কাসভের মৃত্যুদন্ড : সাধারন মানুষের মানবাধিকার বনাম হন্তারকের মানবাধিকার : রেস্টোর ডেমোক্র্যাসি
বুলবুলভাজা | আলোচনা : বিবিধ | ০৮ নভেম্বর ২০১০ | ১০২৮ বার পঠিত
কেউ কেউ বলছেন ফাঁসি দিলে কাসভ শহীদের মর্যাদা পেয়ে যাবে। তাতে আরও অনেকে ফিদায়েঁ জঙ্গী হওয়ার অনুপ্রেরণা পাবে। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না ২৬/১১-র হামলায় এমনিতেই ৯ জন "শহীদ' হয়ে গেছে। কাসভের মৃত্যু নতুন করে তাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে এমন সম্ভবনা কম। বরং কাসভ এই অবস্থা থেকে যদি জীবিত থেকে যায় বা কোনক্রমে মুক্তি পেয়ে যায় সেটাকেই তারা জেহাদের সাফল্য ভেবে উৎসাহিত হবার সম্ভবনা প্রবল। হয়তো জেহাদিরা দল ভারি করার জন্য তাদের নিজেদের কায়দায় প্রচার চালাবে, জেহাদে আল্লাহ তাদের সঙ্গে আছেন তাই কাফেররা হাতের মুঠোয় পেয়েও সাজা দিতে পারল না। সব থেকে যেটা খারাপ হবে, শতসহস্র নিষ্পাপ মুসলিম কিশোরকিশোরী বা তরুণতরুণীর সামনে কাসভের উদাহরণ রেখে তাদের মগজ ধোলাই করে সন্ত্রাসবাদী হামলায় টেনে আনার চেষ্টা করা হবে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে,একজন জেহাদিকে মানুষের তৈরি আদালতে মানুষের তৈরি আইনে মানুষ কর্তৃক বিচার এবং মৃত্যুদন্ডদান, ধর্মের নামে জেহাদ এবং হত্যালীলা চালানোতে কোন ধর্মের কোন ঈশ্বরেরই সমর্থন নেই সেটা বুঝতে খানিকটা সাহায্য করতে পারে বৈকি।