এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বাঙালির খাওয়াদাওয়া

    Rajat Das লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৪ জুলাই ২০২৬ | ১৪১ বার পঠিত
  • বাঙালির জীবনে দুটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—এক, খাওয়া; দুই, খাওয়ার পর আবার কী খাওয়া হবে তা নিয়ে আলোচনা। পৃথিবীর অনেক জাতি বেঁচে থাকার জন্য খায়, কিন্তু বাঙালি খাওয়ার জন্যই যেন বেঁচে থাকে!

    সকালে ঘুম থেকে উঠেই বাঙালির প্রথম চিন্তা, “চা হয়েছে?” চা হাতে পেলেই দ্বিতীয় প্রশ্ন, “আজ জলখাবারে কী?” লুচি-আলুর দম হলে মুখে হাসি, আর ওটস বা কর্নফ্লেক্স দেখলে মনে হয় যেন জীবনের সব আনন্দ এক মুহূর্তে শেষ হয়ে গেল।

    বাঙালির বাড়িতে অতিথি এলে বিপদ। অতিথি যতই বলুন, “না না, কিছু লাগবে না”, গৃহকর্ত্রী ততই দৃঢ়স্বরে বলবেন, “ওসব হবে না, একটু মুখে দিতেই হবে।” সেই ‘একটু’ বলতে সাধারণত চার-পাঁচ রকমের মিষ্টি, মাছের ঝোল, মাংস, চাটনি এবং শেষে দই বোঝায়। অতিথি যখন হাঁফাতে হাঁফাতে বলেন, “আর পারছি না”, তখন উত্তর আসে, “এই তো না... কিছুই খেলেন না!”

    মাছ বাঙালির আবেগ। ইলিশের মরসুম এলে সংবাদপত্র, টেলিভিশন, বাজার—সব জায়গায় একটাই আলোচনা। মনে হয় না যেন মাছ এসেছে, মনে হয় কোনো আন্তর্জাতিক সম্মেলন বসেছে। আবার চিংড়িপ্রেমীরাও কম যান না। তাদের মতে, চিংড়ি মাছ নয়। সে এক যেন শিল্পকর্ম। যা পাতে পাতে সেজে ওঠে মালাইকারি রূপে। চিংড়ি যাতেই দাও তার স্বাদ বাড়িয়ে আকাশ ছুঁইয়ে দেবে।

    বিয়েবাড়িতে বাঙালির আসল প্রতিভা প্রকাশ পায়। নিমন্ত্রণপত্র হাতে পাওয়ার পর থেকেই মেনু নিয়ে গবেষণা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে গিয়ে কেউ কনের গয়না দেখেন, কেউ সাজসজ্জা দেখেন। কিন্তু অধিকাংশ বাঙালির চোখ থাকে ক্যাটারারের দিকে। “মাটনটা কেমন হয়েছে?”, “ফিশ ফ্রাই কয় পিস দিচ্ছে?”, "লুচি না ভাত?”, "ক'রকম মিষ্টি করেছে? পান্তুয়া আছে তো?" "কি আইসক্রিম হয়েছে?" ইত্যাদি ইত্যাদি—এসবই প্রধান আলোচ্য বিষয়।

    আর মিষ্টি? বাঙালির কাছে মিষ্টি হলো ভোজনের পূর্ণচ্ছেদ। রসগোল্লা, সন্দেশ, মিষ্টি দই—এসব ছাড়া খাবার শেষ হয়েছে বলে মনে হয় না। ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পরেও অনেকে বলেন, “ডাক্তার মিষ্টি খেতে বারণ করেছেন, তবে একটা ছোট রসগোল্লা খেলে কিছু হবে না!” সেই ‘একটা’ যে কবে তিনটে হয়ে যায়, তা কেউ টের পায় না।

    তবে বাঙালির খাওয়ার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো—খাওয়ার সময় খাওয়া নিয়ে আলোচনা, আর খাওয়া শেষ হলে পরের খাওয়ার পরিকল্পনা। তাই বলা যায়, বাঙালির ইতিহাস, ভূগোল, সাহিত্য—সবকিছুর মাঝখানে কোথাও না কোথাও একটা গরম ভাত, মাছের ঝোল আর মিষ্টির প্লেট নিশ্চয়ই লুকিয়ে আছে।

    শেষ কথা, বাঙালিকে যদি সত্যিই খুশি করতে চান, তাহলে বড় বড় বক্তৃতা নয়—এক প্লেট ভালো খাবার সামনে রাখুন। তারপর দেখুন, কীভাবে তার মুখে ফুটে ওঠে সেই চির চেনা তৃপ্তির হাসি!

    বাঙালির খাওয়াদাওয়া — এক শিব্রামীয় পর্যবেক্ষণ
    বাঙালির দুটি প্রধান অঙ্গ আছে—একটি মুখ। অন্যটি পেট। মাঝখানে যে শরীরটা রয়েছে, সেটি মূলত এই দুটির যোগাযোগ রক্ষার জন্যই ঈশ্বর তৈরি করেছেন।
    আমি ছোটবেলা থেকেই লক্ষ্য করেছি, বাঙালি খেতে বসার আগে খাবার নিয়ে আলোচনা করে। খাওয়ার সময় খাবার নিয়ে সমালোচনা করে। আর খাওয়ার পরে পরের বেলার খাবার নিয়ে পরিকল্পনা করে। অর্থাৎ খাওয়া যতক্ষণ না হচ্ছে, ততক্ষণ খাওয়ার চিন্তা; আর খাওয়া হয়ে গেলে খাওয়ার স্মৃতি।
    একবার এক বাঙালি ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করলাম, “আপনার শখ কী?”
    তিনি বললেন, “খাওয়া।”
    আমি বললাম, “আপনার পেশা?”
    তিনি একটু ভেবে বললেন, “ওটাও মোটামুটি খাওয়াই। একটি অফিসে চাকরি করি, যাতে খেতে পারি।”
    বাঙালির সঙ্গে মাছের সম্পর্ক খুবই নিবিড়। অনেকের ধারণা, ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্বে কোথাও একটা ধাপ বাদ পড়েছে। বাঁদর থেকে মানুষ নয়, বাঙালির ক্ষেত্রে মাছ থেকে মানুষ হয়েছে। নইলে মাছ দেখলে এত আবেগ আসে কী করে?
    বিশেষত ইলিশ। ইলিশের প্রতি বাঙালির শ্রদ্ধা এমন যে, তাকে মাছ বলা অন্যায়। ইলিশ একটি অনুভূতি। বাড়িতে ইলিশ এলে তার জন্য আলাদা অভ্যর্থনা হওয়া উচিত।

    আমার তো মনে হয়, অনেক বাঙালি আত্মীয়স্বজনের চেয়েও ইলিশকে বেশি ভালোবাসে। আত্মীয় এলে জিজ্ঞেস করে, “কতদিন থাকবে?” আর ইলিশ এলে বলে, “আর একটু নেব?”
    মিষ্টির ক্ষেত্রেও বাঙালির আত্মসংযম বিস্ময়কর। চারটে রসগোল্লা খাওয়ার পর সে ঘোষণা করে, “না না, আর পারব না।” তারপর সৌজন্যবশত আরও দুটো খেয়ে নেয়। কারণ, মিষ্টি নষ্ট করা পাপ।
    বিয়েবাড়িতে বাঙালির প্রকৃত চরিত্র প্রকাশ পায়। কনে কে, বর কে, তাদের পরিচয় কী—এসব গৌণ বিষয়। প্রধান প্রশ্ন হলো, ফিশ ফ্রাই কয় পিস? মাটনটা কেমন? আইসক্রিম আছে তো?
    অনেককে দেখেছি, বিয়ে থেকে ফিরে বলছেন, “ছেলেটা কী করে জানি না, তবে চিংড়ির মালাইকারিটা জাস্ট ফাটাফাটি ছিল।”
    খাবার নিয়ে বাঙালির স্মৃতিশক্তিও প্রবল। স্কুলের ইতিহাসের শিক্ষক যতই চেষ্টা করুন, পলাশীর যুদ্ধের সাল অনেকেই ভুলে যেতে পারে। কিন্তু ১৯৯৮ সালের এক আত্মীয়ের বিয়েতে পরিবেশিত কাশ্মীরি আলুর দমের স্বাদ আজও মনে আছে।
    আর বাঙালির রান্নাঘরে আলুর স্থান তো প্রায় মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর মতো। মাছে আলু, মাংসে আলু, ডিমে আলু, শুধু চায়ে আলু দেওয়া এখনও শুরু হয়নি। তবে সময় বড়ই শক্তিশালী জিনিস—ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কিছু বলা যায় না।

    সবশেষে বলি, পৃথিবীর বিভিন্ন জাতি নানা কারণে বিখ্যাত কেউ শিল্পে, কেউ বিজ্ঞানে, কেউ বাণিজ্যে। বাঙালিও এসব ক্ষেত্রে কিছু কম নয়, কিন্তু খাওয়াদাওয়ার প্রতি তার নিষ্ঠা একেবারেই অনন্য। তাই যদি কখনও কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা হয়—‘বিশ্ব খাদ্যচিন্তা অলিম্পিক’—তবে বাঙালির সোনার পদক প্রায় নিশ্চিত।
    কারণ বাঙালি শুধু খায় না, খাওয়াকে ভালোবাসে; শুধু ভালোবাসে না, তাকে নিয়ে আলোচনা করে; আর শুধু আলোচনা করে না, সেই আলোচনা করতে করতেই আবার খেতে বসে যায়।

    "এসো বসি আহারে"
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অরিন | ২৫ জুলাই ২০২৬ ০৯:২২741948
  • "সবশেষে বলি, পৃথিবীর বিভিন্ন জাতি নানা কারণে বিখ্যাত কেউ শিল্পে, কেউ বিজ্ঞানে, কেউ বাণিজ্যে। বাঙালিও এসব ক্ষেত্রে কিছু কম নয়, কিন্তু খাওয়াদাওয়ার প্রতি তার নিষ্ঠা একেবারেই অনন্য। তাই যদি কখনও কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা হয়—‘বিশ্ব খাদ্যচিন্তা অলিম্পিক’—তবে বাঙালির সোনার পদক প্রায় নিশ্চিত।
    কারণ বাঙালি শুধু খায় না, খাওয়াকে ভালোবাসে; শুধু ভালোবাসে না, তাকে নিয়ে আলোচনা করে; আর শুধু আলোচনা করে না, সেই আলোচনা করতে করতেই আবার খেতে বসে যায়।"
     
    বাঙালী বলে নয, তামাম ভারতবর্ষেই খাওয়া দাওয়া নিয়ে ভালবাসা রয়েছে। ষষ্ঠ শতাব্দীতে চরক সংহিতা, ১১২৯ এ মানসোল্লাস, ১৫০০ সালে নিমতনামা (আমি এই নিয়ে লিখেওছিলাম, https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=33984 ), আইন ই আকবরীতে আবুল ফজলের কিছু রেসিপি, সপ্তদশ শতকে জাহাঙ্গিরের আলওয়ান এ নেমত (অসাধারণ সব রেসিপির সমাহার), তারপর শাহজাহানের সময়কার নুকশা - এ - শাহাজাহানী, যেখান থেকে দমে বসিয়ে রান্নার অজস্র রেসিপি এসেছে, কাজেই শুধুই বাঙালী নয়, অন্য জাতের মধ্যেও খাবার দাবার নিয়ে বিস্তর ব্যাপার স্যাপার আছে। এখন আধুনিক কালে বাঙালীর খানাপিনার প্রতি অবসেশন কিছুটা স্বাভাবিক বলতেই হবে, কারণ আধুনিক ভারতের প্রথম কুকবুক বাঙালীর হাত ধরেই প্রকাশিত হয়েছে বিপ্রদাস মুখোপাধ্যাযের পাক প্রণালী, সেও Europe এর প্রথম কুকবুক প্রকাশনার আগেই এসেছে।
    তবে বিশ্ব খাদ্যচিন্তা অলিমপিকে বাঙালির সোনার মেডেলের ব্যাপার বলতে পারব না, কারণ অবশিষ্ট পৃথিবীতে ও বাকী ভারতে খাবার নিয়ে যে ধরণের পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে, তাতে বাঙালী বেশ পিছিয়ে আছে।
  • kk | ২৫ জুলাই ২০২৬ ১৯:০১741950
  • "লুচি-আলুর দম হলে মুখে হাসি, আর ওটস বা কর্নফ্লেক্স দেখলে মনে হয় যেন জীবনের সব আনন্দ এক মুহূর্তে শেষ হয়ে গেল"
     
    এই রে, আমার আবার ব্রেকফাস্টে সবথেকে প্রিয় খাবারই হলো ওট। আমন্ড মিল্ক, ফলের টুকরো, আখরোট কুচি আর এক ঝলক দারচিনির গুঁড়ো দিয়ে। পছন্দের রকমফের আর কী। যাই হোক, খাওয়াদাওয়ার আলোচনা তো আমার সবথেকে পছন্দের বিষয়! এই নিয়ে লিখেছেন খুব ভালো করেছেন।
    খাবারদাবার নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষায় বাঙালীর পিছিয়ে থাকা নিয়ে অরিনবাবুর সাথে একমত হলাম।
  • Aditi Dasgupta | ২৫ জুলাই ২০২৬ ২১:৪৫741954
  • দর্পণে নিজেকে দেখে খুব হাসলাম।একটু যেন লজ্জা লজ্জাও লাগলো।
  • অরিন | ২৬ জুলাই ২০২৬ ০৫:৫৮741964
  • kk, আপনার সঙ্গে একমত।
    ওটমিল পরিজ সততই অত‍্যন্ত সুস্বাদু বিশেষ করে মাখন আর বাদাম কিসমিস ফল সহযোগে করলে ঘন পায়েসের consistency মতন অত‍্যন্ত উপাদেয়। তবে ঐ আরকি তার টেক্সচার তৈরী করার একটা ব‍্যাপার আছে, সময় ও ধৈর্য লাগে।
    না হলে এই ভদ্রলোক যেমন লিখেছেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন