এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • রাস্তার নামকরণে বিভ্রাট

    অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৪ জুন ২০২৬ | ২২৫ বার পঠিত
  • সম্প্রতি কলকাতার একটি রাস্তার নাম পরিবর্তন নিয়ে খুব বিতর্ক হচ্ছে। রাস্তাটির নাম সোহরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউ। রাস্তাটি পার্ক স্ট্রিটের কাছে একটি রাস্তা। এই রাস্তার পাশে আছে লেফটেন্যান্ট কর্নেল স্যার হাসান সোহরাওয়ার্দির একটি অট্টালিকা। এটা থেকে অনেকে মনে করেন রাস্তাটি স্যার হাসান সোহরাওয়ার্দির নামেই। আবার অনেকেই মনে করেন রাস্তাটি তৎকালীন বঙ্গপ্রদেশের শাসক হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দির নামে হয়েছে। ক্যালকাটা গ্রেট কিলিংয়ের নায়ক এই হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দির নামে কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গ তথা গোটা ভারতবর্ষে কোথাও কোনো স্মৃতিফলক নেই। থাকার কথাও নয়। তবে আমাদের প্রতিবেশী বাংলদেশে "গণহত্যাকারী" হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দির নামাঙ্কনে হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ, উদ্যান, রাজপথ ইত্যাদি অনেক কিছু আছে। সেটাই স্বাভাবিক। ভারতে তথা পশ্চিমবঙ্গে সোহরাওয়ার্দিকে সুরাবর্দি নামে ডাকা হয়। সুরাবর্দি নামেই সবাই চেনে। তিনি ক্যালকাটা গ্রেট কিলিংয়ের কারণেই কুখ্যাত। অনুরূপ এই রাস্তার নাম পরিবর্তন করে যার নামে করা হচ্ছে, তিনিও ক্যালকাটা গ্রেট কিলিংয়ের কারণেই কুখ্যাত, তিনি হলেন গোপাল মুখার্জি, যিনি গোপাল পাঁঠা নামেই সর্বাধিক পরিচিত। বিজেপির সমর্থক ছাড়া তাঁকে নিয়ে কেউ সুখ্যাতি করে না।

    যাই হোক, "সোহরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউ" রাস্তাটার নামকরণ না হয়েছে ক্যালকাটা গ্রেট কিলিংয়ের নায়ক হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দির নামে, না হয়েছে স্বাধীনতা সংগ্রামী বীণা দাসকে ব্রিটিশশাসকের হাতে তুলে দেওয়া লেফটেন্যান্ট স্যার হাসান সোহরাওয়ার্দির নামে। রেকর্ড বলছে, এই রাস্তাটির নামকরণ করা হয়েছে মাওলানা ওবায়দুল্লাহ আল-ওবায়দি সোহরাওয়ার্দির নামে। এই নামটির প্রস্তাব দিয়েছিলেন তৎকালীন কাউন্সিলর শৈলেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। সময়টা ছিল ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ৮ মার্চ। কে ছিলেন মাওলানা ওবায়দুল্লাহ আল-ওবায়দি সোহরাওয়ার্দি? তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের বাংলার একজন অসামান্য শিক্ষাবিদ, লেখক ও সমাজসংস্কারক। আধুনিক ইসলামী শিক্ষার প্রসারে এবং তৎকালীন মুসলিম সমাজে শিক্ষার আলো ছড়াতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি তাঁর অগাধ পান্ডিত্যের জন্য "বাহর উল উলুম" (জ্ঞানের সমুদ্র) উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন। যার নাম পরিবর্তন করে গোপাল মুখার্জি রোড করা হচ্ছে, তিনি কে ছিলেন? তিনি কে ছিলেন আমি বলব না। তাঁর বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছেন সৌরভ গুহ। তাঁর দুটি বইয়ে গোপাল পাঁঠার সারাজীবনের কর্মকাণ্ড নিয়ে লিখেছেন। এখনো পর্যন্ত এই বইদুটিই অথেনটিক বলে মনে করি। (১) কলকাতার তলপেট : মস্তানির একাল সেকাল, (২) আলো আঁধারির গোপাল পাঁঠা। এখন আপনারাই ঠিক করুন রাস্তাটির নাম পরিবর্তন করে যাঁর নামে হল, তাঁর জন্য গর্বিত বোধ করবেন, না লজ্জিত বোধ করবেন।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অরিন | ২৪ জুন ২০২৬ ১৫:৩৮741348
  • মূর্খামীর অন্ত নেই, সেটাই তো মুশকিল। সুরাওয়ারদী পরিবারের দীর্ঘকালের ঐতিহ‍্য, এবং, এঁরা মোগল, পাঠান এ দুটির একটিও নন। সবচেয়ে দু:খের বিষয়, মুখ‍্যমন্ত্রীমশাই দেখছি নিজের জেলার লোকেদের সম্বন্ধেও জানেন না!
     
     
    কী বলবেন?
  • সৈকত রায় মহাশয় | ২৫ জুন ২০২৬ ১১:২৫741357
  • - রেকর্ড বলছে, এই রাস্তাটির নামকরণ করা হয়েছে মাওলানা ওবায়দুল্লাহ আল-ওবায়দি সোহরাওয়ার্দির নামে।
     
    কোথাকার রেকর্ড ? সেই রেকর্ড কি আপনি দেখেছেন? রেকর্ড আমিও দেখতে পাই নি তবে P. Thankappan Nair দেখেছেন। আর তিনি সেই রেকর্ড তাঁর “A History of Calcutta’s Streets” বইতে উদ্ধৃত করেছেন -
    “The Corporation in its meeting held on Wednesday, March 8, 1933 christened the new (100 feet) road constructed by the C.I.T. from Park Circus to the junction of Kasaipara Lane (and lying to the North of the park) on which stands the house of Sir Hassan Suhrawardy, Vice-Chancellor of Calcutta University as Suhrawardy Avenue. The new name was notified on April 20, 1933”
     
    আমি সে বইও দেখি নি, তবে এর রেফারেন্স দেখেছি এই নতুন পাঁঠামো শুরু হবার আগের এক অল্টনিউজ আর্র্টিকলেএতে কোনোরকম কনফিউশনের জায়গা নেই!
     
    আর এ ছাড়া কিছু একটা 'সারকামস্ট্যানশিয়াল এভিডেন্স'ও দিতে পারব। কয়েকটা তারিখ মিলিয়ে দেখে নিন।
    ৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২ - বীণা দাস স্ট্যানলি জ্যাকসনকে গুলি করতে গিয়ে দেশভক্ত উপাচার্য শ্রীহাসান সুরাবর্দির বাহুপাশে ধরা পড়েন।
    ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২ এই কীর্তির সুবাদেই সম্ভবতঃ তিনি তড়িঘড়ি নাইটহুড পান।
    আর পরের বছরই - তাঁর বাসাবাড়ির পাশের রাস্তায় নাম হয়ে যায় সুরাবর্দী রেভিনিউ
    ওবেদুল্লা সাহেব এর প্রায় পঞ্চ শত বৎসর পূর্বে পটলোত্তোলন করেছেন।
  • অরিন্দম | ২৫ জুন ২০২৬ ১১:৪০741358
  • এই রাস্তার নাম ব্রিটিশ আমলে ররা হয়েছিল, ব্রিটিশ কনভেনশন অনুযায়ী কোন জীবিত লোকের নামে রাস্তার নাম সাধারণত রাখা হয় না। সেদিক থেকে বিচার করলে অনির্বাণ বাবুর তথ্যই ঠিক মনে হয়। হাসান সুরাবর্দীর বাড়ী ও রাস্তায় হতে পারে তবে যেহেতু তিনি ১৯৩৩ সালে জীবিত ছিলেন আর মৌলানার এন্তেকাল হয়েছিল, সেই কারণে মনে হয় মৌলানার নামে রাস্তার নামকরণ হওয়াটাই আদবসঙ্গত।
  • সৈকত রায় মহাশয় | ২৫ জুন ২০২৬ ১১:৫৮741359
  • আদবকায়দার কথা বলতে পারব না কিন্তু তথ্য (যদি P. Thankappan Nair বাবুর বইয়ে ভুল না থাকে) বলছে কর্পোরেশান দস্তুর মতো নাম ধরে শ্রীহাসান সুহরাবর্দী উল্লেখ করেছে, ওবেদুল্লাহের নামোল্লেখ নেই।
     
    The Corporation in its meeting held on Wednesday, March 8, 1933 christened the new (100 feet) road constructed by the C.I.T. from Park Circus to the junction of Kasaipara Lane (and lying to the North of the park) on which stands the house of Sir Hassan Suhrawardy, Vice-Chancellor of Calcutta University as Suhrawardy Avenue.
     
    এই লাইনে যদিও রাস্তার নাম স্রেফ Suhrawardy Avenue বলে সেরে দেওয়া হয়েছে তথাপি নিতান্ত যদি মৌলানার নামেই রাস্তার নামকরণ করা হয়ে থাকত অন্ততঃ তাঁর নামটা উল্লেখ করা আদবসঙ্গত হত না কি ?
     
    নয়তো ও রাস্তা মৌলানা সুরাবর্দীর নামে হয়ে থাকার পক্ষে যা যুক্তি সেই একই যুক্তিতে সুফি সাধক আবু আল নাজিব সুরাবর্দী বা ওমর আল সুরাবর্দীর নামে অথবা ইতিহাসের আর যেকোন সুরাবর্দীর নামে হবারও কোনো বাধা নেই!
     
    আর তা ছাড়া বোম্বাইয়ের ভিক্টোরিয়া টার্মিনাস বা দিল্লীর কনো'ট প্লেস দস্তুরমত রানী ভিক্টোরিয়া আর ডিউক অফ কনো'ট বেঁচে থাকতেই নামকরণ করা হয়েছিল। কাজেই ব্রিটিশ কনভেনশন অত জোরালো ছিল বলে মনে হয় না!!
  • অরিন্দম | ২৫ জুন ২০২৬ ১২:১৮741361
  • হবে হয়ত।
    তবে কনট প্লেসের নাম কোন মানুষের নামে রাখা হয়নি আয়ারল‍্যাণ্ডের কনট কাউন্টির নামে রাখা হয়েছিল। আর ভিক্টোরিয়া টার্মিনালের নাম রাণীর করোনেশনের পঞ্চাশ বছরের সূত্রে রাখা হয়েছিল, ভিকটোরিয়া টারমিনাস রেলের স্টেশন, রাস্তা নয়।
  • বইয়ের রেফারেন্স | ২৫ জুন ২০২৬ ১২:৩১741362
  • এই ভিডিওতে পিটি নায়ার ছাড়াও আরেকজনের বইয়ের কথা বলা আছে।
     
  • বইয়ের রেফারেন্স | ২৫ জুন ২০২৬ ১২:৩৬741363
  • কলকাতার রাজপথ সমাজ ও সংস্কৃতিতে - অজিত কুমার বসু
  • সৈকত রায় মহাশয় | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:০৮741369
  • @অরিন্দম

    কনো'ট প্লেসের নাম কিন্তু ডিউক অফ কনো'টের নামে, কনো'ট কাউন্টির নামে নয়। প্রিন্স আর্থার ডিউক অফ কনোট স্বয়ং এর উদ্বোধন করেছিলেন। উইকিতেও দিব্য নেমড আফটার প্রিন্স আর্থার লেখা আছে।
     
    কিন্তু তবু বাদ দিন। কাউন্টার এক্সাম্পল হিসেবে দিল্লির কার্জন রোড, হার্ডিঞ্জ এভিনিউ, আরউইন রোড অথবা কিং জর্জ এভিনিউ চলতে পারে কি ?
  • অরিন্দম | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:২৬741371
  • নিশ্চয়ই চলতে পারে।
    তবে কনট প্লেসের কথা উঠলে বলতেই হবে ডিউক অফ কনট যেই হোন না কেন, কনট প্লেসের নাম তাঁর নামে কিন্তু হয়নি, কনট বলে জায়গাটির নামে হয়েছে। আমি বলছি না, আপনি নিজেই লিখেছেন, :-)
  • সৈকত রায় মহাশয় | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:৫৮741373
  • কনো'ট প্লেসের নাম যাই হোক আমার মূল বক্তব্য - যে জীবিত ব্যক্তির নামে জায়গার নাম না রাখার ব্রিটিশ ট্র্যাডিশন খুব আয়রনক্ল্যাড কিছু নয় - তাতে হেরফের হয় না।
     
    আর কনো'ট প্লেসের নাম ডিউঁক অফ কনো'ট এর নামেই দেওয়া হয়েছিল বলে জানি, কনোট কাউন্টিটির নামে নয়। তবে সে আলাদা বিতর্ক। আপনি বলতে পারেন কাউন্টির নামে ডিউকের নাম, ডিউকের নামে কনোট প্লেসের নাম - অতএব কাউন্টির নামে কনো'ট প্লেসের নাম। ট্র্যান্সিটিভ প্রপার্টি - আপত্তি করব না।
  • অরিন্দম | ২৫ জুন ২০২৬ ১৫:২৬741375
  • অবশ্যই।
    Ironclad তো নয়ই, তা জীবনের কোন ব্যাপারই বা সে অর্থে ironclad? ওপরে দেখুন, আমি লিখেছি conventional। সাধারণত জীবিত লোকের নামে রাস্তার নাম রাখে না। সেভাবে ভাবলে এখানেও পরিবারের নামেই রাস্তার নাম রাখা হয়েছিল সুরাবর্দী অ্যাভিনিউ, কোন ব্যক্তিবিশেষের নামও দেওয়া হয়নি। এমনকি নাম বদলের গোপাল মুখোপাধ্যায়ও বেঁচে নেই। তিনি যতদিন বেঁচে ছিলেন, বিজেপি তাঁকে নিয়ে বিশেষ খাতির বা সম্মান দিয়েছে বলেও তো শুনিনি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল প্রতিক্রিয়া দিন