এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • বুদ্ধা ইন আ ট্রাফিক জ্যাম : কোনো জ্যাম ফ্যাম নেই ক্লিয়ার ট্রাফিক বাল

    Ekak
    অন্যান্য | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ | ১৫৩৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | 53.*.*.* | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৫:৩১727635
  • কাজের ফাঁকে দেখে ফেললুম। চা খেতে বেরোবার আগে একটা ছোট্ট রিভিউ নাবানো যাক।

    প্রথমেই পরিষ্কার করে বলে নেওয়া ভালো, প্রচুর এডিটিং এর গোলমাল - ভীষণ ফ্ল্যাট সিনেমাটোগ্রাফি এইসব কারণে সিনেমা হিসেবে আলাদা করে মাথা ঘামানোর মতো কিছু নয় বুদ্ধা ইন আ ট্রাফিক জ্যাম। একেবারেই পাতি বলিউড মুভি। কাজেই এখানে যেটুকু কথা হতে পারে তা কন্টেন্ট নিয়ে।

    দুর্দান্ত ক্ষমতাবান একটা সম্ভাবনা নিয়ে যাত্রা শুরু করে সিনেমা টা। এবং যত মিনিট যাচ্ছিলো তত ক্লিয়ার হচ্ছিলো কেন বাঙালিরা ও জেএনইউ ওয়ালারা এই সিনেমাটাকে এতো গালাগালি করেছে। যে টিপিক্যাল দিল্লি -মুম্বাই - ব্যাঙ্গালোর টাইপ আরবান লাইফ এবং চিন্তাভাবনা থেকে সিনেমাটা শুরু সেটা, পেছনে লাল পার্টির সিলমোহর নিয়ে জন্মানো জনতার পক্ষে জাস্ট অনুধাবন করাই সম্ভব না, বোঝা তো অনেক পরের ব্যপার।

    এই গোটা সোসাইটি টার একটা প্রচন্ড পসিটিভ এবং আরেকদিক দিয়ে নেগেটিভ দিক আছে। এরা ঠিক এইভাবেই ভাবে এবং কথা বলে এবং কোনো সামাজিক সমস্যা পেলে বিজনেস প্ল্যান বানিয়ে এগোতে চায় যেটা সিনেমায় দেখিয়েছে। এদের মধ্যে মার্ক্সবাদের পুরোনো অম্বল নেই, কাঁকড়া নয়, কাজেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করলে একদম কোনো কিছুর পরোয়া করেনা। প্রচন্ড পসিটিভ এনার্জি আছে যে কারণে অনেকেই বেশ সফল নিজের কাজে।

    নেগেটিভ টাও এইখানে। আমার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে এরকম প্রচুর মানুষের ওঠাবসা বলেই বেশি করে কানেক্ট করতে পারি, এরা মার্ক্সবাদের অম্বল পেরিয়ে যেমন আসেনি, আবার এডাম স্মিথ ও পড়েনি। মার্কেট ও ক্যাপিটালের নেচার নিয়ে আইডিয়া নেই। একটা এনেকডট দিচ্ছি : ব্যাঙ্গালোরে এক মদের আড্ডায়, আমি বাঙালি হয়েও বামপন্থী নোই জেনে ভীষণ চমত্কৃত উল্লসিত এক বন্ধু, কীভাবে ইন্টারনেট এর প্রসার ঘটলেই সব সমাধান হবে এই সব বলছিলো। তো তাকে ইচ্ছে করে কিছু হার্ড কোর ইন্ডাস্ট্রি যেমন মাইনিং -অয়েল - ভেহিকল এসব নিয়ে জিজ্ঞেস করলুম ...যে অমুক জায়গাটা কীকরে সল্ভ হবে ? সে অমনি বলে দ্য ইনভিজিবল হ্যান্ড !! আমি প্রমাদ গণলুম। এই ইনভিজিবল হ্যান্ড এর গপ্প তো কলকাতার অশিক্ষিত বামদের মুখে শুনেছি ক্যাপিটালিজম সম্বন্ধে বলতে গিয়ে :( :( এ তারমানে স্মিথ পড়েই নি ! স্মিথ তাঁর লেখায় ঠিক দু জায়গায় ইনভিজিবল হ্যান্ড বলেছেন। একটা জায়গায় নিওলিবারেল পলিসির সমালোচনা করতে গিয়ে, আরেক জায়গাতেও খুব এলিগরিক্যালি কীভাবে এগেইনস্ট মার্কেট প্রেসার বিল্ড করে বোঝাতে গিয়ে। এটা কোনো গড থিওরি নয়। তো এদের এই সমস্যা। এই পুরো শ্রেণীটা মার্ক্সবাদের ব্যর্থতা দেখে খড়কুটোর মতো ইন্টারনেট -টেকনোলজি কে আঁকড়েছে। এরা লক পড়েনি, কান্ট্ পড়েনি, হায়েক বা রথবার্ড পড়েনি। ন্যাচারাল রাইটস বোঝেনা। হাতে কলমে একটা বল বিয়ারিং বেচেনি, জাস্ট এক ভগবানের ব্যর্থতার পর আরেক ভগবান বানাতে চায়।

    তো গোটা সিনেমা জুড়ে এই টিপিকাল চিন্তার রাজত্ব। নইলে, যা দেখিয়েছে তা কোথাও ঘটনা হিসেবে যে অতিরঞ্জিত তা নয়। নয় বলেই শূন্যতাটা ধরা পরে অনেক বেশি। আজকে যদি কাওকে সত্যি করে দেখাতে হয় কীভাবে মাওবাদীদের কারণে আদিবাসী এলাকার উন্ন্যয়ন থেমে আছে তার জন্যে এই ইন্টারনেটের গপ্পো ফাঁদার আদৌ দরকার নেই। প্রত্যেকটি বড় কোম্পানি যারা জঙ্গল সংলগ্ন এরিয়াতে কাজ করে তাদের ইয়ার্লি একটা ফান্ড থাকে আদিবাসী উন্নয়নের জন্যে, এটা সরকারি নির্দেশ, কিন্তু সেই ফান্ড এক পয়সাও খরচ করা যায়না, কারণ মাওবাদীদের রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে যদি চারপাশে স্বাস্থ্যকেন্দ্র -ইস্কুল গড়ে উঠতে শুরু করে। ইটস আ নোন ফ্যাক্ট। এর সঙ্গে শুধু মাওবাদী নয়, পিছৰে বর্গের রাজনীতি করা নেতা থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিশাল নেক্সাস। প্র্যাকটিক্যালি এনজিও রা এই গোটা গেমের পুতুল মাত্র। কিছু ক্ষমতার হাড্ডি মাংস পায় এবং বিনিময়ে মাঝের লেয়ারে খেটে মরে। যারা বাইরে এনজিওদের গালাগাল দেয় তাদেরও এনজিও লাগে ছাই ফেলবার দরকার হলে।

    যথারীতি বুদ্ধা ইন আ ট্র্যাফিক জ্যাম সে সব জটিলতায় যায়নি। ইন্টারনেট এ মাটির হাঁড়ি বেচলেই আদিবাসীদের হাতে সরাসরি টাকা যাবে এইরকম অতি সরল এক দাওয়াই বের করেছে। চূড়ান্ত হাস্যকর। এমন হাঁড়ি বেচা স্টার্টআপ অনেক আছে। আদিবাসীদের ডিরেক্ট একসেস পায়না, এনজিওকে ভাগ দিতে হয়, কিন্তু তারপরেও আদিবাসীরা একেবারে কম পেমেন্ট পান তাও নয়। কিন্তু তাতে এতো বড় সমস্যার সমাধান হয়নি। এটা অন্যতম রাস্তা হতেপারে কিন্তু একমাত্র রাস্তা ভাবা জাস্ট হাস্যকর। একটা বড় সমস্যার কোনদিন একটা মাত্র সমাধান হয়না। যেটা এখানে বারবার মাথায় হাতুড়ি মেরে দেখানো হয়েছে।

    তো এই আরকি। উইশফুল থিংকিং এর সিনেমা। যে কীভাবে আদিবাসীদের সমস্যা সমাধান করা যাবে। কেন মাওবাদীরা ক্ষতিকর ইত্যাদি। এর সঙ্গে আমি আরও হাজারো লাল বিপ্লবী সিনেমার কোনো পার্থক্য পেলুম না। দুদিকের দুরকম উইশফুল থিংকিং । সিনেমায় উইশফুল থিংকিং থাকতে পারবেনা এমন নয়, সিনেমার দায় নেই রিয়েলিটি দেখানোর।

    কিন্তু ইন দিস কেস ইটস সো ব্ল্যান্ড ইউ নো :| ফাইন্যালি ইটস আ ব্যাড সিনেমা, নট বিকস ইট রিচেস নো হওয়ার। বিকস ইট, রিচেস সামহোয়্যার। ঠিক যেরকম প্রোপাগান্ডা বামপন্থী মুভিগুলো হয়। ইট অলওয়েজ ফাকিং রিচেস সামহোয়্যার। ওই নায়ক যদি ওর ইন্টারনেট ব্যবসাটা করতো এবং আরও এগিয়ে যেত এবং ওয়ান পার্সেন্ট ও কনফিউসড হতো পাওয়ার ইকুয়েশনের সামনে দাঁড়িয়ে, যে একচুয়ালি এটাও গোলমেলে রাস্তা, তো কিছু হতো। বাট এভরিবডি ইস সো বুধ্ধিমান ইন দিস মুভি । মাওবাদী হোক বা ইন্টারনেট ওয়ালা। দে রিচড সামহোয়্যার এন্ড দ্য সিনেমা গট ড্যাম স্ক্রুড :|

    অথচ সত্যি একটা ট্রাফিক জ্যামের সিনেমা হতে পারতো। খুবই উচ্চাকাঙ্খী নামকরন। বাস্তবে, আর পাঁচটা প্রোপাগান্ডা মুভির মতই ছড়িয়ে ফেলল।
  • একক | 53.*.*.* | ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৬:১১727636
  • গোটা সিনেমাতে আরেকটা জিনিস খুব মজার। তা হলো পাগলামির প্রতি ভয় ও তাকে যুক্তিতে বেঁধে ফেলার চেষ্টা। নায়ক প্রথমেই নিজের কনট্রারিয়ান সত্বা কে লুপহোল খুঁজে বেঁধে ফ্যালে ( ওই স্টুডেন্ট মিটিং এর স্পীচ টা )। তারপর গোটা সিনেমা জুড়েই প্রাধান্য পায় যে, যে যা করছে সবই ভেবেচিন্তে জেনে বুঝে করছে কোথাও কোনো পাগলামি নেই। এক একটি মূর্তিমান ধুরন্ধর সব সে মাও হোক বা মাওবিরোধী। যথারীতি এই পাগলামি বিরোধিতা হলিউডি মুভির একটি কেন্দ্রীয় বৈশিষ্ট যা তারা সমস্ত প্রপাগান্ডা তে ইউস করে। এখানেও তাই। শেষে এসে যখন নায়ক আবিস্কার করে তার চারপাশে প্রচুর প্রচুর মাওবাদী সিম্প্যাথায়সার সেটা আর তার কাছে ইনক্লুসিভ ম্যাডনেস থাকেনা। হয়ে যায় জম্বি। ঠিক যেমনটি হলিউডে হয়। দর্শক খেয়াল করবেন ওই অনুধাবনের পড়েই কীভাবে জম্বি হিসেবে দেখানো হচ্ছে সব সহপাঠী দের। আমরা কিন্তু এই ক্রাইসিস টাই আজকে দেখছি সর্বর্ত্র। কেও আর পাগল নয়। লিবারাল জানে চাদ্দির মাথায় কিছু নেই। চাদ্দি জানে লিবারাল গুলো পাকি দালাল। এর ফলে ইনক্লুসিভ ম্যাডনেস, যা কিনা লিবারাল শয়তানি ও চাড্ডি শয়তানির যে ব্রিডিং গ্রাউন্ড, সেটাই নজরের বাইরে। কোথাও কোনো কুয়াশা নেই এবং যুদ্ধক্ষেত্রে ফটফোটে জ্ঞানসূর্য। এই মুহুর্তে অনুরাগ ছাড়া, মনে হয় গোটা ভারতীয় সিনেমাতেই এই ক্লীনলিনেস খুব গুরুত্ব পাচ্ছে। ইদানিং প্রকাশিত সো কল্ড ফেমিনিস্ট মুভি গুলোতেও। ইহাই তো স্বচ্ছ ভারত ! নো পাগলামি !!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন