এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  সিনেমা

  • বাংলা বই

    বিন্দুবাসিনী লেখকের গ্রাহক হোন
    সিনেমা | ০৬ অক্টোবর ২০২৬ | ২৭২ বার পঠিত
  • ইউটিউবে দেখা কয়েকটা বাংলা সিনেমা দেখে কেমন লাগল সেসব থাকবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • :|: | ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:৩৯748540
  • নিশ্চয়ই। মিত্র দম্পতি অভিনীত শুভবিবাহ-র মতো বইয়ের লিং দিলে আরও ভালো লাগবে। অভিশপ্ত নাইটিও ভালো ছিলো।
  • বিন্দুবাসিনী | ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ০৪:০২748541
  • আগুন।
    এই হচ্ছে বইয়ের নাম। ২০১৪র রিলিজ। ইন্টারনেটে সেরকমই বলছে। সব অভিনেতা অভিনেত্রীদের নাম জানি না। তবে সায়নী ঘোষ আছে, যে এখন এনসিপিআই। তারপরে ফেলুদার রোলে যাকে কয়েকবার দেখেছি। সব‍্যসাচী চক্রবর্তী। এই সিনেমায় ইতিহাসের অধ‍্যাপক, বাংলায় ক্লাস নিচ্ছেন, ঘন ঘন নোংরা রুমালে নাক মুছছেন। ক্লাসে কোন এক ছাত্র শদীদ ক্ষুদিরাম প্রসঙ্গে "বার খেয়ে ক্ষুদি" বলল, অধ‍্যাপক ঠাস করে চড় মারলেন তাকে। ছাত্রটি প্রভাবশালীর পুত্র, তো যথারীতি অধ‍্যাপক সাসপেন্ডেড, সেই নিয়ে কলেজে হেভি ঝামেলা, ছাত্রদের ক্লাস বয়কট, তাতে আবার কলেজের গভর্নিংবডির হোমকা চোমরা লোক কাম মন্ত্রী (অরিন্দম শীল) র কন‍্যা ( এই মেয়েটির রোলে যে পার্ট করেছে, সেই অভিনেত্রীর নাম আমি জানি না) সেই আন্দোলন লীড করছে।
    ওদিকে সায়নী ঘোষ বার ডান্সার। তার প্রেমে অটোড্রাইভার (অভিনেতার নাম জানি না)। সায়নীকে কুপ্রস্তাব দেয় কোনও এক জজের ছেলে, বারে। তো সায়নী তাকে ঠাস করে চড় মারে এবং জজের ছেলে প্রতিশোধ নিতে ধাওয়া করে সায়নীকে ( মানে সে যখন অটোয় করে বাড়িতে ফিরছিল)। যথারীতি মারপিট এবং অটোচালকের জেল হলো।
    ও হ‍্যাঁ, সম্ভবত অটোচালকের নাম বাদল।
    ওদিকে এক আইটি গাই এর মায়ের স্টোভ বার্স্ট করে হেভি বার্ন ইনজুরির ফলে তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। কিন্তু পুলিশের কাছ থেকে কাগজ না আনলে হাসপাতাল ভর্তি নেবে না, দালাল আবার ২৫০০০ টাকা চাইলো, তো এর মধ্যে পেশেন্ট মারা গেল। আইটিগাই এর নাম বিনয়। ঐ রোলে সব‍্যসাচীর পুত্র গৌরব চক্রবর্তী। হাসপাতালে মারামরি হলো, তারপরে কোর্টরুমেও বিনয় আদালত অবমাননার দায়ে তিন বছরের কারাদণ্ড পেল।
    মোটকথা বিনয় এবং বাদল দুজনেই প্রেসিডেন্সি জেলের একই কামরার বাসিন্দা, ঐ ঘরে আরও কয়েদি আছে।
     
    ক্রমশঃ ...
  • :|: | ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ০৫:৩১748542
  • দীনেশও আছে নিশ্চয়। নইলে বিবাদী বাগ হবা মুশকিল।
  • বিন্দুবাসিনী | ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৫:৫৫748543
  • এই অবধি দেখে চিঁড়ের পোলাও বানিয়ে আনলাম। এবার পর্ণো মিত্র (রঞ্জনা তুমি আর আসবে না তে দেখেছিলাম, একই মেয়ে, একটু কম মেকাপ) হচ্ছে টিভি চ্যানেলের রিপোর্টার, কোন চ্যানেলের সেটা বলল, চব্বিশ ঘন্টা টন্টা গোছের নাম, দুঃখী সিরিয়াস কমমেকাপ, এবং চেঁচায় না প্রায়। এবং সবচেয়ে সাংঘাতিক হচ্ছে, নিজে নিজেই ডিসিশন নেয় কোন কোন খবরের পেছনে দৌড়বে। এরমধ্যে জানা গেল ঐ বিনয় বা বাদল, যে আইটি গাই (সব্যসাচীর ছেলে গৌরব) সে হচ্ছে পর্ণো মিত্রর বয়ফ্রেন্ড।
    ইশ, বলতে ভুলে গেছি যে অরিন্দম শীল কারামন্ত্রী। তো পর্যায়ক্রমে প্রেসিডেন্সি জেল এবং প্রেসিডেন্সি কলেজ (ওখানেই শুটিং হয়েছে দেখলাম) এই দুটো জায়গায় অরিন্দম শীলের যাতায়াত।
    ওহো, জেলের ভেতরটা দেখলাম। টান টান ইস্তিরি করা ধবধবে পাজামা সুট পরে থাকে কয়েদিরা, খাবারের কোয়ালিটি নিয়ে প্রোটেস্ট করে, আইটি গাই তাদের লীডার। পর্ণো মিত্র জেলের বাইরে নিউজ করতে যায়, কিন্তু কিসুই করে না, চাকরিও থাকে, আজব নিউজ চ্যানেল যাহোক।
    এরম করে কিছুক্ষণ কাটলো। আমরা জেনে গেছি যে সব্যসাচীর মেয়ে (এর নামও আমি জানি না) অ্যাথলিট, এবং কর্মচ্যূত সব্যসাচীর এখনো নাকের সর্দিতে ঐ নোংরা রুমালটাই ইউজ করছে এবং বিশাল ভুঁড়ি। বাচ্চাদের পড়াচ্ছে বাড়িতেই (যারা পরবর্তীতে জেন্জি তৈরি হবে)।
    এরমধ্যে ঐ জেলের ভেতরে বাদল এবং আরেকজন কয়েদির (সংখ্যালঘু সে। সংখ্যালঘু অ্যাঙ্গেলও আছে এই সিনেমায়) রেপ এবং অত্যাচার হলো। সংখ্যালঘু হসপিটালাইজড হয়ে শেষে মারা যায়, বাদল এবং অন্যান্যরা অনশন করল দুদিন, তারপরে আইটিগাই বীরের মতো কথা বললো অরিন্দম শীলের সঙ্গে, অনশন ভঙ্গ হলো মাটির ভাঁড়ে লস্যি (লাপসি নয়) খেয়ে।
    এর পরেই নতুন ক্যারাকটার আবীরের এন্ট্রি। আবীর হচ্ছে চর, জেলে ঢুকে বিনয় বাদলের ক্ষতি করতে চায়। আবীরের নাম দীনেশ গুপ্তা কি না জানি না, কিন্তু হিন্দুস্থানির রোলে পার্ট করেও জঘন্য বাজে অ্যাকসেন্টে হিন্দি বলেছে।
    এবার আবীরের হেল্পে ও প্ররোচনায় বিনয়, বাদল ও আবীর তিনজনে জেল থেকে পালালো। আর এই টাইমেই এন্ট্রি নিলো রজতাভ দত্ত।
    সিনেমা পজ না করেই আমি একটু হেগে এলাম, কারণ এই সিনেমায় মিস হবার কিছু নেই।

    ক্রমশঃ
  • বিন্দুবাসিনী | ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:২০748544
  • ধীরে সুস্থে চান টান করে বেরিয়ে দেখি রজতাভ পুরো সিংঘাম মার্কা পুলিশ হলেও তার বৌয়ের সঙ্গে মিত্তি মিত্তি করে কথা বলে ফোনে, কমিক রিলিফের জন্য এই চেষ্টা।
    সামহাউ যেটা মিস করে গেছি, সব্যসাচীর অ্যাথলিট মেয়ের রেপ হয়ে গেছে, এবং সে পিজি হাসপাতালে (লক্ষ্য করুন, এখানেও প্রেসিডেন্সির ত্রহস্পর্শ! প্রেসিডেন্সি জেল/কলেজ/জেনারাল হসপিটাল) অ্যাডমিটেড। বিনয় এবং দীনেশ(?!) অর্থাৎ গৌরব ও আবীর ছদ্মবেশে আইসিইউতে ঢুকে যাচ্ছে, আবীর দাড়ি লাগিয়ে সংখ্যালঘু সেজেছে এবং গৌরব বোরখা পরে আবীরের বৌ সেজেছে। বাইরে সব্যসাচী করিডোরে অপেক্ষা করছে আইসিইউতে ঢোকার জন্য, কিন্তু ডাক্তার অ্যালাও করছে না। যা বুঝলাম, যখন হাগতে গেছলাম, তখন আবীরের সঙ্গে অ্যাথ্লিট মেয়ের প্রেম হয়ে গেছে এবং সিংঘাম ঐ ট্রায়ো বিবাদী-বাগকে খুঁজছে কিন্তু পাচ্ছে না। সব্যসাচী মেয়ের জন্য নীচে ফল কিনতে গেল, সেই টাইমে মেয়ে মার্ডার হয়ে গেল।
    মোটকথা আমি শুধু বোর হই নি, এই জঘন্য বইটা কেন এতক্ষণ দেখলাম সেইটে ভেবেই ফিল্ম অফ করে দিলাম।
  • বিন্দুবাসিনী | ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:২২748545
  • মিস করে গেছি, ঐ বোরখা পরে যখন কমেডি হচ্ছিলো তখন বাদল হাসপাতালের গেটের বাইরে শিখ ট্যাক্সি ড্রাইভার সেজে বিনয় ও দীনেশের জন্য ট্যাক্সি নিয়ে ওয়েট করছিলো।
  • বিন্দুবাসিনী | ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:৩৭748546
  • আমি জয় চ্যাটার্জি
    এটা আরেকটা ফিল্ম। আবীর চ্যাটার্জি ও জয়া আসান অভিনীত।
  • বিন্দুবাসিনী | ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৩২748551
  • এই ফিল্মটা গোড়ার দিকে মনে হচ্ছিলো থ্রিলার বা মার্ডার মিস্ট্রি।
    সেই সন্ধেয় মাংসের খিচুড়ি ছিলো ডিনারে, তাই গুছিয়ে বসলাম খেতে খেতে সিনেমা দেখবো বলে।
    জয়া আসান চমৎকার অভিনেত্রী, অপোজিটে আবীর চ্যাটার্জি - কাজেই উৎসাহ নিয়ে বইটা দেখছি।
    প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছিলো যে আবীর এবং জয়া স্বামী স্ত্রী। হয়তো জয়াই আবীরের আইডেন্টিটি চুরির পেছনে রয়েছে, বা খুন টুন কিছু একটা হয়েছে, টিপিকাল মার্ডার মিস্ট্রি বা থ্রিলারে যেমন হয়, টাকার লোভে ক্রাইম।
    কিন্তু খেয়ে দেয়ে হাত ধুয়ে এসে দেখি, কেস আলাদা। ওরা বয়ফ্রেন্ড- গার্লফ্রেন্ড। আলাদা আলাদা থাকে। সবাই আলাদা বাড়িতে ঝাঁ চকচকে হয়ে থাকে। কখন রাঁধে বাড়ে, কে ঘর মোছে, কাপড় কাচে, ইস্তিরি করে, বাজার করে, বাসন মাজে, ঘর গুছোয়, বিছানার চাদর বা বালিশের ওয়াড় পাল্টায় সেসব বোঝা যায় না। এই এক মিস্ট্রি সব বাংলা সিনেমায় ইদানীং দেখছি, হয়তো আগেও ছিলো। দু চারটে অতিরিক্ত অ্যাক্টর অ্যাকট্রেস রাখলে কি খুব বেশি খরচ হতো? যদিও ড্রাইভার, মালি, পিওন - এই ধরণের চরিত্র দেখা যায়।
    যাইহোক যে কথা হচ্ছিলো, এই সিনেমায় নায়ক নাইকার কোনও আত্মীয়্স্বজন বন্ধুবান্ধব নেই।
    নায়ক কঠোর ও নিষ্ঠুর চরিত্রের ব্যবসায়ী। নাইকা ডাক্তার এবং সমাজসেবী। একমাত্রিক চরিত্র। সিম্পুল।
    আমরা সকলেই জানি যে, জয়া আসান স্যাড চরিত্র খুব ভালো ফোটাতে পারেন। তাই সেটাই করতে দেওয়া হলো। একটাই এক্সপ্রেশন দুঃখে বিরক্তিতে কান্না। কাঁহাতক নেওয়া যায়?

    দাঁতের ফাঁকে মাংসের কুচি আটকেছিলো, ফ্লস করতে যাবার আগে পজ করে রেখে গেলাম।

    ক্রমশঃ
  • বিন্দুবাসিনী | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:২১748552
  • মোটকথা যা বুঝলাম, তা হচ্ছে বদমেজাজি আবীর একজন স্বার্থপর নিষ্ঠুর সাকসেসফুল ব‍্যবসায়ী। যার গার্লফ্রেন্ড জয়া আসান পুরো বিপরীত চরিত্রের মেয়ে। দুজনের মধ্যে সর্বক্ষণ ঝামেলা চলছে। আবীর জয়াকে ছাড়তে চায় না, কিন্তু জয়া তার ব‍্যবহারে দুঃখ পায় অথচ পুরোপুরি ছাড়তেও পারে না। এইভাবেই চলছিল। তারা বেড়াতে গেল পাহাড়ে। পথে একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটল। পাহাড়ি রাস্তায় গাড়ির সামনে দেখল বৌদ্ধ সন্ন্যাসী বসে আছে এবং তার সামনে এক ভূমিশায়ী আগত বালক। জয়া ঐ বালককে হাসপাতাল নিয়ে যেতে চায়, আবীর রাজি হয় না, এমনকি ঐ সন্ন্যাসীও মিটমিটিয়ে তাকায় কিন্তু রাজি হয় না, তারপরে ঐ সন্ন্যাসীকে আবীর এক বান্ডিল টাকা দেয় এবং ওখান থেকে ওরা চলে যায় ছুটি উপভোগ করতে। মানে নির্জন পাহাড়ে কাঠকুটো জ্বালিয়ে টেবিল চেয়ার বিছিয়ে মদ খেয়ে মাতলামি করতে দেখা গেল আবীরকে। জয়া যথারীতি বিরক্ত মুখে, সম্ভবত ফ‍্যাঁচফেঁচিয়ে কান্নার আগের স্টেজ। সে উঠে চলে যায়। আবীর মাতাল অবস্থায় হোঁচট খেয়ে পড়ে যায়, মাথায় চোট লেগে অজ্ঞান হয়ে যায়।
    এরপরেই শুরু হয় আসল খেলা। আবীর কোলকাতায় ফিরে এসেছে কিন্তু তাকে কেউ চিনতে পারছে না। নিজের বাড়িতে ঢুকতে পারছে না, দারোয়ান তেড়ে উঠে ভাগিয়ে দিচ্ছে, জয়াও তাকে চিনছে না, এদিকে খবর হয়ে গেছে যে জয় চ‍্যাটার্জি মিসিং।
    এই রকম যখন চলছিল, প্রথমে মনে হয়েছিল যে আইডেন্টিটি থেফ্ট হয়েছে। একটা কন্সপিরেসির গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল, কিন্তু কাহানিতে যা তা রকমের টুইস্ট ঢোকানো হয়েছিল। সত‍্যিই তার চেহারা বদলে গেছে সে নিজেই দেখতে পেল আয়নায়।
    তারপরে সে আগে যাদের যাদের সঙ্গে খারাপ কাজ করেছে, তাদের সঙ্গে তার দেখা হলো, নিজেই নিজের ভুল বুঝতে পারলো। মানুষ জনকে সাহায্য টাহায‍্য করে বিলকুল ভালো লোক হয়ে গেল। অমনি সে পুরোনো চেহারাটা ফিরে পেলো।
    এবার এই যে গল্পের গরুকে গাছে তোলা হয়েছিল হিতোপদেশ দেবার জন‍্য, সেই গরুকে নামানোর জন্যে গোঁজামিল চাই। অতএব লাস্ট সীনে দেখা গেল, পুরোটাই ড্রিম সিকোয়েন্স ছিল, অথবা কোমা সিকোয়েন্স বললেও অত‍‍্যুক্তি হবে না।
    মাতাল হয়ে পড়ে যাবার পর থেকে সে কোমায় ছিলো পাঁচমাস, তখনই ঐ হিতোপদেশ স্বপ্নটা সে দেখেছে, জ্ঞান ভাঙতেই গুডবয় বনে গেছে।
    কিন্তু শেষটা মারাত্মক। পাশ করা ডাক্তার যে ছিলো তার চিকিৎসায়, সে পর্যন্ত বলল, যে কোমার টাইমে আবীরে প্রাণ/আত্মা তার বডি থেকে বেরিয়ে ঐসব কান্ডকারখান্ করে, ফের সুড়ুৎ করে তার বডিতে ফিরে এসেছে।
     
    এই সিনেমা দেখে আমার নিজেরও একটা উপলব্ধি হলো, যে বাংলা সিনেমা নিয়ে সত‍্যিই হাহুতাশ করার কোনও মানে নেই। কোমায় চলে গেছে।
  • বিন্দুবাসিনী | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:২৮748553
  • পরের সিনেমা একেনবাবু সিরিজের প্রথম যেটা দেখলাম। পুরুলিয়ায় লোকেশন এই সিনেমার। একেনবাবু সম্পর্কে অনেক শুনেছিলাম। সেইটে চাক্ষুষ করে বুঝেছি একেনবাবুর রোলে যিনি অ‍্যাক্টিং করেছেন তিনি ব্রিলিয়ান্ট অভিনেতা, কারণ এরকম একটা খাজা গল্পের প্লটে তিনি অদ্ভুত ভালো অভিনয় করেছেন। গল্পের জন‍্য না, শুধু একেনবাবুকে দেখার জন‍্য আমি এই সিরিজের অন‍্য সিনেমা আছে কি না খুঁজে বের করে দেখব।
  • :|: | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ০৫:২৭748554
  • দেখে ফেলুন। বেনারসে বিভীষিকা, ঢাকায় একেন যাত্রা, আর রুদ্ধশ্বাস রাজস্থান অনলাইনে সহজ লভ্য এবং দেখে ফেলেছি। টুংকুলুং-এ একেনটা খুব অল্প সময়ের জন্য কোনও সহিরিদয় ব্যক্তি তুলেছিলেন। ঘটনাচক্রে সেই সময়ই চোখে পড়ে যাওয়ায় সেটিও মানে ওই আর্কি।
    এছাড়া পুরোপুরী একেন বা ওই রকম কিছু এপিসোড দেখতে পাবেন ফিরিতে কিন্তু গোয়েন্দা গল্পের শেষ না দেখতে পেলে ঠিক তৃপ্তি হয়না। আর পয়সা দিয়ে দেখার মতো কিনা সে বিষয়ে মনস্থির করতে পারিনি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন।