যীশু, বাবু জন ও কয়েকটি অনন্য অভিজ্ঞতা : পারমিতা চট্টোপাধ্যায়
বুলবুলভাজা | আলোচনা : বিবিধ | ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৬ | ১২২২ বার পঠিত
আমার ধার্মিক জেঠুর কড়া পাহারায় ভাই বোনেরা সন্ধ্যেবেলায় নাম করতে বসতাম। সার সার বসে আমরা হাতজোড় করে গাইতাম "অপরূপ সে গুরু রূপ....'। চোখ বন্ধ করে অপরূপ সেই কোনো এক মুখ মনে করার সময় ভেসে উঠতো শুধু একজনেরই মুখ। জ্বলন্ত অথচ শান্ত মুখ ,চোখে কি অদ্ভুত মায়া, কোঁকড়া চুলের রাশ কাঁধের ওপর , দু হাত আড়াআড়ি করে রাখা সাদা আলখাল্লায় ঢাকা চওড়া বুকের ওপর। মাথার পেছনে সুর্য্যের ছটা। যীশুর এই অনন্যসুন্দর ছবিটি জেঠুর শোবার ঘরের দেওয়ালেই টাঙ্গানো ছিল। সেই শুরু।
জলছবি : পারমিতা চট্টোপাধ্যায়
বুলবুলভাজা | গপ্পো | ০৩ জুন ২০০৭ | ১৬২৭ বার পঠিত
শ্রীমতীদের শোবার ঘরের জানলার গ্রিলের জাল দিয়ে এক ফালি আকাশ ধরা যায় রোজ। আজ ধরা পড়েছে দুটো কালো পাখি। কাক না চিল কে জানে। পাখিদুটো আকাশে কাটাকুটি খেলে পাখা মেলে। দুরে দুরে বিন্দু হয়ে আবার ফিরে আসে। যায় আর আসে।তারপর হারিয়ে যায় কখন যেন, থেকে যায় শুধু শ্রীমতীর মনের পাতায় অন্যমনস্ক আঁকিবুকি।
সুখের, দু:খের, ভালোবাসার, ঘেন্নার। প্রথমের, শেষের।
পুজো পর্ব, প্রেম পর্ব : পারমিতা চট্টোপাধ্যায়
বুলবুলভাজা | ইস্পেশাল : পুজো ২০০৬ | ০১ অক্টোবর ২০০৬ | ৯৫৫ বার পঠিত
লতার গলায় চারিদিক আমোদিত। ভালো করে তুমি চেয়ে দেখো ..... দেখো তো চিনতে পারো কি না...। বেশ সময়টা। ভর দুপুর, মৃদু-মন্দ বাতাস। ভীড়-ভাট্টা কম।একদিকের রোয়াকে সব ছেলেরা আর উল্টোদিকের মন্ডপের সামনের চেয়ারে বসে আমরা এক দঙ্গল। দুদল দুদিকে কিন্তু কথা ঠিক চলেছে , চোখে চোখে কথা , হাসিতে হাসিতে কথা। এইদিকের মিঠুর মুখ লজ্জানত হল তো ওদিকের রাজীবদার বাঁদিকের চোখ ঝট করে একবার বন্ধ হয়েই খুলে গেল। "দ্যাখ দ্যাখ তোর প্রেমিক আমাকে চোখ মারছে"।