঘরবাড়ি সারাক, গ্রাম ছেড়ে না গিয়ে উন্নয়নের শরিক হোক। তারপর আস্তে আস্তে হরিহরের একটা বাইক, সর্বজয়ার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, অপুর ট্যাব, দুর্গার নামে গার্লস স্কুল..
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:১৩552371
  • আজকে তামিলদেরও নিউ ইয়ার! এক পড়শী পোঙ্গাল, বড়া, সাম্বার, সুন্ডাল, পায়েসম ইত্যাদি দিয়ে গেলেন। সব্বাইকে হ্যাপি তামিল নিউ ইয়ার! :-)
  • Bratin Das | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৩০552370
  • ওকে অমিতাভ দা, ক্যাচ
    ইউ লেটার
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:১৮552369
  • আরেকটা কথা মনে পড়লো, যদিও একটু আনরিলেটেড। অনেক বছর আগে গোয়ার ইলেকশান বিজেপির মনোহর পারিকার জিতে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। ওনার একটা ইন্টারভিউ অল্প কিছুটা দেখেছিলাম, সেটায় ওনাকে জিগ্যেস করা হয়েছিল, আপনারা কিভাবে জিতলেন, বা আপনাদের ইস্তেহার কিভাবে সাধারন মানুষের কাছে নিয়ে গেলেন, এরকম একটা কিছু। উত্তরে উনি বলেছিলেন, দ্য মিডিয়াম ইজ দ্য মেসেজ। আমরা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে ঘরে ঘরে এমনভাবে পৌঁছে গেছি যা আমাদের বিরোধী পার্টি পারেনি।
     
    ওনার উত্তর শুনে প্রথমত তো ভয়ানক অবাক হয়ে গেছিলাম, যে গৌমাতারা মার্শাল ম্যাকলুহানও জানে! (পরে অবশ্য জেনেছিলাম পারিকার নাকি টেক স্যাভি লিডার ছিলেন, নাইডুবাবুর মতো)। আর দ্বিতীয়, উনি যে ঠিক বলছেন সেটাও মেনে নিয়েছিলাম, কারন তখনো অবধি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে আইটিসেল সত্যিই অনেকখানি এগিয়েছিল। তখনো অবধি বোধায় প্রশান্ত কিশোর বিজেপির সাথেই ছিলেন, ঠিক মনে নেই। তবে ব্যাপারটা মনে পড়ে গেল এইজন্য, যে নানান স্টেকহোল্ডাররা নানাভাবে মিম জেনারেট করে - মিডিয়াম দিয়েই করুক আর কন্টেন্ট দিয়েই করুক।
  • ? | 45.*.*.* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:০৮552368
  • আপাদমস্তক প্রিটেনশাস খিস্তিট্যানের নেকিপনা আপনারা বছরের পর বছর সহ্য করেন কিকরে? হয় নেকু নেকু করবে নয় ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে দশগন্ডা প্যাঁচ মেরে খিস্তাবে। কি জালিমাল মাইরি।
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৫৪552367
  • &/ | 151.14.***.*** | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:১৪
    বদনাম
    (রবি ঠাকুরের বদনাম আর কি cheeky)
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:২৬552364
  • অমিতাভদা এক্কেবারে হাতুড়ির মাঝখানে পেরেক দিয়ে ঘা মেরেছেন। পৃথিবীর সমস্ত সাহিত্য, সিনেমা, গান, সব কিছুর উদ্দেশ্য, আমার মনে হয়, চিন্তার উদ্রেক করা। একটা গল্প পড়ে বা সিনেমা দেখে কারুর যদি মনে প্রশ্ন ওঠে, এমন কেন হলো, এমন তো নাও হতে পারতো, তাহলে সেই সাহিত্যিক সফল। একেকটা লেখা বা ছবি বা ভাস্কর্য নিয়ে যুগের পর যুগ আলোচনা হয়, এক দেশ ছাড়িয়ে অন্য দেশের মানুষ সেটা নিয়ে কথা বলে, সেসবই ঐ কারনে - প্রশ্নের উদ্রেক করার ক্ষমতা।
  • &/ | 151.*.*.* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:২৫552363
  • তাই তো বলি অত লোক কেন হিন্দি সিনেমা দ্যাখে!!! অত লোক কেন বে মে জো দেখার জন্য রাতে তাঁবু গেঁড়ে বসে থাকে! ঃ-)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত