এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তোমার সেই দেশেরই তরে

    Somen Dey
    অন্যান্য | ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪ | ২১০৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Somen Dey | 53.*.*.* | ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:১১654750
  • ছোটোবেলায় আমাদের বাড়িতে একজন রান্নার ঠাকুর ছিলেন। সে প্রতি বছরে একবার আর্ন্ড লিভ নিয়ে তার বাঁকুড়া জেলায় গ্রামের বাড়িতে যেত। তখন বড়দের বলতে শুনতাম ঠাকুর ‘দেশে’ গেছে। তার সবই ভালো ছিল। শুধু তার ওই দেশে গেলে সে সহজে আর ফিরতে চাইতো না। তার ছুটি ফুরায় ফুরায়, এমন সময়ে অবধারিত ভাবে একটি ‘পোস্টোকারড’ আসত । ‘আজ তিনদিন যাবত আমার ছোট ভাই ম্যালেরিয়া জ্বরে শয্যাশায়ী হইয়া আছে। সে পথ্য না করা অবধি আমি যাইতে পারিতেছি না ’ বা এই রকম কিছু। হয়তো দেশ ছেড়ে এই পরদেশে তার আসতে ইচ্ছে করতো না। তবু একদিন তাকে ফিরে আসতে হত জীবিকার তাগিদে।
    আমরা যে শহরে থাকতাম সেটি একটি শিল্পশহর। আমরা থাকতাম কোম্পানির দেওয়া কোয়াটারসে। ছোট বেলায় কোনো সত্যিকারের গ্রাম আমি নিজের চোখে দেখিনি । তখন জানতাম দেশ মানে হল একটি গাঁ, যা একান্তভাবে একজনের নিজের । ক্লাসের পাঠ্য পুস্তকে পড়া যতীন্দ্র মোহন বাগচীর কবিতাটি পড়ে মনের ভিতরে না-দেখা গ্রামের একটি ছবি আঁকা হয়ে যেত - ‘ওই যে গাঁটি যাচ্ছে দেখা আইরি খেতের আড়ে – প্রান্তটি যার আঁধার করা সবুজ কেয়াঝাড়ে, পুবের দিকে আম-কাঁঠালের বাগান দিয়ে ঘেরা, জট্লা করে যাহার তলে রাখাল বালকেরা – ওইটি আমার গ্রাম, আমার স্বর্গপুরী ওইখানেতে হৃদয় আমার গেছে চুরি।‘
    তখন ভাবতাম আমাদের রান্নার ঠাকুরের দেশ টি নিশ্চয় এমনই একটি গাঁ। ভাবতাম, আহা, আমাদের যদি এমন যাবার মত একটি গাঁ থাকতো, যেখানে ইস্কুলে ছুটি পড়লে আমরাও সেখানে যেতে পারতাম। তারপর একদিন আমরা বড় হয়েছি আর জেনেছি দেশ মানে আরও অনেক বড় একটা জায়গা। ভুগোলের ক্লাসে পেন্সিল দিয়ে সেই দেশটার মানচিত্র আঁকতে হত। অথবা একটা এঁকে দেওয়া মানচিত্রে প্লট করতে বলা হত জয়পুর, কোচীন, আমেদাবাদ এই সব অদেখা অচেনা জায়গা গুলো। তখন প্রশ্ন জেগেছে মনে- এই এত বড় একটা দেশ যেটার বেশির ভাগটাই অচেনা অদেখা তাকে কি আর তেমনি করে ভালোবাসা যায়, যেমন করে আমাদের রান্নার ঠাকুর ভালোবাসতো তার ‘দেশ’ কে ?

    তারপর আরো বড় হয়েছি। দেশ মানে বদলে বদলে গেছে সময়ের সঙ্গে। দেশ মানে, পনেরোই আগস্টের প্রভাত ফেরী, দেশ মানে নীল জার্সি পরা মান্না-পিকে-চুনী, দেশ মানে বিশ্বকাপ হাতে কপিলদেবের গজদন্ত হাসি, দেশ মানে অশোক স্তম্ভের ছাপ, দেশ মানে লাল কিলা থেকে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ , দেশ মানে গান্ধী টুপির নেতা, দেশ মানে সীমান্তে বীর জওয়ানদের লড়াই, দেশ মানে মিছিলের লাল নিশান, দেশ মানে তেভাগা তেলেঙ্গানা , দেশ মানে ক্ষুব্ধ স্বদেশ ভূমি, দেশ মানে একটি সীমারেখা যার বাইরে যেতে হলে পাসপোর্ট লাগে।
    *****

    টেলিভিশনের বেসরকারী চ্যানেল শুরু হওয়ার প্রথম পর্বে দেশ শুদ্ধ লোকের কাছে খুব প্রিয় একটি অনুষ্ঠান ছিল অন্নু কাপুরের অন্তাক্ষরী। তার একটি পর্বের কথা বিশেষভাবে মনে আছে। সেই পর্বটি রেকরডিং হয়েছিল বিদেশে কোথাও, অনাবাসী ভারতীয় দর্শক দের সামনে । সেখানে অনুষ্ঠান চলাকালীন অন্নু কাপুর কোনো এক সময়ে গেয়ে উঠেছিলেন – এয় মেরে প্যারে য়তন /এয় মেরে বিছড়ে চমন, তুঝপে দিল কুরবান...... । ব্যাস, অমনি যে সভায় এতক্ষন নানা রকম হাসি ঠাট্টা চলছিল সেখানেই যেন অদ্ভুত একরকম থমথমে আবহাওয়া নেমে এলো। দর্শকদের কারো কারো চোখের কোন যেন একটু চিক চিক করে উঠলো। গান এগোতে থাকলো –

    মা কা দিল বনকে কভি সীনে সে লগ যাতা তু
    আওর কভি ননহী সী বেটি বন কে ইয়াদ আতা হ্যায় তু
    জিতনা ইয়াদ আতা হ্যায় মুঝকো উতনা তড়পাতা তু ......

    জল আর শুধু চোখের কোনে চিক চিক করছে না। অশ্রুবারি আর লুকিয়ে রাখা যাচ্ছে না, চোখের সীমানা ছাড়িয়ে তা নেমে পড়েছে গাল বেয়ে। গালের মেক আপ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, কাজল ধেবড়ে যাচ্ছে। গান আরো এগোতে থাকলো –

    ছোড় কর তেরে জমীকো দূর আ পঁহুচে হ্যায় হম
    ফির ভি হ্যায় ইয়েহি তমন্না তেরে জরো কী কসম
    হম জঁহা পয়দা হুয়ে উস জগা হী নিকলে দম
    তুঝপে দিল কুরবান ......

    সব বাঁধ ভেঙ্গে যেন অনেক দিনের জমা হয়ে থাকা জল উপচে পড়ল। সে জলে সিক্ত হয়ে উঠলো উপস্থিত অনাবাসীদের পারফিউম-সুরভিত রুমালগুলি।

    এও এক দেশ ! বুকের ভিতর লুকিয়ে থাকা সুখের মত একটা দুখ। কেও খুঁচিয়ে না জাগালে যেটা ঘুমিয়েই থাকে। যেটাকে স্মৃতির দূরবীন দিয়ে দেখলে যত টা সুন্দর লাগে, চোখের সামনে ততটা নয়। আমি যত দুরেই যাই / আমার সঙ্গে যায় /ঢেউএর মালা গাঁথা এক নদীর নাম/আমার চোখের পাতায় লেগে থাকে /নিকোনো উঠোনে /সারি সারি। লক্ষীর পা /আমি যত দুরেই যাই। এও এক দেশ যার কোনো মানচিত্র নেই, যেখানে যেতে পাসপোরট ভিসা লাগে না। যেখানে যাওয়া যায় তখনই যখন সেই সুখের মত লুকান দুখ টি বুকের ভিতর ব্রহ্মকমল হয়ে ফুটে ওঠে।

    ******
    পৃথিবীটা নাকি ছোট হতে হতে সেলফোন আর আইপড স্ক্রিনে বন্দী । এ বিশ্ব তো ভুবনডাঙ্গার মাঠ। মাউস ক্লিক করলেই দূর দীপ-বাসিনী ফ্রেন্ডের নাগাল। আর দেশের
    ‘মিস’ করবার মত কীই বা আছে ?এখন হনুলুলু তে বসেই খাওয়া যায় নলেন গুড়ের সন্দেশ, আদ্দিস আবাবাতে বসে খাওয়া যায় মাছের মাথা দিয়ে পুঁই শাকের চচ্চড়ি। পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে বসে ইউ টিউব খুললে টাটকা কেঁদুলির মেলায় তরুন বাউলের গান, বা ডোভার লেনে কৌশিকীর গাওয়া মারু বেহাগ শুনতে পাওয়া কোনো ব্যাপারই নয়।
    আর দেশের খবর ? সেতো না চাইতেই চোখে কানে ঢুকে পড়ছে অনবরত। বেখবর থাকাটাইতো মুসকিল।
    একই কোলকাতায়, বেহালা তে বাস করে বাঁশদ্রোনীতে থাকা যে আত্নী্যের সঙ্গে দেখা করা হয়েই ওঠেনা মাসের পরে মাস, বিদেশে বাস করে তার সঙ্গে দিব্যি ফেবু তে চ্যাট অথবা স্কাইপে দেখা শোনা হয়ে যায়। তাহলে আর এই দেশের জন্যে হা হুতাশ করার রইলটা কি ?

    মাটি, শিকড়, স্বজন ? এই ছোট হয়ে যাওয়া পৃথিবীতে তারা কি আর তেমন করে টানে, যেমন করে টানতো কিছুদিন আগে ?

    ******
    বত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার পাঁচশো নব্বই বর্গ কিলো মিটার একটি ভুখন্ডের নাম ভারতবর্ষ। আলেকজান্ডার যে দেশ কে দেখে বিস্মিত মন্তব্য করেছিলেন, সত্য সেলুকাস কি বিচিত্র এই দেশ। কপিলাবস্তুর সিদ্ধার্থ, নবদ্বীপের নিমাই, আর শিমলের নরেন দত্ত এই দেশের আত্নার খোঁজে চষে ফেলেছিলেন আসমুদ্রহিমাচল। রবীন্দ্রনাথ তাকে বলেছেন মহামানবের সাগরতীর। সে দেশটাকে আমাদের মত ইতরজনা তেমন করে আর কবেই বা বুঝতে পেরেছি । শুধু এ দেশে জন্মে নানাবিধ পদাঘাত পেয়ে আমরা যখন জর্জরিত হয়েছি তখন কেও একজন আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন সেই সব উজ্বল ইতিহাসের কথা। আমরা কিছুটা সান্ত্বনা পেয়েছি। সে দেশ টা বইএর আলমারি তে রাখা রাজশেখর বসুর মহাভারতের মত। কাছেই আছে, তবু পড়া হয় নি ভালো করে।

    যে চাঁদ টি পেনিসেল্ভিনিয়া লেকের সরসী আরসিতে তার চাঁদমুখ দেখে , টাইমস স্কোয়ারের মাথায় সোনার থালা হয়ে সেজে ওঠে, সেই চাঁদই তো নিশ্চিন্দি পুরের অন্ধকারের বুক চিরে বাঁশ বাগানের মাথার উপর ধীরে ধীরে ওঠে। যাকে দেখে কাজলা দিদির স্মৃতি মনে আসে। সেই চাঁদটিকে আমরা খুঁজে বেড়াই সারা জীবন। কারন সেই চাঁদটির সঙ্গে আমাদের গভীর আত্নীয়তা।
    - সেই নিজস্ব চাঁদটির জন্যে যেমন রবি ঠাকুর আকূল হয়ে লেখেন – কোন গগনে ওঠে রে চাঁদ এমন হাসি হেসে ......
    সেই চাঁদ টির জন্যে জগজিত সিং এর একটি গান, যেটি বিদেশের যে কোনো অনুষ্ঠানে গাইতে বাধ্য হতেন – ...রাত নে এইসা পেচ লগায়া টুটি হাত সে ডোর/
    অঙ্গন ওয়ালি নিম মে জা কর অটকা হোগা চাঁদ / হম তো হ্যায় পরদেশ মে, দেশ মে নিকলা হোগা চাঁদ ......।

    আমাদের বাঙ্গাল (বাঙ্গালরা মাফ করবেন ) বন্ধুরা যখন গল্প শুরু করতেন – আমাগো দ্যাশে একখান পুকুর ছ্যাল, সে পুকুরের বোয়াল মাছে যে কি সোয়াদ ছেল ..., আমরা, মানে ঘটিরা অমনি মুখ টিপে হাসতাম। কারন দেশ কে ছেড়ে আসার যন্ত্রণা আমরা পাইনি। তাই সহজেই তাদের ব্যাঙ্গ করতে পারতাম।
    আমি কখনো এ দেশ ছেড়ে মাস তিনেকের বেশি থাকিনি। অনেক দূর থেকে এ দেশটাকে দেখিনি। তাই কখনো টনটনে ব্যাথা কখনো অনুভব করিনি তার জন্যে। বরং সকাল সন্ধে এ দেশটার নিন্দে না করে থাকতে পারিনা। তাই যারা এ দেশ ছেড়ে পরবাসী হয়ে অন্য দেশে থাকেন তাদের ব্যাথাটা আমি সহজেই বুঝে নেব এমনটা দাবী করিনা।

    তবু কিছুটা বুঝতে পারি, তাদের কাছে দেশ মানে হয়ত ছেড়ে আসা একটি গলি, বৃষ্টি তে ঝাপসা হয়ে যাওয়া একটি মাঠ, বাড়ির ছাতের কার্নিশ বেয়ে উঠে আসা চাঁদ , শীতের দুপুরে রোদ পিঠ করে বসার খাটিয়া, ঝুপসি মার্কা চায়ের দোকানে বসে বন্ধুদের সঙ্গে ডবল হাফ চায়ের গেলাশ, ঢং ঢং করতে করতে ঢিমে তেতালার চলা ট্রামগাড়ি, এঁদো পুকুরের ধারে কয়েকটা নুয়ে পড়া গাছ, কচু পাতার উপর টলটলে দু ফোঁটা জল, ঠাকুমার তৈরি আমের আচার, বড়মাসির হাতে বোনা সোয়েটার, ভাই ফোঁটার দিন দিদির হাতে বানানো নারকেলের নাড়ু।
    জানি তাদের সেই দেশ টার নাগাল আমি কোন দিন পাবোনা, তবু -
    ‘তোমার সেই দেশেরই তরে আমার মন যে কেমন করে ......। ’
  • সে | 188.*.*.* | ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:১০654752
  • আহা, সবার যদি এমন দেশ হোতো। খুব মিষ্টি লেখা।
  • I | 120.*.*.* | ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৯:২৪654753
  • খুব ভালো লেখা।
  • kiki | 125.*.*.* | ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৯:৪৫654754
  • আহা!! বড় মিঠে ল্যাখা................

    কিন্তু বেহালাই কেন??????????????
  • Somen Dey | 125.*.*.* | ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪ ২১:৫২654755
  • আজ না হয় শুধু বেহালাই বাজলো। আরেক দিন স্প্যানিস গীটার হবে।
  • কান্তি | 113.*.*.* | ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪ ২২:২২654756
  • ভাল লাগল। আপেক্ষায় থাকলাম আরো পাবার জন্য।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪ ২৩:২৭654757
  • রাস্তা ছায়ি থি অন্ধেরে মে
    চাঁন্দ টাঙ্গি থি ছত পর
    আন্ধেরা কো লঙ্ঘ কর চাঁন্দ কো ছুঁ লুঁ
    হামারি এইসী ঔকাত কাঁহাঁ থি।

    আমার এক কবি বন্ধুর শায়েরী।
  • Somen Dey | 53.*.*.* | ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ ১১:৫০654758
  • সুন্দর শায়রী। বন্ধুর নাম জানা যাবে ?
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৫:৩২654759
  • শায়রের নাম নিধি মহেশ। সাকিন ব্যাঙ্গালোর।
  • b | 135.*.*.* | ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৫:৫৫654751
  • বিষ্টু দে-র প্রচ্ছন্ন স্বদেশ মনে পড়ে গেলো। টুকে দিন না কেউ, যেনার হাতের কাছে আছে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন