এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • পশ্চিমবঙ্গে বামপন্থা বনাম ফ্যাসিবাদ

    বই পুরুষ লেখকের গ্রাহক হোন
    ২১ জুন ২০২৬ | ২৩ বার পঠিত
  • পশ্চিম বঙ্গের 99% বামপন্থীরা সমাজতন্ত্র এবং সাম্যবাদের মধ্যে পার্থক্য জানে না। তাই গণতন্ত্র, সাম্যবাদ, পুঁজিবাদ, ফ্যাসিবাদ, জাতীয়তাবাদ, ও সমাজতন্ত্রকে মিলিয়ে মিশিয়ে একটা অদ্ভুৎ ধারনা তৈরি করে। যেটা ভ্রান্ত এবং বামপন্থীদের আদর্শগত প্রতিনিধিত্বের জন্যও অস্বচ্ছ। তাই অনেক সময় সাধারন মানুষের কাছে পশ্চিম বঙ্গের বামপন্থা বিভ্রান্তিকর বলে মনে হয়।

    প্রথমেই বলে রাখি সাম্যবাদ, সমাজতন্ত্র, ও পুঁজিবাদ এই তিনটেই হল অর্থনৈতিক ধারনা। যেখানে গণতন্ত্র, ফ্যাসিবাদ ও জাতীয়তাবাদ কোন অর্থনৈতিক ধারনা নয়। এবার সাম্যবাদ, সমাজতন্ত্র ও পুঁজিবাদের পার্থক্যগুলো একটু দেখে নেওয়া যাক।

    সাম্যবাদ: একজন ব্যক্তি সামাজিক কাজে সাধ্য মত অংশ গ্রহণ করে। এবং তার প্রয়োজন অনুসারে সে সামাজিক সুবিধাগুলি গ্রহণ করে। যেমন কোন ব্যক্তি তার সাধ্যমত পড়াশোনা করল। তারপর যোগ্যতার উপর ভিত্তি করে সে তার পেশা বেছে নিল। কিন্তু তার আয় তার পেশার ধরন অনুযায়ী বা তার কাজের গুণগত মান অনুযায়ী হবে না। তার আয় হবে তার ব্যক্তি প্রয়োজনীয়তা অনুসারে। যেমন একজন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগি, সে রোগের কারনে কাজ করতে অক্ষম। সেজন্য সে রোজগার করতে অক্ষম। কিন্তু সাম্যবাদী ধারনা অনুসারে তার চিকিৎসা হওয়ার প্রয়োজন আছে। তাই সে কাজ করতে অক্ষম হলেও, সমাজ তার চিকিৎসার জন্য তাকে বিনা কাজেই সামাজিক আয়ের ব্যবস্থা করে দেবে। এটাই সাম্যবাদ বা মার্কসবাদের মূল ধারনা।

    সমাজতন্ত্র: সমাজতন্ত্রের মূল ধারনাটি হল, প্রত্যেক ব্যক্তি তার যোগ্যতা অনুসারে কাজ করবে। এবং কাজের বিনিময়ে তার আয় নির্ধারন করা হবে। অর্থাৎ যে ব্যক্তি কাজ করতে অক্ষম, তার কোন সামাজিক আয় থাকবে না। রাষ্ট্র তার কল্যানের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করবে। এবং কাজের গুণগত মান অনুসারে কাজের দাম ঠিক করা হবে। কিন্তু সকল মানুষের সর্বাঙ্গীণ বিকাশের জন্য ন্যায্য মজুরির ধারনা সমাজতন্ত্রে দেওয়া হয়েছে।

    পুঁজিবাদ: পুঁজিবাদী সমাজে ব্যক্তির সামাজিক আয়ের চূড়ান্ত নির্ধারক হল ব্যক্তি পুঁজি। এই পুঁজি বলতে আর্থিক পুঁজিকেই বোঝানো হয়েছে। ব্যক্তির যোগ্যতা, গুণগত মান অনুসারে মজুরির দাম সহ সব কিছুই নির্ধারন করা হবে, নেগোসিয়েশন বা দরাদরি বা বোঝাপড়ার উপর নির্ভর করে। পুঁজিবাদের কোন গুণগত চরিত্রও থাকে না। বর্তমান পরিস্থিতির নিরিখে একটি উদাহরন দেওয়া যেতে পারে। আমাদের রাজ্যে যে হকার উচ্ছেদ করা হচ্ছে। এই হকারদের উচ্ছেদ করে যেসব বড় দোকান বসানো হচ্ছে, তাদের কাজটা কী? বা তারা কিসের ব্যবসা করে? দেখা যাবে হকাররা যে ব্যবসাটা করছিলো পুঁজিপতিরাও সেই একই ব্যবসা করছে। আরো সোজা ভাষায় বললে, পুঁজিপতিরাও হকারিই করছে। এর মাধ্যমেই বোঝা যায়, পুঁজির কোন চরিত্র হয় না।

    সাম্যবাদী সমাজে বা দেশে জিডিপি কার্যকরী নয়। জিডিপি সেই সমাজেই কার্যকরী যেখানে কাজের বিনিময়ে সামাজিক আয় প্রদান করা হয়। এবং প্রকৃত সাম্যবাদ তখনই সম্ভব যখন দেশ বলে আর কোন কিছু থাকবে না। পুরো পৃথিবীটাই একটি সমাজ বলে পরিগণিত হবে। আর এই জায়গা থেকেই উঠে আসে গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ও ফ্যাসিবাদের মত ধারনাগুলি। যে ধারনা অর্থনীতিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠেনি। বরং গড়ে উঠেছে কান্ট্রি বা ভূখন্ড কেন্দ্রিক দেশ বা রাষ্ট্রকে কেন্দ্র করে।

    এখন নীতি, নৈতিকতা ও আদর্শের মধ্যে পার্থক্যটাও একটু বুঝে নেওয়া যাক। তাহলে পরবর্তী আলোচনাগুলো করতে সুবিধা হবে।

    নীতি: একটি সরকার বা রাষ্ট্র যন্ত্র রাষ্ট্রের স্বার্থে যে যে নিয়ম, কার্যপ্রণালী বা কাজ করার ব্যবস্থা তৈরি করে। যে ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে রাষ্ট্র তার লক্ষ্যে পৌছাতে পারে। সেই নিয়ম, কার্যপ্রণালী বা ব্যবস্থাকেই বলা হয় নীতি। ইংরাজিতে পলিসি।

    নৈতিকতা: নৈতিকতাকে ইংরাজিতে বলা হয় এথিক্স। অর্থাৎ যেটা হওয়া উচিৎ। যেমন ভালো মানুষের পুরস্কার পাওয়া উচিৎ। দুষ্ট মানুষের শাস্তি পাওয়া উচিৎ। ইত্যাদি।

    আদর্শ: এক বা একাধিক বিশেষ ধারনা। যে ধারনাগুলি অনুসরন করলে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌছাতে পারা যাবে; বলে সেই আদর্শে বিশ্বাসী মানুষেরা মনে করে থাকেন। যেমন গণতন্ত্র, জাতিয়তাবাদ, ফ্যাসিবাদ, পুঁজিবাদ, সমাজতন্ত্র, সাম্যবাদ এগুলি সবই এক একটি আদর্শ। একটি আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য সেই আদর্শের সমর্থক এক বা একাধিক জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন হয়। আদর্শকে ইংরাজিতে বলা হয় আইডিওলজি।

    গণতন্ত্র: গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণ সরকার বা রাষ্ট্র যন্ত্রের নির্বাচন করে। এই নির্বাচিত রাষ্ট্র যন্ত্রই রাষ্ট্রীয় সমাজের স্বার্থে নীতি নির্ধারন করে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একাধিক আদর্শ থাকতে পারে। যেহেতু জনগণ পরোক্ষভাবে রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে। তাই জনগণের প্রয়োজন অনুসারে অন্য যেকোন আদর্শকে গণতন্ত্রে স্থান দেওয়া যায়। তাই দেখা গেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলি কোন না কোন সময়ে গণতন্ত্রের হাত ধরেই উঠে এসেছিল।

    জাতীয়তাবাদ: জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের মত যে কোন আদর্শকে স্থান দেওয়া হয় না। কেবলমাত্র সেই আদর্শগুলিকেই রাষ্ট্রে জায়গা দেওয়া হয় যেগুলি রাষ্ট্রের স্বার্থের পক্ষে সহায়ক। ভারত স্বাধীন হওয়ার পরবর্তী কালে জাতীয়তাবাদী শক্তি হিসেবে উঠে এসেছিলেন দেশের প্রাক্তন প্রাধান মন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি।

    ফ্যাসিবাদ: ফ্যাসিবাদে আবার জাতীয়তাবাদের মত একাধিক আদর্শ উপস্থিত থাকে না। কেবলমাত্র একটি আদর্শকে কেন্দ্র করে যখন কোন শক্তির অভ্যুত্থান হয়। সেই শক্তি বা রাষ্ট্রকে বলা হয় ফ্যাসিবাদী শক্তি বা রাষ্ট্র। যেমন আমাদের দেশের হিন্দুত্ববাদীরা। তারা মনে করে কেবল হিন্দুত্ববাদই রাষ্ট্রের চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌছানোর একমাত্র রাস্তা। একইভাবে ইসলামিস্টরাও ভেবে থাকেন। হিটলারও আর্য জাতির উত্থানের কথা বলেছিলেন। এরা সবাই ফ্যাসিস্ট শক্তি।

    বামপন্থা ও ফ্যাসিবাদ: বামপন্থা ও ফ্যাসিবাদের মূল সাদৃশ্য হল বামপন্থীরা সাম্যবাদের প্রতিনিধি ও অন্যান্য আদর্শগুলির বিরোধী। ফ্যাসিবাদীরা যেকোন একটি নির্দিষ্ট মতাদর্শের সমর্থক এবং অন্যান্য সবকটি মতাদর্শের বিরোধী। বৈসাদৃশ্যের দিক থেকে তুলনা করতে গেলে সাম্যবাদী মতাদর্শ ও ফ্যাসিবাদী মতাদর্শের পার্থক্যগুলিই হল বামপন্থা ও ফ্যাসিবাদের মূল বৈসাদৃশ্য।

    গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদ: গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদের মূল সাদৃশ্য হল দুটি মতাদর্শই একাধিক আদর্শে বিশ্বাসী। কিন্তু জাতীয়তাবাদ এই একাধিক আদর্শের মধ্যেও কেবল সেইসব আদর্শেই বিশ্বাসী যেগুলি সেই জাতি বা দেশের পক্ষে সহায়ক।

    পশ্চিম বঙ্গের বামপন্থী ও ফ্যাসিস্ট সমস্যা: যেহেতু বামপন্থীরা একটি নির্দিষ্ট মতাদর্শে বিশ্বাসী। তাই মার্কসবাদী ধ্যান ধারনার অভাবের জন্য পশ্চিম বঙ্গের বামপন্থী, বিশেষ করে মার্কসবাদীরা বামপন্থা ও ফ্যাসিবাদের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না। আমি নিজের অভিজ্ঞতায় এমন মার্কসবাদীদের চিনি, যারা প্রচন্ডভাবে ব্রাহ্মণ্যবাদী। এবং ব্রাহ্মণ্য জাতির শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাসী। সুতরাং একদিকে মার্কসবাদী শিক্ষার অভাব। অন্যদিকে আঞ্চলিক কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোড়ামি মিলে মিশে এক-আদর্শে বিশ্বাসী বামপন্থীদের আদর্শগত ভাবে হিন্দুত্ববাদী করে তুলেছে। এবং এটা খুব ভালোভাবে বোঝার প্রয়োজন আছে। এই বামপন্থীরা কোন বিশেষ সরকারি সুযোগ সুবিধা পাওয়ার জন্য তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেনি। বিশেষ সুযোগ সুবিধার জন্য যেকেউ তার অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে। তার জন্য বামপন্থী হওয়ার প্রয়োজন নেই। বামপন্থীদের অবস্থানের পরিবর্তনটা আদর্শগত। তারা কোন রকম সুযোগ সুবিধা না পেলেও হিন্দুত্ববাদী দেরই সমর্থন করবে। যে কারনে এই পরিবর্তনটা দীর্ঘস্থায়ী।

    সাংস্কৃতিক দিক থেকে বলতে গেলে, পশ্চিম বঙ্গের দীর্ঘ বাম শাসন কালের মধ্যে থেকে উঠে আসা বামপন্থীরা মার্কসবাদ বলতে বোঝে; একটি একমুখী মতাদর্শকে। এবার সেই মতাদর্শের আদর্শ কী? নীতিগুলি কী কী? সেই সম্বন্ধীয় জ্ঞান ও বিদ্যা 99% বামপন্থীরা অর্জন করে উঠতে পারেনি। কিন্তু একটি বিশেষ মতাদর্শের প্রতি সীমাহীন আনুগত্য, তাদের মধ্যে এখনো বিদ্যমান। এই ধরনের অবস্থা থেকেই মার্কসবাদ ও হিন্দুত্ববাদকে মিলিয়ে দেখার একটা প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এবং এই প্রবণতা শুধু হিন্দুত্ববাদীদের মধ্যেই নয় মুসলিম মৌলবাদীদের মধ্যেও বিদ্যমান। যেমন, বেদে মার্কসবাদ আছে। ইসলামে সুদের ব্যবসা করা পাপ; এই ধরনের ধারনাগুলো। যদি মার্কসবাদের কথা বলতেই হয়। তাহলে মার্কস তার স্টাডি শুরু করেছিল সভ্যতার প্রাচীনতম সময়কালের বিষয় নিয়ে। এর জন্য মার্কসবাদকে অনেক সময় সমাজতত্ত্বের ডারউইনবাদও বলা হয়ে থাকে। সেই হিসাবে দেখতে গেলে পৃথিবীর প্রতিটা প্রাচীন সভ্যতার মধ্যেই মার্কসবাদ আছে। যাই হোক, এর সাথে মার্কসের পাশে মা কালীর পুজো। একদিকে মার্কসবাদী অন্যদিকে দেহতত্ত্ব সাধন। সব মিলিয়ে মিশিয়ে বঙ্গ বামপন্থার মধ্যে আদর্শগত দিক থেকে হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসনের জমিটা আগে থেকেই তৈরি ছিল। এবং এই সুযোগটাকে হিন্দুত্ববাদীরা খুব চাতুর্যের সাথে ব্যবহার করেছে।

    ব্যবহারিক দিক থেকে বলতে গেলে, মার্কসবাদহীন বামপন্থা ও হিন্দুত্ববাদ এই দুটো মতাদর্শের মধ্যেই নাগরিকের আর্থিক নীতির চাইতে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নীতির উপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যার কারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে এক সময়কার নক্সাল পন্থীদের আস্তে আস্তে হিন্দুত্ববাদী হয়ে উঠতে দেখা যাচ্ছে। এরাও দেশের অর্থনীতির চাইতে রাজনীতি ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে রাখে। আমি এদের বলে থাকি আর্বান গুরুদেব। 'গলায় ঝোলানো লাল গামছার রঙ আস্তে আস্তে গেরুয়া হইয়া গেল। কিন্তু গামছাটা রাখতেই হবে। গামছা ছাড়া চলবে না।' বোঝার সুবিধার জন্য রূপক অর্থে ব্যবহার করলাম। সুতরাং পশ্চিম বঙ্গের এই 99% মার্কসবাদীরা বিজেপির জন্য বিপজ্জনক নয়। বরং সহায়ক। বিপজ্জনক 1% প্রকৃত মার্কসবাদ জানা মার্কসবাদীরা।

    অতএব পশ্চিম বঙ্গের বামপন্থার পুনর্জাগরণে আমি অন্তত বিশ্বাস করি না। বিশেষ করে সিপিএমের হাত ধরে। যারা প্রকৃত মার্কসবাদী আছে তাদেরকে অন্য পন্থায় এগোতে হবে। প্রয়োজন হলে অন্য রাজ্যের বামপন্থীদের হাত ধরতে হবে।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন