বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এস আই আর প্রক্রিয়া ঘিরে সাম্প্রতিক যে বিতর্ক, তা আপাতদৃষ্টিতে ভোটার তালিকার নির্ভুলতা, নাগরিকত্বের নথি ও প্রশাসনিক ক্ষমতার সীমা নিয়ে। দৈনিক সংবাদপত্রের পাতায় এই বিতর্ক প্রতিদিন নতুন ভাষা পাচ্ছে—কখনও আশঙ্কা, কখনও আশ্বাস, কখনও আইনি যুক্তি, কখনও রাজনৈতিক পাল্টা অভিযোগ। কিন্তু এই কোলাহলের মধ্যেই একটি মৌলিক প্রশ্ন প্রায় অদৃশ্য থেকে যাচ্ছে। নির্বাচন ব্যবস্থাকে আমরা কি কেবল একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছি, নাকি তাকে একটি গভীর সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মতো বোঝার চেষ্টা করছি? সংবাদমাধ্যম, সংসদীয় বিতর্ক এবং সামাজিক পরিসরে এস এই আর প্রক্রিয়াকে ঘিরে প্রবল উদ্বেগ ও উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এই আলোচনার সীমা লক্ষণীয়ভাবে সংকীর্ণ: এখানে মূলত একটি ... ...
অপরাজিত মুক্তিপ্রাপ্তির সময় চলেনি। পরবর্তীতে ভেনিসে গোল্ডেন লিও জেতার পর আবার একবার মুক্তি পায় যতদূর শোনা যায়, তাও চলেনি। এখন এই চলা আর না চলার অচলায়তন থেকে চলচিত্রের মুক্তি নেই বলেই বোধহয় এই প্রসঙ্গ দিয়ে প্রবন্ধ শুরু করতে হল, তবে শিল্পমাধ্যম হিসেবে সিনেমা যে এদেশে মুক্তি লাভ করেছিল তার কান্ডারী শ্রী সত্যজিৎ রায়। এ আমরা জানি কেবল নয়, প্রায় উপপাদ্যের স্বতঃ সিদ্ধ। এখন প্রশ্ন ওঠে শুধুই কি আমরা বিশেষত: এই প্রজন্ম এটাই জানব যে তিনি একজন মহামানব কিংবা এক অসীম প্রজ্ঞার অধিকারী যা একাধিক শাখায় পল্লবিত! নাকি নন্দলাল বসুর সুযোগ্য ছাত্রটির শিল্পসুষমার ভেতর প্রবেশ করার অসামান্য সাহস আমরা দেখাব! আপাতত: ... ...