এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  প্রবন্ধ

  • গ্রেট নিকোবর: একটি সবুজ দ্বীপের ভাগ্য, একটি সভ্যতার প্রশ্ন

    সিংগল k
    প্রবন্ধ | ১৬ জুন ২০২৬ | ৯৬৭ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • গ্রেট নিকোবর: একটি দ্বীপের ভাগ্য, একটি সভ্যতার প্রশ্ন

    ভূমিকা: এই গল্প শুধু একটি দ্বীপের নয়
    আমাজনের কথা মনে আছে? ব্রাজিলের সেই অপার সবুজ — পৃথিবীর ফুসফুস — যেটাকে কয়েক দশক ধরে কেটে সাফ করা হচ্ছে? কখনো রাস্তার নামে, কখনো কৃষির নামে, কখনো উন্নয়নের নামে। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট কুবিচেক ১৯৫০-এর দশকে রাজধানী সরিয়ে ব্রাসিলিয়া বানালেন, সেই সূত্রে একটা হাইওয়ে গেল আমাজনের ভেতর দিয়ে, সেই হাইওয়ে ধরে মানুষ গেল, তারপর গেল কাঠ ব্যবসায়ীরা, তারপর রাঞ্চার্স, তারপর খনি কোম্পানি। প্রতিটা পদক্ষেপ আলাদা আলাদাভাবে যুক্তিসঙ্গত মনে হয়েছিল। কিন্তু মিলিয়ে দেখলে? একটা মহাবিপর্যয়।
    সোভিয়েত ইউনিয়ন — যারা পুঁজিবাদের ঘোর বিরোধী ছিল — তারা তুলো চাষের জন্য আরল সাগরের জল সরিয়ে নিল। একসময়ের পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম হ্রদ আজ মরুভূমি। কঙ্গোর কোবাল্ট, ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল, আমেরিকার পুরনো বনভূমি — গল্পটা সব জায়গায় এক। শুধু অভিনেতা বদলায়, চিত্রনাট্য বদলায় না।
    তাহলে প্রশ্নটা মতাদর্শের নয়। পুঁজিবাদ বা সমাজতন্ত্র — কোনোটাই এই প্রলোভন থেকে মুক্ত নয়। প্রশ্নটা হলো ক্ষমতা আর জবাবদিহিতার। যখন ক্ষমতা একদিকে কেন্দ্রীভূত হয় আর প্রকৃতি ও মানুষ দুর্বল থাকে — তখন যা হওয়ার তাই হয়।
    এই প্রেক্ষাপটে আসুন কথা বলি গ্রেট নিকোবর দ্বীপের কথা। এটা শুধু একটি দ্বীপ বাঁচানো বা না বাঁচানোর গল্প নয়। এটা একটা সভ্যতার প্রশ্ন — আমরা কীভাবে সিদ্ধান্ত নিই, কার জন্য নিই, আর কে সেই সিদ্ধান্তের মূল্য চোকায়।

    প্রথম পর্ব: দ্বীপটা আসলে কী?
    আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের একদম দক্ষিণে, ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার দূরে — গ্রেট নিকোবর। মাত্র ৮৬৫ বর্গকিলোমিটারের এই দ্বীপে বাস করে মাত্র আট হাজার মানুষ। কিন্তু এই ছোট্ট দ্বীপটি পৃথিবীর অন্যতম বিরল জীববৈচিত্র্যের আধার।
    এখানে আছে লেদারব্যাক কচ্ছপ — পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কচ্ছপ, যারা লক্ষ লক্ষ বছর ধরে এই সৈকতে ডিম পাড়তে আসে। আছে নিকোবর মেগাপড — এমন একটি পাখি যে মাটিতে গর্ত করে ডিম পাড়ে এবং সূর্যের তাপেই সেই ডিম ফোটে। আছে নোনা জলের কুমির। আছে এমন অনেক প্রজাতির গাছ ও প্রাণী যারা শুধু এই দ্বীপেই পাওয়া যায় — পৃথিবীর আর কোথাও নয়।
    আর আছে শম্পেন উপজাতি। ভারতের সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠীগুলির একটি। বাইরের পৃথিবীর সাথে তাদের যোগাযোগ প্রায় নেই বললেই চলে। তারা এই বনেই বেঁচে আছে — হাজার হাজার বছর ধরে।
    এই দ্বীপটির ভৌগোলিক অবস্থানও অসাধারণ। মালাক্কা প্রণালীর মুখে — পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যস্ত সমুদ্রপথের একটির ঠিক কিনারায়। প্রতি বছর যে পরিমাণ সামুদ্রিক বাণিজ্য এই পথে হয়, তার পরিমাণ কল্পনাতীত।
    এই দ্বীপে ভারত সরকার ৮১,০০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প ঘোষণা করেছে।

    দ্বিতীয় পর্ব: প্রকল্পটা আসলে কী — এবং সেটা কি আদৌ নিশ্চিত?
    ২০২১ সালে ঘোষিত এই প্রকল্পে আছে —
    একটি আন্তর্জাতিক ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর। একটি বিমানবন্দর। সাড়ে তিন লক্ষ মানুষের জন্য একটি শহর। একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র। এটি বাস্তবায়ন করবে ANIIDCO — আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ সমন্বিত উন্নয়ন নিগম।
    এখানেই প্রথম প্রশ্ন জাগে।
    বর্তমানে গোটা আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ চলে ডিজেল জেনারেটরে। বিদ্যুতের এই দুর্বল পরিকাঠামোয় একটি বিশাল আন্তর্জাতিক বন্দর আর শহর চালাবে কীভাবে? সরকার বলছে সৌর, বায়ু আর তরঙ্গশক্তিতে — নবায়নযোগ্য শক্তিতে।
    কিন্তু একটু ভাবুন। একটি ২৪ ঘণ্টা চলা আন্তর্জাতিক বন্দর এবং বিমানবন্দরের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ চাই। সৌর বা বায়ুশক্তি প্রকৃতির মর্জির উপর নির্ভরশীল — রাতে সূর্য নেই, ঝড়ে বায়ুকল বন্ধ হয়। এই অঞ্চলে ভূমিকম্প আর সুনামির ইতিহাস আছে। তাহলে এই শক্তি পরিকল্পনা কি আদৌ বাস্তবসম্মত?
    অথচ ভারত রাশিয়া থেকে ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রযুক্তি পেতে পারত। রাশিয়ার আকাদেমিক লোমোনোসভ ২০১৯ সাল থেকে সফলভাবে চলছে। এই প্রযুক্তি এই ধরনের প্রত্যন্ত দ্বীপের জন্য আদর্শ। কিন্তু সেটা বেছে নেওয়া হয়নি।
    কেন? হয়তো কারণ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র "সবুজ উন্নয়ন"-এর গল্পে মানায় না। আর "সবুজ" তকমাটা দরকার — বিরোধিতা ঠেকাতে।

    তৃতীয় পর্ব: কার অনুমতি নিয়ে?
    ২০২২ সালে পরিবেশ ছাড়পত্র দেওয়া হলো। কিন্তু কীভাবে?
    বন অধিকার আইন ২০০৬ বলে — যেকোনো বনভূমি অধিগ্রহণের আগে সেখানকার আদিবাসী ও বনবাসীদের গ্রামসভার সম্মতি বাধ্যতামূলক। এই আইনটি কে তৈরি করেছিলেন? মীনা গুপ্তা — তৎকালীন উপজাতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব।
    এই মীনা গুপ্তাই এখন কলকাতা হাইকোর্টে PIL করেছেন। কারণ তিনি অভিযোগ করেছেন যে তাঁর নিজের লেখা আইনটিই ভাঙা হয়েছে।
    অভিযোগ কী?
    যে গ্রামসভাগুলি বনভূমি হস্তান্তরের অনুমতি দিয়েছে, সেগুলি আসলে অ-আদিবাসী বসতি স্থাপনকারীদের পঞ্চায়েত — শম্পেন বা নিকোবরী আদিবাসীদের বৈধ প্রতিনিধি নয়। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় বন অধিকার কমিটি গঠনের কোনো নথি নেই। কোরাম পূর্ণ হয়নি। আর যে উপজাতীয় কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের সম্মতি নেওয়া হয়েছিল — সেই কাউন্সিল পরে নভেম্বর ২০২২-এ সেই সম্মতি প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
    সরকার সেই প্রত্যাহার উপেক্ষা করে এগিয়ে গেছে।
    মীনা গুপ্তা কে? শুধু একজন অবসরপ্রাপ্ত আমলা নন। তিনি বন অধিকার আইনের স্রষ্টা। তিনি ওড়িশার নিয়ামগিরি পাহাড়ে বেদান্ত কোম্পানির বক্সাইট খনির বিরুদ্ধে রিপোর্ট দিয়েছিলেন — সেই মামলায় আদিবাসীরা জিতেছিল। তিনি শৈশবের একাংশ কাটিয়েছেন আন্দামান-নিকোবর দ্বীপে।
    সরকারের আইনজীবী আদালতে তাঁকে "হায়দ্রাবাদের বাসিন্দা, এই মামলায় কী স্বার্থ?" বলে প্রশ্ন তুলেছিলেন।
    কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিরা সেই আপত্তি নাকচ করে দিয়েছেন।

    চতুর্থ পর্ব: বাংলার সাথে এই মামলার যোগ
    এখানেই বাংলার পাঠকের একটু সরাসরি সম্পর্ক আছে।
    আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের বিচার বিভাগ কলকাতা হাইকোর্টের অধীনে। পোর্ট ব্লেয়ারে কলকাতা হাইকোর্টের একটি সার্কিট বেঞ্চ আছে।
    মীনা গুপ্তার PIL-এর বিচার করছেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। মামলাটি চূড়ান্ত শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত — ২৩ জুন ২০২৬।
    মাত্র কদিন পরে।
    মে মাসে আদালত স্পষ্ট বলেছে — "জাতীয় গুরুত্ব আছে মানেই কোনো প্রকল্প আইনের ঊর্ধ্বে নয়।" শম্পেন ও নিকোবরী জনগোষ্ঠীকে আদালত বলেছে "অত্যন্ত ভঙ্গুর" — এবং PIL গ্রহণ করেছে।
    সরকার এই PIL বারবার আটকানোর চেষ্টা করেছে। প্রতিবার ব্যর্থ হয়েছে।
    এবার একটু থামুন। পশ্চিমবঙ্গে এখন বিজেপি সরকার। কেন্দ্রেও বিজেপি। কলকাতা হাইকোর্ট যদি ২৩ জুন গ্রেট নিকোবর প্রকল্পের বিরুদ্ধে কোনো রায় দেয় বা স্থগিতাদেশ জারি করে — তাহলে কী হতে পারে?
    ইতিহাস বলে — যখন কোনো প্রতিষ্ঠান অসুবিধাজনক হয়ে ওঠে, সেই প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠিত হয়।
    আন্দামান-নিকোবরের জন্য একটি আলাদা হাইকোর্ট তৈরি করা সাংবিধানিকভাবে সম্পূর্ণ সম্ভব। পোর্ট ব্লেয়ারে কোর্টের পরিকাঠামো আছে। সেটাকে "স্বাধীন হাইকোর্ট"-এ রূপান্তর করতে শুধু একটি সংসদীয় সিদ্ধান্ত দরকার। এবং প্রশাসনিক সুবিধার নামে এটি ঘোষণা হলে কেউ আপত্তি করার সুযোগ পাবে না।
    বাংলার সাথে আন্দামানের সম্পর্ক শুধু প্রশাসনিক নয়। সেলুলার জেলে যে বাঙালি বিপ্লবীরা নির্বাসিত হয়েছিলেন — বারীন্দ্র ঘোষ, বটুকেশ্বর দত্ত — তাঁদের রক্তে ভেজা সেই মাটির বিচার এখনো কলকাতার হাতে। ২৩ জুনের পর হয়তো থাকবে না।

    পঞ্চম পর্ব: তেলের গল্প — থ্রিলারের মোড়
    এতক্ষণ যা পড়লেন সেটা তো ছিল পরিচিত গল্প — বন কাটা, আদিবাসী উচ্ছেদ, আদালতের লড়াই। এবার একটু অন্যরকম মোড়।
    ২০২০ সালে — গ্রেট নিকোবর প্রকল্প ঘোষণার ঠিক আগে — ভারত সরকার প্রায় তিন দশকের বিরতির পর আন্দামান সাগরে সমুদ্র-তলের জরিপ (seismic survey) শুরু করে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে এল ব্ল্যাকফোর্ড ডলফিন — একটি ৫২ বছর পুরনো সেমি-সাবমার্সিবল তেল-অনুসন্ধান রিগ। নরওয়েজিয়ান কোম্পানির এই রিগটি উত্তর সাগর থেকে শুরু করে গানা, ব্রাজিল, মেক্সিকো ঘুরে এসেছে।
    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ঘোষণা করলেন — শ্রী বিজয়াপুরম-২ কূপে প্রাকৃতিক গ্যাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
    এবং তারপর এলো সেই ঘোষণা যা সবাইকে চমকে দিল — "ভারত হয়তো আন্দামান সাগরে গায়ানার মতো বিশাল তেলক্ষেত্র আবিষ্কার করতে চলেছে।"
    গায়ানা! দক্ষিণ আমেরিকার সেই ছোট্ট দেশ যেখানে এক্সনমোবিল ৪০টি কূপ খুঁড়ে ১১ বিলিয়ন ব্যারেল তেল পেয়েছে — যা রাতারাতি দেশটির ভাগ্য বদলে দিয়েছে।
    কিন্তু একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবুন।
    রিগ এলো অক্টোবর ২০২৪-এ। গ্যাসের ঘোষণা সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ। মাত্র ১১ মাস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন একটি অনুসন্ধান কূপ থেকে মাঠের আকার নির্ধারণ করতে কয়েক বছর লাগে। গায়ানাতে ২০১৫ সালে প্রথম আবিষ্কার হয়েছিল — উৎপাদন শুরু হয়েছে ২০১৯-এ, চারটি বছর পর, ৪০টি কূপের পর।
    আর প্রথম কূপটি — শ্রী বিজয়াপুরম-১ — কিন্তু শুকনো। কোনো গ্যাস নেই। এই তথ্যটি কোনো সরকারি ঘোষণায় আসেনি। এটি জানা গেছে দ্বিতীয় কূপের ঘোষণায় লুকিয়ে থাকা একটি বাক্য থেকে।
    ONGC-র দুটি আল্ট্রা-ডিপওয়াটার কূপেও কোনো ঘোষণা নেই — শিল্পমহলে নীরবতা সাধারণত শুকনো কূপের ইঙ্গিত।
    তৃতীয় কূপের ঘোষণা এলো ৫ জুন ২০২৬-এ — ২৩ জুনের PIL শুনানির ঠিক আঠারো দিন আগে।
    কাকতালীয়?

    ষষ্ঠ পর্ব: কে লাভবান হবে?
    এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — এই সবকিছুতে কার লাভ?
    প্রথম স্তর — গাছ কাটার ঠিকাদার। প্রথম পর্যায়েই সাত লক্ষ এগারো হাজার গাছ কাটা হবে। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রেইনফরেস্টের সেগুন, পদৌক, গুরজান কাঠের বাজারমূল্য বিপুল। এই কাঠের ঠিকা পেলে রাতারাতি কোটিপতি হওয়া যায়। বন্দর সফল হোক বা না হোক — গাছ তো কাটা হয়ে যাবেই।
    দ্বিতীয় স্তর — নির্মাণ কোম্পানি। ৮১,০০০ কোটি টাকার প্রকল্প। ৩০ বছরের নির্মাণ। L&T, Afcons, JSW — এরা ইতিমধ্যে আগ্রহপত্র জমা দিয়েছে।
    তৃতীয় স্তর — বন্দর পরিচালক। আদানি পোর্টস-এর নাম সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে। প্রস্তাবিত মডেল হলো — সরকার ৭০% নির্মাণ খরচ বহন করবে, বেসরকারি কোম্পানি ৩০% বিনিয়োগ করবে, কিন্তু পরিচালনার সম্পূর্ণ অধিকার পাবে। আরও আছে — প্রথম সুযোগের অধিকার (Right of First Refusal) যা ভবিষ্যতে দ্বীপে আর কোনো প্রতিযোগী আসতে পারবে না।
    চতুর্থ স্তর — জমি ফটকাবাজ। পোর্ট ব্লেয়ারে ইতিমধ্যে গ্রেট নিকোবরের জমি কেনার বিজ্ঞাপন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাসছে। সাড়ে তিন লক্ষ মানুষের শহর হলে জমির দাম যা হবে — সেটা এখনই কেউ কেউ বুঝে গেছেন।
    পঞ্চম স্তর — তেল কোম্পানি। গ্রেট নিকোবরের বন্দর, বিমানবন্দর, শহর — এই পুরো পরিকাঠামো ভবিষ্যতে আন্দামান সাগরের অফশোর তেল উত্তোলনের লজিস্টিক ঘাঁটি হিসেবেও কাজ করতে পারে। সরকারের টাকায় বানানো পরিকাঠামো, তেল কোম্পানির সুবিধায়।
    সবচেয়ে অদৃশ্য স্তর — আর্থিক প্রতিষ্ঠান। ৮১,০০০ কোটি টাকা মানে বিশাল ব্যাংক ঋণ, বন্ড, বিমা, পরামর্শ ফি। এই স্তরটি কখনো খবরে আসে না।

    সপ্তম পর্ব: সরকার নিজেই বিভ্রান্ত?
    এখানে একটি অদ্ভুত তথ্য।
    ২০২৪ সালের আগস্টে অর্থ মন্ত্রণালয়ের Public Investment Board জানিয়েছে — এই প্রকল্পের কোনো স্পষ্ট কৌশলগত উদ্দেশ্য নেই।
    তারপর ২০২৫ সালের আগস্টে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একই প্রকল্পকে "কৌশলগত" বলে ঘোষণা করল।
    একই প্রকল্প, একই দ্বীপ, একই পরিকল্পনা। এক বছরের মধ্যে "কৌশলগত উদ্দেশ্যহীন" থেকে "জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য" হয়ে গেল।
    কৌশলগত তকমার সুবিধা? তথ্য জানার অধিকার আইন (RTI) প্রযোজ্য নয়। সংসদে প্রশ্ন করা কঠিন হয়ে যায়।
    সমালোচকরা বলছেন — সামরিক অংশ আসলে মোট প্রকল্প এলাকার মাত্র ৫%। বাকি ১৬০ বর্গকিলোমিটার বাণিজ্যিক। এই বাণিজ্যিক প্রকল্পকে সামরিক বলা কতটা সৎ?

    শেষ কথা: পাথর গড়িয়ে দেওয়ার সময়

    আমরা কি শুধু দর্শক?
    বাংলার সাথে আন্দামানের সম্পর্ক ঐতিহাসিক, আবেগের, সাংস্কৃতিক। সেলুলার জেলের কথা আমরা ভুলিনি। সেই দ্বীপের বিচারের দায়িত্ব এখনো কলকাতার হাতে।
    ২৩ জুন — ঠিক আর কদিন পরে — কলকাতা হাইকোর্টের বেঞ্চ হয়তো একটি ঐতিহাসিক রায় দেবে। অথবা দেবে না। কিন্তু বাংলার মানুষ যদি এই মুহূর্তে জানেন — তাহলে অন্তত জবাবদিহিতার একটা চাপ থাকে।
    গ্রেট নিকোবরের লেদারব্যাক কচ্ছপ লক্ষ লক্ষ বছর ধরে সেই সৈকতে ডিম পেড়েছে। শম্পেনরা হাজার হাজার বছর সেই বনে বেঁচেছে। সেই গল্পটা কি এখানেই শেষ হয়ে যাবে?
    সেটা ঠিক করার একটু সুযোগ হয়তো আছে — এখনো।
    _______________________________________________________________________
    তথ্যসূত্র: Mongabay India, The Wire, The India Forum, Time Magazine (জুন ২০২৬), LiveLaw, Bar and Bench, ONGC ও Oil India-র সরকারি ঘোষণা, কলকাতা হাইকোর্টের আদেশ (মে ২০২৬)
    এই লেখাটি কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে নয়। এটি অনুসন্ধানমূলক প্রবন্ধমাত্র — পাঠক নিজেই বিচার করুন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • k | ১৬ জুন ২০২৬ ০৯:২৯747713
  • আমি এই প্রবন্ধ ডিফেন্ড করতে যাব না। কোনো মতামত বা মতভেদ থাকলে সরাসরি এআই ক্লড সাহেবকে জিজ্ঞেস করে নিন। গুরুচণ্ডা৯ তে প্রকাশিত নিকোবরের প্রবন্ধ বললেই উনি বুঝে যাবেন এবং ঝুলি থেকে যা বার করবেন তাতে আপনারা চমকে যেতেও পারেন।
    ভাল করে সবকিছুর ক্রনোলজি বুঝবেন। আপনারা ভালই জানেন তার প্রয়োজনীয়তা কতটা।
    মামলাটি সম্পর্কে অবশ্যই বিস্তারিত জানতে চাইবেন।এখানে তার বিতর্কিত অংশ কিছুই বলা নেই। মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারন তার ওপর ভবিষ্যতের অনেককিছু নির্ভর করছে।
    মনে রাখবেন সবকিছু ঠিকঠাক চললে রায়দান আগামী ২৩ শে জুন ২০২৬।
  • অরিন | ১৬ জুন ২০২৬ ০৯:৪৭747714
  • "গ্রেট নিকোবরের লেদারব্যাক কচ্ছপ লক্ষ লক্ষ বছর ধরে সেই সৈকতে ডিম পেড়েছে। শম্পেনরা হাজার হাজার বছর সেই বনে বেঁচেছে। সেই গল্পটা কি এখানেই শেষ হয়ে যাবে?"
     
    সেটা তো একটা গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনার বিষয়।
    তার সঙ্গে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে নিকোবারের ঐ জায়গাটি ভূমিকম্প প্রবণ, ফলে জনবসতি গড়ে উঠলে ভূমিকম্প প্রবণতার একটা প্রভাব থাকবেই। আরো একটা বিষয় মাত্রাতিরিক্ত development হতে গেলে ভাবতে হয় সে জায়গার carrying capacityর কথা। নিরোবারের ঐ অঞ্চল নিয়ে এ বিষয়ে কি তথ‍্য Claude দিচ্ছে?
  • | ১৬ জুন ২০২৬ ১০:২১747716
  • আদানি এখন পর্যন্ত অনেক কিছু পেয়েছে, জঙ্গল, পোর্ট, গুদাম, রাস্তা, জমি আরো কী কী ! একটা গোটা দ্বীপ পায়নি না ?
  • | ১৬ জুন ২০২৬ ১০:২৩747717
  • থ্যাঙ্কিউ কেলোদাদা। কথা হবে।
  • | ১৬ জুন ২০২৬ ১৫:৪০747718
  • কলকাতা হাই কোর্ট কোন adverse রায় দিলে, আন্দামানের নিজের কোর্ট খুলে সে রায় পছন্দমত পালটে দেওয়ার থেকে সোজা হবে মনে হয় পার্লামেন্টে একটা "গ্রেট নিকোবর রিডেভলপমেন্ট" বিল পাশ করিয়ে নেওয়া। এত যখন এমপি শপিং হচ্ছে তখন হয়ে যাবে নিশ্চয়।
  • k | ১৭ জুন ২০২৬ ০১:২৪747728
  • ক্লড সায়েব বোধহয় আপনাদের বোধহয় ঠিকমত বোঝাতে পারেন নি।
    "কলকাতা হাই কোর্ট কোন adverse রায় দিলে, আন্দামানের নিজের কোর্ট খুলে সে রায় পছন্দমত পালটে দেওয়া" হবে না, কলকাতা হাইকোর্ট বেগতিক রায় দিলে সেটা কেন্দ্র সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করবে এবং জিতবে। ঘুরপথে হলেও জিতবে।
    ঘুরপথের আদর্শ উদাহরন দেওয়া যেতে পারে SIR মামলার রায়। ২৭ লাখ লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির ভোটার এবার ভোট দিতে পারবেন কিনা সেটা ঠিক করতে গিয়ে সুপ্রীম কোর্ট সমস্যাটা কলকাতা হাইকোর্টের ঘাড়ে ঠেলে দিল এবং কলকাতা হাইকোর্ট সেটা আবার ট্রাইবুন্যালের ঘাড়ে ট্রান্সফার করে দিল। তখনো ট্রাইবুন্যালের চালচুলোর ঠিক নেই।ভোটের আর মাত্র কদিন বাকি, সেখানে ভোটের আগে ২৭ লাখ ভোটারের নিষ্পত্তি করা বাস্তবিকভাবে অসম্ভব ছিল।১৩৬ জন বা তার সামান্য বেশী বা কম ভোটার ভোট দেবার সুযোগ পেলেন ঐ সাতাশ লাখ থেকে। সবাই বৈধ তা অবশ্য নয়, কিন্তু সাতাশ লাখের মধ্যে কিছু তো বৈধ ভোটার ছিলেনই, তাঁরা কিন্তু ভোট দিতে পারলেন না।ভেবে দেখুন সুপ্রীম কোর্ট -হাই কোর্ট - ট্রাইবুন্যাল কেউ কিন্তু বলেন নি যে একজনও বৈধ ভোটার ভোট দিতে পারবেন না। অথচ মহামান্য কোর্টগন যা করলেন তার ফলে প্রায় সাতাশ লাখ ভোটার ভোট দিতে পারলেন না যাঁরা আগেরবার ভোটে ভোট দিয়েছিলেন।এটাকে বলে ঘুরপথে জেতা। যাঁরা চাননি ঐ সাতাশ লাখ ভোটার ভোট দিক তাঁরাই কিন্তু ঘুরপথে জিতে গেলেন।

    হাইকোর্ট এমনকি সুপ্রীম কোর্টের রায়ও কেন্দ্রের ফেবারে না গেলে আন্দামানে নতুন কোর্ট খুলে সেখানে ঐ রায় চ্যালেঞ্জ করে জেতা যাবে না। কিন্তু হাইকোর্টের রায় মনঃপূত না হলে আন্দামানে নতুন কোর্ট খোলা অবশ্যম্ভাবী। কারন যাঁরা কেন্দ্র চালান তাঁরা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল চিন্তাভাবনার অথিকারী, তাঁরা ভবিষ্যতের একই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কাকে সমূলে বিনাশ করবেন নতুন কোর্ট তৈরির মাধ্যমে।
    কলকাতা হাইকোর্টের ১৬০ বছরের নিরপেক্ষতার ইতিহাস (মানে লিগ্যাসি) আন্দামানের নতুন কোর্টের থাকবে না। সেখানে হয়ত কেন্দ্রের নূতন দৃশ্টিভঙ্গীতে আইনের ব্যাখ্যা নূতনভাবে করা হবে। যা কেন্দ্রের ফেবারে যাবে।

    কলকাতা হাইকোর্টের আন্দামান সার্কিটের রায় কেন মনে করছেন কেন্দ্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে যাবে? বিরুদ্ধে না গেলেও কি করে তা বাইপাস করে কাজ হাসিল করা হয়, তা তো ঐ উপরোক্ত SIR এর উদাহরনে দেখানো হল।

    ২৩ শে জুন আন্দামানের সার্কিট বেঞ্চে বসবেন চীফ জাস্টিস সুজয় পাল ও জাস্টিস পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। এঁরাই কলকাতা হাইকোর্টে ঐ ঘুরপথের সুবিধাওয়ালা পনের দিনে সাতাশ লাখ নিষ্পত্তি করার অবাস্তব রায়টি দিয়েছিলেন SIR এর মামলায়।তাঁরা যে আবার একইরকম সুবিধাযুক্ত রায় এক্ষেত্রেও দেবেন না তা কে বলতে পারে!
     
    আরও কিছু ক্রনোলজি আপনাদের সমঝে রাখা উচিত- নিকোবরের এই PIL মামলাগুলি কিন্তু মাননীয় প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের আমলে গৃহীত হয় নি। গৃহীত হয়েছিল এবং কেন্দ্রের প্রাথমিক প্রতিরোধ অতিক্রম করেছিল মাননীয় প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের আমলে। এখানে প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে রিটায়ারমেন্টের পরে বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমকে ঐ SIR ট্রাইবুন্যালের বিচারপতির পদ অফার করা হয়। কিন্তু বিচারপতি শিবজ্ঞানম ৭ই মে সেই পদ প্রত্যাখ্যান করেন। ৮ই মে আন্দামানের মামলার রায় ঘোষনার দিন স্থির হয় (যা কিনা ২৩জুন) আর ৯ই মে পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রের যমজ ইঞ্জিন শাসনভার গ্রহন করে।
    ক্রনোলজী ইজ ইমপর্ট্যান্ট।

     
  • অরিন | ১৭ জুন ২০২৬ ০৩:২০747730
  • আইন আদালত করে হয়ত এখনকার মত হয়ত নিকোবারের সর্বনাশ করবে, তবে তাদের আটকানোরও উপায় আছে, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক চুক্তি ভবিষ্যতে কী হবে কেউ এখন বলতে পারে না | দেখা যাক।
     
    https://earth.org/explainer-what-is-ecocide-and-how-is-it-treated-in-international-and-domestic-law/
  • hutum | ১৭ জুন ২০২৬ ০৫:৫০747732
  • চাট্টি কচ্ছপ মরবে বোলে বন্দর করা যাবে না এটা কি কথা ? এই লেদারব্যাক কচ্ছপকে মেরে মাংস খে নিলে কি ক্ষেতি হবে কোনো সলিড স্টাডি আছে ?
  • :|: | ১৭ জুন ২০২৬ ০৬:৩৩747733
  • পারমার্থিক ভাবে কোনও ক্ষতি নাই, ৫টা৫০। এই যে ডাইনোসোরকুল চলে গেলো তাতেই বা ক্ষতি কী?
    আবার এও ঠিক যে পরমার্থত বান্দর করা বা মাঙ্কি বাত করাতেও কোনও লাভ নাই। তবু কোনও সলিড স্টাডির কেয়ার না করেই জনতা অইসব করে থাকে।
  • অরিন | ১৮ জুন ২০২৬ ০৮:৪৫747740
  • দ এর দেওয়া রিপোর্ট বলছে,
    “The ZSI’s coral conservation plan for the Great Nicobar project states that the success rate of this project varied from above 90 per cent for restoration to 68 per cent-85 per cent for coral transplants”

    এরা ৯০ পার্সেন্টের গল্প কোথায় পেয়েছে কে জানে।

    এযাবৎ যত জায়গায় কোরাল রিফ প্রতিস্থাপিত হয়েছে, তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা (১৮ মাসের মাথায়) ৬০-৭০ শতাংশ, দীর্ঘমেয়াদী বাঁচার সম্ভাবনা কেউ জানে না। রিফ প্রতিস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা যারা করেছেন তাদের বক্তব্যের ZSI এর বক্তব‍্যের মিল নেই। এরা যে কারণে প্রতিস্থাপন করবে তাতে কোরাল রিফ বাঁচার সম্ভাবনা তো নেইই, অন‍্য জায়গাতেও কোরাল (প্রবাল দ্বীপ) ধ্বংস হবে।
    Lisa Bostrom লিখছেন,
    “We identified 362 case studies on coral restoration, of which 221 were from the scientific literature, 78 were sourced from the grey literature (i.e. reports and online descriptions), and 63 were responses to our survey for restoration practitioners. Restoration projects occurred in 56 countries with the majority of projects conducted in the USA (Florida, Hawaii), Philippines, Indonesia and Thailand (together representing 40% of projects). Ten categories of coral restoration are represented in the database, with the majority of these involving coral fragmentation or transplantation of coral fragments (68%)

    Overall, coral restoration projects focused primarily on fast-growing branching corals (59% of studies), and report survival between 60 and 70%.

    Boström-Einarsson L, Babcock RC, Bayraktarov E, Ceccarelli D, Cook N, Ferse SCA, et al. (2020) Coral restoration – A systematic review of current methods, successes, failures and future directions. PLoS ONE 15(1): e0226631. doi:10.1371/journal.pone.0226631

    এখন কোরাল ধ্বংস হওয়া মানে অজস্র ছোট সামুদ্রিক প্রাণী আর মাছ চিরকালের মতন লোপ পাবে।
    মানুষের লোভের অন্ত নেই।
  • | ১৮ জুন ২০২৬ ০৯:৫৫747741
  • #গ্রেট_নিকোবর_প্রকল্প
    গ্রেট নিকোবর প্রজেক্টের একটা বড় ক্ষতি হবে প্রবালপ্রাচীর ধ্বংস হওয়া। এইটা নিয়ে খুঁজতে গিয়ে দেখলাম ওখানে সব প্রবাল ইতোমধ্যেই মৃত এরকম একটা খবর হাওয়ায় ভাসানো হচ্ছে। এটা সত্যি কিনা খুঁজতে গিয়ে পেলাম এর কারণ :-
    সরকারি মানচিত্র থেকে প্রবাল "উধাও"। ২০২০ সালে চেন্নাইয়ের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সাসটেইনেবল কোস্টাল ম্যানেজমেন্ট (NCSCM) যেটা নাকি আবার পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীনে, একটি মানচিত্র তৈরি করে যেখানে স্পষ্টভাবে গ্রেট নিকোবরের উপকূল ঘেঁষে প্রবাল প্রাচীর দেখানো হয়েছিল, বিশেষত গালাথিয়া উপসাগরে। কিন্তু ২০২১ সালে ঠিক যখন প্রকল্পের পরিকল্পনা চলছে, ওই একই সংস্থার আপডেটেড মানচিত্রে উপকূল থেকে প্রবাল একেবারে অদৃশ্য। পরিবর্তে সেগুলো দেখানো হলো সমুদ্রের মাঝখানে, উপকূল থেকে অনেক দূরে। বিশেষজ্ঞরা বললেন এটা জৈবিকভাবে অসম্ভব। বিজ্ঞানীরা নতুন মানচিত্রের উপর বাথিমেট্রি (সমুদ্রের গভীরতার) মানচিত্র আরোপ করে দেখলেন, যেখানে প্রবাল দেখানো হয়েছে সেখানে সমুদ্র ৬০ ফুটেরও বেশি গভীর। বিশেষজ্ঞরা জানালেন এই অবস্থানে প্রবাল থাকা "জৈবিকভাবে অসম্ভব"।
    তদন্তকারীরা দেখলেন, ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে উপকূলীয় মানচিত্র থেকে ফ্রিঞ্জিং প্রবাল প্রাচীর অদৃশ্য হয়ে গেছে, এবং সেগুলো রহস্যজনকভাবে আঁকা হয়েছে আরও দূরে, যা বন্দর ও বৃহৎ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়ার এবং জনমত প্রভাবিত করার সুবিধাজনক ভিত্তি তৈরি করেছে। কিন্তু এর কারণ কী? কারণ হল
    প্রবাল ভারতীয় বন্যপ্রাণ সুরক্ষা আইন ১৯৭২-এর Scheduled প্রজাতি। অর্থাৎ বাঘ, গাঙ্গেয় ডলফিন ও হাতির সমতুল্য সুরক্ষা প্রাপ্য প্রবালের। যদি মানচিত্রে প্রবাল উপকূলে থাকে, তাহলে সেখানে বন্দর নির্মাণের অনুমতি পাওয়া আইনগতভাবে অত্যন্ত কঠিন। মানচিত্র বদলে ফেলে সেই আইনি বাধা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সংক্ষেপে বললে, প্রবাল মৃত বলে যা শোনা গেছে, সেটি প্রকৃত বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে নয়, বরং সরকারি মানচিত্র থেকে প্রবালকে "সরিয়ে" দেওয়ার একটি বিতর্কিত প্রক্রিয়ার ফল। পরিবেশবিদ ও সাংবাদিকরা এই ঘটনাকে প্রকল্পের ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য উদ্দেশ্যমূলক কারসাজি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

    গ্রেট নিকোবর প্রকল্প নিয়ে যত ঘাঁটছি ততই বড় বড় অ্যানাকোন্ডা বেরোচ্ছে।
  • অরিন | ১৮ জুন ২০২৬ ১০:১০747742
  • "একই সংস্থার আপডেটেড মানচিত্রে উপকূল থেকে প্রবাল একেবারে অদৃশ্য। পরিবর্তে সেগুলো দেখানো হলো সমুদ্রের মাঝখানে, উপকূল থেকে অনেক দূরে। বিশেষজ্ঞরা বললেন এটা জৈবিকভাবে অসম্ভব। বিজ্ঞানীরা নতুন মানচিত্রের উপর বাথিমেট্রি (সমুদ্রের গভীরতার) মানচিত্র আরোপ করে দেখলেন, যেখানে প্রবাল দেখানো হয়েছে সেখানে সমুদ্র ৬০ ফুটেরও বেশি গভীর। বিশেষজ্ঞরা জানালেন এই অবস্থানে প্রবাল থাকা "জৈবিকভাবে অসম্ভব"।"
     
    কতদূর মিথ্যাচার ভাবলে তাজ্জব লাগে। বিজ্ঞানীরা যথার্থই বলছেন। সমুদ্রের গভীরে ৬০ ফুটের নীচে প্রবাল থাকবে কি করে, কারণ প্রবালের সঙ্গে zooxanthellae algaeর অবিচ্ছেদ‍্য symbiotic সম্পর্ক, আর algae সূর্যালোক না পেলে বাঁচে না, অত গভীরে সূর্যের আলো অপ্রতুল।
    প্রবাল প্রকান্ড কিন্তু জীবন্ত প্রাণী এবং সমুদ্রের ঢেউ না হলে অজস্র ছোট প্রাণীর সমাবেশ না হলে প্রবাল বাঁচে না, এ সমস্ত গভীর সমুদ্রে ৬০ ফুট গভীরে পাবেন কোথায়?
     
    পড়ে খারাপ লাগে, আমরা মানুষেরা এত ভয়ঙ্কর কীভাবে হলাম?
  • | ১৮ জুন ২০২৬ ১০:১৬747743
  • সিংরৌলিতে আদানি ওপেন কাস্ট কোল মাইন খোলার অনুমতি পেয়েছে। সেখানে একটা হাতি চলাচলের করিডোর ছিল বলে জানা যাচ্ছে। সেটাকে ম্যাপ বদলে ৫ কিমি দূরে দেখিয়ে অনুমতি নেওয়া হয়েছে। এবারে হাতিদের নানাভাবে মরা শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র।
  • অরিন | ১৮ জুন ২০২৬ ১১:০৯747744
  • "The Adani Dhirauli coal mining project in Singrauli is not merely an isolated infrastructure approval. It is, rather, a diagnostic case study in how India's legal, regulatory, and institutional frameworks currently resolve the deepest tension in the country's development story: the gap between the energy India needs today and the environment it has committed to protecting for the future"

    https://discoveryalert.com.au/adani-dhirauli-coal-project-india-forest-clearance-2026/
  • সিংগল k | ১৮ জুন ২০২৬ ১৩:৪৭747745
  • দমদি, আমার মনে হয় কেঁচো খুঁড়তে আনাকোণ্ডার উপমাটি না দিয়ে, পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর একটি উদ্ধৃতি কোট করুন, সেটা বেশী এপ্রোপ্রিয়েট- "যেখানে হাত দিচ্ছি, সেখানেই পচা-দুর্গন্ধ"

    আমার দুই বন্ধু দীর্ঘদিন ধরে ZSI এর ANRC র স্টেশন হেড হিসেবে নিযুক্ত ছিল। আমি ঐ কোরাল ট্রান্সলোকেশনের প্রজেক্ট দিনের আলো দেখার পর তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। তাদের মধ্যে একজন হল আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রবাল বিশেষজ্ঞ। তারা আমার প্রশ্নের কোন ঠিকঠাক উত্তর দিতে পারে নি, কারন তাদের কাছেও তখনও কোন বিস্তারিত তথ্য ছিল না। এর মধ্যে একজন ছিল গোয়ায় আমার রুমমেট, কাজেই সে তার ঝুলি উজাড় করে দিয়েছিল এ সম্পর্কে। কিন্তু মুস্কিল হল তার কিছুই অফিশিয়ালি শেয়ার করতে পারব না, করলে অনিবার্যভাবে তার চাকরি নিয়ে সমস্যায় পড়তে হবে।

    জেডেসাইয়ে কর্মরত প্রবাল বিশেষজ্ঞরা মুখটি না খুললে কি হবে, দুনিয়ার বাকি বিশেষজ্ঞদের তো আর কেউ ঠেকিয়ে রাখে নি। এমনকি বিশ্বগুরুর ভয়ও তাঁরা করেন না। এইরকম একজন হলেন ডক্টর ব্রায়ান উইলসন। তিনি ক্রান্তীয় অঞ্চলের বিশেষত ভারত মহাসাগরের প্রবাল সম্পর্কে একজন অত্যন্ত বিজ্ঞ বিজ্ঞানী। তিনি সরাসরি নিকোবর প্রজেক্টের প্রবাল প্রতিস্থাপনের পরিকল্পনাকে 'পাগলের প্রলাপ' বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।(আশাকরি ভারতবর্ষের কোন পোর্ট বা এয়ারপোর্ট দিয়ে তিনি আর ভারতে প্রবেশের অনুমতি পাবেন না।)

    এই রইল ডক্টর ব্রায়ান উইলসনের বক্তব্যের লিঙ্ক--
    https://www.thequint.com/climate-change/great-nicobar-island-project-corals-translocation-interview-bryan-wilson#:~:text=Talking%20about%20%22successful%22%20translocations%20in%20other%20parts,a%20greater%20than%2090%20percent%20survival%20rate.

    পরে সময় পেলে ঐ কোরাল ট্রান্সলোকেশন নিয়ে আরও কিছু বলার ইচ্ছা আছে।
    সামুদ্রিক - গ্যাস অনুসন্ধান, জৈব বৈচিত্র বা পরিবেশ আইন বিষয়ে নিজের বক্তব্য ডিফেন্ড করতে পারব বলে আশা আছে।

    যেমন ধরুন অরিনদার বক্তব্যের প্রথম অংশ একদম ঠিকঠাক-, কিন্তু দ্বিতীয় অংশটা আমার ঠিক মনে হয় না।
    সমুদ্রের গভীরে ৬০ ফুটের নীচে প্রবাল থাকবে কি করে, কারণ প্রবালের সঙ্গে zooxanthellae algaeর অবিচ্ছেদ‍্য symbiotic সম্পর্ক, আর algae সূর্যালোক না পেলে বাঁচে না, অত গভীরে সূর্যের আলো অপ্রতুল।
    প্রবাল প্রকান্ড কিন্তু জীবন্ত প্রাণী এবং সমুদ্রের ঢেউ না হলে অজস্র ছোট প্রাণীর সমাবেশ না হলে প্রবাল বাঁচে না, এ সমস্ত গভীর সমুদ্রে ৬০ ফুট গভীরে পাবেন কোথায়?
    সমুদ্রের ঢেউ কিন্তু প্রবাল ঠেকিয়ে দেয়, দিয়ে দ্বীপ আর বিক্ষুব্ধ সমুদ্রের মাঝে যে লেগুন রচনা করে অজস্র ছোট প্রাণী সেখানে আশ্রয় নেয়। সেগুলো যে ঠিক প্রবালের কোন উপকারে লাগে তা নয়, ওরা এবং ওদের ওপর নির্ভর করা ইকোসিস্টেমটা পুরো ফাউ। এমনকি কোরাল না থেকে কংক্রীট দিয়ে আর্টিফিশিয়াল কোরাল রীফ বানিয়ে দিলেও ঐ ইকোসিস্টেমের কোন কোন সদস্য এসে বাসা বাঁধে।
    প্রবাল যেটা করে সেটা হল সমুদ্রের জল ফিল্টার করে জুজ্যান্থেলিদের খায় আর জুজ্যান্থেলিদের বাসস্থান যোগায়। জুজ্যান্থেলিরা ফটোসিন্থেসিস করা অ্যালগি, তারা গভীর বা ঘোলাজলে সালোক সংশ্লেয করতে পারে না। তাদের দরকার কাঁচের মত স্বচ্ছ জল। বিপুল প্রবাল প্রাচীরের প্রতিটি কোরাল সর্বক্ষণ ফিল্টার ফিডিং করে করে জলকে ঐরকম কাঁচের মত রাখে। জলের টেম্পারেচারও ভাইটাল, ওটাও ঠিক ২৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে ধরে রাখে। নয়ত ঐ ট্রপিকাল অঞ্চলের জলের তাপমাত্র অনেক বেড়ে যেত। দেখবেন, কোরাল আইল্যাণ্ডে গেলে রাত্রে রীতিমত চাদর গায়ে দিয়ে শুতে হয়। একেবারে বিষুব রেখার নিচে হলেও।
    প্রথমে ড্রেজিং ও পরে পোর্টের উপস্থিতির জন্য জলের টার্বিডিটি বরাবরের মত বেড়ে যাবেই। কাজেই যাইই করা হোক, ঐ অঞ্চলের প্রবালদের ডেথ সেন্টেন্স সাইন করা হয়ে গেছে ধরে নিতে পারেন।
    যে অঞ্চলে ঐ প্রবালদের পুনর্বাসন দেওয়া হবে সেখানেও কিছুতেই এখনকার অবস্থা বজায় রাখা সম্ভব হবে না। প্রথমে জুজ্যান্থেলীরা সালোক সংশ্লেষ করতে না পেরে মরবে, ফলে কোরাল কলোনী তাদের উজ্বল বর্ণ হারাবে। যাকে বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় বলে 'কোরাল ব্লিচিং' তারপরে সিমবায়োটিক সহযোগীদের সাহায্য না পেয়ে কোরালেরা মরতে থাকবে, শেষে পড়ে থাকবে কেবল কোরাল কলোনীর কঙ্কালটা, যা স্থানীয় স্কিন ডাইভাররা তুলে এনে চোরাকারবারীদের কাছে বিক্রি করে দেবে এবং শেষে চলে আসবে বিশাখাপত্তনমের আন্তর্জাতিক প্রবাল চোরাবাজারে।কেউ না কেউ লাভ করবে নিশ্চয়ই।
  • k | ১৮ জুন ২০২৬ ১৩:৫০747746
  • অরিনদার বক্তব্য উদ্ধৃত করতে গিয়ে কোটেশন মার্ক দিতে ভুলে গেছি - সরি চাইছি - ওটা এইরকম হবে --
    "সমুদ্রের গভীরে ৬০ ফুটের নীচে প্রবাল থাকবে কি করে, কারণ প্রবালের সঙ্গে zooxanthellae algaeর অবিচ্ছেদ‍্য symbiotic সম্পর্ক, আর algae সূর্যালোক না পেলে বাঁচে না, অত গভীরে সূর্যের আলো অপ্রতুল।
    প্রবাল প্রকান্ড কিন্তু জীবন্ত প্রাণী এবং সমুদ্রের ঢেউ না হলে অজস্র ছোট প্রাণীর সমাবেশ না হলে প্রবাল বাঁচে না, এ সমস্ত গভীর সমুদ্রে ৬০ ফুট গভীরে পাবেন কোথায়?"
  • k | ১৮ জুন ২০২৬ ১৩:৫৬747747
  • তাড়াহুড়ো করে লিখতে এত ভুল হয় যে কি বলব। না লেখাই ভাল।
    আমি লিখেছি দেখুন --
    সমুদ্রের জল ফিল্টার করে জুজ্যান্থেলিদের খায় আর জুজ্যান্থেলিদের বাসস্থান যোগায়।
    এটা হবে
    সমুদ্রের জল ফিল্টার করে প্ল্যাঙ্কটনদের খায় আর জুজ্যান্থেলিদের বাসস্থান যোগায়।
    নাঃ এর চে না লেখাই ভাল।
  • অরিন | ১৮ জুন ২০২৬ ১৬:২৫747748
  • k, ঠিক করে দেবার জন‍্য ধন‍্যবাদ, আমার ঠিক করে লেখা উচিত ছিল, আমি লিখতে চাইছিলাম যে কোরাল আর সামুদ্রিক প্রাণী একে অন‍্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।
     
    আমার কোরালের সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয় গত বছর গ্রেট বযারিয়ার রিফ দেখতে গিয়ে, সে এক অপার্থিব অভিজ্ঞতা, জলের নীচে যেই ডুব দিয়েছি রঙ বেরঙের কোরাল তাদের চারপাশে অজস্র মাছ ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাদের কারো কারো মুখ খুলছে তার মধ‍্যে আবার ছোট মাছের ঝাঁক ঢুকে পড়ছে, সে যে কী অসাধারণ অভিজ্ঞতা!
    সেই সময়ে কোরাল নিয়ে পড়াশোনা করতে গিয়ে মনে হয়েছিল পারস্পরিক সম্পর্কের কথা।
    কোরাল যে জীবন্ত প্রাণ, না নিজের চোখে দেখলে এই "উপলব্ধি" হত না।
  • k | ১৮ জুন ২০২৬ ১৭:২৩747749
  • আরে অরিনদা আপনি যা বোঝাতে চেয়েছেন তা একেবারে ঠিকভাবে বুঝিয়েছেন। সামান্য টেকনিক্যাল ডিভিয়েশন ছিল দ্বিতীয় পার্টটায়, হাত নিশপিশ করল ঠিক করার জন্য তাই করে ফেলিচি। নয়ত ঐ ডক্টর উইলসনেই থেমে যেতাম।
    কি আর বলব দাদা, নিজের চোখে যদি না পড়ত, তাহলে এতক্ষণে হয়ত আপনি আমার করা ঐ ভুলগুলো ঠিক করতেন ... winkওরকম কতৈ হয়।

    আন্দামানের চে নিকোবরে কোরাল অনেক কম। তার কারনই কিন্তু নিকোবরের বেশী ঢেউওয়ালা হাই-এনার্জি কোস্টলাইন।ঢেউ - টার্বিডিটি এসব কোরালেরা মোটে ভালবাসে না। গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ,মানে গঙ্গা-পদ্মার ব দ্বীপ অঞ্চল যদি এত ঘোলা না হত তবে এখানেও ম্যানগ্রোভ না থেকে কোরাল থাকত,বা দুইই থাকত।

    আর একটা কথা না বলেই পারছি না, জলের নিচের জ্যান্ত কোরাল থাকলে এইবেলা প্রাণভরে দেখে নিন, কদিন পরে আর পাবেন না। সমুদ্রবিজ্ঞানে ইনস্পায়ার্ড হয়েছিলাম, রবিবারে রবিবারে দুপুরে থামসআপ স্পনসর্ড আণ্ডারসী ওয়ার্ল্ড অব জ্যঁ কস্ত্যু দেখে েদেখে। ওনার পরে করা রিডিসকভার দ্য ওয়ার্ল্ড এর একটা এপিসোড ছিল আন্দামানের ওপরে। সেখানে বিশাল ফ্যান কোরাল আর স্পঞ্জের জঙ্গল ঠেলে কস্ত্যুর বেরিয়ে আসার দৃশ্য মনে খুব দাগ কেটেছিল। তার কবছর পরেই প্রথম সেখানে ডুব দিয়ে তার আর কিছুই পাই নি। তারপর এরমধ্যে তিরিশ বছর কেটে গেছে। এখন সেটা একটা মরা কোরালের গোরস্থান।
    আমি তো গ্রেট বেরিয়ার রিফ দেখি নি, আপনারা যাঁরা দেখেছেন তাঁরাই বলতে পারবেন, কিন্তু আমরা ভারতবর্ষে বা তার আশেপাশে মানে থাইল্যান্ড মালদ্বীপ শ্রীলঙ্কায় যা পাই তা পুরেপুরি ব্লীচ আউট হয়ে যাওয়া প্রায় বর্ণহীন অর্ধমৃত কোরাল।লাস্ট গ্লোবাল ব্লিচিং হয়েছে ২০২৩-২০২৫ এর মধ্যে, এখনও ভারতের কোরালেরা ব্লিচিং থেকে রিকভার করে নি।
  • অরিন | ১৯ জুন ২০২৬ ০৩:১২747752
  • "আর একটা কথা না বলেই পারছি না, জলের নিচের জ্যান্ত কোরাল থাকলে এইবেলা প্রাণভরে দেখে নিন, কদিন পরে আর পাবেন না। "
     
    খুবই সত্যি কথা।
    একটা ভিডিও দেখাই, আমার তোলা, গ্রেট ব্যারিয়ার রিফে, কোরালের ভিডিও (outer reef)
     
     
    কতটা সাদা কোরাল দেখুন |
  • k | ২০ জুন ২০২৬ ১২:৫৪747765
  • অরিনদার জন্য--


    হেলদি কোরাল কলোনি (পেছনের হলদে কালো জিনিসটা অবশ্য কোরাল নয়, ফেদার স্টার, একটা একাইনোডার্ম)।


    ব্লিচড আউট কোরাল। (ব্লিচিং না হলে গোলাপী, বাদামী, সবুজ বা ঘিয়ে রং এর হত।)

    দুটোই ২০১৫-আন্দামান। দশ বছর আগের ছবি। এখন এর কিছুই আর নেই। আর আগামী দশ বছর পরে, এগুলো ছিল বলে প্রমাণ করতে ছবিগুলো কাজে লাগবে।
  • k | ২০ জুন ২০২৬ ১৩:১৬747766
  • মীনা গুপ্তার PIL মামলাগুলোর কি গতি হবে সেটা সোমবার বোঝা যাবে, নতুন প্রধান বিচারপতি নতুন রস্টার তৈরি করে ঐ ভাঙ্গা বেঞ্চে কাকে দায়িত্ব দেন সেটা জানতে পারলে।মঙ্গলবারেই তেইশ তারিখ, মনে তো হয় মামলাগুলি বিশ বাঁও জলে।
  • অরিন | ২১ জুন ২০২৬ ০৮:৪৫747774
  • অপূর্ব ছবি, k !
    যতদিন সম্ভব, ডুব দিয়ে দুচোখ ভরে দেখে নেওয়া।
  • | ২৩ জুন ২০২৬ ১২:৪১747801
  • আজই সেই দিন। sad
     
    কেলোদার কোরালের ছবি সুপার্ব।
  • সিংগল k | ২৩ জুন ২০২৬ ১৪:১১747802
  • আজ তেইশে জুন পোর্ট ব্লেয়ারের কোর্টের কজলিস্টে মীনাগুপ্তার PIL টা লিস্টেড হয় নি দেখে কারন খোঁজা শুরু করেছিলাম। কেঁচো খুঁজলে কেঁচো ঠিকই পাওয়া যায়। অবশেষে পাওয়া গেল, যে কেসটার আজ শুনানিই নেই। শুনানি আগামী সাতই জুলাই ২০২৬ দুপুর দুটোয়। কি করে ভুল হল? প্রথমে ২৩ জুন ফাইন্যাল ডেট থাকলেও পরে সেটা পরিবর্তন করা হয়েছিল। আগের সমস্ত অর্ডার ভাল করে পড়লে তখনই ধরা পড়ত। কিন্তু ক্লড সাহেবের তো আর কোর্ট অর্ডারের বা মনুপত্রের ডাইরেক্ট একসেস নেই, উনি নিউজ রিপোর্টিং ফলো করেছিলেন, ভুল তাদের হয়েছিল। আমি নিজে অর্ডারগুলো থেকে ফ্যাক্টগুলো চেক করেছিলাম, যা যা ক্লডসাহেবের লেখায় ছিল। ২৩ জুনের ডেটটা সত্যিই ছিল বলে চেক করে পরে যে চেঞ্জ হয়ে গেছে সেটা আর নজরেই পড়ে নি। আমারই দোষ যাহোক। ভাগ্যিস ওকালতি করি না, করলে মক্কেলের হার অনিবার্য ছিল।
    মীনা গুপ্তার ঐ PIL কেসের প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত সবকটি অর্ডার ক্লডসায়েকে দিয়ে সামারি করিয়েছি। আগের মত এবারও ভুল থাকতে পারে, কাজেই এর ওপর ভিত্তি করে কোন সিরিয়াস কাজ করলে দয়া করে আবার ফ্যাক্ট চেক করে নেবেন। এআই একটা টুলমাত্র সেটা ভুললে তো চলবে না। তবে যেটুকু সুবিধা পাওয়া যায় সেটুকুই বা কম কি। নেটে কোন পাব্লিক পেজে ঐ নিকোবর কেসের ওরিজিন্যাল ডকুমেন্টের ওপর তৈরি করা ্কোনো সামারি নেই। কাজেই আমি গুরুচণ্ডা৯তে ক্লড সায়েবের তৈরি সামারিটা পোস্ট করে দিচ্ছি। সেটা মোটামুটি ঠিকঠাক বলেই মনে হচ্ছে। সব খুঁটিয়ে দেখে সামারি করা বহু সময়ের ব্যাপার যা আমার হাতে নেই।
    এই রইল ক্লড সায়েবের সামারি-

    Meena Gupta vs. Union of India: What the Actual Court Orders Show — A Timeline Correction
    A note on method before the substance: everything below is drawn directly from the certified order sheets of WPA(P) 12 of 2024 (Meena Gupta vs. Union of India & Ors.), with connected matters WPA(P) 16 of 2025 and WPA(P) 17 of 2025, before the Circuit Bench of the Calcutta High Court at Port Blair. These are not news reports or secondhand summaries — they are the court's own dictated orders, spanning 18 December 2024 to 13 May 2026. To my knowledge, this consolidated timeline does not exist anywhere else in the public domain in one place. It is being published here precisely so that journalists, researchers, and concerned citizens tracking the Great Nicobar project have an accurate primary-source reference, rather than relying on the partial and sometimes outdated picture that circulates in news coverage.
    The headline correction: there is no hearing on 23 June
    Multiple news reports — and earlier public discussion, including my own — treated 23 June 2026 as the date of a high-stakes "final hearing" in this matter. The court's own record shows this is no longer true, and has not been true since 13 May 2026.

    Here is what actually happened, in sequence:
    On 6 May 2026
    , the bench (Sujoy Paul, CJ and Partha Sarathi Sen, J.) delivered a substantive order rejecting the Union of India's preliminary objections to maintainability. The government had argued, through the Additional Solicitor General, that: (i) the petitioner, a Hyderabad resident, lacked locus standi; (ii) a project of this scale and "national importance" should not be subject to PIL scrutiny; (iii) the tribal communities on whose behalf the petition was filed were not themselves parties; and (iv) the sovereign's right to execute the project should prevail over individual rights. The court rejected all four grounds, relying substantially on the petitioner's own pleaded biography — her father's posting as Principal Engineer of the Andaman Public Works Department during her childhood, her role in drafting the Forest Rights Act as Secretary, Ministry of Tribal Affairs, and her 2006 post-tsunami visit to the islands — to find she had "sufficient interest" under Rule 56 of the Appellate Side Rules. The court explicitly noted that a project's expenditure or importance "is not beyond the scope of judicial review on permissible parameters." Having disposed of the maintainability question, the court listed all three matters — WPA(P) 12/2024, 16/2025, and 17/2025 — for final hearing on 23 June 2026 at 12 PM.
    On 13 May 2026, however — a week later, and listed under the administrative heading "To Be Mentioned" rather than for substantive hearing — the Additional Solicitor General requested that the 23 June date be shifted to sometime between 6 and 10 July, on the stated ground that the Attorney General of India, who is to personally argue the matter, would be abroad before those dates. Counsel for the petitioner opposed this on record, pointing to a pattern of the Union of India seeking repeated adjournments, and argued the matter's urgency warranted protection from further delay. The bench accepted the government's request as "reasonable" and re-fixed the final hearing for 7 July 2026, at 2 PM.
    This means: as of today, there has been no hearing of substance on the merits since 6 May, and the next scheduled hearing is not 23 June but 7 July.

    Why this matters beyond the calendar correction
    1. A documented pattern of government-sought adjournment, now twice opposed on record.
    This is not external commentary or inference — it is the petitioner's counsel's own argument, made directly to the bench and recorded in the order sheet, on two separate occasions: once on 13 April 2026 (when the hearing was pushed from 30 April to 6 May, citing the West Bengal assembly election's second phase on 29 April) and again on 13 May 2026 (pushed from 23 June to 7 July, citing the Attorney General's travel). Whatever one's view of the underlying merits, the procedural record itself shows a consistent ask from the Union side for more time, opposed each time by the petitioner.
    2. An on-record admission of incomplete evidence on tribal consent. In the order dated 30 March 2026, the Union of India sought additional time specifically "to demonstrate that the consent has been taken from the tribal people" — a request the bench granted as a "last opportunity," with an express warning that the right to file such an affidavit would stand forfeited if missed. This is significant on its own terms: as late as March 2026 — roughly four years after the August 2022 Gram Sabha resolution that is centrally at issue in WPA(P) 12/2024 — the government's documentary position on tribal consent was, by its own admission, still incomplete.
    3. A government statement that construction has not yet begun. In the 13 May 2026 order, the Additional Solicitor General is recorded as informing the court that "the project has not yet been started." This is a specific, dated, on-record representation to a court of law, and is worth weighing carefully against other public reporting on land clearance, tender activity, or site preparation at Great Nicobar — the two should be read against each other, not assumed to agree.
    4. The buffer-zone petitions survived a res judicata challenge. WPA(P) 16/2025 and 17/2025 — which separately challenge the reduction of eco-sensitive buffer zones around Galathea National Park and Campbell Bay National Park respectively, from roughly 10 km down to between 0 and 1 km — faced a government argument that they were barred by an earlier National Green Tribunal order (Ashish Kothari vs. MoEF & CC, MANU/GT/0023/2026) on grounds of issue estoppel. The bench rejected this, finding the NGT matter concerned a different petitioner, a different stage-one forest clearance question, and "no thread relation" to the buffer-zone notifications under challenge here.

    A brief case summary for reference
    • Case numbers: WPA(P) 12 of 2024 (filed 17.12.2024, Forest Rights Act grounds); WPA(P) 16 of 2025 and WPA(P) 17 of 2025 (buffer-zone reduction grounds, Galathea and Campbell Bay National Parks respectively)
    • Petitioner's counsel: Yogeshwaran A, Poongkhulali B, Pushan Majumdar, with Purbayan Chakraborty and Santanu Chakraborty appearing at various stages
    • Union of India's counsel: R. Venkataramani (Attorney General of India, personally appearing at several hearings, including by video conference), Ashok Kr. Chakraborty (Additional Solicitor General, the principal counsel appearing at almost every hearing), with Kumar Jyoti Tewari and others
    • Bench: Originally CJ T.S. Sivagnanam and Justice Hiranmay Bhattacharyya (December 2024–April 2025, with Justice Chaitali Chatterjee (Das) replacing Bhattacharyya from February 2025); subsequently CJ Sujoy Paul and Justice Partha Sarathi Sen (from December 2025 onward)
    • Next listed date: 7 July 2026, 2 PM, final hearing
    A note on what remains unconfirmed
    Chief Justice Sujoy Paul's tenure ended on 20 June 2026, with Justice Tapabrata Chakraborty assuming charge as Acting Chief Justice. Since the 13 May order already fixed the next date for 7 July — after the retirement — this record does not address who will actually hear the matter on that date. That is a genuine open question, and one this document cannot answer. It would need to be confirmed nearer the date, through the Calcutta High Court's published cause list or the e-Courts case status portal.

    **This piece is offered as a factual correction and reference document, compiled from primary court records. It does not take a position on the merits of the underlying petitions, which remain sub judice.

    আর এখানে রইল এযাবতকালের সমস্ত অর্ডারের সঙ্কলন, একত্রে একটি পিডিএফে, এটাও আমার করা, নেটে অন্য কোথাও পাবেন না-
    https://files.kmitra.in/share/ergwetN7

    মজার কথা হল এখনো পর্যন্ত গুগুল সার্চ, বা জেমিনি বা চ্যাট জিপিটি বা অন্যান্য মাননীয় এআই গন আজকের তেইশ তারিখকেই ঐ কেসের হিয়ারিং এর ডেট বলে দেখাচ্ছেন। আশাকরি গুরুতে এই পোস্টটি করার পর আর তাঁরা তা দেখাবেন না। হাজার হলেও ভুলের দায়িত্ব এআই গনের নয়, আমারই। শুদ্ধ করার দায়িত্বও আমার।
  • k | ২৩ জুন ২০২৬ ১৪:৫২747803
  • আমার অনুমান ঠিক হলে আগামী সাতই জুলাই ২০২৬ তারিখে দুপুর দুটোর সময় মাননীয় ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও মাননীয় বিচারপতি পার্থসারথি চ্যাটার্জীর ডিভিশন বেঞ্চ ঐ মামলা শুনবেন।
    খেয়াল রাখবেন আগের বিচারপতি পার্থসারথি সেন আর বিচারপতি পার্থসারথি চ্যাটার্জী কিন্তু আলাদা ব্যক্তি।
  • সিংগল k | ২৪ জুন ২০২৬ ১১:৩৯747814
  • দমদি, অরিনদা প্রভৃতি যাঁরা কমেন্ট করেছেন, তাঁরা এই নিচের দেওয়া লিঙ্কগুলো পড়েছেন নিশ্চয়ই, কিন্তু এগুলোর লিঙ্ক কেউ এখানে দিয়ে যান নি। প্রজেক্টের স্বপক্ষে বিপক্ষে কয়েকটি লিঙ্ক পোস্ট করে গেলাম, যেগুলো থাকলে ভাল। এমন নয় যে ওগুলো ইন্টারেস্টিং বা দরকারী।

    ধরুন এটাতে আছে নৌবাহিনীর প্রাক্তন অ্যাডমিরাল এবং আন্দামানের লেফ্টন্যান্ট গভর্নর মাননীয় দেবেন্দ্র কুমার যোশীর ইন্টারভিউ। (আনেকটা মোদীজী আম খান কিনা ধাঁচের)
    https://bharatshakti.in/great-nicobar-indias-gateway-to-indo-pacific-not-just-another-island-project-says-former-navy-chief/

    এইটে ঐ অরিনদা উল্লিখিত সরকারী নথিতে সমুদ্রতট থেকে প্রবাল অদৃশ্য হওয়ার গল্প।
    https://scroll.in/article/1087919/how-nicobars-corals-disappeared-on-government-maps

    আর এইটে হচ্ছে স্ক্রলের ঐ অদৃশ্য প্রবালের খোঁজের পেছনের ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরি, গবেষকের নিজের মুখে বলা ভিডিও -
    https://scroll.in/video/1090032/true-story-how-we-investigated-the-disappearing-corals-of-great-nicobar

    স্ক্রলের ্গ্রেট নিকোবর প্রজেক্টের ওপর করা সব আর্টিকেলের একটা ইনডেক্স পেজও আছে। সেটাও দিলাম-
    https://scroll.in/topic/56612/great-nicobar-project

    এই কোরাল এটলাস থেকে নিজেরাই প্রবালেদের মতিগতি দেখে নিতে পারবেন। যদিও এদের নিকোবরের ডাটা খুব একটা রিলায়েবল নয়।
    https://allencoralatlas.org/atlas/#11.74/6.7855/93.8786

    টীম বিএইচপি ফোরামে নিকোবর প্রজেক্টের ফিউচার প্ল্যানের একটা চমতকার চিত্র আছে-


    গ্রেট নিকোবর প্রজেক্টের ড্রাফট মাম্টার প্ল্যানের ওপর একটা আর্টিকেল বেরিয়েছিল এপ্রিলের মাঝামাঝি। সেটাও এখানে থাক-
    https://www.thehindu.com/sci-tech/energy-and-environment/tourism-to-be-primary-economic-driver-of-growth-gni-draft-master-plan/article70843480.ece

    স্বপক্ষে বিপক্ষে ভাল কিছু পড়লে বা চোখে পড়লে একটু পোস্ট করে দেবেন হেথায়।
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল প্রতিক্রিয়া দিন