এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা   ইতিহাস

  • রামকৃষ্ণ ও ব্রহ্মানন্দের দৃষ্টিতে নারী 

    দীপ
    আলোচনা | ইতিহাস | ২৮ মে ২০২৬ | ৪৩৬ বার পঠিত
  • তথ্যনিষ্ঠ আলোচনায় রামকৃষ্ণ ও ব্রহ্মানন্দের দৃষ্টিতে নারী।
    -------------------------------------------------------------------
     
    রামকৃষ্ণ—"তোমরা উপবাস করে এসেছ কেন ? খেয়ে আসতে হয়।
    মেয়েরা আমার মার এক একটি রূপ কি না ; তাই তাদের কষ্ট আমি দেখতে পারি না ; জগন্মাতার এক একটি রূপ। খেয়ে আসবে, আনন্দে থাকবে।”
     
    এই বলিয়া শ্ৰীযুক্ত রামলালকে বধূদের বসাইয়া জল খাওয়াইতে আদেশ করিলেন। ফলহারিণী পূজার প্রসাদ, লুচি, নানাবিধ ফল, গ্লাশ ভরিয়া চিনির পানা ও মিষ্টান্নাদি তাঁহারা পাইলেন। ঠাকুর বলিলেন, “তোমরা কিছু খেলে, এখন আমার মনটা শীতল হলো ; আমি মেয়েদের উপবাসী দেখতে পারি না।”
     
    -রামকৃষ্ণ কথামৃত
     
    আজ স্বামী ব্রহ্মানন্দ— শ্রীরামকৃষ্ণদেবের মানসপুত্র, সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী, সর্বপূজ্য, সর্বমান্য মহারাজ কী আকুল আগ্রহে, কী অকৃত্রিম স্নেহে, কী অপ্রত্যাশিত যত্নে আমাকে আপনার করিয়া লইলেন! ... মনে হইল— এই কি বাপের স্নেহ, না এ তার চেয়েও বেশি আর কিছু? চোখের জল রাখিতে পারিলাম না— সারা জীবনের আক্ষেপ যেন অশ্রুধারার সঙ্গে সঙ্গে গলিয়া মাটিতে পড়িতে লাগিল! মনে হইল, এই তো জুড়াবার স্থান, এই তো এমন একজন দরদি আছেন— যাঁর কাছে আমি পতিতা নই, অস্পৃশ্যা নই, ঘৃণিতা নই। মহারাজের মেয়ে আমি। স্নেহপূর্ণ করুণাস্বরে মহারাজ বলিলেন, “ঠাকুরকে ডাকো মা, কোনো ভয় নেই— তিনি তো এই জন্যই এসেছিলেন— নাম করো— প্রথমটা দু-দিন একটু কষ্ট হবে, তারপর ঠাকুরই সব ঠিক করে দেবেন— কোনো ভয় নেই মা, কোনো ভয় নেই। দেখবে— বড় আনন্দ হবে, বড় মজা হবে।"
    -তারাসুন্দরী দেবী ( তৎকালীন প্রখ্যাত অভিনেত্রী)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ঋতব্রত ঘোষ | ৩১ মে ২০২৬ ১৪:১৪747620
  • ভালো লাগল। আলোচনা দীর্ঘায়িত হলে আরও ভালো লাগত।
  • দীপ | ২৯ জুন ২০২৬ ১৩:০৫747846
  • "গেরুয়া বসন, মাথা মুণ্ডিত। এঁরা সন্ন্যাসিনী। সারদা মঠের এই দৃশ্যের মধ্যে একটা ঐতিহাসিক বৈপরীত্য আছে যা ভারতীয় সন্ন্যাস-ঐতিহ্যের হাজার বছরের ধারায় প্রায় অকল্পনীয় ছিল। শংকরাচার্যের অদ্বৈত পরম্পরায় নারীর পক্ষে পূর্ণ সন্ন্যাস গ্রহণের কোনো স্বীকৃত পথ ছিল না। মনুস্মৃতি থেকে মধ্যযুগের টীকাশাস্ত্র সর্বত্র নারীর মোক্ষের প্রশ্নটা হয় এড়ানো হয়েছে, নয়তো পরজন্মের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। রামকৃষ্ণ সারদা মঠ সেই শূন্যস্থানে দাঁড়িয়ে আছে এবং প্রতিদিন সেই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে।

    কিন্তু যে বিষয়টা সবচেয়ে কম আলোচিত সেটা হলো এই মঠের আধ্যাত্মিক কাঠামোর ভেতরকার এক অদ্ভুত বৃত্তাকার যুক্তি। এই সন্ন্যাসিনীরা যাঁর প্রতিকৃতির সামনে ফুল দিচ্ছেন তিনি শ্রীসারদাদেবী। তাঁর জীবনদর্শন না থাকলে এই নারীদের সন্ন্যাসিনী হওয়ার প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগটাই তৈরি হতো না। অর্থাৎ, উপাসিকারা আজ তাঁকেই পুজো করছেন যিনি তাঁদের এই উপাসনার অধিকার দিয়েছেন। ভারতের সন্ন্যাস-ইতিহাসে এরকম আত্মসম্পূর্ণ একটি বৃত্ত আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই।

    সারদাদেবী নিজে কখনো প্রাতিষ্ঠানিক সন্ন্যাস নেননি। তবু তাঁর জীবনযাপনের ভেতরে যে বৈরাগ্য ছিল সেটা পরবর্তী প্রজন্মের নারীদের জন্য একটা অলিখিত সনদ হয়ে গেল। ১৯৫৪ সালে রামকৃষ্ণ সারদা মঠ আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেয়েছে কিন্তু বীজটা বোনা হয়েছিল আরো অনেক আগে, যখন একজন নারী জয়রামবাটির সংসারে বসে বলেছিলেন, "সবাই আমার আপনার জন।"

    শ্বেত মার্বেল, ফুলের স্তবক, গেরুয়ার আভা। এই ছবিতে একটা শতাব্দীর জিজ্ঞাসার উত্তর প্রতিদিন লেখা হচ্ছে।"
     
    প্রত্যক্ষদর্শীর চোখে সারদা মঠ।
  • Bratin Das | ২৯ জুন ২০২৬ ১৬:৪৪747847
  • সারদা মঠ নিয়েও আলোচনা হোক
  • :|: | ২৯ জুন ২০২৬ ১৭:৫২747848
  • তেরোটা পাঁচের পোস্টে "কিন্তু যে বিষয়টা ... বলে আমার জানা নেই।"
    এই পুরো প্যারাটিই ভুলভাল। শ্রীমাকে কেন্দ্র করে মেয়েদের মঠ হবে এবং সেখানে সন্ন্যাসিনী মেয়েরা স্বয়ংসম্পূর্ন ভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠান নিজেরাই পরিচালনা করবেন -- এই স্বপ্ন দেখা এবং এক্সিকিউশনের পথ দেখানোর কৃতিত্ত্ব পুরোটাই স্বামী বিবেকানন্দের। সেইজন্য আজও শ্রীসারদামঠের ব্রহ্মচর্য এবং সন্ন্যাসদীক্ষার অনুষ্ঠান স্বামীজীর জন্মতিথিতেই অনুষ্ঠিত হয়।
     
    না জেনে যেখান সেখান থেকে হাবাজবা কপিপেস্ট করার অভ্যাসটা এবার ছাড়লে ভালো। বয়েসও তো হলো নাকি?
  • দীপ | ২৯ জুন ২০২৬ ১৮:৪৩747849
  • ব্রহ্মচর্য বিবেকানন্দের জন্মতিথিতে, সন্ন্যাস সারদা দেবীর জন্মতিথিতে।
    অনর্থক জ্ঞানদান কমালে ভালো হয়!
     
    আর লেখার মধ্যে তো কোনো ভুল নেই। সারদামঠ সারদাদেবীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। নারীকে কেন্দ্র করে এই সন্ন্যাসিনী সঙ্ঘ।
    সেজন্যই আধুনিক ভারতে এ এক অসামান্য ঘটনা।
    বিবেকানন্দ অবশ্যই চেয়েছিলেন; কিন্তু বিবেকানন্দের জীবদ্দশায় এই ঘটনা ঘটেনি। হয়েছিল ১৯৫৪ সালে, বিবেকানন্দ প্রয়াত হবার পঞ্চাশ বছর পরে।
    একটু জেনেশুনে কথা বললেই ভালো।
  • :|: | ২৯ জুন ২০২৬ ২০:০৮747850
  • স্বামীশিষ্য সংবাদ পড়ুন।
    আর সন্ন্যাসের ব্যাপারটাও নিজে খোঁজ নিন। পরের ফেসের ঝাল নিজের বুকে টানবেননা।
    আর যে যুক্তিতে ১৯৫৪-তে উদ্বোধনের জন্য বিবেকানন্দকে অস্বীকার করছেন ঠিক সেই যুক্তিতেই সারদাদেবীও সেসময় ছিলেননা বলে ওনাকে অস্বীকার করা যায়।
  • দীপ | ২৯ জুন ২০২৬ ২০:৩২747851
  • আপনিও বাতেলা না মেরে খোঁজ নিন।
     
    আপনি একাই স্বামীশিষ্য সংবাদ পড়েছেন বুঝি?
     
    বিবেকানন্দ চেয়েছেন, অবশ্যই। কিন্তু সেই ইচ্ছা বাস্তবায়িত হয়েছে তাঁর প্রয়াণের পঞ্চাশ বছর পরে।
    সুস্থ আলোচনা নষ্ট না করাই ভালো!
  • দীপ | ২৯ জুন ২০২৬ ২০:৪১747852
  • "On the 1st January 1959 on the birthday of Holy Mother Sri Sarada Devi, eight senior members of Sri Sarada Math were invested with Sannyasa by Swami Sankarananda. This was a preliminary step to the formation of an independent women’s organisation."
  • :|: | ২৯ জুন ২০২৬ ২১:২৪747853
  • এই বললেন ১৯৫৪ (২০:০৮) এই বলছেন ১৯৫৯ (২০:৪১) একটু মাথা ঠান্ডা করে লিখুন!
  • ar | ২৯ জুন ২০২৬ ২১:২৮747854
  • সারদা দেবীর জন্মদিন ২২শে ডিসেম্বর, ১লা জানুয়ারী নয়। ১লা জানুয়ারী করার অন্যতম কারণ হয়ত ঐ দিন মিশনে, বিশেষত কাশীপুর উদ্যানবাটীতে কল্পতরু উৎসব (দিবস) পালন করা হয়। এই কল্পতরু দিবস মিশনের ক্যালেন্ডারে একটি বিশেষ দিন!!
  • দীপ | ২৯ জুন ২০২৬ ২১:৫১747855
  • ১৯৫৪ সালে ব্রহ্মচর্য হয়, ১৯৫৯ সালে সন্ন্যাস।
    সেবার সারদাদেবীর জন্মতিথি ১লা জানুয়ারি পড়েছিলো।
    মিশন তিথি অনুযায়ী উৎসব পালন করে।
    এটি লেখা অবশ্যই ভুল হয়েছে।
     
    প্রথম পাঁচ বছর রামকৃষ্ণ মিশন সারদা মঠকে নানারকম সাহায্য করে; এরপর সব দায়িত্ব সারদা মঠের হাতে তুলে দেয়। সারদা মঠের অছিরা সারদা মঠের নীতি ও কার্যাবলীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
  • দীপ | ২৯ জুন ২০২৬ ২১:৫২747856
  • "এই বললেন ১৯৫৪ (২০:০৮) এই বলছেন ১৯৫৯ (২০:৪১) একটু মাথা ঠান্ডা করে লিখুন!"
     
    আপনার সুস্থ আলোচনায় আগ্রহ নেই!
  • দীপ | ২৯ জুন ২০২৬ ২২:২৫747857
  • একটু ব‌ইপত্র ঘাঁটলে সব তথ্য পেয়ে যেতেন।
    সারদা মঠের ওয়েবসাইট দেখতেও পারেন!
  • :|: | ২৯ জুন ২০২৬ ২২:৫৩747859
  • ১৮:৪৩ -- ব্রহ্মচর্য এবং সন্ন্যাসের তিথিটি দেখলেন? রেফারেন্স?
  • দীপ | ২৯ জুন ২০২৬ ২৩:২৬747860
  • সারদা মঠে ফোন করে জেনে নিন।
    রেফারেন্স পেয়ে যাবেন।
  • :|: | ২৯ জুন ২০২৬ ২৩:২৮747861
  • আহা আপনি বলেছেন তাই প্রমান করার দায়িত্ব আপনার। নইলে ২১:৫১-র মতো বলে দিন "এটি লেখা অবশ্যই ভুল হয়েছে।" কোনও সমস্যা নাই।
  • দীপ | ২৯ জুন ২০২৬ ২৩:৩০747862
  • জন্মতিথিকে জন্মদিন লেখা হয়েছে।
    এটুকুই ভুল।
    আপনি ফোন করে জেনে নিন।
  • :|: | ২৯ জুন ২০২৬ ২৩:৩৪747864
  • ওটা প্রমানের দায় আপনার। আমার ফোনে ওই ইনফরমেশনই আসছে -- দুটি অনুষ্ঠানই একই দিনে হয়।
  • দীপ | ২৯ জুন ২০২৬ ২৩:৪০747865
  • সেজন্যই তো সোর্স বলে দিলাম।
    বাংলাভাষা বোঝেননা?
  • দীপ | ৩০ জুন ২০২৬ ১৭:৫৭747869
  • সুস্থ আলোচনা নষ্ট না করলে কোনো কোনো ব্যক্তির পেটের ভাত হজম হয়না!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন