এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  সিনেমা

  • প্লুরিবাস

    শুচিস্মিতা
    সিনেমা | ১৬ জুন ২০২৬ | ৪৭৪ বার পঠিত
  • Apple Tv তে একটা শো এসেছে। নাম প্লুরিবাস। বানিয়েছেন ব্রেকিং ব্যাড খ্যাত ভিন্স গিলিগান। একটা বহির্জাগতিক ভাইরাসের সংক্রমণে পৃথিবীর সব মানুষের মধ্যে পরিবর্তন এসেছে। মাত্র ১৩ জন মানুষের ওপর এই ভাইরাসটা কাজ করেনি। বহির্বিশ্বের কোন প্রাণীর দ্বারা আক্রান্ত হওয়া এবং তাদের থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করা সায়েন্স ফিকশনের চেনা ছক। কিন্তু এই শোটি সেই চেনা ছক থেকে বেরিয়ে এল।

    ভাইরাসের সংক্রমণে আসা পরিবর্তনটা বেশ অদ্ভুত। পৃথিবীর সব মানুষ শুধু দেখতে আলাদা, কিন্তু তারা মানসিকভাবে সংযুক্ত। প্রতিটি মানুষ একই কথা ভাবে এবং তাদের মনন সারা পৃথিবীর এযাবৎ কালের সম্মিলিত প্রজ্ঞায় গড়ে উঠেছে। মানুষের মধ্যে আর কোনো প্রতিযোগিতা নেই। কেউ কাউকে বঞ্চিত করছে না। অপরাধ নেই। মানুষ মিথ্যা বলার ক্ষমতা হারিয়েছে। ব্যাক্তিগত মালিকানা বলে আর কিছু নেই। সবাই একসাথে কাজ করছে। একই খাবার খাচ্ছে। খাবার সংগ্রহে এরা কোনো রকম হিংসার আশ্রয় নেয় না। ঝরে পড়া ফল, শস্য এবং স্বাভাবিক ভাবে মৃত প্রাণী থেকে খাবার তৈরি হচ্ছে। জ্বালানি বাঁচানোর জন্য একটা বড় স্টেডিয়াম বা মলে সবাই এক সাথে ঘুমোচ্ছে। শো-তে এই একীভূত মানুষদের নাম দেওয়া হয়েছে "আদার্স"।

    যে ১৩ জন মানুষের ওপর ভাইরাসটা কাজ করল না তাদের মধ্যে প্রধান চরিত্রের নাম ক্যারল স্টুরকা - নিউ মেক্সিকোর বাসিন্দা। আদার্স অবশ্যই চাইছে বাকি ১৩জনকেও নিজের দলে নিয়ে আসতে। সেজন্য তারা সম্মিলিত গবেষণা করছে। কিন্তু যতদিন তারা সফল না হচ্ছে, বাকি ১৩ জনের প্রতি তাদের ব্যবহার অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ। এই ১৩ জন যখন যা চাইছে আদার্স তাদের সামনে হাজির করছে। এমনকি প্রধান চরিত্র ক্যারল আদার্সের প্রতি বিদ্বেষভাবাপন্ন হওয়া সত্ত্বেও তার প্রতি যত্নের কোনো অভাব দেখা যাচ্ছে না। উপরন্তু আদার্স যেহেতু মিথ্যা বলতে পারে না তাই সবাইকে একীভূত করার গবেষনা কোন পর্যায়ে আছে সেটাও তারা ক্যারলকে জানাচ্ছে।

    তেরো জনের মধ্যে কিছু মানুষ নিজে থেকেই আদার্স হতে আগ্রহী। কিছু মানুষ নিউট্রাল বলা চলে। যারা কোনোমতেই আদার্স হতে চায় না এবং সক্রিয়ভাবে তাদের রোখার চেষ্টা করছে তাদের মধ্যে আছে নিউ মেক্সিকোর ক্যারল এবং প্যারাগুয়ের মানুসস। কিন্তু এদের যখন দেখা হয় তখন অনিবার্য মানুষী দুর্বলতায় তারা নিজেদের মধ্যে ঝগড়াই বেশি করে একসাথে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলার পরিবর্তে। পারবে কি তারা আদার্সকে ঠেকাতে? - এই প্রশ্ন দিয়ে শেষ হয় প্লুরিবাসের প্রথম সিজন।

    সেই সাথে আরও কিছু প্রশ্ন আসে। মানুষের সভ্যতায় যা যা ভালো গুণ বলে চিহ্নিত তার সবকটিই আদার্সের আছে। তারা দয়ালু, মিথ্যা বলে না, স্বার্থ জানে না, সবার সাথে ভাগ করে পৃথিবীর সম্পদ ভোগ করে, এমনকি খাদ্যের জন্যও তারা পশুহত্যা করে না, গাছের ফল ঝরে পড়লে তবেই খায়, সারা পৃথিবীর সম্মিলিত প্রজ্ঞায় তারা জ্ঞানী। তাহলে অভাবটা কিসের? মানুষের নিজস্বতাকে কেন তার উপর জায়গা দিতে হবে যেখানে ক্ষণিকের ঔজ্বল্য, উৎকর্ষতার সাথে অনিবার্যভাবে আসবে লোভ, মোহ, মাৎসর্য, নিষ্ঠুরতা? সত্যিই কি এই খুঁতে ভরা মানুষী নিজস্বতা এতটাই দামী? প্রতিটি মানুষের জন্যই দামী?

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • হেঁয়ালি | ১৬ জুন ২০২৬ ২০:২০747719
  • ভিন্স গিলিগ্যানের ক্যামেরা এত স্লো যে একটা এপিসোডের বেশি দেখতে পারিনি। কলেজে পড়ার সময় প্রচুর সময় ছিল বলে ব্রেকিং ব্যাড দেখতে পেরেছিলাম। এখন হলে পারতাম না।
  • lcm | ১৬ জুন ২০২৬ ২০:৫২747720
  • চমৎকার লিখেছে শুচি ..
    গিলিগান এর তিনটে সিরিজই দেখেছি - ব্রেকিং ব্যাড, বেটার কল সল, প্লুরিবাস ... তিনটেই অসাধারণ ...
    প্লুরিবাস অদ্ভুত - আইডিয়াটাই যাকে বলে - ক্লাসিক সায়েন্স ফিকশন এর ডগমা ভেঙে এক অদ্ভুত জিনিস ... একটা রিভিউ এর শেষ লাইনে লিখেছে - The strangeness is the point, and the strangeness is worth savoring. ...
  • dc | ১৬ জুন ২০২৬ ২১:০৪747721
  • আমিও তিনটে সিরিজই দেখেছি, তার মধ্যে ব্রেকিং ব্যাড আমার সেরা মনে হয়েছে। প্লুরিবাস দেখেছি আগের বছর, যথেষ্ট ভালো, তবে আমার মতে বেশ বড়ো ইন্টারনাল ইনকন্সিসটেন্সি আছে (আগের বছর ভাটে বা কোন একটা টইতে লিখেছিলাম)। ভাইরাসে আক্রান্ত সবাই মিলে একটা হাইভমাইন্ড তৈরি করেছে, এতে কোন অসুবিধা নেই, কিন্তু সেই হাইভমাইন্ড অহিংসা করতে গিয়ে গাছের ফল বা শস্যও খাবে না, এটা ইল্লজিকাল। তার কারন ওরা তো এইচডিপি খাচ্ছে, যা কিনা প্রসেসড অ্যানিমাল প্রোটিন, তাহলে প্রসেসড ভেজি প্রোটিন খেতে অসুবিধা কোথায়?
     
    তবে প্লুরিবাস সংক্রান্ত একটা বড়ো ফ্যান থিওরি হলো এটায় ঠিক বর্গ অ্যাসিমিলেশান দেখায়নি, বরং এলেলেম এর অপকার দেখিয়েছে। তা হতে পারে।
  • Tim | ১৬ জুন ২০২৬ ২১:১৫747722
  • মৃত গাছের অংশ খাবে, জীবিত গাছের কিছুই কেড়ে খাবে না। এক হিসেবে খুব ইল্লজিকাল নয়। মানুষ স্পিশিসের মূল সমস্যাই হলো বাকি সবার থেকে কেড়ে নেওয়া, দরকার হলেই। তো সেই মগনলাল মার্কা ব্যাপারটার বিপরীতে একটা অবস্থান।
  • dc | ১৬ জুন ২০২৬ ২১:৪১747723
  • হ্যাঁ, কিন্তু মৃত গাছ প্রসেস করেও তো এন্তার প্রোটিন বানানো যায়! বিশেষ করে হাইভমাইন্ডে যেখানে সারা পৃথিবীর এগ্রি সায়েন্টিস্ট, নিউট্রিশানিস্ট ইত্যাদি আছে সেখানে ফার্ম টু ট্যাবলেট সাপ্লাই চেন বানানো তো কোন ব্যপারই না!
  • Tim | ১৬ জুন ২০২৬ ২১:৪৭747724
  • হ্যাঁ, সেটা তো ঠিকই।
  • ss | ১৬ জুন ২০২৬ ২২:৩৬747725
  • টিম্ভাই -- এবার ওয়ার্ল্ড কাপ দেখতে বসে পরিযয়ী তথা শরনার্থী পরিবার থেকে উঠে আসা খেলোয়াড়দের প্রাধান্য চোখে পড়ছে। তোমার লেখাটার নতুন সিজন হয় না?
  • Tim | ১৬ জুন ২০২৬ ২৩:৪৪747727
  • হয় তো। কিন্তু কিছুই হচ্ছে না এই আর কি। টই ডিরেল করবো না বলে ভাটে উত্তর দিচ্ছি
  • :|: | ১৭ জুন ২০২৬ ০৩:৫৩747731
  • দুর দুর! হচ্ছে একটি আদর্শের কথা সেখানে এসে গেলো ভ্যাজ ননভ্যাজ অফ খাওয়াদাওয়া! বুঝছেননা কেন আদার্সরা ভালো লোক; ওরা আমাদের মতো খাই খাই করেনা। খাওয়া নিয়ে ​​​​​​​সমস্যা ​​​​​​​না।
    সমস্যা গল্পটার ভিতেই একটু গোলমাল থেকে গেছে। ভাইরাস হলো গিয়ে একটা বাইরের জিনিস। সাধারণত নেগেটিভ অর্থে ব্যবহৃত। সততা একটি শুভ ব্যাপার যেটি মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তি। নেগেটিভ থেকে শুভত্বের জন্ম অসম্ভব।
  • Ranjan Roy | ২৯ জুন ২০২৬ ২২:৪৪747858
  • কিন্তু নেগেটিভ বা পজিটিভ তো দেখার প্রেক্ষিত নির্ভর। স্থান-কাল নির্ভর।
    সমস্ত অ্যাট্রিবিউটই তাই।
     
    ধরুণ, নেপালের মাওবাদী। আগে ছিল টেররিস্ট লিস্টে নাম। যেই ইলেকশন জিতে ক্ষমতায় এল অমনই সেখান থেকে নাম মুছে গেল। মেইনস্ট্রিমে জাতে উঠল। অথবা বামিয়ানের বুদ্ধভাঙা তালিবান। এখন আমাদের মিত্র দেশ, সংস্কৃতিবান।
  • :|: | ২৯ জুন ২০২৬ ২৩:৩১747863
  • নেপাল বা আফগানিস্তান, ঘটনাচক্রে, কোনওটিই এখনও অবধি মানুষের অন্তর্নিহিত শুভ শক্তির প্রতিনিধিত্ব করে না বলেই মনে হয়।
  • Ranjan Roy | ৩০ জুন ২০২৬ ১০:৪৫747868
  • সেটা ঠিক।
    আমি বলতে চাইছি "ভালমন্দ /শুভ অশুভ'" লেবেল রিলেটিভ। অনেক বিষ কখনও কখনও প্রাণ বাঁচায়।
    তেমনি ভাইরাস বলেই কি নেগেটিভ ধরে নেবেন? কোন পজিটিভ ভাইরাস কি হয় না?
     
    আমি সত্যি জানি না। কৌতুহল মাত্র। জানার ইচ্ছে আছে। তাই বললাম।
  • X | ৩০ জুন ২০২৬ ২১:৪২747871
  • প্লুরিবাস একটাই এপিসোড দেখে উঠতে পেরেছি - টাইম এর অভাব- বেশ একটু স্লো মুভিং লাগলো। বরং ফাউন্ডেশন প্রথম সিজন শেষ। কারো অ‍্যানিমে পছন্দ হলে the classroom of the elite দেখতে পারেন - স্কুল কেমন হতে পারে - শুধু যে পড়াশোনা নয়- সেটা দারুণ লাগলো। apple tv তে slow horses ও ভালো- ব্রিটিশ শো গুলো মন্দ লাগে না আজকাল
  • syandi | ০১ জুলাই ২০২৬ ০০:২৮747877
  • @Ranjan Roy | ৩০ জুন ২০২৬ ১০:৪৫,
    রঞ্জনদা,
    'পজিটিভ' -এর অর্থ যদি উপকারী হয় তাহলে সত্যি সত্যিই পজিটিভ ভাইরাস আছে। ব্যাকটিরিওফাজ বা ফাজ ভাইরাস বলে একটা ভাইরাস আছে যেটা ব্যাকটিরিয়া ধ্বংস করে। ফাজ ভাইরাস ব্যবহার করে বোধ হয় ব্যাকটিরিয়াজনিত রোগ বা ইনফেকশান-এর ট্রিটমেন্টও করা হত পোল্যাণ্ড, রাশিয়া, জর্জিয়ার মত দেশে বা এখনও হয়ত হয়। অর্থাৎ এক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করে ফাজ ভাইরাস দিয়ে রোগ সারানো হয়। গুরুর রেসিডেন্ট ডাক্তার বা বায়োলজিস্টরা বিশদে বলতে পারবেন।
  • r2h | ০১ জুলাই ২০২৬ ০০:৩৬747878
    • :|: | ১৭ জুন ২০২৬ ০৩:৫৩
    • ...ভাইরাস হলো গিয়ে একটা বাইরের জিনিস। সাধারণত নেগেটিভ অর্থে ব্যবহৃত। সততা একটি শুভ ব্যাপার যেটি মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তি। ...
     
    তা কেন। ধরুন অনিয়ন্ত্রিত উদ্বেগ বা আবেগ - এইসব জিনিস ওষুধ দিয়ে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সবার সঙ্গে মিলেমিশে সহনশীল মিলিত লক্ষ্যের দিকে চলাকে যদি স্যানিটি ধরা যায়- তাহলে অসুবিধে কী?
  • r2h | ০১ জুলাই ২০২৬ ০০:৩৯747879
  • আপনার মনে হল পাশের বাড়ির হতভাগা নিশ্চয় আমার সীমানা দখল করবে, অগ্রিম একটা লগুড় কিনে রাখি। এমন সময় এক স্যাঙাৎ এসে দু ছিলিম মহাপ্রসাদ অফার করলো- মৌতাত শেষে মনে হল কী হবা জমিজমা নিয়ে, কী সুন্দর ফুরফুরে মলয় পবন।

    তো এক্সটার্নাল জিনিস দিয়ে শুভবুদ্ধির উদয় হল কিনা?
  • kk | ০১ জুলাই ২০২৬ ০৭:০৩747882
  • রঞ্জনদা,
    'পজিটিভ ভাইরাস' তো অনেকই হয়। স্যান্ডি যেমন বলেছেন, ব্যাক্টেরিওফেজ বা ফেজ ভাইরাস (আরেক উচ্চারণ ফাজ) দিয়ে অসুখ বিসুখ সারানো তো হয়ই, যেমন ধরুন জিন থেরাপি। এছাড়াও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এ এদের ইউজ করে অনেক ভালো কাজ হয়। যেমন রাসায়নিক কীটনাশকের বদলে মাইক্রোবিয়াল কীটনাশক বানানো, ফসলের নাইট্রোজেন ফিক্স করার ক্ষমতা বাড়ানো, তাদের ওয়েদার রেসিস্ট্যান্ট হতে সাহায্য করা। কৃষিবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এদের ইউজ প্রচুর। ক্লিনিক্যাল ফিল্ডেও আছে, তবে সেগুলো নিয়ে আমি অত জানিনা। আমি মাটির ব্যাক্টেরিওফেজ নিয়ে কাজ করতাম তাই এই নিয়ে কথা উঠলো দেখে এতগুলো লাইন লিখে গেলাম। প্লুরিবাস দেখিনি, এই টইয়ে কী আর লিখতাম! আলোচনাটা পড়তে অবশ্য ইন্টারেস্টিং লাগছে।
  • dc | ০১ জুলাই ২০২৬ ০৯:৫০747883
  • X, সময় পেলে প্লুরিবাস দেখতে পারেন। প্রথমে একটু স্লো হলেও, আস্তে আস্তে ভালো লেগে যেতে পারে।
     
    আসলে আমার প্লুরিবাস এর এই প্রশ্নটা ভালো লেগেছেঃ এদ্দিন আমরা হাইভ মাইন্ডকে এক্সটার্নাল বা এলিএন এন্টিটি হিসেবে দেখে এসেছি, যেমন বর্গ বা ফাউন্ডেশান সিরিজের গাইয়া। প্লুরিবাস এ প্রশ্ন করছে, আমরা নিজেরাই যদি একটা হাইভ মাইন্ডে পরিনত হই তো আমাদের চিন্তা ভাবনা, সোসাইটি ইত্যাদির কি হবে। (হয়তো ইন্টারনেট বা গ্লোবাল কালচারাল প্রোপাগেশান ইতিমধ্যেই আমাদের মধ্যে গ্রুপ থিংক অনেকটা জনপ্রিয় করে তুলেছে, আগে হয়তো হিউম্যান সোসাইটি অনেক বেশী ফ্র‌্যাগমেন্টেড বা ইন্ডিভিজুয়াল ছিলো)।
     
    তবে এই এলিয়েন ট্রান্সমিশান যা আসলে ভাইরাস, এটা নতুন কিছু না, আরও অনেক গল্পে পড়েছি। যেমন অল্টার্ড কার্বন সিরিজের নিডলকাস্ট।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন