এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বেসরকারি হাসপাতালকে সরকারি রেফারাল সিস্টেমের আওতায় আনা 

    upal mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৩ জুন ২০২৬ | ৩৪৩ বার পঠিত
  • উডল্যান্ডের মতো কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া স্বাধীনতা র পর থেকেই কলকাতায় আদতে কোনো পুরো বেসরকারি হাসপাতাল নেই। সকল বেসরকারি হাসপাতাল এক টাকায় জমি পাওয়ায় সব্বার বোর্ডেই সরকারি প্রতিনিধি আছে। ওই জমি পাওয়ার অন্যতম শর্ত ছিল আর্থিক ভাবে দুর্বল মানুষের জন্য আসন সংরক্ষণ। নতুন সরকারের মাননীয় বিভাগীয় মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় মহোদয় জানিয়েছেন বেসরকারি হাসপাতালে ১০শতাংশ আসন সরকারি রেফারেল সিস্টেমের অর্ন্তভুক্ত হবে অর্থাৎ সিট না থাকলে সরকারি হাসপাতাল থেকে বেসরকারি হাসপাতালে রেফার করে বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা হবে। এই ব্যবস্থা বহু প্রতিক্ষিত ও স্বাগত।স্বাধীনতার পর থেকে এতদিন হয়নি কেন কে জানে!!
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • স্বাতী রায় | ১৩ জুন ২০২৬ ১৩:০৮741178
  • স্বাস্থ্য সাথী আসার পর থেকে বেসরকারি হাসপাতালে গরীব মানুষের যাতায়াত সহজ হয়েছিল। মেডিকা বা বি পি পোদ্দার এই সব জায়গায় কার্ডের ভরসায় বিনা পয়সায় চিকিৎসা করিয়ে এসেছেন এমন নিম্নবিত্ত কে ব্যক্তিগত ভাবে চিনি।
    আয়ুষ্মান ভারতে এঁরা সকলে ঠাঁই পাবেন কিনা বলা শক্ত।
    সরকারি হাসপাতালের রেফারাল অবধি পৌঁছানো কতটা সহজ ? জানা নেই।
  • বোঝো! | ১৩ জুন ২০২৬ ১৫:৪২741180
  • হ্যাঁ, তাই তো, স্বাতী রায়ের সঙ্গে সহমত। উপলবাবু কি জানতেন বা যে স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় রেফারেল ছাড়াই বেসরকারি হাস্পাতালে চিকিৎসা হত!! এখন স্বাস্থ্যসাথী বন্ধ হয়ে সেসব বিশ বাঁও জলে।
     
    আগের থেকে যা খারাপ হল, তাই নিয়ে উদবাহু হওয়া তো অন্ধভক্তের লক্ষ্মণ, উপলবাবুও সেই দলে নাম লেখালেন নাকি!
  • upal mukhopadhyay | ১৪ জুন ২০২৬ ০২:০০741187
  • স্বাস্থ্য সাথী একটা ইন্সুরেন্স স্কিম যার পয়সা সরকার দিত। আয়ুষ্মান ভারতও তাই এসবের ব্যতিরেকেই আর্থিক ভাবে দুর্বল অংশ বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পেতে পারত কিন্তু কংগ্রেস বাম বা তৃণমূল কেউই এটা করেনি। নতুন সরকারের বিভাগীয় মন্ত্রী এক টাকায় জমি দানের প্রসঙ্গ তুলে বেসকারি হাসপাতালে শুধুমাত্র আধার কার্ড দেখিয়েই বিনামূল্যে চিকিৎসার প্রতিশ্রুতি দিলে অবশ্যই তাকে অভিনন্দন জানাবো। আপনারা যারা মূল বিষয়টা বোঝেননি তাঁরাই প্যাঁচাল পাড়ছেন।
  • স্বাতী রায় | ১৪ জুন ২০২৬ ১০:৩৩741188
  • উপল বাবুও মনে হয় আমার প্রশ্নটা না বুঝেই "প্যাঁচাল" পারলেন। নতুন সরকার কি বলেছে যে শুধুমাত্র আধার কার্ড দেখিয়ে গরিব মানুষ সরাসরি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পাবে?
     
    আমি যতদূর পড়েছি যে সরকারি হাসপাতালের রেফারাল স্কিমে বেসরকারি হাসপাতালের ১০% বেড included হবে। তার মানে আগে সরকারি হাসপাতালে যেতে হবে সেখানে চিকিৎসা হবে, ভর্তির সময় বেডের অভাব থাকলে তখন বেসরকারি হাসপাতালে রেফার করা যাবে।
    মনে রাখতে হবে এই সরকারি রেফারাল সিস্টেম কিন্তু আদৌ স্বচ্ছ একটি প্রক্রিয়া নয়। সাধারণ মানুষ হিসেবে জানার কোন জায়গা নেই যে কোথায় রিয়েল টাইমে কত সিট ফাঁকা বা কী অবস্থা। (অভয়ার সময় এই দাবি উঠেছিল, কী কাজ হয়েছে আমার জানা নেই।) এবং রোগীর পরিবারের বেছে নেওয়ারও কোন সুযোগ থাকবে কি? নাকি দক্ষিণ কলকাতার রোগীকে উত্তর কলকাতার হাসপাতালে রেফার করলে সেটাই নিতে হবে? সাধারণ ভাবে গরিব মানুষের জন্য সরকারি হাসপাতালের ব্যবহার মোটেই কাস্টমার ফ্রেন্ডলি নয়, একটা উঁচু পাওয়ার পজিশন থেকে আচরণ করা হয়। সেখানে গরিব রোগীর মুখ খোলার কতটা জায়গা থাকবে সে নিয়ে সন্দেহ হয়। সেই কারণেই এই রেফারেল ব্যাপারটা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা।
     
    তবে উপল বাবু যদি ভরসা দিতে পারেন যে স্রেফ আধার কার্ড দেখালেই বেসরকারি জায়গায় চিকিৎসা করানো যাবে, এমনটাই সরকার বলেছেন, তাহলে অন্য কথা।
  • অত সোজা নয় | ১৪ জুন ২০২৬ ১০:৪০741190
  • একেবারেই তা বলেনি। সব রেফারেল ফেল করলে নিকটতম বেসরকারি হাস্পাতালে যাওয়া যাবে বলেছেন। আর রেফারেল ব্যবস্থা, স্বাতী রায় যা বলেছেন।
    উপলবাবু ভাল করে না পড়েই গুণগান শুরু করেছেন। স্বাস্থ্যসাথী না থাকায় আর আয়ুষ্মানের ক্রাইটেরিয়া অনেক বেশি হওয়ায় আগে ফ্রি চিকিৎসা পাওয়া বহু লোকেই এখন উলটে আর তা পাবেন না। উপলবাবু, এই দিকটা ভাল করে একটু দেখুন।
  • upal mukhopadhyay | ১৪ জুন ২০২৬ ১৮:৫০741207
  • @স্বাতী রায়
    সরকারি হাসপাতালে যেভাবে আধার দেখিয়ে বেড পাওয়া যায় সেভাবেই হাজার দুয়েক বেড পাওয়া যাবে .
  • upal mukhopadhyay | ১৪ জুন ২০২৬ ১৮:৫৪741208
  • @ অতো সোজা নয়
    আমি জেনেই বলছি।আমি গুণগ্রাহী নই মোটেই। খোঁজ নিতে পারেন
  • @উপলবাবু | ১৪ জুন ২০২৬ ২০:০২741212
  • ভাল করে শুনে বলুন।
    সরকারি হাস্পাতালে বেড না থাকলে তবেই।
     
  • upal mukhopadhyay | ১৪ জুন ২০২৬ ২১:৪৪741220
  • Obviously. আপনাদের Pathological reaction দেখে ভিমরি খাচ্ছি। জীবনে কোনো দিন আন্দোলন করেননি
  • ধুর | ১৪ জুন ২০২৬ ২১:৪৮741221
  • অযৌক্তিক আক্রমণ না করে সরাসরি উত্তর দিন না। কী শুনলেন? রেফারেলে বেড না পেলে তবে তো? কার্ড নিয়ে গেলেই বেড পাবে, এমন নয়।
    এর সঙ্গে আন্দোলন করা না করার কী সম্পর্ক?
  • স্বাতী রায় | ১৪ জুন ২০২৬ ২১:৫২741222
  • হাজার দুয়েক বেড খাতায় কলমে পাওয়া যাবে। কার্যত?
    আমার জানা মতে, হাসপাতালে দুই প্রকার এডমিশন হয়। ১ প্ল্যানড ট্রিটমেন্টের জন্য শিডিউল্ড admission
    ২. ইমারজেন্সি এডমিশান
    দুই প্রকার ব্যবস্থার জন্যই কি ওই হাজার দুয়েক বেড বরাদ্দ থাকবে?
    প্ল্যানড ট্রিটমেন্টের জন্য admission যেটার জন্য কিছু কিছু ডিপার্টমেন্টে লম্বা লাইন থাকে, লোককে মাসাধিক কাল বা তারও অনেক বেশি অপেক্ষা করতেে হওয়াও কিছু মাত্র আশ্চর্য না ক্ষেত্র বিশেষে, সেখানেও কি ওই বেসরকারি বেড পাওয়া যাবে? কিউয়ের অপেক্ষার টাইম কমবে?
     
    এদিকে তো আবার আরেক মন্ত্রী গিয়ে এক বেডে একাধিক রোগী কেন তাই নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করে এসেছেন। একেই তো বেড পিছু এক জন করে রোগী ভর্তি করতে হলে, এমনিতেই আদতে চিকিৎসা পাওয়া লোকের সংখ্যা কমবে।
  • | ১৫ জুন ২০২৬ ০০:১৬741229
  • উপলবাবুও শেষে নতুন মন্ত্রী কী বললেন সে শুনে হামলে পড়লেন ? কিছু মনে করবেন না, এ ক'দিনে শিক্ষিত লেখক - কবিকুলের এই গভঃ এর ওপর ভরসা দেখে হেজে গেছি। তার ওপর এ কেস তো আবার বামপন্থী লেখককুলের প্রিয় টপিক, বেসরকারিকে টাইট দেওয়া। গ্যালারি শো আর হেডলাইন ম্যানেজ যে এদের থেকে ভাল কেউ করেনা, সে আর কে কাকে বোঝায়।
  • upal mukhopadhyay | ১৫ জুন ২০২৬ ০০:১৯741230
  • ঠিকঠাকই বলা হচ্ছে গুরুতে বেশ কিছু নেটিজেন আছে যারা একটু তিনু বা মাকু ঘেঁষা কোনো বাস্তব অভিজ্ঞতা নেই, সরকারি হাসপাতালে যেতেও হয় না । দুহাজার বেড প্রাইভেট থেকে সরকারি রেফারেলে গেলে বিজেপি হিউজ ট্রাকশন পাবে আর এ ব্যাপারটায় ওদের আরো পাবলিক স্ক্রুটিনিতে ফেলার জন্যই এই পোস্ট। এটাই করার। কংগ্রেস বাম তিনু কেউ যা করতে পারেনি সেটা কিন্তু বিজেপি করে দেখালো।এই নির্মম সত্যিটা গুরুর যা ক্লায়েন্টেল তাদের মানার অসুবিধে যাচ্ছে জেনেই এই পোস্ট।সত্যিটা সত্যিই।
  • স্বাতী রায় | ১৫ জুন ২০২৬ ০৯:১৪741234
  • যুক্তিতে আটকালেই কি মাকু তিনু প্রসঙ্গ আসে বা অকারণ aggressiveness দেখাতে হয়? বেশ বেশ।
     
    যাক গে। ভালো থাকুন। আর পরের বার দরকার হলে হাসপাতালে কাউকে না ধরা করা করে, কোন সংগঠনের বা নেটওয়ার্কের জোর না খতিয়ে সোজা স্রেফ আধার কার্ড দেখিয়েই যেন বেড পেয়ে যান এই আশা করব।
  • upal mukhopadhyay | ১৫ জুন ২০২৬ ০৯:৫৫741235
  • আপনি বিষয়টা বোঝার চেষ্টা না করে এদিক ওদিক করবেন না। আমি নিজে অর্থ আর স্বাস্থ্য দুই সচিবালয়ের কাজ করে এসেছি তাই আপনাদের অনেকের থেকে বেশি বুঝি। একটাকায় জমি তথাকথিত বেসরকারি হাসপাতালগুলো (যে গুলো আসলে সরকার নিয়ন্ত্রিত পিপিপি ) পেয়েছে দুটো শর্ত সাপেক্ষে :১) সরকারি কর্মীদের সুলভে চিকিৎসা যা ওয়েস্টবেঙ্গল হেলথ স্কিম এ সরকার নির্ধারিত হারে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়ে করা হয়। তাই সীমাবদ্ধতা থাকলেও ২০০৮ থেকে এ বিষয়ে একটা পরিস্কার অবস্থান আছে। ২ ) আর্থিক ভাবে দুর্বল শ্রেণীর মানুষকে স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান। ওই জন্য ওইসব হাসপাতালে ওপিডি পরিষেবা চালু আছে। কিন্তু বেড সংরক্ষণ সংক্রান্ত এযাবৎ কোনো সুস্পষ্টতা ছিল না। কংগ্রেস বাম বা তৃণমূল কেউই করেনি। এটা বিজেপি সরকার করছে সরকারি রেফারেল সিস্টেমের মধ্যে বেসরকারি হাজার দুয়েক বেড এনে, যে ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালের অনুরূপ শর্তেই( বিনামূল্যে, আধার কার্ড দেখিয়ে ) রোগী ভর্তি করা যাবে। এই স্বচ্ছ অবস্থানকে আমি সঙ্গত কারণে অভিনন্দন জানিয়েছি। ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কিম এর মতো এর প্রয়োগেও সরকারকে আরবিট্রেটরের ভূমিকা পালন করতে হবে। সরকার যদি দায়িত্ব নেয় তবে সেটা একই সঙ্গে অভিনন্দনযোগ্য ও নাগরিকের সজাগ নজরদারির বিষয়। সেটাই আমার মূল প্রতিপাদ্য। ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কিম এর মতো এর প্রয়োগেও হাজার ভুল ভ্রান্তি হলে তখন ধরতে হবে। এখন যেটা বোঝা দরকার যে স্বাস্থ্য শিক্ষার মতো মৌলিক অধিকারের ক্ষেত্রগুলোতে নিয়ন্ত্রক হিসেবে সরকারের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা।
  • উপলবাবু ঠিক বলছেন | ১৫ জুন ২০২৬ ১০:৩৯741236
  • উপলবাবু ঠিক লিখছেন। এটা একটা সদর্থক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যেতে পারে। তবে ভবিষ‍্যতে কি হবে বলা সম্ভব নয়। এক হিসেবে দেখলে স্বাস্থ্য পরিষেবার privatisation এর চূড়ান্ত মনে হতে পারে, অন‍্যদিক থেকে বিচার করলে একে একটি practical solution হিসেবে দেখা যায়। কলকাতায় এক সময় আমরা অনেকে এই কাজের জন্য সরকারের কাছে তদ্বির করেছি যাতে ছোট হাসপাতালগুলোর সার্ভিস ব‍্যহবার করা যায়, রেফারেলের এই ব্যাপারটা খুব নতুন কিছু নয়। যেটা নতুন, সেটা সরকার এক্ষেত্রে পুরো খরচের ব্যাপার বহন করবেন।
    দেখা যাক।
  • খরচ কার? | ১৫ জুন ২০২৬ ১১:০২741237
  • হ্যাঁ, কিন্তু উপলবাবু কি মানছেন যে এটা কেবলমাত্র রেফারেল কেসে, আর সরকারি বেড না থাকলে, তবেই? তর্কটা সেই নিয়ে ছিল, বেড সংরক্ষণ নিয়ে নয়, সেটা ভাল করে বুঝুন।
    যে কেউ আধার কার্ড নিয়ে সোজা নার্সিংহোমে গেলেই ফ্রি চিকিৎসা হবেনা। কোন সরকারি বেড না থাকলে, নিকটবর্তী বেসরকারি।
     
    আর এর খরচ সরকার দেবে নাকি? স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কথা শুনে মনে হল বেসরকারি হাস্পাতাল দেবে। সরকার দিলে তো সেই টাকা দিয়ে সরকারি হাস্পাতালের পরিষেবাই বাড়ানো উচিত।
     
    যেটা সদর্থক তা হল জেলাস্তরে সর্বত্র পরিষেবা, গ্রামীণ স্তরে পরিকাঠামো বাড়ানোর প্রস্তাব।
     
    যা চিন্তার তা হল, স্বাস্থ্যসাথী থেকে আয়ুষ্মান কার্ড হওয়ায় কতজন ফ্রি চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবেন।
  • upal mukhopadhyay | ১৫ জুন ২০২৬ ১১:১২741238
  • বেসরকারি হাসপাতাল বিনামূল্যে যে জমি পেয়েছে তার গ্রাউন্ড রেন্টের হিসেব ধরে সংরক্ষিত বেডে বিনামূল্যে চিকিৎসার খরচ বেরিয়ে আসে। তাই বেসকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি যুক্তিসম্মত। এই বেড বন্টনের রেগুলেটর সরকারেরই হওয়া উচিত সে হিসেবে কনসোলিডেটেড বেড ভেকেন্সি লিস্টে বেসরকারি হাসপাতালের ১০ শতাংশ সংরক্ষিত বেড সরকারি রেফারেলের অন্তর্ভুক্ত হলেই সবচেয়ে ভালো হয়। এর সুপ্রয়োগ নিয়ে আমাদের সজাগতা বাড়াতে হবে আর বাড়ার জন্যই আমরা তক্কাতক্কি করতে পারি। এটাই কাম্য।
  • স্বাতী রায় | ১৫ জুন ২০২৬ ১৩:৪৭741240
  • "এই বেড বন্টনের রেগুলেটর সরকারেরই হওয়া উচিত সে হিসেবে কনসোলিডেটেড বেড ভেকেন্সি লিস্টে বেসরকারি হাসপাতালের ১০ শতাংশ সংরক্ষিত বেড সরকারি রেফারেলের অন্তর্ভুক্ত হলেই সবচেয়ে ভালো হয়। " - যাক গরিব মানুষ আধার কার্ড নিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে গেলেই বেড পাবে না এইটা অন্তত এখান থেকে বোঝা গেল। এই সহজ কথাটা মানার আগে এত ব্যঙ্গ বিদ্রুপ, আন্দোলন করা না করার প্রয়োজনীয়তা, আমি আপনাদের থেকে বেশি জানি সুলভ বারফট্টাই লাগল কেন সেটা বোঝা অবশ্য খুব কঠিন।
     
    এদিকে আয়ুষ্মান ভারত সেই সব গরিব মানুষ পাবেন কিনা কে জানে! অবশ্য পেলেও কতটা লাভ হবে জানা নেই। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী দের হেলথ স্কিম শুনলে অন্তত ভোটের আগে অনেক বেসরকারি জায়গা থেকেই ফিরিয়ে দিত। এখন কি তাতে বদল এলো?
     
    "বেসরকারি হাসপাতাল বিনামূল্যে যে জমি পেয়েছে তার গ্রাউন্ড রেন্টের হিসেব ধরে সংরক্ষিত বেডে বিনামূল্যে চিকিৎসার খরচ বেরিয়ে আসে। তাই বেসকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি যুক্তিসম্মত।" হ্যাঁ যুক্তি সংগত বটে, তবে মনিপাল বা অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এই যুক্তি মানবেন না সেটা বাকি ৯০% বেডে চারিয়ে দেবেন সেটা বোঝা সহজ নয়। এক না যদি অর্থ ও স্বাস্থ্য দপ্তরে কাজ করে আসার সুবাদে উপল বাবু বছর বছর সেই সব বেসরকারি হাসপাতালের বৃদ্ধির মাপ বিশ্লেষণ করে আমাদের জানান এবং আমাদের সচেতন থাকতে সাহায্য করেন।
  • upal mukhopadhyay | ১৫ জুন ২০২৬ ২০:৩৯741249
  • আমার প্রথম পোস্টটা থেকে প্রচুর যদি কিন্তু বার করেছেন, তারপর খানিক একমত হয়ে আবার কিছু কিন্তু যদি বার করছেন। একটা সরকারি পলিসি ডিক্লারেশনকে প্রাথমিক সমর্থন করা নিয়ে আমাকে পেড়ে না ফেলে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখুন সোচ্চার হোন। আমিও আপনার সঙ্গে থাকব।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন