এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  বাকিসব  শোনা কথা

  • পার্টস অব স্পীচ

    বোদাগু
    বাকিসব | শোনা কথা | ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৪১৯৮ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • রাজনৈতিক 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বোদাগু | 2406:*:*:*:*:*:*:* | ৩০ মার্চ ২০২৬ ০৯:০৮747142
  • কমিশনের বদমাইশির সামারিটা ভুলবেন না।

    - 7 কোটি 66 লক্ষ লোক তালিকাতে ছিল, 2025 এর এসআইএর শুরুতে।
    - প্রথমে প্রোজেনি ম্যাপিং এ 58 লক্ষ বাদ। এবং কেউ চিঠি পেলেন না তিনি কেন বাদ। এবং দেখা গেল বাংলা থেকে ইংরেজি ট্রানস্লিটারেশন এ অনেকে বাদ পড়েছেন। এবং ASDD, অর্থাৎ absent, shiftd, dead, duplicate এর category করা নেই, এবং রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে dead দের বিষয়ে কোনো লার্জ স্কেল ডেটা ভিত্তিক চ্যালেঞ্জ নেই।
    - তারপরে এনুমারেশন ফর্ম ভর্তি করতে হল মানুষকে যার কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই, প্রশাসনিক প্রিসিডেন্স ও নেই। কে সই করতে পারে, কার নাম প্রোজেনিতে দেখানো যাবে তাই নিয়ে শত কনফিউশন
    - এর পরে হিয়ারিং, তাতে কত এগোচ্ছে রেজলুশন তার কোনো হিসেব বা তালিকা কিছু নেই।
    - এর পরে লজিকাল ডিসক্রপান্সি ঘোষনা, এবং তাতে বাড়তি নেট পাঁচ লক্ষের বাদ পড়ার ঘোষণা অথচ ম্যাপিং প্রসেসে কত মানুষের সুরাহা হল তার কোনো বিধানসভা বা জেলা বা ব্লক বা বুথ ভিত্তিক হিসেব নেই।
    - এর পরে মোস্তারি বানুর মামলা নিয়ে হইচই কারণ তাতে মমতা শুনানিতে উপস্থিত হলেন এবং তাঁকে বলতে দেওয়া হল যদিও এও বলা হল তাঁর পক্ষে বড় উকিলরা তো আছেন। যাই হোক অর্ডার হল লজিকাল ডিসক্রিপান্সির তালিকা কারণ সহ ব্লকে ডিসপ্লে হবে। আজ অব্দি হয় নি। এবং আরো খারাপ হলো বিচারপতিদের ইম্প্রেস করতে গিয়ে হিন্দু মানুষের নামের উদাহরণ আনা হচ্ছিল যেন মুসলমানদের বাদ দেওয়ার মধ্যে অন্যায় কিছু নেই।
    - এর পরে সাপ্লিমেনটারি লিস্ট, তাতে লজিকাল ডিসক্রিপান্সি এবং ম্যাপিং ভিত্তিক ডিলিশন এক জায়গায় আনা হল, কারণ আলাদা করে না দেখিয়ে। এবং এতে ডেমোগ্রাফিক বায়াস স্পষ্ট।
    - মতুয়া, বিবাহিত বাসা বদলানো মহিলা, রাজবংশী, আদিবাসী আর নিম্নবর্গীয় শরণার্থীরা, underdocumented রা টার্গেটে ছিলেন ম্যাপিং এ। লজিকাল ডিস্ক্রিপান্সির প্রধান টার্গেট মুসলমানরা।
    - এবং গোটা প্রসেসে aggregated ডেটা টা লুকোনোর ছক।
    - এবং এর মাঝে পয়সা নিয়ে সিএএ ফর্ম বেচা, চাটুকার অফিসারদের কাজের জায়গায় আনা এসব গেছে।
  • বোদাগু | 128.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০২৬ ১১:২০747144
  • বোদাগু | 128.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০২৬ ১৪:০৯747146
  • শোনা গেছিল, 23টা জেলায় 19টা ট্রাইবুনাল বসবে। জেলা পিছু একটি বা তার কম কেন তার কোনো যুক্তি ছিলনা। 
    ট্রাইবুনাল ততক্ষন করা হয়নি, যতক্ষন সাপ্লিমেন্টারি লিসট বোরোচ্ছে। এবং এখন জেলায় একটি করে থাকার ফলে এবং লিগাল হেল্প না থাকার ফলে আপিল খুব কম হবার চান্স।
    যেকটি সুপ্রীম কোর্ট অর্ডার হয়েছে তাতে কোথাও বলা নেই যে ট্রাইবুনালে সব ডিলিটেড ভোটার অন্তত একবার সুযোগ না পাওয়া অব্দি ভোট হবে না।
     
    ডিসটোপিয়া বস্তুটির জন্য কল্পনাশক্তি অপ্রয়োজনীয় হয়েছে।
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০২৬ ২১:৫১747147
  • #আগেভোটারপরেভোট
    #ভোটেরআগেভোটার
    #বাদপড়ারকারণ
    #স্বচ্ছতা

    কমিশনকে এবং রাজ্য সরকারকে অনেক জবাব দিতে হবে। বাঙলার মানুষকে খাদে ফেলে গণতন্ত্রের বিজ্ঞাপন চলবেনা। কোর্টকেও জানাতে হবে আপিল করার মতো সময় মানুষের হাতে থাকছে কিনা। নির্বাচন পদ্ধতিকে মানুষের কাছে পৌছতে হবে, এটা ব্যক্তিমানুষের না, রাষ্ট্রের দায়। কারণ গণতন্ত্রের বগল তাঁরা বাজিয়ে থাকেন, মানুষ বাঁচার সংগ্রামে দৈনন্দিনে ব্যস্ত।
  • বোদাগু | 2406:*:*:*:*:*:*:* | ০১ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:০০747150
  • থিয়েটার অফ দ্য অ্যাবসার্ড।
    - 58 লক্ষ কমে গেল ম্যাপিং এ, রাজ্য সরকার মৃতের ডেটা বড় করে চ্যালেঞ্জ করলো না। দুটো চারটে কেস দেখালো, অথচ মৃতের ডেটা তার কাছে আছে।
    - একটা বছরে, কত কারণে লোকের নাম তালিকায় থাকে না। সুতরাং যার 2002 এর আগে নাম আছে বা 2002 এর অল্প পরের ভোটার তালিকায় নাম আছে তাদের আনম্যাপড হবার কোনো কারণ নেই, তবু করা হল, মেয়েরা শ্বশুরবাড়ী যান, তাঁদের নামে কম কাগজ থাকে এটা সরকার জানে না? মেটানোর সময় পাসপোর্ট গুরুত্ব পেলো। কটা লোকের পাসপোর্ট আছে, সরকার জানে না, ন্যাকামি হচ্ছে? হিয়ারিং এ কত কি কবে রিজলুশন হল, কোনো হিসেব নেই। হিয়ারিং এ যারা আসতে পারলেন না তাঁদের সকলকে ভুয়ো ভোটার ধরে নেওয়া হল, তাহলে কে কোথায় আছেন কার কাছে কটা ভোটার কার্ড আছে তার হিসেব কমিশন দিল না কেন? পার্মানেন্টলি শিফটেড যখন বলা হচ্ছে তার কোনো ডকুমেনটেশন দেখানো হল না, কেন?
    - এর পরে 60 লক্ষ লজিকাল ডিসক্রিপান্সি, যেটার কোনো নিয়মাবলী সরকারি ভাবে প্রকাশিত না। কোর্টে আলোচনা হল কিন্তু কোর্ট কমিশনকে কোনো অর্ডার দিল না।
    - যেসব সফ্টওয়ারে এসব কান্ড হল, তার কোনো ট্রান্সপেরেন্সি নাই। নাম, নামের বানানের অনুবাদ, বৈচিত্র পদবী ধর্ম জাতি অঞ্চল জেন্ডার নিয়ে যে রসিকতা করা হল তার পুরো exclusion rule ঐ সফ্টওয়ারে থাকার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি।
    - এর পরে adjudication, ভারতবর্ষে 705 জন জজসাহেব, জীবনে যে কাজ প্রথম করছেন যেটা কোনো অলৌকিক কারণে সাড়ে তিন সপ্তাহে 47 লক্ষ লোকের adjudication করে ফেললেন। এরকম গতিতে উসেন বোল্ট লজ্জা পাবেন। পাতার পর পাতা বিভিন্ন জেলা থেকে খবর আসছে, হিন্দু নাম বা হিন্দু পুরুষের নাম থাকলে, adjudication লাগছে না, মুসলমান নাম হলেই লাগছে। কোনো affifavit চাওয়া হল না কমিশনের কাছে যে adjudication সত্যিই মানুষে করছে না যন্ত্রে করছে।
    - এর পরে ট্রাইবুনাল। 23 টা জেলায় 19 টা ট্রাইবুনাল বসতে শুরু করেছে দু তিনদিন, শুধু জেলা শহরে আর কলকাতায়, মানুষ জানেই না কিভাবে কি করবে, আজ বলা হচ্ছে 6 তারিখ সব ট্রাইবুনালের কাজ শেষ হয়ে যাবে যেখানে সাপ্লিমেন্টারি লিস্টই বেরিয়েছি ভাগে ভাগে এক সপ্তাহ ধরে। যে তালিকা ছাপতে যা সময় লাগে সে তালিকা নাকি পরীক্ষা করা যাচ্ছে তার চেয়ে তাড়াতাড়ি :-)

    এ ভোটে অট্টহাস্যরত অশ্বগণই একমাত্র প্রকৃত ভারতীয় বাঙালি ভোটার হতে পারে। ড়োবিন্দ্রজির গান শুনলে দুদিনে প্রমিত হ্রেসারবে মাঠঘাটবুথ মুখরিত হওয়ার কথা।
  • বোদাগু | 2406:*:*:*:*:*:*:* | ০২ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:২৮747152
  • 285 সিউড়ি ভিধানসভার অন্তর্গত আরালি গ্রামের ৩০ নং বুথে ৪৪০-৪৪২ জন ডিলিটেড। এটা নিয়ে আমি কদিন আগে পোস্ট করেছিলাম। আজ সেখানকার নাগরিক প্রতিবাদের ভিডিও লিংক দিলাম। ফেসবুক থেকে।
     
  • বোদাগু | 2406:*:*:*:*:*:*:* | ০২ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৩১747153
  • সমাজ মাধ্যমে খবর আসছে, নির্বাচনের প্রচার করতে দেওয়া হবে না বলে দু চার জায়গায় মানুষ রেগেমেগে নোটিশ দিচ্ছেন গ্রামাঞ্চলে।
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ০২ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:১৪747155
  • আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের বক্তব্য, পূর্ব বর্ধমানের ভোটার তালিকার অবস্থা ধরা পড়েছে।
     
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ০২ এপ্রিল ২০২৬ ২১:০০747156
  • অপর্ণা ভট্টাচার্যের টাইমলাইন ফিড থেকে: 
     
     
    শত্রুকে হারাতে হলে তাকে জানতে হয়।  তার কৌশল বুঝতে হয়।  

    নির্বাচনে ভোটার - প্রাপ্ত বয়স্ক জনসংখ্যা (Electors to Adult Population Ratio) খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর মানে প্রাপ্ত জনসংখ্যার কত শতাংশ মানুষ ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হলেন। ১০০% হলো আদর্শ অনুপাত। কিন্তু সেটা সাধারণভাবে হয়না। এর কারণ প্রশাসন কখনোই ১০০% দক্ষতা নিয়ে কাজ শেষ করতে পারেনা। 

    যদি আমরা পশ্চিমবঙ্গের ভোটার সংখ্যা দেখি তাহলে, দেখা যাবে ২০১৬ র পর ভোটারের সংখ্যা বাড়তে থাকে স্বাভাবিক হারের থেকে বেশি হারে। আমরা যদি টেকনিক্যাল গ্রুপের দেওয়া পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্ত বয়স্ক জনসংখ্যা এবং ভোটার সংখ্যার আনুপাতিক হিসেবে দেখি তাহলে বোঝা যাবে, ২০১৯, ২০২১ এবং ২০২8 শেষ তিনটে নির্বাচনে ভোটার - প্রাপ্ত বয়স্ক জনসংখ্যা (Electors to Adult Population Ratio) ১০০% এর বেশি ছিল।  সোজা ভাষায় ১০০ জন যদি প্রাপ্তবয়স্ক থাকে, ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত ছিলেন ১০১ বা ১০২ জন।  

    এটা মূলত হতে পারে - ১. মৃত বা স্থানান্তরিতদের বাদ না দেওয়ায়, অথবা ২. ভুয়ো ভোটার থাকায়। 

    নির্বাচন কমিশনের কুযুক্তির ভিত কিন্তু এই ১০০% এর বেশি অনুপাত। 

    সেটা কীভাবে হল সেটা রাজনীতির কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত আমরা সবাই অল্প বিস্তর জানি। 

    এবার আসা যাক লজিক্যাল ডিস্কিপেনসির কুযুক্তির ওপর।  ২০১১ থেকে যদি আমরা পশ্চিমবঙ্গের আসন ভিত্তিক ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধির হার দেখি তাহলে দক্ষিণবঙ্গের একটি জেলা এবং মধ্যবঙ্গের দুটি জেলার কিছু আসনে ভোটার বৃদ্ধির হার রাজ্যের বাকি অংশের থেকে বেশি। 

    যদি ২০১১কে বেসলাইন ধরে দেখি (এর কারণ ২০০৮ এর ডিলিমিটেশন), তাহলে গত ১৪ বছরে রাজ্যের গড় আসনভিত্তিক ভোটারের সংখ্যা ৩৬.৭% বেড়েছে। কিন্তু কয়েকটি আসনে  বেড়েছে ৫০-৭৭%। এখানে খসড়া তালিকাতে বাদ দেওয়ার সংখ্যা তুলনামূলক কম, আন ম্যাপিং ও অত্যন্ত কম।  আপাতদৃষ্টিতে যেটা নিয়ে উল্লসিত হওয়ার কারণ ছিল, সেটাই হয়ে গেল বিপদের কারণ। কুযুক্তি খাড়া করতে হলে লাইনের বাইরে যারা আছে তাদের ওপরই সবার আগে নজর পরে কিনা!

    এরপর সমস্যা আরো বাড়ল রাজ্যের অসহযোগীতায়।  মনে রাখতে হবে ১.৬৭ কোটি লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সিতে ছিলেন। ১ কোটি ৭ লক্ষ নাম শুনানির পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল বাদ গেছিল ৬ লক্ষের  মতো। তাঁরাও পরে তালিকায় নাম তোলার আবেদন জানাতে পারবেন। 

    তারপর এলো জুডিশিয়াল রিভিউ। মুখ্যমন্ত্রী বলে দিলেন জয়  হয়ে তাঁর। যাঁরা বাকি ছিলেন তারা চলে গেলেন আন্ডার এডজুডিকেশনে। বাদ যাচ্ছে ৬০ লক্ষের মধ্যে প্রায় ৪৫% মানুষের নাম।  এদের যেতে হলে ট্রাইব্যুনালে। 

    কার জয় হলো? মুখ্যমন্ত্রী? নির্বাচন কমিশন? মোদী - শাহ?

    আমি জানি কে হারল। প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষের অধিকার। এবং ভারতীয় গণতন্ত্র।
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ০২ এপ্রিল ২০২৬ ২১:০১747157
  • যুক্তিপূর্ণ লেখা, তবে আমার রেসপন্সটাও রেকর্ড করছিঃ

    অপর্ণা ভট্টাচার্য, যুক্তি দিয়ে তথ্য দিয়ে লিখেছেন। তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আমার পর্যবেক্ষনগুলো হল:

    ১ - অন্য রাজ্যের রেশিও কি, আর সেটা লজিকাল ডিসক্রিপান্সি থাকা বা না থাকার কারণ কেন?
    ২ - অপর্ণার, সাবির আহমেদ এবং পূবালী রানা-র লেখাতেই আমরা দেখেছি exclusion এ মহিলা আর জাতিবর্গের কি skew আছে, এবং newslaundry বা যোগেন্দ্র যাদব-দের বিহার সংক্রান্ত লেখাতেও সেটা আছে, সেটার কারণ পপুলেশন রেশিও শুধু না। তাহলে সেটার যুক্তি কি সেটা পরিষ্কার না কারণ এ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে কমিশন তার চার্টারের আড়ালে লুকোচ্ছে। কোর্টও তাকে লুকোতে দিচ্ছে, এর মানে তথ্যপ্রমাণ ঝুরি ঝুরি।
    ৩ - মৃত ভোটারের ডেটা যেমন অনেক বড় করে রাজ্য সরকার চ্যালেঞ্জ করতে পারতো এবং না করে অন্যায় করেছে, তেমনই যারা হিয়ারিং এ আসেন নি, অন্যত্র বসবাস করছেন, ডুপ্লিকেট কার্ড তাদের বড় করে ট্রেসেবিলিটি কমিশন আদৌ দেয় নি।
    ৪ - সবচেয়ে বড় অন্যায় হল, রাজ্য সরকার, অন্য রাজ্যের সরকার এবং কেন্দ্র সরকার এবং এজেন্সি এবং জুডিশিয়ারি সকলের কর্মীদের মধ্যে সামাজিক রক্ষনশীলতা কম এরকম আলাদা করা যায় কিনা জানি না। কোনো এভিডেন্স নেই। এবং কে কোথায় চাকরি করেন সেটা দিয়ে এসআইএর এর যুক্তিগ্রাহ্যতা বাড়ানো বা কমানোর চেষ্টাটাই, রাজ্য সরকার, কমিশন এবং কোর্ট এর সবচেয়ে বড় যৌথ বাঁদরামি।
    ৫ - আনন্দবাজার বলতে শুরু করবে কদিন বাদেই, 2002 এ 28 লক্ষ বাদ, এখনও ম্যাপিং বাদ দিয়ে আঠাশ লক্ষ বাদ অতএব রাজ্য সরকার দুটির ভূমিকা তুলনীয়। ঘটনা হল, রাজ্য কংগ্রেসের উদ্বাস্তু বিরোধী রাজনীতির যে ঐতিহ্য তার প্রকৃত উত্তরসূরী হিসেবে মমতা তাঁর কেরিয়ার শুরু করেন, পরে মতুয়াদের চাম্পিয়ন হন। মাঝের বছরগুলিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি পশ্চিমবঙ্গবাসীর অস্বস্তিকর সমবেদনাকে বাঙালি মুসলমানের প্রতি জাতঘৃণায় পরিণত করা হয়েছে গোটা নয়ের দশক জুড়ে। কারণ সেটা আবার নয়ের দশকের পশ্চিম ফ্রন্টের বিদেশ নীতির সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ। এই কাজ করেছিল আবাপ এবং বর্তমান পত্রিকা। তারাই প্রথম ম্যাপ ছাপিয়ে বলতে থাকে কোন অনুপ্রবেশকারী এবং মুসলমানের ভোটে বামফ্রন্ট ভোটে জেতে, এবং শেষ পর্যন্ত সেটা পার্লামেন্টে কাগজ ছোঁড়াতে গিয়ে অতিনাটকীয় হয়। সুতরাং ভাষা জাতীয়তাবাদের ধ্বজাধারীদের পূর্বসূরীগণের ভূমিকা অতীব খারাপ। এবং দক্ষিনপন্থী কাগজ ও টেলিভিসন এর মূল উদ্দেশ্য হল গণবিস্মৃতি তৈরী করা।
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৪৯747158
  • https://www.facebook.com/share/v/1D87V7kPXh/
     
    এই জালি সাংবাদিকের ফালতু কথা বলার অভ্যেসটা আর গেল না। বিচারপতিদের যে এত কম সময়ে কাজ করতে হচ্ছে সেটার দোষ কাদের, কমিশন এত দেরী করে এসআইআর শুরু করেছে কেন, ভোটার লিস্ট হবার আগে ভোট ঘোষণা করেছে কেন, কমিশন কত লোক ডিলিট হল তার সংখ্যা, কারণ কিছুই দিতে পারে না কেন। তদুপরি ঘন্টার পর ঘন্টা, 'ঘন্ট' কাজ যাতে তিরিশ লক্ষ মানুষ আজ নিজভূমে পরবাসী, এবং তার আগের আটান্ন লক্ষ নিয়ে কেউ ভাবছে না, এগুলি রসিকতা রচ্ছে? মুসলমান আর মহিলাদের, মতুয়াদের, underdocumented গরীব মানুষকে সরাসরি টার্গেট করা হচ্ছে, কাগজ জমা দিলে সময়ের অভাবে ইগনোর করা হচ্ছে, আর কেউ একটা রাস্তায় ঝামেলা করলে তাকে না ধরে, ব্যবস্থার জন্য গলা কাঁপানো হচ্ছে?  ন্যাকাষষ্ঠি সাংবাদিক। আর একেক সময় এক একটি শাসনযন্ত্রের কলাকুশলীরা অন্য আরেকটিকে দোষ দেন,  সরকারি চ্যাংড়ামির অন্ত নেই। নজরুল ইসলামের উত্তরের প্রথম বাক্যটি যথেষ্ট।
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৪০747160
  • সামিরুল ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ লেখাঃ
     
    লেখাটি একটু দীর্ঘ। একটু সময় করে সকলকে পড়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইলো.........

    কিসের Logical Discrepancy? কিসের যাচাই পর্ব? যাদের নাম ডিলিট করা হচ্ছে তারা কারা? খোঁজ নিয়ে দেখুন, তারা জাত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে গরীব মানুষ। গরীব মুসলমান, রাজবংশী, মতুয়া, আদিবাসী থেকে শুরু করে যারাই পিছিয়ে পড়া মানুষ তাদের একমাত্র অধিকার কেড়ে নেওয়ার খেলা। এটা নাগরিক অধিকার হরণের চক্রান্ত। হ্যাঁ বলতে পারেন এই তালিকায় নাম রয়েছে সবচেয়ে বেশি মহিলা আর মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের। কেন? সেই প্রশ্নের পিছনেও রয়েছে বিজেপির রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। আজ মালদার ঘটনা নিয়ে বড় বড় কথা বলা হচ্ছে। এজেন্সি লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু একবার ওই বিক্ষোভরত মানুষগুলোর সাথে কথা বলেছেন কেউ? দেখুন তো তারা কি বিদেশি? রোহিঙ্গা? একেবারেই না। হলফ করে বলতে পারি দিল্লির জমিদারদের চেয়ে তারা অনেক আদি বাসিন্দা, অনেক বেশি ভারতীয়।

    বাংলার সাধারণ মানুষের নাম কেটে দেওয়ার বিরুদ্ধে সরব হওয়ার দিন আজ এসে গেছে। কোনো হিংসা নয়, গণতান্ত্রিকভাবে আমাদের লড়তে হবে।

    আজ বাংলার মাটি থেকে এক ভয়ংকর শব্দ বারবার ভেসে আসছে— “Logical Discrepancy”।

    কাগজে-কলমে এই শব্দটা দেখতে খুব ভদ্র, খুব প্রশাসনিক, খুব প্রযুক্তিগত। কিন্তু বাস্তবে এর মানে কী?
    এর মানে—
    একজন গরিব মানুষের নাম মুছে দেওয়া। একজন বৃদ্ধ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া।
    একজন মেয়ের বিয়ের পর পদবী বদলানোকে অপরাধ বানানো। একটি পরিবারের ইতিহাস, পরিচয়, সম্মান, নাগরিকত্ব—সব কিছুকে সন্দেহের মুখে দাঁড় করিয়ে দেওয়া।

    এই “Logical Discrepancy”-র ভেতরে সবচেয়ে বেশি আছে Illogicality। অর্থাৎ, যা যুক্তির নামে করা হচ্ছে, তার ভেতরেই যুক্তির চরম অভাব।

    *ঘটনা – ১*

    দুলারী থেকে দুলী, তারপর ডিলিট
    বাবা-মা খুব ভালোবেসে মেয়ের নাম রেখেছিলেন দুলারী মুর্মু (নাম পরিবর্তিত)। বাবার নাম ফুলু মুর্মু।
    ছোটবেলা থেকে বাড়িতে সবাই তাকে ডাকত দুলী বলে। সেই সময় গ্রামে ভোটার তালিকার কাজ চলছিল। ভোট-বাবুরা এলেন নাম তুলতে।

    প্রশ্ন করলেন— “আরে, ওই ফুলুর বেটির নাম কী বটে?”। লাজুক, উঠতি বয়সের এক কিশোরী মাথা নিচু করে বলেছিল— “দুলী বটে…”
    ভোট-কাকু খাতায় লিখে নিলেন— “দুলী মুর্মু”
    সেদিন হয়তো কেউ ভাবেনি, এই সামান্য কথার ব্যবধান একদিন তার নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার অস্ত্র হয়ে উঠবে।
    সময়ের সঙ্গে দুলারীর বিয়ে হল। শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে “দুলী” নামটা ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল।
    সরকারি কাগজপত্রে, আধার কার্ডে, ব্যাংকে, হাসপাতালে— তার নাম হয়ে গেল দুলারী মুর্মু।
    আজ হঠাৎ করে প্রশাসন বলছে— তার নাম “মেলে না”।
    তার নাম “Logical Discrepancy”।
    তার নাম ডিলিট।
    একটা প্রশ্ন— দোষটা কার? দুলারীর?
    নাকি সেই ব্যবস্থার, যেখানে গ্রামের উচ্চারণ, ডাকনাম, অশিক্ষা, সামাজিক বাস্তবতা—কিছুই বোঝার চেষ্টা করা হয় না?
    এটাই কি যুক্তি?

    “Logical Discrepancy”
    ঘটনা – ২

    আমিনা খাতুন (নাম পরিবর্তিত)। বিয়ের আগে তার নাম ছিল এটাই।
    স্কুলে, পাড়ায়, ভোটার তালিকায়, হয়তো কোথাও “খাতুন”, কোথাও “খাতুনা”, কোথাও “আমিনা”।
    বিয়ের পর স্বামীর বাড়িতে গিয়ে সে হয়ে গেল আমিনা বিবি। এটাই বাংলার বাস্তবতা। এটাই গ্রামের বাস্তবতা। এটাই বহু পরিবারের স্বাভাবিক সামাজিক রীতি। একজন মেয়ের নাম, পদবী, পরিচয়ের ভাষা—বিয়ের পর বদলায়।
    “তোমার জীবনের বাস্তবতা আমাদের ডেটাবেসের সঙ্গে মেলেনি। তাই তোমার অস্তিত্বই প্রশ্নের মুখে।”
    তার নাম ডিলিট।
    নেপথ্যে আবার সেই একই শব্দ—
    Logical Discrepancy।
    প্রশ্ন হচ্ছে—
    বাংলার হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ নারীর জীবনে বিয়ের পর নাম বা পদবীর পরিবর্তন হয়েছে।
    তাহলে কি তাদের সবাইকে সন্দেহভাজন করা হবে?
    তাহলে কি নারী হওয়ার সামাজিক বাস্তবতাকেই অপরাধ বানানো হবে?
    ঘটনা – ৩
    রবিচাঁদ ঠাকুর (নাম পরিবর্তিত) বহু বছর আগে এদেশে এসেছিলেন।
    পরিবার গড়েছেন। এখানেই বসতি, এখানেই জীবন, এখানেই সন্তান-সন্ততি। নাম ছিল। নথি ছিল। পরিচয় ছিল। রাষ্ট্রের কাছে তিনি ছিলেন একজন স্বীকৃত মানুষ। আজ হঠাৎ করে তাঁর নামও বাদ।
    কেন?
    উত্তর—
    Logical Discrepancy।
    এ যেন এক জাদুকরী শব্দ।
    যার আড়ালে সব অন্যায় ঢেকে দেওয়া যায়।
    যার আড়ালে প্রশ্ন বন্ধ করা যায়।
    যার আড়ালে মানুষের জীবনকে কেবল “ডেটা mismatch” বলে খারিজ করে দেওয়া যায়।
    সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: এই “Logical Discrepancy” আসলে কতটা Logical?
    এই প্রশ্নটাই আজ কেউ তুলছে না। আমরা জিজ্ঞেস করতে চাই—
    • যার বাবার নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় আছে, তার ছেলে বা মেয়ের নাম আজ ডিলিটেড— সে ট্রাইব্যুনালে যাবে কেন? কেন তাকে এই হয়রানির শিকার হতে হবে। মনে আছে এই নির্বাচন কমিশন বলেছিল যে ২০০২ সালের নিজের অথবা বাবা মায়ের নাম থাকলে চিন্তা নেই!
    • যে মানুষটির নিজের নাম ২০০২ সাল থেকেই ভোটার তালিকায় আছে, আজ তাঁর নাম ডিলিট হলো কী করে? তিনি ট্রাইব্যুনালে যাবেন কেন?

    • যে মানুষটির পাসপোর্ট আছে, বহু বছর ধরে সরকারি স্বীকৃত পরিচয় আছে, তাঁর নাম হঠাৎ ডিলিট হলো কী করে? তিনি ট্রাইব্যুনালে যাবেন কেন?
    • যে মানুষটি মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিকের সার্টিফিকেট দিয়েছে, স্কুল-কলেজের নথি দিয়েছে, তার নাম ডিলিট হলো কেন?

    • যাকে শুনানির নোটিসই দেওয়া হয়নি, তাকে হিয়ারিং-এ ডাকা হয়নি, তার নাম ডিলিট হলো কী করে?

    • যার বাবা-মায়ের নাম accepted, কিন্তু ছেলে-মেয়ের নাম “ডিলিট”— এটা কীভাবে সম্ভব?

    • এক পরিবারের ৬ ভাইবোনের মধ্যে ২ জনের নাম উঠেছে, ৪ জনের নাম ওঠেনি, উল্টে ডিলিট— এ কেমন প্রক্রিয়া? এ কেমন যুক্তি?

    • বিয়ের পর হাজার হাজার মেয়ের পদবী বদলেছে— তাই কি তাদের গণহারে নাম কেটে দেওয়া হবে?
    • ৮০-৯০ বছরের এক বৃদ্ধ মানুষ, যিনি গত ৪০-৫০ বছর ধরে ভোট দিয়ে আসছেন, যিনি হয়তো লেখাপড়া জানেন না, নামের বানানে সামান্য এদিক-ওদিক হয়েছে বলে আজ তাঁর নাম ডিলিট? তিনি ট্রাইব্যুনালে যাবেন কেন?
    এই প্রশ্নগুলোর উত্তর কে দেবে?
    কোর্ট, কমিশন, মিডিয়া?
    এমন হাজার হাজার প্রশ্ন আছে।
    এই প্রশ্নগুলোর উত্তর কে দেবে?
    • কোন কোর্ট?
    • কোন কমিশন আধিকারিক?
    • কোন নির্বাচন কর্তৃপক্ষ?
    • কোন সংবাদমাধ্যম?
    • কোন রাজনৈতিক নেতা?

    আমরা কি দেখেছি এই প্রশ্নগুলো সুপ্রিম কোর্টে জোরের সঙ্গে তোলা হচ্ছে?

    আমরা কি দেখেছি টেলিভিশন স্টুডিওতে এই ভুক্তভোগীদের ডেকে বসানো হচ্ছে?
    আমরা কি দেখেছি জাতীয় মিডিয়া এই ৬০ লক্ষ মানুষের কান্না নিয়ে রাতভর চিৎকার করছে?

    *"না।"*

    যে মিডিয়া তুচ্ছ ঘটনা নিয়েও স্টুডিওতে “ডিবেট” বসায়, যারা একটি ঘটনার জন্য ভুক্তভোগীর চৌদ্দ গুষ্ঠিকে টেনে আনে, তারা এই ৬০ লক্ষ মানুষের মধ্যে একজনকেও সামনে আনছে না। কেন?

    কারণ এদের কান্না “টিআরপির জন্য সুবিধাজনক” নয়।

    এদের হাহাকার “স্টুডিও-ফ্রেন্ডলি” নয়।

    এদের জীবন ক্ষমতার রাজনীতির কাছে নগণ্য।

    "ট্রাইব্যুনাল যাবে কেন সাধারণ মানুষ?"

    সবচেয়ে নির্মম প্রশ্ন এটা।

    আজ একজন খেটে খাওয়া মানুষ, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ, যার সারা দিন রোজগার না হলে বাড়িতে হাঁড়ি চড়ে না, তাকে বলা হচ্ছে—
    “তোমার নাম ডিলিট হয়েছে। ট্রাইব্যুনালে যাও।”

    হ্যাঁ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বলেছেন দলীয় কর্মীরা সাহায্য করবে যেতে। গরীব মানুষকে টাকা খরচ করতে হবে না।
    কিন্তু—
    এই ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার জন্য মানুষের যে দিনের পর দিন রোজগার বন্ধ হবে, সেই বিষয়টা কমিশন বা কোর্ট ভাববে না?

    • সুন্দরবন, উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল, মুর্শিদাবাদ, মালদা, কোচবিহার, দার্জিলিং— সেখানকার গরিব মানুষ কলকাতায় এসে পড়ে থাকবেন?

    • অসুস্থ বৃদ্ধা মা, নিরক্ষর কৃষক, গৃহবধূ, আদিবাসী শ্রমিক, সংখ্যালঘু পরিবার— এরা কি কোর্ট-কাচারির ভাষা বোঝেন?

    তাহলে এই “প্রক্রিয়া” আসলে কী?

    এটা ন্যায়বিচারের পথ?

    নাকি হয়রানির ফাঁদ?

    এটা নিছক প্রশাসনিক ভুল নয়—এটা রাজনৈতিক চক্রান্ত।

    এই বিপুল মাত্রার নাম বাদ, এই অদ্ভুত “Logical Discrepancy”,
    এই বাছাই করা নীরবতা— এসব কিছুই নিছক কাগজের ভুল নয়।
    এটা একটি গভীর রাজনৈতিক প্রকল্প।
    আজ আরএসএস-এর ১০০ বছর পূর্তি।
    তাদের বহুদিনের স্বপ্ন— বাংলাকে ভাঙো, বাংলাকে বিভক্ত করো, বাংলার সামাজিক সংহতিকে ধ্বংস করো।
    আজ অবস্থা এমন তৈরি করেছে যে এজেন্সির অত্যাচার তো আছেই, সংসদে মুখে তালা দেওয়ার চেষ্টা করতেও কসুর করে না বিজেপি।

    কিন্তু তারা ভুলে গেছে—
    বাংলা উত্তর প্রদেশ নয়। বাংলা বিহার নয়।
    বাংলার সমাজকে সহজে ঘৃণা, ছোঁয়াছুঁয়ি, জাতপাত, ধর্মবিদ্বেষের পরীক্ষাগার বানানো যায় না।
    বাংলার মাটি একদিকে মায়াময়, অন্যদিকে পাহাড়ের মতো শক্ত।
    এই বাংলায় যেমন লালন আছেন, তেমনই আছেন ক্ষুদিরাম, সুভাষ, মাস্টারদা, মাতঙ্গিনী, নজরুল।
    এই বাংলার মানুষ জানে— একবার সাম্প্রদায়িক আগুনে হৃদয় পুড়লে তার দাগ প্রজন্মের পর প্রজন্ম থাকে। তাই বাংলার মানুষ হিন্দু-মুসলমানের নামে, জাতের নামে, খাওয়াদাওয়ার নামে, ভাষার নামে— সহজে ভাঙে না।
    সেই কারণেই বাংলা ঘৃণার রাজনীতির জন্য উর্বর জমি নয়।
    তাই শুরু হয়েছে নতুন চক্রান্ত
    বাংলার মানুষকে সরাসরি হারানো যাচ্ছে না। তাই শুরু হয়েছে ডেটার নামে আক্রমণ।
    প্রশাসনের নামে বাছাই করা হয়রানি। ভোটার তালিকার নামে নাগরিক বাছাই।
    প্রথম ধাপে বসানো হলো অমেরুদণ্ডী প্রতিষ্ঠান। তারপর একের পর এক “প্রযুক্তিগত” শব্দ ছুড়ে দেওয়া হলো— Discrepancy, Mismatch, Verification, Objection, Deletion।
    শুনতে খুব আধুনিক। আসলে এর ভেতরে লুকিয়ে আছে অধিকার হরণ।

    মহিলা, সংখ্যালঘু, আদিবাসী, গরিব, রাজবংশী, মতুয়া— সবার বিরুদ্ধে এই আঘাত
    সবচেয়ে বড় আঘাত নেমে এসেছে তাদের উপর—
    • যারা গরিব
    • যারা নিরক্ষর
    • যারা গ্রামবাংলার মানুষ
    • যারা আদিবাসী
    • যারা সংখ্যালঘু
    • যারা কাগজপত্রের ভাষা বোঝেন না
    • যারা প্রশাসনিক দালালচক্রের সামনে অসহায়
    কারণ এদের বিরুদ্ধে যা-খুশি করা সহজ বলে মনে করা হয়।
    ভাবা হয়—
    • মিডিয়া চুপ থাকবে
    • পুলিশ চুপ করাবে
    • আদালতে প্রশ্ন কম উঠবে
    • সমাজের একাংশ তালি দেবে
    • আর রাজনৈতিক লাভের অঙ্ক মেলানো যাবে
    এই কারণেই আজ Logical Discrepancy শুধু একটি প্রশাসনিক শব্দ নয়।
    এটা হয়ে উঠেছে বাছাই করা নিপীড়নের নতুন নাম।

    তবুও আমাদের হেরে গেলে চলবে না। আমাদের এই লড়াই জিততে হবে। হিংসা নয়, বদলে সিস্টেমের মাধ্যমেই করতে হবে সমস্যার সমাধান। যাদের নাম ডিলিট হয়েছে, তাদের সবাইকে অনুরোধ করব, আসুন আমরা ট্রাইব্যুনালে যায়। ওখানে গিয়ে জানাতেই হবে যে তোমরা ঠিক কাজ করছ না। আমি, আপনি সবাই ভারতীয়। আমাদের দেশ। কয়েকজন হিংস্র বাংলা বিরোধীদের বাপের দেশ নয়।

    সামিরুল ইসলাম
     
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৫৪747161
  • সামিরুল তৃণমূলের রাজ্যসভা সদস্য ছিলেন কিছুদিন আগে পর্যন্ত।
  • Bratin Das | ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৩১747165
  • ভীষণ ইন্টারেস্টিং হতে চলছে এবার
    ভোট....
  • বোদাগু | 2406:*:*:*:*:*:*:* | ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:১৬747167
  • সাংবাদিক একরামুল বাগানি এবং আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলাম কে পুলিশ মোথাবাড়ির উত্তেজনার উস্কানিদাতা হিসেবে গ্রেফ্তার করেছে।

    মোফাক্কেরুলের স্ত্রী এবং মোফাক্কেরুল নিজে জানিয়েছেন মামলার কাজ থেকে ফেরার সময়ে রাস্তায় বিক্ষোভ দেখে সমর্থন জানান। বক্তৃতা যা করেছেন সেটার ভিডি ও সর্বত্র আছে সোশাল মেডিয়াতে, ডক্টর্ড ভার্সন যদি হাতে না পড়ে তাহলে সেই বক্তৃতায় আপত্তির কিছু নেই এবং থাকার কথা না।

    আমি ইনসাফ বৃলা টিভি বলে যে চ্যানেলটি আছে সেটি নিয়মিত দেখি। সেটি একরামূল বাগানি চালান। অত্যন্ত সেন্সিবল সাংবাদিক। আধুনিক এবং সমসাময়িক ভারতবর্ষের দুর্ভাগ্য একরামুল তাঁর বিশ্বাসী মুসলমানের চিহ্ন একগাল দাড়ি সহ কোনোদিন কোনো ক্যামেরার সামনের চাকরি অন্তত কোনো প্রাইভেট টেলিভিসন চ্যানেলেও পাবেন না।

    মোফাক্কেরুল ইসলাম, প্রচুর মুসলমান দর্শকের কাছে একসময়ে গালাগালা খেয়েছেন, এটা matter of fact ভাবে যুক্তি দিয়ে বোঝানোর জন্য যে কাগজ থাকলে এসআইআর-কে ভয় পাবার কিছু নেই। এবং প্যানিক যাতে না ছড়ায় তিনি হয়তো একথা বলেছেন। সেই তাঁকে, অন্যায় ভাবে নাম বাদ পড়াদের উত্তেজনা বাড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার পর্যন্ত হতে হচ্ছে এটা আমার অবাক লাগছে।

