কিছুটা বয়স বেড়ে যাওয়ার পর হয়তো এই বোধ আসে যে, খেয়ে ফেলার পরেও যদি হাতে মুখে গুঁড়ো লেগে থাকে তবে হয়তো সব বিস্কুটই আদতে প্রজাপতি বিস্কুট, ছোটবেলায় এই কারণেই প্রজাপতি কিংবা মথ ধরতে বারণ করা হতো, তাদের ডানায় লেগে থাকা সূক্ষ্ম অংশ গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে হাতে লেগে যায়, আকাশের জীব, ফুলে পাতায় বিশ্রাম নেওয়া জীব আর উড়তে পারেনা, মৃত্যু এগিয়ে আসে রণপায়ে, ছোটবেলায় এত কিছু বুঝতাম না, তবুও হাতে ডানার গুঁড়ো লেগে গেলে মনে পাপবোধের যে দ্বিবীজপত্রী অঙ্কুর জন্মাতো, তার প্রথম পাতাটা করুণা এবং দ্বিতীয়টি সহমর্মিতা হয়ে মেলে ধরতো নিজেকে, মানুষের বাচ্চা থেকে মানুষ হয়ে ওঠার এই যে সিঁড়ির ল্যান্ডিংটা তা পাড় করে এসেছি আমরা বহুকাল। এখন সামনে ... ...
প্রদীপ জ্বলছে,একটা দুটো একশো দৈত্য বেরিয়ে আসছেবৃদ্ধ, ঋদ্ধ, গৃধ্রআকাশ ছুঁয়েছে তাঁর মাথা, মনের কথা, দম্ভদৈত্য দীর্ঘজীবী হোকঅশ্বত্থামা কিংবা ডোরিয়ান গ্রের মতোসরোবর জুড়ে ফুটুক কমলে কামিনীকুমির পোয়াক রোদঋণখেলাপি হাঁ করেআর সুদূর অশোকনগর থেকেএক আধপাগল বৃদ্ধ কবি জন্মদিনেওলিখে চলেছেন এলোমেলো, “তবুও কেন যে আজো, হায় হাসি, হায় দেবদারু, মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” ... ...