    বাগানির চ্যানেলে লেখক মানিক ফকির, প্রাক্তন আরএসএস কর্মী পার্থ ব্যানার্জি, সিপিএম বিরোধী বাম নেতানেত্রীরা যেমন অনেকে বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূলের স্বপক্ষে কথা বলে থাকেন, এবং সম্পাদকীয় সমর্থন পান তেমনই বিকাশ ভট্টাচার্য সহ অনেক বাম নেতার ইন্টারভিউ ইনসাফ বাংলার আর্কাইভে থাকবে যেখানে পরিষ্কার করে বিজেপির সঙ্গে তৃণমূল এর বিরোধিতার কথা বলা হয়েছে। কোনোটাই অবাক করা কিছু না। বাগানি তো গ্রাম বাংলায় শিল্প হওয়া দরকা বলে ডকুমেন্টারি এবং পডকাস্ট এর মিশেলে ডকুমেন্টারিও বানিয়েছেন, বোঝাই যায়, তৃণমূলে ভোট ভাঙাতে কিছুটা শঙ্কিত হলেও, কর্মসংস্থানের বিষযে তিনি তাঁর প্রজন্মের আর পাঁচটা যুবার মতোই চিন্তিত।

    মোফাক্কেরুল এর প্রথম নাম শুনি পরযায়ী শ্রমিকদের নানা মামলায় তিনি সাহায্য করতেন বলে। তবে তাঁর কথা বলার পদ্ধতির দুটি দিক আমাকে মুগ্ধ করেছিল। এক তিনি পড়াশুনো ভালো ভাবে না করার জন্য কোনো একটা বক্তৃতায় শ্রোতাদের মধ্যে অল্প বয়সীদের খুবই বকাবকি করছিলেন। এটা হয়তো কমুনিটি লিডারশিপের একটা দিক, এটা কল্পনা করা যায় না, সাধারণ একজন স্ট্যানডার্ড রাজনৈতিক নেতা পড়াশুনোর অমনোযোগের জন্য তাঁরই সভায় ভীড় বাড়ানোর জন্য অনুজদের বকাবকি করছিলেন। এই স্নেহশীলতা এক দুবার মিনাক্ষী মুখার্জির মধ্যে দেখেছি। তার সভায় স্কুলের অল্প বয়সীরা এলে তারা অনেক সময়ে বকুনি খায়।

    মোফাক্কেরুল সহ অনেক আইনজীবিকেই আজকাল দেখি কলকাতার বাইরে মামলা করতে যাবার ছবি, সেখামকার মামলার বিশদ এসব ফেসবুকে শেয়ার করেন। এটা হয়তো আইনব্যবসার প্রচারের বিষয়। বহু ইউটিউব চ্যানেলে এসবই চলে কেবল।

    যেটা পরিষ্কার সাংবাদিকতাকে নতুন করে এবং ওকালতিতে বরাবরি স্বাধীন পেশাদারী জীবন কাটাতে হচ্ছে, কোনো চাকুরিভিত্তিক পেশা তাঁদের নেই। প্রচুর বিখ্যাত এবং লম্বা চাকরি না থাকা সাঃবাদিক যেমন সোশ্যাল মেডিয়াকে পডকাস্ট বা ইনফ্লুয়েন্সিঃ এর জন্য বেছেছেন, তেমনই হয়তো তরুণ উকিলরাও করছেন। এতে অবাক হবার এখন আর কিছু পাই না।

    কিন্তু এটার কোনোটাই অস্বভাবিক না এবং মানুষ দিনের পর দিন লাইন দেবে, কেন বাদ পড়বে জানতে পারবে না, ধর্মীয়, লিঙ্গ, জাতিবর্ন ভিত্তিক বৈষম্যে বাদ যেতে পারবে, ট্রাইবুনাল ঘোষণা হবার বহু পরেও ট্রাইবুনাল না বসলে, কাগজ দেওয়া সত্ত্বেও বিএলও আপডেট না শুনলে, আর কিছু না পারুক বিক্ষোভ দেখাতে পারবে না - এটা একটা আজব পরিস্থিতি।

    তৃণমূল বা কংগ্রেস চায় না মুসলমানদের আলাদা রাজনৈতিক দল হোক বা বামপন্থায় আসুক। মুসলমান কমুনিটি লিডারদের, মধ্যবিত্ত এবং পেশাদারদের পক্ষে বাস্তব হল, তাঁদের দায় হে গেছে, তাঁদের বিজেপির সঙ্গে কথা বলার জায়গাতে ও থাকতে হবে আবার বিরোধিতার জায়গাতে ও থাকতে হবে, আবার শিক্ষিত স্বল্পশিক্ষিত মানুষের আসপিরেশনকে ও তাঁদের কথায় আলোচনায় জীবন যাপনে আনতে হবে। recluse intellectual হবার অধিকার তাঁদের চলে গেছে, কংগ্রেস আমলের রাজনীতির সঙ্গে মোদী দিদির রাজনীতির এটা মূল ফারাক। জিম নওয়াজ, সারা বাংলার সবচেয়ে সেন্সিবল মানবাধিকার কর্মীদের একজন, তাঁর করা মামলা কোর্ট খারিজ করে দেয় কারণ আর কিছুই না, মুসলমান ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনটেলেকচুয়াল দের কে রাষ্ট্রশক্তি একটু ব্যাঁকা চোখে দেখে। কদিন পরে ভারতীয় রাজনীতিতে মুসলমান বুদ্ধিজীবির অভিজ্ঞতা দক্ষিন আফ্রিকা, আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গদের আন্দোলন, আমাদের দেশের দলিত এবং নারী আন্দোলনের অভিজ্ঞতার তুলনায় একদিকে প্রাপ্ত অসম্মানে ভীষণভাবে একরকম অন্য দিকে শুধু ধর্মের কারণেই, বিশেষভাবে ভিন্ন থেকে যাবে।

    কদিন আগে বিজন ভট্টাচার্যের দেবীগর্জন নাটকটি পড়ছিলাম তাতে শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ভূমিকায় একটি চমকপ্রদ তথ্য রয়েছে, বিজনবাবু নাকি1978 এ প্রমা পত্রিকায় প্রকাশিত একটি লেখায় বলেছিলেন তিনি রমেশ শীল এবং শেখ গোমহানী দেওয়ানের কবির লড়াইয়ে দেখেছেন কিভাবে সাধারণভাবে ধর্মীয় আলোচনায় ব্যবহৃত রেটোরিক পদ্ধতি দর্শন আলোচনায় সাহায্য করছে, বিজনবাবু ব্রেখট এর কাজে প্রভাবিত হয়ে নিজের এপিকে এই বিতর্ক এবং স্মল পার্লামেন্টের ধারণা আনছেন। পার্লামেণ্টের বিতর্ক যখন রাস্তাতেও হচ্ছে কারণ সমাধানের পরিসর ছোট হলে লাভ হচ্ছে না, অন্যদিকে সমস্যার পরিসর কমছে না। মোফাক্কেরুল এবং একরামূল বাগানির দুর্ভাগ্য তাঁদের চর্চা এবং জীবনের মধ্যে ফারাক রাখার শৌখিনতা তাঁদের ভাগ্যে নেই।

    মূল ধারার মেডিয়ার ধাষ্টামির কথা নতুন করে আর বললাম না।
  • বোদাগু | 2406:*:*:*:*:*:*:* | ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:১০747168
  • বানান প্রচুর ভুল ছিল, একটু ঠিক করলাম।
     
    সাংবাদিক একরামুল বাগানি এবং আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলাম কে পুলিশ মোথাবাড়ির উত্তেজনার উস্কানিদাতা হিসেবে গ্রেফতার করেছে। সোশাল.মেডিয়াতে ই দেখলাম মোফাক্কেরুলের স্ত্রী এবং মোফাক্কেরুল নিজে জানিয়েছেন মামলার কাজ থেকে ফেরার সময়ে রাস্তায় বিক্ষোভ দেখে সমর্থন জানান। বক্তৃতা যা করেছেন সেটার ভিডিও সর্বত্র আছে সোশাল.মেডিয়াতে, ডক্টর্ড ভার্সন যদি হাতে না পড়ে তাহলে সেই বক্তৃতায় আপত্তির কিছু নে ই এবং থাকার কথা না।

    আমি ইনসাফ বাংলা টিভি বলে যে ইউ টি উব ও ফেসবুক চ্যানেলটি আছে সেটি নিয়মিত দেখি। সেটি একরামূল বাগানি চালান। অত্যন্ত সেন্সিবল সাংবাদিক। আধুনিক এবং সমসাময়িক ভারতবর্ষের দুর্ভাগ্য একরামুল তাঁর বিশ্বাসী মুসলমানের চিহ্ন একগাল দাড়ি সহ কোনোদিন কোনো ক্যামেরার সামনের চাকরি অন্তত কোনো প্রাইভেট টেলিভিসন চ্যানেলে ও পাবেন না। ভারতের দু তিনটে শঌরে যদি পেয়ে ও যান, আবাপ প্লভাবিত বাংলায় পাবেন না।

    মোফাক্কেরুল ইসলাম, প্রচুর মুসলমান দর্শকের কাছে একসময়ে গালাগাল খেয়েছেন, এটা matter of fact ভাবে যুক্তি দিয়ে বোঝানোর জন্য, যে কাগজ থাকলে এস আই আর কে ভয় পাবার কিছু নেই। তবে একথা তখন বলার জন্য অনেক বামপন্থা এখনো গালাগাল খান সেটা অন্য পারসঙ্গ। এবং প্যানিক যাতে না ছড়ায় তিনি হয়তো একথা বলেছিলেন। সেই তাঁকে, অন্যায় ভাবে নাম বাদ পড়া দের উত্তেজনা বাড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার পর্যন্ত হতে হচ্ছে এটা আমার মানে এমনকি বিচ্ছিন্ন news junkie হিসেবে ও অবাক লাগছে।

    বাগানির চ্যানেলে লেখক মানিক ফকির, প্রাক্তন আর এস এস কর্মী পার্থ ব্যানার্জি, সিপি এম বিরোধী বাম নেতা নেত্রী রা যেমন অনেকে বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূলের স্বপক্ষে কথা বলে থাকেন, এবং সম্পাদকীয় সমর্থন পান তেমন ই বিকাশ ভট্টাচার্য সহ অনেক বাম নেতার ইন্টারভিউ ইনসাফ বাংলার আর্কাইভে থাকবে যেখানে পরিষ্কার করে বিজেপির সঙ্গে তৃণমূল এর বিরোধিতার কথা বলা হয়েছে। কোনোটা ই অবাক করা কিছু না। এগুলি ঘোষিত অবস্থান। বাগানি তো গ্রাম বাংলায় শিল্প হওয়া দরকা বলে ডকুমেন্টারি এবং পডকাস্ট এর মিশেল ও বানিয়েছেন, বোঝাই যায়, তৃণমূলে ভোট ভাঙাতে কিছুটা শঙ্কিত হলে ও, কর্মসংস্থানের বিষযে তিনি তাঁর প্রজন্মের আর পাঁচটা যুবার.মতো ই চিন্তিত। এতেই বা নতুন করে অবাক হবার কি হল। to be frank, their lifelong work is very mai stream, শুধু মেনস্ট্রীমে মুসলমানের জায়গা কম.এটা ই সমস্যা, রিফর্ম বা বিপ্লব কোনোটাতে তো তাঁদের জায়গা নেই।

    মোফাক্কেরুল এর প্রথম নাম শুনি পরিযায়ী শ্রমিকদের নানা মামলায় তিনি সাহায্য করতেন বলে। তবে তাঁর কথা বলার পদ্ধতির দুটি দিক আমাকে মুগ্ধ করেছিল। এক তিনি পড়াশুনো ভালোভাবে না করার জন্য কোনো একটা বক্তৃতায় শ্রোতাদের মধ্যে অল্প বয়সীদের খুব ই বকাবকি করছিলেন। এটা হয়তো কমুনিটি লিডারশিপের একটা দিক, এটা কল্পনা করা যায় না, সাধারণ একজন স্ট্যানডার্ড রাজনৈতিক নেতা পড়াশুনোর অমনোযোগের জন্য তাঁরই সভায় ভীড় বাড়ানোর জন্য অনুজ দের বকাবকি করছেন। এই স্নেহশীলতা এবং চারদিকের সলজ্জ ফ্যান রা রয়েছেন, এক দুবার মিনাক্ষী মুখার্জির সভার মধ্যে দেখেছি। ততাঁর সভায় স্কুলের অল্প বয়সীরা এলে তারা এবং আয়োজকদের মধ্যে অল্পবয়সীরা অনেক সময়ে বকুনি খায়।

    মোফাক্কেরুল সহ অনেক আইনজীবিকেই আজকাল দেখি কলকাতার বাইরে মামলা করতে যাবার ছবি, সেখামকার মামলার বিশদ এসব ফেসবুকে শেয়ার করেন। এটা হয়তো আইনব্যবসার প্রচারের বিষয়। বহু ইউটিউব চ্যানেলে এসব ই চলে কেবল। আবার আরেকটা বিষয় ও আছে এটা হয়তো মুসলমান উকিল রা পড়াশুনোর মূল্যের.সামাজিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করার জন্য করেন, ভুললে চলবে না মান্ডেলা ও গাঁধী উকিল ছিলেন, প্রতিবাদের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে তাঁরা আইনের অন্তর্ভুক্তি অম্ভাবনাকে বুঝতে চেয়েছিলেন।

    যেটা পরিষ্কার সাংবাদিকতাকে নতুন করে এবং ওকালতিতে বরাবরি স্বাধীন পেশাদারী জীবন কাটাতে হচ্ছে, কোনো চাকুরিভিত্তিক পেশা তাঁদের নেই। প্রচুর বিখ্যাত এবং উনিজি তথা প্রফিট লজিকের দয়ায় লম্বা চাকরি না থাকা সাংবাদিক যেমন সোশাল মেডিয়া কে পডকাস্ট বা ইনফ্লুয়েন্সিং এর জন্য বেছেছেন, তেমন ই হয়তো তরুণ উকিল রাও করছেন। এতে অবাক হবার এখন আর কিছু পাই না। এতে প্রশাসন কেন উতলা ভে বোঝা মুশকিল।

    কিন্তু এটার কোনোটাই অস্বভাবিক না এবং মানুষ দিনের পর দিন লাইন দেবে, কেন বাদ পড়বে জানতে পারবে না, ধর্মীয়, লিঙ্গ, জাতিবর্ণ ভিত্তিক বৈষম্য দেখতে পাবে, ট্রাইবুনাল ঘোষণা হবার বহু পরে ও ট্রাইবুনাল না বসলে, কাগজ দেওয়া সত্ত্বে ও বিএলও আপডেট না করলে বা লাগবেনা বললে, আর কিছু না পারুক বিক্ষোভ দেখাতে পারবে না আনুষ, তাতে সমর্থন জানাতে পারবে না এটা একটা আজব পরিস্থিতি।

    তৃণমূল বা কংগ্রেস চায় না মুসলমান দের আলাদা রাজনৈতিক দল হোক বা কেউ বামপন্থা বা তৃতীয় কোন পন্থায় আসুক। মুসলমান কমুনিটি লিডারদের, মধ্যবিত্ত এবং পেশাদারদের পক্ষে বাস্তব হল, তাঁদের দায় হয়েছে, বাঁচতে গেলে, তাঁদের বিজেপির সঙ্গে কথা বলার জায়গাতেও থাকতে হবে আবার বিরোধিতার জায়গাতেও থাকতে হবে আবার মুসলমান শিক্ষিত স্বল্পশিক্ষিত মানুষের আসপিরেশনকেও তাঁদের কথায় আলোচনায় জীবন যাপনে আনতে হবে। recluse intellectual হবার অধিকার তাঁদের চলে গেছে, কংগ্রেস বা বাম আমলের রাজনীতির সঙ্গে মোদী দিদির রাজনীতির এটা মূল ফারাক।
    জিম নওয়াজ, সারা বাংলার সবচেয়ে সেন্সিবল তরুণ মানবাধিকার কর্মীদের একজন, তাঁর করা এস আই আর মামলা কোর্ট খারিজ করে দেয় কারণ আর কিছুই না মুসলমান ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনটেলেকচুয়ালদের কে রাষ্ট্রশক্তি একটু ব্যাঁকা চোখে দেখে। কদিন পরে ভারতীয় রাজনীতিতে মুসলমান বুদ্ধিজীবির অভিজ্ঞতা দক্ষিন আফ্রিকা, আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গদের আন্দোলন, আমাদের দেশের দলিত এবং নারী আন্দোলনের অভিজ্ঞতার তুলনায় একদিকে প্রাপ্ত অসম্মানে ভীষণ ভাবে একরকম.অন্য দিকে শুধু ধর্মের কারণেই, বিশেষ.ভাবে ভিন্ন থেকে যাবে।

    কদিন আগে বিজন ভট্টাচার্যের দেবীগর্জন নাটকটি পড়ছিলাম তাতে শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ভূমিকায় একটি চমকপ্রদ তথ্য রয়েছে, বিজনবাবু নাকি, 1978 এ প্রমা পত্রিকায় প্রকাশিত একটি লেখায় বলেছিলেন তিনি রমেশ.শীল এবং শেখ গোমহানী দেওয়ানের কবির লড়াইয়ে দেখেছেন কিভাবে সাধারণ ভাবে ধর্মীয় আলোচনায় ব্যবহৃত রেটোরিক পদ্ধতি দর্শন আলোচনায় সাহায্য করছে, বিজনবাবু ব্রেখট এর কাজে প্রভাবিত হয়ে নিজের এপিকে এই রাস্তার জাতির ভবিষ্যতের বিতর্ক এবং স্মল পার্লামেন্টের ধারণা আনছেন। পার্লামেণ্টের বিতর্ক যখন রাস্তাতেও হচ্ছে কারণ সমাধানের পরিসর ছোট হলে লাভ হচ্ছেনা অন্যদিকে সমস্যার পরিসর কমছে না। মোফাক্কেরুল এবং একরামূল বাগানির দুর্ভাগ্য তাঁদের চর্চা এবং জীবনের মধ্যে ফারাক রাখার সৌখীনতা তাঁদের ভাগ্যে নেই। গ্রেফতার হবার সঙ্গে.সঙ্গে মূল ধারার মেডিয়ার ধাষ্টামির কথা নতুন করে আর বললাম না।
  • বোদাগু | 2406:*:*:*:*:*:*:* | ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:১৮747169
  • হুতো, লসাগু, এক ই পোস্ট দুবার করলাম, দ্বিতীয়টা তে টা ইপো কম। প্রথম টা উড়িয়ে দিলে ভালো হয় অবশ্য থাগলে আর কি ক্ষতি কি :-))))
  • বোদাগু | 2406:*:*:*:*:*:*:* | ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:২৬747170
  • Typically it is said that, the main reason for distrust between hindu and muslims as highlighted by their resective coommunity leaders is in their separate worlds of imagination of a culturally consistent life, while the lived lives can not be too different in a modern state and a modernising society. The arrest of a young, until recently a lower court lawyer and a journalist points to something far more problematic, the expectation of a limited but just public life is also considered disruptive when it is the most natural aspiration articulated by the founders of our independent state formed out of anti colonial struggle snd that is what we are hell bent on forgetting.
  • বোদাগু | 2406:*:*:*:*:*:*:* | ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:১৭747171



  • এই কাজ সবর ইন্স্টিটিউটের এর সাবির আহমেদরা করেছে আগে, sample size বা অটোমেশনে পার্থক্য থাকলেও ফলাফলে পার্থক্য কম। বিজেপির এবং তার তাঁবেদার বড় মেডিয়ার সাফল্যের একটা বড় কারণ প্রতিবাদীরা প্রাইভেট লিমিটেড হিসেবে কাজ করে বা প্রতিযোগী এনজিও মোডে কাজ করে। সেটা হয়তো পারস্পেকটিভ এর জন্য ভালো কিন্তু ডেটা অ্যানালিসিসটা অন্তত aggregate না করার কি কারণ, এই পিঠ ঠেকা বাজারে, সেটা বোঝা মুশকিল। যাই হোক আমি মরার আগে অব্দি আশা করে যাবো এই রেফারেন্সিং ভবিষ্যতে কারো কাজে লাগবে। 
    পব তে এসআইআর সংক্রান্ত গবেষণা যাঁরা করেছেন বলে জানতে পেরেছি, তাঁদের তালিকাটা এরকম:
    - সবর ইন্স্টিটিউট ও সাবির আহমেদ, এঁদের কাজ times of india, telegraph, scroll, wire, decoder, আবাপ, গণশক্তি, inscript ইত্যাদিরা ব্যবহার করেছেন। অনেকদিন ধরে ডেটা দেখে exclusion এর রাজনীতির আলোচনা করছেন, সমাজবিজ্ঞানের গবেষণায় অভিজ্ঞতা তাঁদেল সম্পদ।
    - বাংলা গবেষণা কেন্দ্র, বাঙালি জাতীয়তাবাদীদের নতুন গবেষণা কেন্দ্র, সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্য ভিত্তিক এবং সচেতনতা বাড়ানোর কাজ করেছেন
    - অপর্ণা ভট্টাচার্য, রাষ্ট্রবিজ্ঞাণী, এঁদের কাজে aggregation টা এবং gender discriminaation তুলে ধরার প্রচেষ্টা আমার তুলনামূলক ভাবে বেটার লেগেছে, important সেটা কারণ, ইসিআই agregation বন্ধ করার সব কাজ চালিয়েছে। 
    - অল্ট নিউজ, আমি আজ অধ্যাপিকা মেরিনা মুর্মুর টাইমলাইনে এদের কাজ আবিষ্কার করেছি। এমনিতে ফেক নিউজ ডিটেকশনে এঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। 
    - রেনেসাঁ অফ আলিয়া নামক একটি শিক্ষাব্রতীদের সংস্থা পার্ক সার্কাসে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:০৪747172
  • পার্টিলেস ট্রড ইউনিয়ন প্রবক্তা নাতাশা খান দের সংগঠন এসআইএর-এর বিপদের বিরুদ্ধে বলছেন, এপিডিআর-এর রঞ্জিতবাবুরা, লেখক গবেষক পূবালী রাণা এসআইএর এর বিরুদ্ধে কলম ধরেছেন।
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ০৫:২৪747182
  • অনলাইন মোথাবাড়িতে জুতা আবিষ্কার ঃ
     
    - একটি ফেসবুকের রীল আমার নজরে আসে, যাতে লেখা মালদা র ৫২ নং মোথাবাড়ি বিধানসভা তে, 40 na`m a`mshe, নাকি প্রচুর ডিলিট
    - তো এটা তলিয়ে দেখতে গিয়ে ঘুম ছুটে গেলো।
    -- অংশটির নাম বাংগীটোলা জিপি কমন ফেসিলিটি সেন্টার
    - দেখা যাচ্ছে এই গত কদিনে, ১১ বা ১২ টি করে adjudication supplementary / adjudication deletion তালিকা বেরিয়েছে আপাতত। মনে রাখতে হবে, সাপ্লিমেন্টারির গল্প হল, সেটি ২৮ ফেব্রুয়ারির তালিকার সাপ্লিমেন্টারি, যার পরে অ্যাডজুডিকেশন শুরু হল, মোস্তারি বানু র মামলার পরে (তথা মমতা ব্যানার্জির কোর্ট অপিয়ারেন্স খ্যাত ), এবং মুখ্যমন্ত্রীর মহিমা তে গুরুত্ত্ব দিতে প্রচার হল আরো বাদ যেত, এবার কম বাদ যাবে। আর আবাপ যেহেতু জালিতম জালি, গতকাল একটি প্রতিবেদনে গান গেয়ে রেখেছে, কেউ বলছেন মামলা করে উপকার হয়েছে, আরো বাদ যাওয়া আটকানো গেছে, আর কেউ বলছেন, বেশি হাইলাইট হয়ে গেল, ভেতর দিয়ে রাজ্য সরকারের কর্মচারীর ম্যানেজ করে অনেক কে রেখে দিতো। অধীর চৌধুরী ও একথা বলেছেন। আসলে এর থেকে বোঝা যায়, individuals do not matter for the politicians or the damned commission, all they want is to arrive at a workable number per constituency and overall.
    -- এখন তো মোটামুটি ভোটের আগের দিন পর্যন্ত কারেকশন চলবে, অতএব আরো বেরোতেই পারে, ২৩ এপ্রিল এর আগে।
    - তাইলে মহান দুশ্চিন্তাগ্রস্ত নাগরিক হিসেবে আমি কি কি ডাউন্লোড করলাম।
    - সেগুলি হল, ২০২৪ থেকে ২০২৬ অব্দি, বাই ইলেকশন বাদ দিয়ে, একটি বিধান সভার, একটি বুথের সংশোধন্তির সিরিয়ালাইজ্ড আপডেট, অর্থাৎ তিরিশ টি তালিকা, এর মধ্যে এস আই আর সংক্রান্ত তালিকাই ২৯ টি, ২০২৪ লোক সভা ইলেকশনের সময়্কার টা ও ডাউনলোড করে রেখেছি, পরে সময় পেলে পড় যাবে।
    -- তো এই ২৯টির মধ্যে ১২ টি ডিলিশন লিস্ট, ১২ টি অ্যাডিশন লিস্ট, বাকি গুলি, ড্রাফ্ট, ফাইনাল ইত্যাদি।
    অর্থাৎ ন্যুনতম ২৪টি কারেকশন হয়েছে শুধু অ্যাডজুডিকেশনের সময়ে। গুষ্টির ষষ্টিপুজোর উত্তরাঅধুনিক উদাহরণ।
    তবে ট্রেসেবিলিটি র দিক থেকে ঠিক আছে। ওখানকার ভোটার রা ট্রেসেবল ভাবে পাগল হতে পারেন, এটা আলাদা বিষয়।
    - এর মধ্যে ২৩-০৩ থেকে ২৮-০৩ অব্ডি ডিলিশন লিস্ট গুলি ফাঁকা অর্থাৎ কোনো নাম নেই।
    - এর পরে ২৯-০৩ বিকেল থেকে গল্প টি এরকমঃ ১৭২ জন পুরুষ, ১৬৪ জন মহিলা মোট বর্জন হয়ে যাচ্ছে, ৩৩৬ জন, একটি ই বুথে।
    - এর পরে ৩১ তারিখ অব্দি গল্প নেই কিছু, ডিলিশন লিস্ট গুলি ফাঁকা। আবার ১ এপ্রিল তারিখে, ১১ জন মহিলা একজন পুরুষের মোট বারো জনের বর্জন। তাইলে এখনো অব্দি মোট একটি বুথে বর্জন হলেন, ডিলিট হলেন, ৩৪৮ জন।
    - er পরে ২৭০৩ তারিখে জুড়েছেন ১ জন, ২১৯ জন অন্তর্ভুক্ত হছেন, ১৪৪ জন পুরুষ, ৭৫ জন মহিলা; er পরে ০১০৪ তারিখে, ১ জন পুরুষ, ৯ জন মহিল মোট ১০ জন অন্তর্ভুক্ত হছেন, অর্থাৎ মোট অন্তর্ভুক্তি র হিসেবে যা আপতত অনলাইনে আছে, সেটা 229 জনের।
    -- তাইলে পাটীগণিত যা দাঁড়ালো, ৫২ নং বিধান সভা মোথাবাড়ির ৪০ নং বুথ er ক্ষেত্রে ঃ
    ১১৬৬ জন মোট ভোটার er মধ্যে ৫৫৯ জন under adjudication or deleted. আমার যেহেতু চোখে গোণা এবং নানাবিধ ইমেজ ভ্যারিয়েশন গোনা সম্ভব হয় নি, তাই এই নম্বর টা ঐ রীলে পাওয়া ৫৭৮ এর চেয়ে একটু আলাদা, ১৯ টা র পার্থক্য। মোটামুটি তাইলে, 47.9 - 49.5 % অব্দি বাদের খাতায়।
    - তো আজ সকাল অনলাইনের খবর অনুযায়ী, ৫৫৯ / ৫৭৮ বিচারাধীন ছিলেন শুরুতে, এবং ২২৯ জন সংযোজিত এবং ৩৪৮ জন বিয়োজিত হয়েছেন, অর্থাৎ ৫৭৭ বা ৫৭৮ বিচারাধীন টাই সঠিক খবর, আমার ঘুম চোখে ১৯ জন গোণা পড়েনি, বা এত হালকা ওয়াটার মার্ক যে দেখতে পাইনি। বিয়োজন ৩৪৮ জন (বিচারাধীনের 60%, মোটা ভোটারের ৩০ শতাংশ ) এবং সংযোজন ২২৯ জন, বিচারাধীনের চল্লিশ শতাংশ।
     
    একটা হতে পারে, ব্লক অফিসে যে তালিকা পৌচেছে, আর যে তালিকা অনলাইনে আছে তার একট ফেস ল্যাগ আছে।
     
    মানুষ বিক্ষোভ করবে না তো কি করবে। ট্রাইবুনাল এর নোটিশ ই বেরিয়েছে দেরিতে, সবার কাজ ও শুরু হয় নি। এবং প্রার্থীদের বেলায় আগে ক্লিয়ারিং হছে, তো মানুষ ভাবছেন, যা বাবা ভোটার এর আগে প্রার্থী প্রায়োরিটি ক্লিয়ারিং হচ্ছে, এবং ট্রাইবুনাল এর কাজ ব্লকে শুরু হয় নি, জেলা সদর ব কলকাতায় শুরু হয়েছে বলে খবর, তাহলে ব্যক্তি ভোটার ২৩ তারিখের আগে নাম ওঠাবে কি করে, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবে কি করে। এবার স্বল্পশিক্ষিত, আন্ডারডকুমেন্টেড, বাড়ির লোকের উপরে কাগজের ব্যাপারে পুরুষের উপরে নির্ভরশীল, তাদের কি দুশ্চিন্তা অস্বাভাবিক, যেখানে শাসক দল দিল্লী থেকে এসে খুব ই ভুল ভাল রেটোরিক করছে। আর মুখ্যমন্ত্রী বলছেন ভরসা রাখুন ইত্যাদি। authorities are behaving as if they are just after a workable number on both sides, rather than providing redressak forum for affected citizens.
     
    -
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৩৪747191
  • Live notes এ পুরো বোঝা যায় না, কি অর্ডার বেরোয় দেখতে হবে, তবে major news portal গুলো তে আপডেট বেরোচ্ছে সেটা অ্যাবসার্ড লাগছে।

    রাজ্য সরকার কমিশন কেউ বললো ই না ট্রাইবুনাল গুলি ঠিক করে শুরু হয় নি, আর নতুন কাগজ দেখতে চা ওয়া হবে কি করে। আর যে ভাবে discrimination এর এভিডেন্স পাওয়া গেছে সেটা র একটা উদাহরণ ও এখনো আলোচিত হয় নি। আরো ভালো করে রেকর্ডিং দেখে ফা ইনাল মন্তব্য করব। একটা আশার কথা এএকজন বিচারক বললেন বলে নোট হয়েছে যে বেশি তাড়া করলে ক্যাওস হবে।
    সংযোজন: তবে পরে বোঝা গেল কেন সেটা বলেছিলেন। ম্যাপড ভোটারদের ভোট দিতে দেবার ইচ্ছে নে ই, অজুহাত সে ই, outlyer disrepancy. কার্যতঃ ট্রা ইবুনাল কে এ ভোটের জন্য অর্থহীন করা হল, অর্থাৎ অ্যাডজুডিকেশন কে প্রশ্নহীন করা হল। পাতার পর পাতা মুসলমানের নাম বাদ। আরেকটা জিনিস লক্ষনীয়, রাজ্য সলকারের পক্ষ থেকে যখন কোনো গ্রানট চা ওয়া হচ্ছে মূলতঃ হিন্দু নামের উদাহরণ দে ওয়া হচ্ছে। আগের দিন, ব্যানার্জি, বন্দ্যোপাধ্যায়, ইত্যাদি হয়েছিল। আজকাল মুসলমানেরনাম উচ্চারণ করলে arguement ক্ষতিগ্রস্ত হবে মনে করা হচ্ছে। 50 এর দশক পর্যন্ত আমেরিকান ডেমোক্রাসির আলোচনায় কৃষ্ণাঙ্গরা বেশি উল্লেখিত হতেন না। Ralph Ellison উপন্যাস লিখে নাম দিয়েছিলেন, invisible man . সেটা মনে পড়ল। it is so infuriating.
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ২০:১৪747193
  • মাঝে একবার আলোচনায় উঠে এলো যে চেয়ার টেবিল পাওয়া যায় নি বলে ট্রাইবুনাল জিনিশটা চালু করা যায় নি। শুনে অসুস্থ লাগছিল। মানুষ শুধু লাইন দেয়।
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৩৪747198
  • It is pathetic that the fear of so called constitutional crisis practically compels disenfranchisement. The tribunal process, the only redressal forum left and already afforded to candidates and distinguished citizens, like everything else in our country, becomes a method of discrimination and is rendered meaningless so far as mass participation in assembly elections of 2026 is concerned.

    Yet folks will participate in elections in fear that lack of engagement will create a garden of eden for those who want to capture the republic. Very few moments in our history, the black coats looked like prodigal black shirts hiding behind outlier cases of logical discrepancies.

    Hopefully the act of daily living of the toiling masses and their worries to get a correct piece of paper, will one day be seen as an act of historic resistance.

    When will we understand that the dignity of the indvidual citizen is miles ahead in crticality for a vibrant democray than so called potential competing positions of the executive and power manipulations surrounding political structure drawn out of essentially stupidest of procedural issues.
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৩৬747199
  • মাদ্রাসা স্টুডেন্ট ইউনিয়নের প্রতিবাদ:
     
  • সিএস  | 103.*.*.* | ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১১:০২747200
  • আসামের এন আর সির মতই তো ব্যাপারটা হচ্ছে, সেখানেও প্রক্রিয়াটি হয়েছিল সুপ্রীম কোর্টের তত্ত্বাবধানে, এন আর সির দায়িত্বে থাকা সংস্থাটিকে সরাসরি রিপোর্ট করতে হত কোর্টকে, এখানেও সেরকমই, সুপ্রীম কোর্ট হাইকোর্টকে ব্যবহার করে প্রক্রিয়াটি যাতে ঠিকভাবে হয়, সেটি দেখছে। দু ক্ষেত্রেই সুপ্রীম কোর্ট মেনে নিয়েছে যে প্রক্রিয়াটি করা দরকার না হলে দেশের খুব ক্ষতি হয়ে যাবে, তার জন্য যদি লোকের ক্ষতি হয় তো হোক।

    গতকালের শুনানিনে, সুপ্রীম কোর্ট হাইকোর্টকে বলেছে কমিটি তৈরী করতে, - ট্রাইবুনালের কাজের জন্য, যাতে সবকটি ট্রাইবুনাল একইভাবে কাজ করে, সিদ্ধান্ত নেয়। এর মানে হল, ইসির যা করা উচিত ছিল, কীভাবে বিচারপতিরা সিদ্ধান্ত নেবে সেসবের কিছুই করেনি। এ নিয়ে দিন কয়েক আগে একটা রিপোর্ট দেখেছিলাম, যে বিচারপতিদের ট্রেনিংএর সময়ে তাদের প্রশ্ন ছিল, ইসির অফিসাররা উত্তর দিতে পারেনি, কলকাতার ইসির অফিসও নয়। তো এই ব্যাপারগুলো হয়ত হাইকোর্ট সুপ্রীম কোর্টকে চিঠি লিখে জানিয়েছে, সে চিঠি সুপ্রীম কোর্ট জোরে জোরে পড়েনি, ইসিকেও কিছু বলেনি, নিজেরাই দায়িত্ব নিয়েছে কাজগুলো করার জন্য। তো এইটি হল মোটামুটি ব্যাপার যে ইসির এতই ক্ষমতা যে তাকে কোর্ট থেকে কোন কড়া প্রশ্ন করা হয় না, আদৌ তারা যা করছে তা তাদের এক্তিয়ারে পড়ে কিনা সে প্রশ্নও হয়না, স্পেশাল কেস ধরে ধরে (ফরাক্কার কং প্রার্থীর কেসটা ট্রাইবুনালের অফিসে নিষ্পত্তি হয়নি মনে হয়, বিচারপতির বাড়িতে হয়েছে) সেগুলো নিরসনের জন্য, ইসিকে অনুরোধ করা হয়। বিহারের সার -এর সময়ে ইসির ক্ষমতা বা সার -এর লিগালিটী নিয়ে যে কেস উঠেছিল, যার শুনানিও শেষ হয়ে গেছিল, তার রায় বেরোয়নি, তার মধ্যে অন্য রাজ্যে হয়েই চলেছে, কোর্ট যেন ইসির অ্যাজেন্ডা বুঝেও বুঝছে না, অথবা স্বার্থ বা অন্য কারণে সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পাচ্ছে, জনগণকে লাইনে দাঁড় করিয়ে অ্যাযেণ্ডাপূরণে যেন সাহায্য করছে।
  • বোদাগু | 49.*.*.* | ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১১:২২747201
  • প্রখ্যাত সাংবাদিক প্রসূন আচার্য এবং প্রাবন্ধিক সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়-রা কালকের কোর্ট প্রসিডিংস নিয়ে লিখেছেন। আমার ওঁদের লেখা ভালো লেগেছে, I could read the sickening feeling I had while watching, within myself। অতঃপর পল্লবগ্রাহী ও মধ্যমানের সিপিএম বাঙালি হিসেবে আমি আমার প্রতিক্রিয়া প্রথমে ইংরেজিতে পরে বাংলায় সাদিক হোসেনের টাইম লাইনে লিখেছি ;-)))

    সেটা উপরে ও নীচে রইলো। যথাক্রমে।

    কাল সুপ্রীম কোর্টে যা আলোচনা হয়েছে, অর্ডার এখনো পড়ি নি, বঙ্গসন্তান বিচারপতির দৌলতে, tribunal এ কেস তোলার সঙ্গে এবার ভোট দিতে পারার সম্পর্ক নাও থাকতে পারে। এই কথাই গতকাল নিজের টাইম লাইনে লিখলাম। এসআইআর করতে হবে এবং তাড়াতাড়ি করতে হবে, অথচ মানুষের অ্যাডজুডিকেশনের বৈষম্যে আপত্তি করার যে একমাত্র পদ্ধতি সেটাকে তাড়া দেওয়া যাবে না, কারণ একটি দুটি লজিকাল ডিসক্রপান্সির আউটলায়ার কেস নাকি শিক্ষা দিয়েছে সুষ্ঠু বিচারের কাজে তাড়া করতে নেই, কারণ জানানোর কাজে অর্ডার থাকা সত্ত্বেও তাড়া করতে নেই, শুধু বাদ দেবার কাজে তাড়া করতে হয়, এমনকি রবীন্দ্রনাথও তাই বলে গেছেন। গতকাল এটুকু শিখেছি ইত্যাদি। এর তরে দেখবে হাজার হাজার পুলিশ রবীন্দ্র রচনাবলী হাতে রেখে কিভাবে লাঠিপেটা করতে হয় তার বিশেষ প্রশিক্ষন পাচ্ছে। এই তো জুরিসপ্রুডেন্স। তো লজিকাল ডিসক্রিপান্সি যা নাকি এআই বের করেছে, সে আবার কষ্ট করে এক্সট্রিম ডিসক্রিপান্সি বা কোন ডিসক্রিপান্সি ক্যাটিগোরির কটি কেস রয়েছে সেসব বের করতে পারে না, পাছে লোকে বলে, কয়েকশো এমনকি কয়েক হাজারের জন্য, লাখো লোককে সন্দেহের তালিকায় কি করে রাখা যায়। রাজ্য সরকার দুচারজন মৃত লোককে নিয়ে মেডিয়া কনফকরেন্স করাতে পারে একটা পৌরসভা চব্বিশ লাখের মধ্যে কজন জীবিত সেটা চ্যালেঞ্জ করতে পারে না, শতাধিক পৌরসভী আছে। এসব কথা আমিও কালকে আমার পোস্টে লিখলাম। আমার আবার সুকুমার মনে পড়লো। অসংখ্য লোকের নামে সিপিএম-এর লয়ার আর ভলান্টিয়ারদের সাহায্যে আপিল হয়েছে জানি, ফর্ম জমা পড়েছে জানি, তাতে সিপিএমকে জীবনে ভোট দেয় নি এরকম লোক এগিয়ে সাহায্য করেছে, বিপদে পড়ে পরামর্শ দিয়েছে জানি, এরকম বিজেপি ছাড়া অনেক পার্টির ভলান্টিয়ার ও হয়তো করেছে, এমনকি পাড়ার বিজেপি ভোটার কিছু কেসে হয়তো পাশের বাড়ির জেঠিমাকে সাহায্য করেছে, কিন্তু প্যাঁচাবর্গের আশীর্বাদ বলে কথা।

    Sadique Hossain প্যাঁচারা মহানুভব। তাঁরা ইঁদুরদের অন্য শ্বাপদ সরীসৃপদের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

SIR
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত প্রতিক্রিয়া দিন